আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

ঋণাত্মক

ঋণাত্মক
ঋণাত্মক

এত দিন নিয়ম ছিল, কোনও শিল্পসংস্থা বনভূমির অংশবিশেষ পরিষ্কার করিয়া ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ব্যবহার করিলে বন দফতরকে ক্ষতিপূরণের অর্থ দিবে। শুধু তাহাই নহে, শিল্পসংস্থাটিকেই নির্বাচন ও অধিগ্রহণ করিতে হইবে অন্য ভূমিখণ্ড, যেখানে বন দফতর নূতন করিয়া বনসৃজন করিবেন। এই বন্দোবস্তেই বদল আসিতেছে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের অধীন ফরেস্ট অ্যাডভাইজ়রি কমিটি সম্প্রতি সবুজ সঙ্কেত দিয়াছে ‘গ্রিন ক্রেডিট’ প্রকল্পকে। যাহা ছিল একান্তই সরকারের কাজ, এই প্রকল্পের অধীনে তাহাই করিতে পারিবে কোনও বেসরকারি সংস্থা। তাহারাই জমি বাছিবে, গাছ লাগাইবে, কাজ দেখিয়া ঠিক মনে হইলে ও বন দফতরের শর্ত পূরণ করিলে তিন বৎসর পরে তাহা ‘সম্পূরক বনভূমি’র মর্যাদা পাইবে। বনভূমি হইতে লব্ধ অর্থকরী যাহা কিছুই, বেসরকারি সংস্থাটি চাহিলে তাহা লইয়া বাণিজ্য করিতে পারিবে, অপর কোনও শিল্পসংস্থা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ইহাদের নিকট হইতে সেই ভূমিখণ্ড ক্রয়ও করিতে পারিবে। অর্থাৎ বনভূমিকে দেখা হইতেছে একটি পণ্য হিসাবে। সরকারের ঘর হইতে ছাড়িয়া দিয়া, বেসরকারি হস্তে সঁপিয়া বাণিজ্যও হইল, নূতন বনসৃজনও হইল। পরিবেশ বাঁচিল, আবার শিল্পসংস্থার উন্নয়নকার্যও বহাল রাখিল!

সমস্যা রহিয়াছে। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যে অরণ্য কাটা পড়িল, আর সম্পূরক বনভূমি বলিয়া যাহা সৃষ্টি হইল, তাহার চরিত্র এক নহে। অরণ্য বহুমাত্রিক, তাহাতে শতসহস্র তরুলতাবৃক্ষের অবস্থিতি। বেসরকারি সংস্থা জমি অধিগ্রহণ করিয়া যাহা করিবে তাহা বৃক্ষরোপণ, মূলত একই ধরনের গাছ লাগাইবার কাজ। হয়তো সমগ্র ভূমিতে সারি সারি ইউক্যালিপটাস রোপণ হইল। তাহা কি পরিণত অবস্থাতেও কখনও অরণ্যের সমান বা সমকক্ষ হইতে পারে? যে হেতু বেসরকারি সংস্থার গাছ লালনপালন করিয়া বড় করিবার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বরাদ্দ, তাই নানান প্রজাতির গাছ না লাগাইয়া একটি-দুইটি প্রজাতির গাছ— যাহারা অনায়াসে বা অল্প আয়াসে বড় হয়— লাগাইবার প্রবণতা থাকিবে। গত বৎসর প্রকাশিত ‘স্টেট অব ফরেস্ট রিপোর্ট’ হইতে প্রাপ্ত তথ্য, দেশে সবুজের বিস্তৃতি বাড়িয়াছে। এই সবুজের মধ্যে অনেকাংশেই কিন্তু বাণিজ্যিক বৃক্ষরোপণ; প্রকৃত অর্থে ‘গভীর অরণ্য’ যাহা, তাহার পরিধি ক্রমেই কমিতেছে। গ্রিন ক্রেডিট দিয়া বেসরকারি সংস্থাকে কাজ ছাড়িয়া দিলে বৃক্ষরোপণ হইবে বটে, বনসৃজন কতখানি হইবে বলা মুশকিল। অরণ্য কেবল অক্সিজেনই দেয় না, বহুবিধ প্রাণকে আশ্রয় দেয়, জীববৈচিত্রকে ধরিয়া রাখে। একধর্মী বৃক্ষরোপণে শত প্রাণের পরিপুষ্টি সাধন অসম্ভব।

