আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

এক কবুতরের দাম ১৬ কোটি টাকারও বেশি!

লাখ তো নয়ই এক-দুই-তিন কোটিও নয়; নিউ কিম নামের একটি কবুতর বিক্রি হয়েছে ১৬ কোটিরও বেশি টাকায়। দুই বছর বয়সী ওই মেয়ে কবুতরটিকে সম্প্রতি বিক্রির জন্য নিলামে তোলা হয়েছিল। রোববারের ওই নিলামে ১৯ লাখের বেশি ডলার দাম হেঁকে কবুতরটি কিনে নিয়েছেন চীনের একজন ধনী ব্যক্তি।

বিবিসির সোমবারের এক অনলাইন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিউ কিম নামের এই কবুতর সাধারণ নয়; একটি বিশেষ প্রজাতির একটি কবুতর। যার পরিচয় ‘রেসিং পিজন’ হিসেবে। আর এটি ছিল রেসিং পিজন বিক্রির ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড। এই বিশেষ প্রজাতির কবুতরের কাজ হলো ওড়ার প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া।

সাধারণত কবুতরগুলোকে একশো থেকে এক হাজার দূরত্বের কোন স্থানে ছেড়ে দেয়া হয়। সবার আগে উড়ে যে বাড়ি পৌঁছাতে পারবে সে বিজয়ী। মোটা অংকের অর্থ মিলবে তার মালিকের। কবুতরদের এই প্রতিযোগিতায় সর্বশেষ বিজয়ী আর্মান্ডো, যাকে পরে ফর্মুলা ওয়ান রেস চ্যাম্পিয়ন লুইস হ্যামিলটনের নামে নামকরণ করা হয়।

নিউ কিমও ২০১৮ সাল থেকে বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতায় জিতেছে এবং এরপর অবসরে গেছে। অবসর জীবনে বেশ কিছু ছানার জন্ম দিয়েছে কবুতরটি। নিউ কিমের মালিক একটি বেলজিয়ান পরিবার। নিলামে বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে কবুতরটি বিক্রি হওয়ায় পরিবারটি রীতিমতো বিস্মিত।

যে চীনা ধনাঢ্য ব্যক্তি কবুতরটি কিনেছে তার শখ হল রেসিং পিজন সংগ্রহ করা। এ ছাড়া চীনে সম্প্রতি পিজন রেসিং খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। নিউ কিম মেয়ে কবুতর হওয়ায় তার দাম এত বেশি হয়েছে কারণ তাকে এই প্রজাতির কবুতর প্রজননে কাজে লাগানো যাবে।

নিলামে বিজয়ী চীনা নাগরিক নিউ কিমকে এই প্রতিযোগী প্রজাতির কবুতর প্রজননে কাজে লাগাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কবুতর কিনলেও চীনা ওই ব্যক্তি নিজের নাম-পরিচয় কিছুই প্রকাশ করেননি।

নিলাম প্রতিষ্ঠান পিপার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং প্রতিষ্ঠাতা নিকোলাস গাইজেলব্র্যাচ্ট বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘এই রেকর্ড দামে কবুতর বিক্রি আসলে অবিশ্বাস্য। কারণ এই কবুতরটি নারী। সাধারণত পুরুষের চেয়ে মেয়ে কবুতরের বেশি মূল্য হয়ে থাকে। কারণ এরা সন্তানের জন্ম দিতে পারে।’

পরিবেশ

তামিলনাড়ু-পুদুচেরি উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় নিভার

ভারতের উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় নিভার। বুধবার তামিলনাড়ুর মারাক্কানম ও পুদুচেরির মধ্যবর্তী অঞ্চলে রাত এগারোটার দিকে তাণ্ডব শুরু করে শক্তিশালী এই ঝড়।

