আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

উমাইয়া মসজিদ, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে অবস্থিত। মসজিদটির মূল নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ৭১৫ সালে। ১০৬৯ সাল থেকে ১৮৯৩ সালের মধ্যে মোট ছয় বার মসজিদে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল। এছাড়াও ১৭৫৯ সালের ভূমিকম্পে মসজিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। মসজিদটি প্রায় ৩১,০০০ বর্গফুট এলাকার ওপর অবস্থিত।

আলোকিত স্থাপনা: উমাইয়া মসজিদ, সিরিয়া
আলোকিত স্থাপনা: উমাইয়া মসজিদ, সিরিয়া

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ইসলাম

প্রিয় নবী মেহমানের সঙ্গে যেমন ব্যবহার করতেন

আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) মেহমানদেরকে খুব গুরুত্ব দিতেন। তিনি ছিলেন অতিথি পরায়ণ। অতিথিদের সামনে তিনি সদা হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন। যে কোনো মেহমানকেই জানাতেন সাদর আমন্ত্রণ ও উষ্ণ অভ্যর্থনা। ধর্ম-বর্ণ ও শত্রু-মিত্রের পার্থক্য তিনি করেননি কখনোই।

অতিথিদের কাছ থেকে কোনো অসৌজন্যতা প্রকাশ পেলেও ধৈর্য ধরতেন। আদর-আপ্যায়নের যেন কোনো ত্রুটি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতেন।

বিদায়বেলায় মেহমানের হাতে তুলে দিতেন উপহার-উপঢৌকন। তার আন্তরিক আতিথেয়তায় অতিথিরা মুগ্ধ-বিস্মিত হতো। সেই মুগ্ধতা অনেক মেহমানকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করেছে।

আতিথেয়তার ফজিলত
আতিথেয়তার ফজিলত বর্ণনা করে রাসূল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে সে যেন তার মেহমানের সমাদর করে। (মুসলিম, হাদিস : ৭৯)

সালমান ফারসি (রা.) বলেন, একবার আমি রাসূল (সা.) এর কাছে এলাম। একটি বালিশে হেলান দিয়ে তিনি বসা ছিলেন। আমাকে দেখে তিনি বালিশটি আমার দিকে এগিয়ে দিলেন। বললেন, ‘সালমান, যখন কোনো মুসলমান তার ভাইয়ের কাছে আসে তখন তার সম্মানে যদি একটি বালিশও সে এগিয়ে দেয়, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।’ (হায়াতুস সাহাবা, পৃষ্ঠা : ৪৪৬)

সর্বজনীন আতিথেয়তা
রাসূল (সা.) এর আতিথেয়তায় শর্তের কোনো বেড়াজাল ছিল না। ধনী-দরিদ্রের তফাত ছিল না। মুসলিম-অমুসলিমের তারতম্য ছিল না। শত্রু-মিত্রের কোনো ফারাক ছিল না। রাসূল (সা.) বলেন, ‘যে অলিমায় শুধু ধনীদের আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং গরিবদের বাদ দেয়া হয়, তা সবচেয়ে নিকৃষ্ট খাবার।’ (বুখারি, হাদিস : ৪৭৯৯)

সাহাবি রুশদ ইবনে আবদুর রহমান বলেন, ‘ইসলাম গ্রহণের আগে আমি রাসূল (সা.) এর মেহমান হয়েছিলাম। তিনি আমার খোঁজখবর নিলেন। তার কাছে আমাকে বসালেন। যতক্ষণ আমি তার কাছে ছিলাম ততক্ষণ তার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হলাম। তার এই অসাধারণ আতিথেয়তায় সন্তুষ্ট হয়ে আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম।’ (হায়াতুস সাহাবা, পৃষ্ঠা : ৪৪৭)

শত্রু যখন অতিথি
আরবের মুহারিব গোত্র খুবই উগ্র ছিল। কট্টর ইসলামবিরোধী ছিল। ইসলামের মাধুর্যে মুগ্ধ হয়ে যখন মানুষ দলে দলে মদিনায় আসতে লাগল তখন মুহারিব গোত্রেরও ১০ জন লোক মদিনায় এলো। রাসূল (সা.) তাদের অভ্যর্থনা-আপ্যায়নের জন্য বেলাল (রা.) কে দায়িত্ব দেন। সকাল-বিকাল তাদের আহারের সুব্যবস্থা করেন। এতে তারা মুগ্ধ-বিস্মিত হলো এবং ইসলাম গ্রহণ করে নিজ দেশে ফিরে গেল। (আসাহহুস সিয়ার, পৃষ্ঠা : ৪৪৪)