বাণিজ্যিক দিকটি লইয়াও নিঃসন্দেহ হওয়া যাইতেছে না। যে বেসরকারি বা শিল্পসংস্থা এই কাজে যোগ দিবে, তাহাদের সামগ্রিক দায়বদ্ধতা থাকিবে তো? অরণ্যবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষিত হইবে তো? বন দফতর এত সব নজরে রাখিতে গিয়া নিজেদের কার্যে পিছাইয়া পড়িলেও গোল বাধিবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বেসরকারিকরণ লইয়া বিতর্ক কম নাই। তাহার উপরে আছে পছন্দের বেসরকারি সংস্থাকে ‘পাইয়া দিবার’ অভিযোগ, যাহা আদৌ ভিত্তিহীন নহে। সমস্ত সামলাইয়া সবুজের অভিযান সফল হইবে কি না, প্রশ্নচিহ্ন থাকিয়া গেল। 

দৈনন্দিন

কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে যা করবেন, যা করবেন না

কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে যা করবেন, যা করবেন না

যেকোনো সমস্যাই প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে তার সমাধান সহজ হয়। কিন্তু দেরি হয়ে গেলে আরও বেশি জটিলতা দেখা দেয়। কোষ্ঠকাঠিন্যকে প্রথম দিকে আপনার কাছে খুব সাধারণ সমস্যা মনে হতে পারে। আপনি বেখেয়ালে এড়িয়েও যেতে পারেন। কিন্তু পরবর্তীতে এটিই হতে পারে বড় ভোগান্তির কারণ। এই সমস্যা দূরে রাখতে আপনার অভ্যাসই যথেষ্ট। এর মূলে আছে ভুল খাদ্যাভ্যাস। অনেকেই শাক-সবজির বদলে মুখরোচক ভাজাপোড়া নানা খাবার খেতে ভালোবাসেন, পানি পানও করেন না যথেষ্ট। তাই মেনে চলতে হবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কী মেনে চলতে হবে তা প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা-

* দিনে ৩-৩.৫ লিটার পানি পান জরুরি।

* প্রতিদিনের খাবারে রাখুন একাধিক শাক-সবজি। মৌসুমী সব ধরনের শাক-সবজি খাবেন। ঢেঁড়স পাতে রাখুন। কারণ এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সারিয়ে তোলে।

* দুপুরের খাবারে সব রকম শাক রাখার চেষ্টা করুন। অনেক বেশি নয়, পরিমাণমতো খাবেন। এটি মল নরম করতে সাহায্য করবে।

* কুমড়ো, লাউ, পটলসহ সবরকম খেতে হবে। যেসব সবজির খোসা খাওয়া যায়, সেগুলো খোসাসহ খাওয়া উচিত।

 শসা খান খোসাসহ। কলা, পেয়ারা, লেবু, আম, জামসহ বেশির ভাগ ফলেই ফাইবার আছে। নিয়ম করে দিনে ৩-৪টি ফল খেলে ভালো হয়।

* মলত্যাগের জন্য দীর্ঘ সময় বসে চাপ দেবেন না, এতে সমস্যা বাড়ে।

* ধূমপানের অভ্যাস ছেড়ে দিতে হবে। মদ্যপানেও সমস্যা বাড়ে। মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।

* ভাজাভুজি খাওয়া যাবে না। কাবাবের মতো ঝলসানো মাংস খাবেন না।

* ময়দার খাবার খেলে সমস্যা বাড়ে। সুতরাং ময়দার তৈরি খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। পরিবর্তে খই, ওটস খেতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ওজন কমাতে রাতে রুটি খাবেন না-কি ভাত?

ওজন কমাতে রাতে রুটি খাবেন না-কি ভাত?