আবহাওয়া দফতর এর আগে জানিয়েছে, প্রায় তিন ঘণ্টায় এর কেন্দ্র পুদুচেরি অতিক্রম করে যাবে। সে সময় বাতাসের গতিবেগ সর্বোচ্চ ১৪৫ কিলোমিটার হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগে থেকেই চেন্নাইসহ রাজ্যের একাধিক জেলায় শুরু হয় তীব্র বৃষ্টি। রাস্তাঘাট পানিতে ভরে গেছে। যানবাহনের সংখ্যাও খুবই কম। রাতের দিকে ঝড়ের তাণ্ডব বাড়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

এখন পর্যন্ত রাজ্যের কয়েক লাখ মানুষকে উপকূলবর্তী এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে তামিলনাড়ু সরকার। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের মন্ত্রী আর বি উদয়কুমার জানিয়েছেন, বেশিরভাগ মানুষকে চেন্নাইয়ের দক্ষিণের নাগাপট্টিনম ও কাড্ডালোর জেলা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় তামিলনাড়ু উপকূলে রণতরী আইএনএস জ্যোতি মোতায়েন করেছে নৌবাহিনী। খাবারসহ উদ্ধারকাজের বিভিন্ন সরঞ্জাম রাখা হয়েছে ওই জাহাজে।

ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় চেন্নাই বিমানবন্দর সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া চেন্নাইয়ের অধিকাংশ বড় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ু সরকারের পক্ষ জানানো হয়েছে, রাজ্যে ইতোমধ্যেই ১৫০টি ত্রাণ শিবিরকে তৈরি রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তামিলনাড়ুর বাস পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে সব রকমের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে পুদুচেরিতে। এ সময়ে সব দোকান বন্ধ থাকবে। তবে দুধের দোকান, পেট্রোল পাম্প খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে বিমানের ৪৯টি ফ্লাইট।

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা হিসেবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী কে পালানিস্বামী বৃহস্পতিবার ১৩ টি জেলায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছেন। পুদুচেরিতেও সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

যমুনার চরে মিলল সাড়ে ১০ ফুট লম্বা অজগর

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সোহাগপুর যমুনার চর থেকে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় সাড়ে ১০ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৩ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ‘দ্য বার্ড সেফটি হাউস’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা সোহাগপুর যমুনার চর থেকে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন।

এলাকাবাসী জানায়, রোববার (২২ নভেম্বর) বিকেলে গ্রামের জমির মধ্য একটি অজগর সাপ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে কিছু লোক ভয় পেয়ে সাপটির মাথায় টেঁটা দিয়ে আঘাত করে। রাত ৮টার দিকে দ্য বার্ড সেফটি হাউসের চেয়ারম্যান মামুন বিশ্বাস বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি ফোনে স্থানীয়দের বন্যপ্রাণী আইনের বিষয়ে জানালে তারা সাপটি তাদের হেফাজতে রাখেন। সোমবার বেলা ১১টার দিকে মামুন বিশ্বাস ও জুবায়ের হোসেন চর থেকে আহত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে দ্য বার্ড সেফটি হাউসের চেয়ারম্যান মামুন বিশ্বাস বলেন, খবর পেয়ে আমি ও জুবায়ের অজগর সাপটি উদ্ধার করার জন্য সোহাগপুর চরে যাই। সেখানে গিয়ে সাপের অবস্থা মারাত্মক হওয়ায় কিছু ছবি তুলে রাজশাহী বিভাগীয় বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবিরের কাছে পাঠিয়ে দেই। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা অজগর সাপটি সামাজিক বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হৃষীকেস চন্দ্র রায়, এম এল এস নবুয়াত, শাহজাদপুর পি এম রশিদুল হাসানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সাপটি বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় উপযুক্ত চিকিৎসা ও পরিচর্যার জন্য রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