অতিথির অসৌজন্যতায় ধৈর্য ধারণ
অতিথিদের নানা দুর্ব্যবহারে তিনি সহনশীলতার পরিচয় দিতেন। তাদের অসৌজন্যতা নীরবে সয়ে যেতেন। ক্ষমার চাদরে ঢেকে দিতেন তাদের। একটু কটুবাক্যও তিনি কখনো বলতেন না। অন্যদেরও কঠোরভাবে নিষেধ করতেন। এক গ্রাম্য লোক নবিজি (সা.) এর কাছে এলো। হঠাৎ সে মসজিদ-ই-নববীর ভেতরেই প্রস্রাব করতে লাগল। সাহাবায়ে কেরাম তাকে বাধা দিতে গেলে রাসূল (সা.) বললেন, ‘তাকে ছেড়ে দাও এবং তার প্রস্রাবের ওপর এক বালতি পানি ঢেলে দাও। তোমরা কঠোর হওয়ার জন্য নয়, বরং নম্র ব্যবহারের জন্য প্রেরিত হয়েছ। ‘ (বুখারি, হাদিস : ২২০)

মেহমানের খাতির-যত্ন ও আপ্যায়ন
অতিথির আদর-আপ্যায়ন ও খাতির-যত্নে রাসূলের কোনো সংকোচবোধ ছিল না। তিনি মেহমানের সঙ্গে একই পাত্রে বসে খেতেন। মেহমান তৃপ্তিসহকারে খেয়ে না ওঠা পর্যন্ত তিনি উঠতেন না। বসে থাকতেন। ভালো খাবারগুলো মেহমানের দিকে এগিয়ে দিতেন। নিজের পরিবারকে অভুক্ত রেখে তিনি
মেহমানদের খাওয়াতেন।

আসহাবুস সুফফা ছিলেন রাসূল (সা.) এর নিত্য মেহমান। তিনি তাদের খাতির-যত্নের কোনো কমতি রাখেননি। অন্য মেহমানদের তিনি আসহাবুস সুফফার সঙ্গে মসজিদ-ই-নববীতে থাকার ব্যবস্থা করতেন। তা ছাড়া দুই নারী সাহাবি রামলা ও উম্মে শরিক (রা.) এর ঘরেও মেহমানদের থাকার বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। (শারহুল মাওয়াহিবিল লাদুন্নিয়্যাহ, খন্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৮০)

এতেও সংকুলান না হলে তিনি সাহাবাদের মধ্যে মেহমানদের বণ্টন করে দিতেন। তাদের খাতির-যত্নের তাগিদ দিতেন। সাহাবারাও তাদের সমাদর করতেন।

মক্কা বিজয়ের পর মদিনায় অতিথির কোনো অভাব ছিল না। রাসূল (সা.) নিজেই তাদের খেদমত আঞ্জাম দিতেন। আর সাহাবি বেলাল (রা.) কে রাষ্ট্রীয় মেহমানদের বিশেষ তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিযুক্ত করেন। (সীরাতুন নবী, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ৫০৪)

বিদায়কালে উপহার দেয়া
বিদায়কালে রাসূল (সা.) মেহমানদের পথখরচ ও উপহার দিতেন। কখনো পর্যাপ্ত উপহার দিতে না পারলে অল্প হলেও দিতেন এবং মেহমানের কাছে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি কামনা করতেন। কখনো বিশেষ সাহাবিকে বলে দিতেন, যাতে তিনি তাদের পথখরচ দিয়ে দেন। অন্যান্য উপহার তো থাকতই। বিশেষত যখন কেউ তার কাছে উপহার নিয়ে আসত তখন তিনি তা গ্রহণ করতেন এবং তাকে বিদায়কালে নিজের পক্ষ থেকে অবশ্যই উপহার দিতেন। হারিস ইবনে আউফের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল রাসূলের মেহমান হলো। বিদায়কালে রাসূল (সা.) তাদের প্রত্যেককে ১০ উকিয়া পরিমাণ রুপা দিলেন। সাহাবি হারিসকে দিলেন ১২ উকিয়া পরিমাণ। (আসাহহুস সিয়ার, পৃষ্ঠা : ৪৪৩)

প্রিয় নবিজি (সা.) এর আতিথেয়তা মুসলমানদের অনুপম আদর্শ। আধুনিক যুগেও এসব সুন্নাহই আভিজাত্যের নিদর্শন। এসব সুন্নাহ থেকে মুসলমানরা নিত্য দূরে সরে যাচ্ছে। তাই আসুন, মেহমানের সমাদর করি। তাদের খাতির-যত্নে ও আদর-আপ্যায়নে সুন্নতের অনুসরণ করি। ইসলামের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিই পৃথিবীময়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

শুকরিয়া সিজদা দাঁড়িয়ে না বসে দিতে হয়?