ওজন কমানোর পরিকল্পনা সফল করার জন্য বেশিরভাগ সময়েই কার্ব গ্রহণ কমিয়ে প্রোটিনের ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়। তবে আমাদের দেশে তিনবেলার মূল খাবারেই শর্করা বোঝাই ভাত কিংবা রুটি থাকে। তাই এই পুষ্টি গ্রহণকে সীমাবদ্ধ করা একটি চ্যালেঞ্জের কাজ হতে পারে। আমাদের খাবার থেকে এগুলো পুরোপুরি বাদ দেয়া অসম্ভব। এক্ষেত্রে যা করা যায় তা হলো পরিমিতভাবে খাওয়া। তবে বেশিরভাগ মানুষই রাতের খাবারে কী খাওয়া উচিত তা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যান।

আমরা সবাই জানি যে রাতের খাবার হালকা হওয়া উচিত, সেই চেষ্টাও থাকে অনেকের। তবে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে রাতের খাবারে কোনটি খাওয়া ভালো? রুটি না-কি ভাত? সে সম্পর্কে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডি

ভাত বনাম রুটি
মূলত ভাত এবং রুটির পুষ্টিগুণে খুব বেশি পার্থক্য নেই। উভয়ই শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ দ্বারা পাওয়া যায় এবং একমাত্র প্রধান পার্থক্য হলো সোডিয়াম সামগ্রী। ভাতে নগদ পরিমাণে সোডিয়াম থাকে তবে ১২০ গ্রাম, যেখানে গমে ১৯০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম থাকে।

সাদা চালের ভাতে অত্যাবশ্যক পুষ্টিকর উপাদানগুলো ছেটে ফেলা হয় যা তুষ এবং জীবাণুতে উপস্থিত থাকে। সুতরাং, এতে আরও ক্যালোরি এবং কম পুষ্টি রয়েছে। ৬০ গ্রাম চালে ৮০ ক্যালোরি, ১ গ্রাম প্রোটিন, ০.১ গ্রাম ফ্যাট এবং ১৮ গ্রাম কার্বস থাকে।

পুষ্টির মান
রুটি গম থেকে তৈরি তাই এতে চালের তুলনায় বেশি পুষ্টি থাকে। একটি ছোট ৬ ইঞ্চি পরিমাপের রুটিতে প্রায় ৭১ ক্যালোরি, ৩ গ্রাম প্রোটিন, 0.৪ গ্রাম ফ্যাট এবং ১৫ গ্রাম কার্বস থাকে। ভাতের তুলনায় রুটিতে ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ কম থাকে। চাল এবং গম উভয়েই একই পরিমাণ ফোলেট এবং আয়রন থাকে।

কোনটি ভালো?
ডায়েটিশিয়ানদের মতে, ভাত এবং রুটি- দুটোরই নিজস্ব স্বাস্থ্য সুবিধা রয়েছে। একদিকে, চাল এবং ডাল একসাথে সমস্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড ধারণ করে এবং প্রোটিনের একটি সম্পূর্ণ উৎস তৈরি করে, যা বেশিরভাগ উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্য আইটেমগুলোতে অনুপস্থিত। অন্যদিকে, যব, কিংবা গম দিয়ে তৈরি রুটি আপনাকে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং দস্তা জাতীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে।

স্বাস্থ্যের জন্য উভয়ই ভালো এবং এগুলো দিনের খাবারেও খাওয়া যেতে পারে। তবে খুব বেশি খাওয়া উচিত নয়। রাতের খাবার ৮ টার মধ্যে সেরে নেয়া উচিত। গভীর রাতে কার্ব সমৃদ্ধ খাবার খেলে তা শরীর ফুলে যাওয়ার কারণ হতে পারে এবং শরীরের দ্বারা পুষ্টির শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

প্রতিদিন কী পরিমাণ রুটি কিংবা ভাত খাওয়া উচিত?
ভাতের তুলনায় রুটি বেশি সময় পেট ভরিয়ে রাখে। দুটি রুটি খেলেই পেট ভরে যায় অনেক সময়, কিন্তু ভাতের ক্ষেত্রে এমন হয় না। এর কারণ হলো, গমের তুলনায় ভাত কম ডায়েটরি ফাইবার, প্রোটিন এবং ফ্যাট ধারণ করে।

বড় একথালা ভাতে ৪৪০ ক্যালোরি থাকে যা আপনার প্রতিদিনের ক্যালোরি গ্রহণে প্রোটিনের বড় অংশ হতে পারে। ওজন কমানোর জন্য আপনার উচিত আধা বাটি ভাত বা দুটি রুটি খাওয়া।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ত্বক উজ্জ্বল করবে রাইস ওয়াটার

