আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

লাইভস্টক

কোরবানির উপযুক্ত সুস্থ গরু কীভাবে চিনবেন?

কোরবানির উপযুক্ত সুস্থ গরু কীভাবে চিনবেন?
কোরবানির উপযুক্ত সুস্থ গরু কীভাবে চিনবেন?

ওষুধ দিয়ে মোটাতাজা করা গরুতে এসব ক্ষতিকর উপাদান রান্নার পরেও মাংসে থেকে যেতে পারে। আর সেই মাংস খেলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। নিরাপদ মাংসের জন্য তাই সুস্থ গরু চেনাটা খুব জরুরি।

আর দু’দিন বাদেই ঈদ-উল-আযহা। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। চলছে দিনরাত বেচাকেনা। 

হাটে বিক্রির জন্য যেসব গরু আসে, সেগুলোর মধ্যে রোগাক্রান্ত অথবা ক্ষতিকর রাসায়নিক ও ওষুধযুক্ত গরুর সংখ্যাও কম না। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল হাশেম বলছেন, স্টেরয়েড দিয়ে মোটাতাজা করা গরু দেখতে চকচকে, হৃষ্টপুষ্ট ও আকর্ষণীয় দেখালেও আসলে সেগুলো মোটাতাজা হয় না।

ওষুধ দিয়ে মোটাতাজা করা গরুতে এসব ক্ষতিকর উপাদান রান্নার পরেও মাংসে থেকে যেতে পারে। আর সেই মাংস খেলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। নিরাপদ মাংসের জন্য তাই সুস্থ গরু চেনাটা খুব জরুরি।

সুস্থ গরু চেনার উপায়:

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু বিশেষজ্ঞরা গরু কেনার সময় কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন-

১. রাসায়নিক বা ওষুধ দেয়া গরুর মাংসপেশি থেকে শুরু শরীরের অন্য অঙ্গগুলো অস্বাভাবিকভাবে ফুলে থাকে। শরীরে পানি জমায় বিভিন্ন অংশে চাপ দিলে সেখানে গর্ত হয়ে দেবে যাবে, এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে সময় নেবে।

৩. অতিরিক্ত ওজনের কারণে এ সব গরু চলাফেরা বা স্বাভাবিক নাড়াচাড়া করতে পারেনা। শান্ত থাকে।

৪. রাসায়নিকযুক্ত গরু ভীষণ ক্লান্ত থাকবে এবং ঝিমাবে। সুস্থ গরুর গতিবিধি চটপটে থাকে। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বুঝে প্রতিক্রিয়া দেখায়। কান ও লেজ দিয়ে মশা মাছি তাড়ায়।

৫. রাসায়নিক বা ওষুধ খাওয়ানো গরুর শরীরের অঙ্গগুলো নষ্ট হতে শুরু করায় এগুলো শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়। মনে হবে যেন হাঁপাচ্ছে।

৬. অতিরিক্ত স্টেরয়েড দেয়া গরুর মুখ থেকে প্রতিনিয়ত লালা ঝরবে। কিছু খেতে চাইবে না। সুস্থ গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে সেটা টেনে খাবে। না হলে জাবর কাটবে।

৭. সুস্থ গরুর নাকের উপরের অংশটা ভেজা বা বিন্দু বিন্দু ঘাম জমা থাকবে। অন্যদিকে অসুস্থ গরুর নাক থাকবে শুকনা।

৮. সুস্থ গরুর শরীরের রঙ উজ্জ্বল থাকবে। গরুর পিঠের কুজ মোটা, টানটান ও দাগমুক্ত হবে।

৯. সুস্থ গরুর রানের মাংস শক্ত থাকবে। যেখানে রাসায়নিক দেয়া গরুর পা হবে নরম থলথলে।

১০. গরুর শরীরে হাত দিয়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মনে হলে বুঝতে হবে গরুটি অসুস্থ।

১১. সুস্থ গরুর চামড়ার ওপর দিয়ে কয়েকটা পাঁজরেরহাড় বোঝা যাবে।

কোরবানির উপযুক্ত পশু:

কেননা চাইলেও দেশ গরুরি বেশি মোটাতাজা করা সম্ভব না। তাই কোরবানির জন্য এক্ষেত্রে দেশি গরু কেনার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