পেঁয়াজ চাষে ২৫ কোটি টাকা প্রণোদনা

লেখক

উৎপাদন বাড়াতে পেঁয়াজ চাষিদের বীজ কিনে দেবে সরকার। আগামী মৌসুমে চাষের জন্য ২৫ কোটি টাকার বীজ সরবরাহ করা হবে। গতকাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয় পেঁয়াজ চাষিদের প্রণোদনা হিসেবে বীজ কিনে দেওয়ার জন্য এই অর্থ অনুমোদন করেছে। শিগগিরই কৃষি মন্ত্রণালয় চাষিদের কাছে বীজ পৌঁছে দেবে। কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে কৃষি সচিব মেজবাহুল ইসলাম সমকালকে বলেন, চাষিদের প্রণোদনা হিসেবে পেঁয়াজের বীজ কিনে দেওয়া হবে। এজন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আগামী মৌসুম শুরুর আগেই বীজ সংগ্রহ করে চাষিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

সংশ্নিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী চার বছরে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এজন্য এ বছরই ১২ হাজার ১২ হেক্টর জমিতে চাষ বাড়ানো হচ্ছে। আগামী মৌসুমে দুই লাখ ৫০ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের চাষ করা হবে। পর্যায়ক্রমে চাষ আরও বাড়ানো হবে। চেষ্টা রয়েছে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর। বর্তমানে প্রতি হেক্টরে ১০ দশমিক ৭৯ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। আগামী মৌসুমে এই পরিমাণ বাড়িয়ে ১১ টন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আগামী মৌসুম থেকে ২৯ লাখ পাঁচ হাজার ৫৪০ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া চাষিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ও উন্নত দেশের পেঁয়াজ কাটা ও সংগ্রহ পদ্ধতির ভিডিও দেখিয়ে দক্ষতা বাড়ানো হবে। যাতে সংগ্রহকালীন সময়ে পচে ও শুকিয়ে নষ্ট হওয়ার পরিমাণ কমবে। এ ছাড়া গ্রীষ্ফ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের উদ্যোগ রয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের। মন্ত্রণালয় আগামী গ্রীষ্ফ্মে পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে এ ধরনের পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্য নিয়েছে। তবে গ্রীষ্ফ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বীজ মন্ত্রণালয়ের হাতে নেই। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মেহেরপুর জেলা থেকে মাত্র এক টন বীজ পাওয়ার আশা করছে। এই বীজ পাওয়া গেলে ২৫০ থেকে ৩০০ হেক্টর জমিতে রোপণ করা যাবে। তবে মন্ত্রণালয়ের চেষ্টা রয়েছে, ভারতের রাজস্থান থেকে এ জাতীয় বীজ আমদানি করার। উল্লেখ্য, প্রতি হেক্টর জমিতে চাষের জন্য সাড়ে সাত কেজি থেকে সর্বোচ্চ ১০ কেজি পর্যন্ত বীজ লাগে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হাসানুজ্জামান কল্লোল সমকালকে বলেন, এর আগে কৃষকদের বীজ দেওয়া হয়নি। এখন যেহেতু সরকার পেঁয়াজ চাষে উৎসাহিত করছে, সেজন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সার দেওয়ারও উদ্যোগ রয়েছে।

সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, বাড়তি চাষ, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নষ্ট থেকে বাঁচানোর মাধ্যমে দুই লাখ ১০ হাজার টন পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়বে। আর গ্রীষ্ফ্মকালীন চাষ ঠিকভাবে করা গেলে আরও ৪২ হাজার টন উৎপাদন হবে। গত দুই বছর আমদানি নির্ভরতার কারণে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা দেখা যায়। দেশের চাহিদা মেটাতে বছরে প্রায় ১০ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। যার সিংহভাগ আসে পার্শ্ববর্তী ভারত থেকে। দু’বছর ধরে দেশটি অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যের রপ্তানি বছরের একটি সময় বন্ধ রাখছে। এতে বাংলাদেশের বাজারে সরবরাহ কমে দাম বেড়ে যাচ্ছে। মিয়ানমার, চীন, পাকিস্তান, মিসর, তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেও বাজার সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। গত বছর পেঁয়াজের দাম ৩০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। এ বছর ভারত রপ্তানি বন্ধের পরপরই ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। পরে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়ানোর মাধ্যমে দাম কিছুটা কমলেও এখনও ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ রকম পরিস্থিতিতে সরকার এ পণ্যটিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করার উদ্যোগ নিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