ত্বক উজ্জ্বল করবে রাইস ওয়াটার

আমাদের দেশে দিনে অন্তত একবেলা ভাত রান্না হয় না, এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ভাত রান্নার সময় চাল ধোয়া পানি প্রায় সবাই ফেলে দেন। কিন্তু এই সাধারণ জিনিসটি হতে পারে আপনার রূপচর্চার অংশ। নিয়মিত এর ব্যবহারে ত্বক হবে উজ্জ্বল আর প্রাণবন্ত। পাশাপাশি দূর হবে ব্রণের মতো সমস্যাও। আবার ভাত রান্না শেষে যে মাড় আমরা ফেলে দেই, সেটিও কিন্তু ঠান্ডা করে রূপচর্চায় ব্যবহার করা যায়।

ত্বক সুস্থ রাখার পাশাপাশি সুন্দরও রাখতে চাইলে আস্থা রাখতে পারেন রাইস ওয়াটারে। এই ফেলনা জিনিসটি আপনার ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর করে চমকে দেবে! চাল তো আছেই বাড়িতে, আজই তবে তৈরি করে রাখুন রাইস ওয়াটার আইস কিউব। আর নিয়মিত ব্যবহার করে পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত ত্বক।

যেভাবে ব্যবহার করবেন
একটি বাটিতে আধাকাপ চাল নিন এবং ২ কাপ ফিল্টার করা পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। কয়েক ঘণ্টা পর চাল থেকে পানি ঝরিয়ে নিয়ে সেই পানি আইস কিউব ট্রেতে রাখুন এবং ফ্রিজে রেখে জমিয়ে নিন। এরপর প্রতিদিন সকালে সেই আইস কিউব বের করে মুখে আলতো করে ম্যাসেজ করুন।

চাল ধোয়া পানির আইস কিউব আপনার মুখের ব্রণ সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ও প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক উজ্জ্বল হবে। এর ফলে ত্বক নরম এবং কোমল অনুভূত হবে। শুধু তাই নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন হিসেবেও কাজ করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনাকালে সুস্থ থাকতে যে কাজগুলো করবেন

করোনাকালে সুস্থ থাকতে যে কাজগুলো করবেন

করোনাভাইরাস আতঙ্ক কাটেনি এখনও। কবে নাগাদ পৃথিবী পুরোপুরি করোনামুক্ত হবে, তা জানেন না কেউ। এই অসুখ থেকে বাঁচতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকা প্রয়োজন। তাই আপনার সচেতনতাই পারে করোনা থেকে দূরে রাখতে। নিয়ম মেনে চলা, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা ও মানসিক সুস্থতা- এই তিন জিনিস এখন সবচেয়ে জরুরি। করোনা থেকে বাঁচতে কিছু কাজের দিকে মনোযোগ দেয়ার কথা প্রকাশ করেছে এনডিটিভি।

প্রকৃতির কাছাকাছি থাকুন
মন খারাপ কাটাতে অনেকেই প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে চায়। ঘন সবুজের দিকে তাকিয়ে থাকলে মন তো ভালো হয়ই, উপকার মেলে দৃষ্টিশক্তিরও। তবে এখন যদি বাইরে ঘোরাফেরা সম্ভব না হয় তবে ঘরেই কিছু গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করুন। এতে যে শুধু ঘর দেখতে সুন্দর লাগবে তা নয়, সতেজ নিঃশ্বাসও নিতে পারবেন।

আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা
ঘরে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আলো-বাতাসের নির্বিঘ্ন চলাচলের প্রয়োজন। ঘরের পরিবেশ সতেজ রাখতে চাইলে লাগাতে পারেন এয়ার পিউরিফায়ার। যা আপনার ঘরের বাতাসকে বিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করবে। ঘরে ধুলো-ময়লা জমতে দেবেন না একদমই।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান
এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আপনাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে স্বাস্থ্যকর খাবার। তাই নিয়মিত পাতে রাখুন স্বাস্থ্যকর সব খাবার। দিনে অন্তত একবেলা সালাদ খান। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক পানীয় পান করুন। সঠিক মাত্রায় সুষম খাবার খেলে তা শরীর সুস্থ রাখবে।