কোরবানির জন্য কোন পশুটি উপযুক্ত তা জেনে নেয়া খুবই জরুরি।

১. গরুটিকে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হবে। এজন্য শিং ভাঙ্গা লেজ কাটা কিংবা মুখ, জিহ্বা, শরীর, পা, ক্ষুর, গোড়ালিতে কোন ক্ষত আছে কিনা দেখে নিতে হবে।

২. গরুর বয়স ন্যূনতম দুই বছর হলেই এটা কোরবানির জন্য উপযুক্ত হবে। এক্ষেত্রে গরুর দাঁত দেখে বয়স যাচাই করে নিতে হবে। গরুর নীচের পাটিতে যদি দুধ দাঁতের পাশাপাশি সামনে অন্তত দুটি কোদালের মতো স্থায়ী দাঁত থাকে তাহলে বুঝতে হবে গরুটি কোরবানির উপযুক্ত হয়েছে।

৩. গাভী কোরবানির দেয়া গেলেও তার আগে অবশ্যই নিশ্চিত হবে যে গাভীটি গর্ভবতী কিনা। গর্ভবতী গাভী কোন অবস্থাতেই কোরবানি দেয়া যাবেনা। সাধারণত গর্ভবতী গাভীর পেট ও ওলান স্ফীত থাকে।

অভিজ্ঞ পশু ক্রেতাদের পরামর্শ:

অভিজ্ঞ পশু ক্রেতাদের মতে, দিনের আলো থাকতে থাকতেই গরু কেনা উচিত। রাতের বেলা গরুর এতোগুলো বিষয় ঠিকঠাক যাচাই করা সম্ভব নাও হতে পারে। এছাড়া মোটা গরুর পরিবর্তে সুস্থ গরু কোরবানি দেয়ার ব্যাপারে আগ্রহী বেশি আগ্রহী হওয়া বলে মনে করেন তারা। 

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ভিডিও

ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ

ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ। রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে গ্রাম থেকে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড়।

রিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় এসেছেন কর্মজীবী মানুষ

রেল স্টেশনের কর্মীরা গ্রাম থেকে আসা মানুষের মালামাল বহন করে দিচ্ছেন

রেল স্টেশনের কর্মীরা গ্রাম থেকে আসা মানুষের মালামাল বহন করে দিচ্ছেন

ঢাকায় ফিরে আসা মানুষ গ্রাম থেকে বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে এসেছেন

নির্বিঘ্নে ঢাকায় ফিরতে পেরে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিচ্ছেন তারা

গ্রাম থেকে আসা এসব মানুষ আবার আগের মত কাজে ব্যস্ত হয়ে যাবেন

ঈদ করে গ্রাম থেকে আসা এসব মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে রাজধানীর অলি-গলি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

ঢাকায় ঈদের দ্বিতীয় দিনেও পশু কোরবানি

কারও কসাই ‘মাংস শ্রমিক’ কথা দিয়েও পশু কাটতে আসেনি, আবার কেউ কেউ ঈদের দিনে নানা কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তারা আজ পশু কোরবানি দিচ্ছেন। অনেকে আবার পারিবারিক রেওয়াজের কারণে আজকের দিনটি কোরবানির জন্য বেছে নিয়েছেন।

ইসলামের বিধান অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়াও জিলহজ মাসের ১১ তারিখ (ঈদের দ্বিতীয় দিন) এবং ১২ তারিখ (ঈদের তৃতীয় দিন) দিনেও পশু কোরবানি করা যায়। রোববার ঈদের ২য় দিন সরেজমিন পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে কোরবানির চিত্র।

বকশিবাজার, হাজারীবাগ, বংশাল, আরমানীটোলা এলাকা ঘুরে অনেককেই সড়কে প্রিয় পশুটিকে কোরবানি দিচ্ছে। তবে ঈদের দিনের তুলনায় এর সংখ্যা খুবই কম।

নাজিমুদ্দিন রোডের বাসিন্দা সোবহান খোরশেদ বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি করতে দেখেছি। এখনও এই রেওয়াজ আছে। ঈদের নামাজ পড়ে আমরা বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাই। পাশাপাশি পরের দিন কোরবানি করে দ্বিতীয় দিনেও ঈদের আনন্দ ধরে রাখি’।

একই এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ বলেন, ‘ঈদের দিন সকালে আমার ৭০ হাজার টাকার গরু কোরবানির জন্য কসাই ৭ হাজার টাকা চেয়েছে। পরের দিন রেট কম পেয়েছি। সাড়ে ৩ হাজার মাত্র। যেহেতু পরের দিন কোরবানির বিধান আছে তাই তাড়াহুড়ো না করে পরের দিনই কোরবানি করলাম’।