লেখক

শুকরিয়া সিজদা দাঁড়িয়ে না বসে দিতে হয়?

নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ।

আপনার জিজ্ঞাসার ৬৬৯তম পর্বে শুকরিয়া সিজদা দাঁড়িয়ে না বসে দিতে হয়, সে বিষয়ে ফেনী থেকে টেলিফোনে জানতে চেয়েছেন তাহমিদা। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া।

প্রশ্ন : শুকরিয়া সিজদার নিয়ম কী? এটা দাঁড়িয়ে না বসে দিতে হবে?

উত্তর : শুকরিয়া সিজদা হচ্ছে, একটি সিজদা দেওয়ার নাম। দাঁড়ানো অবস্থায় এই সিজদা দেওয়া উত্তম। যদি কেউ বসে থাকেন, তাহলে তিনি বসে থেকেও দিতে পারবেন। একটি সিজদা দেবেন এবং এই সিজদাতে আপনি দোয়াও করতে পারবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

সন্তানরা মায়ের সম্পত্তির ভাগ কীভাবে পাবে?

লেখক

সন্তানরা মায়ের সম্পত্তির ভাগ কীভাবে পাবে?

নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ।

আপনার জিজ্ঞাসার ৬৬৯তম পর্বে সন্তানরা মায়ের সম্পত্তির ভাগ কীভাবে পাবে, সে বিষয়ে মিরপুর থেকে টেলিফোনে জানতে চেয়েছেন মাহমুদা। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া।

প্রশ্ন : ছেলেমেয়েরা বাবার সম্পত্তি দুই ভাগ আর একভাগ পায় কিন্তু মায়ের সম্পত্তি কীভাবে ভাগ হবে?

উত্তর : বাবার সম্পত্তি যেভাবে ভাগ হবে, মায়ের সম্পত্তিও সেভাবে ভাগ হবে। দুই সম্পত্তির মধ্যে আলাদা কোনো বিধান নেই। ২:১ এভাবে ছেলেরা দুইভাগ এবং মেয়েরা একভাগ পাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

রমজানের শেষ দশদিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে মসজিদে নববী

আসন্ন রমজান উপলক্ষে তারাবির নামাজের আধাঘণ্টা পর মসজিদে নববী বন্ধ করা হবে এবং ফজরের নামাজের ২ ঘণ্টা আগে পুনরায় খোলা হবে। তবে রমজানের শেষ দশ দিন ২৪ ঘণ্টা মসজিদ খোলা থাকবে। 

মুসল্লিরা মসজিদের ভিতরে, মাঠে এবং মসজিদের ছাদে নামাজ আদায় করতে পারবেন। এসব কাজ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছে হারামাইন শরিফাইন পরিচালনা কমিটি।  করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে একসাথে ৬০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদের ভেতরে এবং মাঠে একই পরিমাণ মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করবেন। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

জমজমের পানি বিতরণ শুরুর উদ্যোগ সৌদি আরবের

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে সৌদি আরবে জমজমের পানি বিতরণ কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) থেকে আবারও মক্কার কুদাই এলাকায় অবস্থিত কিং আবদুল্লাহ প্রজেক্ট থেকে জমজমের পানি বিতরণ করা হবে। খালিজ টাইমস এ খবর প্রকাশ করেছে। 

জাতীয় পানি বিতরণ সংস্থা মঙ্গলবার থেকে গ্রাহকদের জন্য তাদের দ্বার উন্মুক্ত করে দেবে। রমজান মাসে জমজমের পানির চাহিদা বেড়ে যায়, সেজন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রজেক্টের উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান শায়খ আবদুল রহমান আল সুদাইস জানিয়েছেন,শুক্রবার ছাড়া অন্য সব দিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত জমজম কূপের পানি বিতরণ করা হবে।

ভ্যাটসহ পাঁচ লিটার জমজমের একটি বোতল ৫ দশমিক ৫ রিয়ালে পাওয়া যাবে। ১৫ দিন পর পর যে কেউ সর্বোচ্চ চার বোতল পানি সংগ্রহ করতে পারবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com