গায়ে মাখুন প্রাকৃতিক আলো
বাড়িতে যেন স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ তৈরি না হয়। ঘরে যেন যথেষ্ট আলো-বাতাস যাতে চলাচল করতে পারে, তার ব্যবস্থা করুন। প্রতিদিন অন্তত পনের মিনিট গায়ে রোদ লাগান। এর কারণ হলো, রোদ ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস। ঘরের পরিবেশ ঝকঝকে থাকলে আপনার মনও ভালো থাকবে।

বিশুদ্ধ পানি পান
প্রতিদিন যে পানি পান করছেন, তা আসলেই বিশুদ্ধ কি-না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কোনো সন্দেহ থাকলে প্রয়োজনে মিনিট দশেক ফুটিয়ে তারপর ঠান্ডা করে সেই পানি পান করুন। গোসল ও অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত পানি যেন পরিষ্কার হয়, সেদিকেও লক্ষ করুন।

বাড়ির জিনিসপত্র পরিষ্কার
ঘর তো পরিষ্কার রাখবেনই, সেইসঙ্গে পরিষ্কার রাখুন ঘরের সব আসবাবও। ধুলো জমতে দেবেন না। নিয়মিত আসবাব মুছুন। কারণ ধুলেঅ জমলে সেখানে সহজেই রোগ-জীবাণু আস্তানা গড়তে পারে। চারপাশ যত পরিষ্কার রাখবেন, ততই রোগ-জীবাণু থেকে দূরে থাকবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

পাইলস দূর করার ঘরোয়া উপায়

পাইলস দূর করার ঘরোয়া উপায়

পাইলস খুব পরিচিত একটি সমস্যা। বিশেষ করে ৪৫ থেকে ৬৫ বয়সী মানুষেরা এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। এছাড়া অন্যান্য বয়সীদের ক্ষেত্রেও এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা কম নয়। পাইলস হওয়ার জন্য নানা কারণ দায়ী। এর মধ্যে পারিবারিক ইতিহাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, কম ফাইবারযুক্ত খাবার, স্থূলতা, শারীরিক কার্যকলাপ, গর্ভাবস্থায়, এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ওষুধে না সারলে অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে অনেকের ক্ষেত্রে। তবে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চললে এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

বরফ
ভাবছেন, বরফ কীভাবে পাইলস সারাবে? এটি আসলে পাইলস দূর করার অন্যতম ঘরোয়া উপায়। বরফ রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং ব্যথা দূর করে। একটি পরিষ্কার কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে মিনিট দশেক রাখুন। দিনে কয়েকবার ব্যবহার করুন। পাইলস থেকে মুক্তি মিলবে।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
একটি তুলোর বল নিন। এবার তাতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে ব্যবহার করুন। প্রথমে কিছুটা জ্বালাপোড়া অনুভব করলেও পরক্ষণেই তা কমে যাবে। এটিও দিনে একাধিকবার করুন।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
একটি তুলোর বল নিন। এবার তাতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে ব্যবহার করুন। প্রথমে কিছুটা জ্বালাপোড়া অনুভব করলেও পরক্ষণেই তা কমে যাবে। এটিও দিনে একাধিকবার করুন।

অ্যালোভেরা
আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে আরাম পাবেন। এটি জ্বালাপোড়া কমিয়ে দেবে অনেকটাই। অ্যালোভেরা পাতার ভেতর থেকে জেল বের করে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন। এরপর সেই ঠান্ডা অ্যালোভেরা আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। পাইলস থেকে মুক্তি পেতে এটি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।

অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েল আছে বাড়িতে? ফুডগ্রেড অলিভ অয়েল দিনে এক চা চামচ করে খান। এটি শরীরের প্রদাহ হ্রাস করে এবং মোনোস্যাচুরেটেড চর্বি উন্নত করে থাকে। পাশাপাশি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

আদা ও লেবুর রস
শরীরে পানিশূন্যতা পাইলসের ক্ষেত্রে অন্যতম কারণ হতে পারে। তাই পানিশূন্যতা দূর করতে আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রিত জুস দিনে দুইবার পান করুন। এটি শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি পাইলস নিরাময়ে সাহায্য করে। দিনে অন্তত আট-দশ গ্লাস পানি পান করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com