সাদ্দাম হোসেন নামের বংশালের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমি অনেকটা বাধ্য হয়েই আজ কোরবানি করছি। গরু কেনার সপ্তাহখানেক আগেই কসাইয়ের সাথে চুক্তি করি। কসাই বলেছিলেন ঈদের দিন দুপুর ২টায় আসবে। তবে তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি। অপেক্ষা করতে করতে সন্ধ্যার দিকে কোরবানি না করার সিদ্ধান্ত নিই। আজ অন্য কসাইয়ের সাথে কথা বলে কোরবানি দিলাম’।

এদিকে ঈদের দিনের মতো আজও সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানের বাইরেই কোরবানি দিতে দেখা গেছে পুরান ঢাকার বেশিরভাগ মানুষকে। স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না কোনো পশু কোরবানির ক্ষেত্রেই।

ঈদের প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও বর্জ্য অপসারণে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মীদের পুরান ঢাকায় তৎপর দেখা গেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

হাটে গরু কম, চড়া দাম

হাটে গরু কম, চড়া দাম
হাটে গরু কম, চড়া দাম

একদিন পরই ঈদুল আজহা। ঈদকে কেন্দ্র করে কোরবানির জন্য পছন্দের পশু কিনতে শেষ মুহূর্তে হাটগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। চলছে জমজমাট বেচাকেনা। তবে চাহিদার তুলনায় গরু কম থাকায় বেশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার রাজধানীর কমলাপুর, আফতাবনগর ও গাবতলী পশুর হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

পশু বিক্রেতা ও ব্যাপারীরা বলছেন, মহামারি করোনা ও দেশজুড়ে বন্যার কারণে এবার রাজধানীতে আগের তুলনায় গরু কম এসেছে। এছাড়া গো-খাদ্যের দাম ও লালন-পালনের খরচ বাড়ায় গৃহস্থ ও খামারিদের কাছ থেকে বেশি দামে গরু কিনতে হয়েছে। পাশাপাশি যানজটের কারণে চাহিদার তুলনায় সরবারহ কম থাকায় দাম বেড়েছে।

হাটে গরু কম, চড়া দাম
হাটে গরু কম, চড়া দাম

ক্রেতারা বলছেন, হাটে মানুষে ভরপুর। কিন্তু সেই অনুযায়ী কোরবানির পশু নেই। এ সুযোগে দেড় থেকে দুইগুণ বেশি দামে গরু বিক্রি করছে। ব্যাপারীরা সিন্ডিকেট করে কোরবানির পশুর সংকট তৈরি করেছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

রাজধানীর আফতাবনগর ও গাবতলী হাটে গরু কিনতে যাওয়া মুগদার নুর হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ব্যবসা ও কাজকর্ম শেষ করে গতকাল রাতে গরু কিনতে যাই। কিন্তু আফতাবনগর ঢুকে দেখি তেমন গরু নেই। আর যে গরু পছন্দ হয় তার দাম হাঁকায় দেড় থেকে দুইগুণ। আফতাবনগর থেকে গাবতলী আসি। এখানেও একই অবস্থা। গরু কম। যেগুলো আছে তার চেয়ে চার-পাঁচগুণ বেশি ক্রেতা। সাড়ে চার থেকে পাঁচ মণ ওজন হবে এমন বেশ কয়েকটি গরু পছন্দ হয়েছে। এক লাখ টাকা দামও বলেছি। কিন্তু ব্যাপারীরা ছাড়ছে না। এক লাখ ৪০ থেকে দেড় লাখ টাকার কম দেবে না।

গতবারের তুলনায় এবার দাম কেমন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতবারের তুলনায় অবশ্যই দাম বেশি। গতবার যে গরু ৭৫ হাজার টাকায় কিনেছি এবার ওই সাইজের গরুর দাম নিচ্ছে লাখ টাকার উপরে।