বোরো বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত চলনবিলের কৃষকরা

লেখক

করোনাকালীন সময়ে অতিরিক্ত খাদ্যশস্য উৎপাদনে বোরো আবাদকে সামনে রেখে চলনবিলের কৃষকরা বোরো বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বীজতলা তৈরি ও বীজ ছিটানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন তারা।

কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর চলনবিলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর, পাবনার ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, চাটমোহর, নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর ও নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা রুহাই গ্রামের কৃষক আয়নাল হোসেন জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠে বোরো আবাদের জন্য তারা বোরো বীজতলা তৈরি করছেন। ইতিমধ্যেই যে সকল জমিতে রবিশষ্য আবাদ হচ্ছে না সে সকল জমিতে প্রথমদিকে পৌষ মাসের শুরুতেই যাতে ধান রোপন করা যায় সে জন্য তারা দ্রুতগতিতে বীজতলায় বীজ ছিটাচ্ছেন।

তাড়াশের লালুয়ামাঝিড়া গ্রামের কৃষক ফরহাদ হোসেন জানান, চলনবিলের প্রত্যন্ত এলাকার আবাদী জমির জন্য ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০-৫০ ভাগ বোরো বীজতলায় বীজ ছিটানো হয়েছে। যা আগামী এক মাসের মধ্যে বীজতলা থেকে বীজ তুলে জমিতে লাগানো সম্ভব হবে। 

এদিকে স্থানীয় বীজ ব্যাবসায়ীরা জানান, বর্তমানে চলনবিলের হাঁট-বাজারে বোরো বীজের বিক্রি বেড়ে গেছে। আর স্থানীয় কৃষকরা বলেন, বোরো বীজের মূল্য তাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে। ফলে এলাকায় বোরো বীজের কোনো সংকট নেই।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফুলন্নাহার লুনা জানান, চলনবিলের ফসলি মাঠে বোরো বীজতলা তৈরিতে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। বোরো বীজের কোনো সংকট না থাকায় এ বছর চলনবিল অঞ্চলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বোরো আবাদ করা সম্ভব হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বন্যহাতি হত্যা প্রতিরোধে ব্যর্থদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বর্তমান সরকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নিরলসভাবে কাজ করছে। কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ দেশের কিছু এলাকায় বিভিন্ন কারণে বন্যহাতি হত্যা করা হচ্ছে। এসব বন্যহাতি নিধন প্রতিরোধে ব্যর্থ এবং দায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, বন্যহাতি হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনায় আয়োজিত মাসিক সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এতে সভাপতিত্ব করেন তিনি।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ড. মো. বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আহমদ শামীম আল রাজ, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. এ, কে, এম রফিক আহাম্মদ, বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসেন চৌধুরীসহ দফতর প্রধান ও বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

বনমন্ত্রী জনসাধারণকে বন্য হাতি নিধন থেকে বিরত রাখতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বন্য হাতির কারণে ক্ষতির সম্মুখীন মানুষদের সরকারের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টি সবাইকে জানাতে হবে। হাতিসহ অন্য বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী জানান, রোহিঙ্গাদের আবাসস্থল তৈরি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে হাতির আবাসস্থল বিনষ্ট ও বিভক্ত হয়েছে। তাদের দীর্ঘকালীন পরিচিত চলাচলের পথও নষ্ট হয়েছে। ফলে বন্য হাতিরা পথভ্রষ্ট হয়ে অথবা খাবারের খোঁজে মানুষের ধানক্ষেতে ঢোকার চেষ্টা করে। ফলে স্থানীয় মানুষের পাতানো বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বা নানাবিধ আক্রমণে তারা মারা যাচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com