এদিকে আফতাবনগর হাটের ক্রেতা জাহাঙ্গীর বলেন, কোরবানির পশুর হাটে এমন সংকট কখনও দেখিনি। সবসময় ঈদের আগের দিন গরুর সংকট অথবা পশুর সরবরাহ বেশি দেখা যায়। কিন্তু এবার ভিন্ন চিত্র। ঈদের দুইদিন আগেই রাজধানীর হাটে পশুর সংকট সৃষ্টি হয় এমন ঘটনা বিরল। বড় কিছু গরু আছে কিন্তু ছোট গরু একেবারেই নেই। গরু ট্রাক থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপারীরা কিনে নিচ্ছেন, সাধারণ ক্রেতাদের ভিড়তেই দিচ্ছেন না। যেহেতু আল্লাহকে রাজি-খুশি করতে কোরবানি দেব তাই এখনও অপেক্ষা করছি। তাই ভাগ্যে যেটা আছে সেটাই কিনব।

হাটে গরু কম, চড়া দাম
হাটে গরু কম, চড়া দাম

কমলাপুর হাটের ক্রেতা আল-আমিন বলেন, গরু কম; দাম অনেক চড়া। যে গরুর দাম ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা সেই গরুর দাম চাচ্ছে এক লাখ ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা। বাজার দেখছি গরু পছন্দ ও দামে বনলে কিনব।

পাবনার সাঁথিয়া থেকে গরু নিয়ে গাবতলী হাটে আসা আবেদ আলী ব্যাপারী বলেন, এবার গৃহস্থের কাছ থেকে বেশি দামে গরু কিনতে হয়েছে; তাই দাম একটু বেশি। এছাড়া করোনার কারণে বাজারে গরু কম এসেছে। আজ চাহিদার তুলনায় গরু আসছে বলেও মনে হচ্ছে না। কারণ দুই-তিন গ্রাম ঘুরেও এক ট্রাক গরু কেনা যাচ্ছে না। ঢাকায় গরু আনব কীভাবে?

এদিকে সিরাজগঞ্জের গরু ব্যাপারী ফজল মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, গতকাল সকাল ৮টায় গরু নিয়ে রওনা দিয়েছিলাম। গাবতলী হাটে নামালাম ভোরে। যানজটে রাস্তায় গরু বহনকারী অনেক ট্রাক আছে। তবে এটি কখন আসছে বলা যাচ্ছে না। যেহেতু গরু আসছে কম, তাই এবার বাজারে দাম নামবে বলেও মনে হচ্ছে না।

এদিকে হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বড় গরুর তুলনায় ছোট গরুর চাহিদা বেশি। দুই থেকে তিন মণ ওজনের গরু ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব গরুর ক্রেতা বেশি। বড় আকারের গরু তুলনামূলক কম বিক্রি হচ্ছে।

তবে দাম শুধু ছোট গরুর বেশি তা নয়; বড় গরুর দামও অনেক বেশি অভিযোগ করে আবির হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, গতকাল যে গরুর দাম চেয়েছে এক লাখ ৮০ থেকে দুই লাখ টাকা, আজ ওই গরু কিনলাম দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে। তাহলে কম কই?

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

হাটের পাশে ব্যাংক খোলা, লেনদেন রাত ৮টা পর্যন্ত

হাটের পাশে ব্যাংক খোলা, লেনদেন রাত ৮টা পর্যন্ত
হাটের পাশে ব্যাংক খোলা, লেনদেন রাত ৮টা পর্যন্ত

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পশুর হাট সংলগ্ন ব্যাংকের শাখা আজ (শুক্রবার) বিশেষ ব্যবস্থায় খোলা রয়েছে। সকাল ১০টায় শুধু হওয়া ব্যাংক লেনদেন চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। কোরবানির পশু ব্যবসায়ীদের লেনদেনের সুবিধার্থে শাখা খোলা রাখার এ নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগে গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ’ এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়ে দেয়।

এতে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত কোরবানির পশুর হাটগুলোতে প্রচুর ব্যবসায়ীর সমাগম ঘটে এবং বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেন হয়ে থাকে। ফলে হাটগুলোতে আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তার বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

কোরবানির পশুর হাটগুলোর নিকট দূরত্বেই বিভিন্ন ব্যাংক-শাখা তাদের নিয়মিত ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। হাটগুলোর নিকটবর্তী এসব ব্যাংক-শাখা ব্যবহার করে কোরবানির পশু ব্যবসায়ীরা পশু বিক্রির অর্থ লেনদেনে ব্যাংকের সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন।

হাটের নিকটবর্তী শাখায় বিশেষ ব্যবস্থায় ৩০ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত সময়ের ব্যাংকিং (বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত) কার্যক্রম চালু রাখতে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া ঈদুল আজহার ছুটির প্রথম দিন অর্থাৎ ঈদের আগের দিন (৩১ জুলাই) সকাল ১০টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়।

পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কোরবানির পশুর হাটে বিশেষ বিবেচনায় অস্থায়ী বথু স্থাপন করার পরামর্শ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-শাখা/বুথগুলোতে অতিরিক্ত সময়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ ভাতা প্রদান করার বলা হয় নির্দেশনায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

শেষ দিনে ছাগলের কদর বেড়েছে

শেষ দিনে ছাগলের কদর বেড়েছে
শেষ দিনে ছাগলের কদর বেড়েছে

ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি। এই মুহূর্তে গরুর হাটে গরু নেই, তাই কদর বেড়েছে ছাগলের। গত কয়েকদিনের কোরবানির হাটের বাজার মূল্যের তুলনায় আজ (৩১ জুলাই) রাজধানীর প্রায় সকল হাটে গরুর দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় হাট থেকে হাটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নগর বাসিন্দারা। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত টাকায়ও মিলছে না পছন্দসই গরু। হাটে গরুর অপ্রতুলতা দেখা দেয়ায় শেষ মুহূর্তে এখন ছাগলই ভরসা। সকাল থেকেই ছাগলের কদর বেড়েছে।

শুক্রবার সকালে সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে ছোটবড় সড়কে ছাগলের অনির্ধারিত হাট বসেছে। যেখানে হাট সেখানেই মানুষের ভিড়। ছাগলের সরবরাহের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা বেশি হওয়ার সুযোগে বিক্রেতারাও অন্যান্য সময়ের চেয়ে ছাগলভেদে সর্বনিম্ন দুই হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা বেশি দাম চাইছেন। গরু কিনতে না পেরে একাধিক ছাগল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন অনেকে।

শেষ দিনে ছাগলের কদর বেড়েছে
শেষ দিনে ছাগলের কদর বেড়েছে

রাজধানীর পলাশী মোড়ের মিউনিসিপ্যাল মার্কেটের রাস্তার পাশে ছাগলের অনির্ধারিত হাট বসেছে। এ হাটে সাত বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে ছাগল কিনতে এসেছেন পলাশী স্টাফ কোয়ার্টারের বাসিন্দা সরকারি কর্মকর্তা আবদুস সালাম। বিক্রেতা ছোট একটি ছাগলের দাম চাইলেন ১১ হাজার টাকা।

সাত হাজার থেকে দরদাম শুরু করে শেষ পর্য়ন্ত নয় হাজার টাকায় ছাগল কিনতে সমর্থ হন আবদুস সালাম। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘এ ছাগলটির দাম কোনোভাবে সাত হাজার টাকার বেশ হওয়ার কথা নয়।’

শেষ দিনে ছাগলের কদর বেড়েছে
শেষ দিনে ছাগলের কদর বেড়েছে

বকশীবাজার মোড়ে এক তরতাজা ছাগলের দামাদামি করছিলেন মৌলভীবাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেন। বিক্রেতা একদাম ২২ হাজার টাকা জানালে তিনি বলেন, ‘হাটে যে গরু নাই এ খবর পাইয়া মাথা গরম অইয়া গেছে। বড়জোর ১৫ হাজার টাকার ছাগল একদাম ২২ হাজার টাকা চাও?’

তার পাশে দাঁড়ানো এক তরুণকে লক্ষ করে তিনি বলছিলেন, ‘এত দাম দিয়ে কোরবানি দেয়ার মানে হয় না। চল বাসায় ফিরে যাই।’

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর কয়েকজন মিলে গরু কোরবানি দেই। করোনার কারণে ব্যবসা ভালো না হওয়ায় শেষ দিন গরু কিনব বলে মনস্থির করেছিলাম। কিন্তু শেষ সময়ে এসে হাটে গরু পাওয়া যাবে না- তা ভাবতে পারিনি। বাজেট ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা। কিন্তু পছন্দসই ছাগল কিনতে ২২ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা লেগে যাবে।’

মোজাম্মেল হক নামে এক ছাগল বিক্রেতা বলেন, ‘ছাগলের মাংসের দাম এমনিতেই প্রতিকেজি ৯০০ টাকা। সে হিসাবে ছাগলের দাম বেশি। তার ওপর ঈদ সামনে রেখে কিছু লাভ করতেই তো গত কয়েকদিন কষ্ট করেছি।’

তবে হাটে গরু না থাকায় ছাগলের চাহিদা বেড়েছে। তাই বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে তিনি স্বীকার করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com