আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

কৃষিবিষয়ক উচ্চশিক্ষায়ও এগিয়ে নারী

কৃষিবিষয়ক উচ্চশিক্ষায়ও এগিয়ে নারী
কৃষিবিষয়ক উচ্চশিক্ষায়ও এগিয়ে নারী

এবার কৃষিবিষয়ক উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে গেলেন দেশের নারীরা। চলতি শিক্ষাবর্ষে কৃষিবিষয়ক শিক্ষা দেওয়া দেশের সাতটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ছাত্রদের পেছনে ফেলে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এক পরীক্ষার মাধ্যমে এই সাত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য যত শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৫০ দশমিক ৪২ শতাংশই ছাত্রী। আলাদাভাবেও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী বেশি ভর্তি হয়েছেন।

এর আগে চিকিৎসাশিক্ষাতেও নারীর সংখ্যা পুরুষকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। গত শিক্ষাবর্ষে মেডিকেলে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ ছাত্রী এবং ৪০ শতাংশ ছাত্র ছিলেন। এ ছাড়া আরও কয়েক বছর আগেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ভর্তিতে ছাত্রদের পেছনে ফেলে এগিয়ে যায় ছাত্রীরা। এখন এই দুই স্তরেই মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী বেশি। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্য বলছে, প্রাথমিকে এখন মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ দশমিক ৭৫ শতাংশ ছাত্রী। আর মাধ্যমিকে ছাত্রীদের এই হার প্রায় ৫৪ শতাংশ। কলেজ ও উচ্চশিক্ষার অন্যান্য স্তরে নারী পিছিয়ে থাকলেও সেখানেও নারীদের অংশগ্রহণ প্রতিবছর বাড়ছে।

এ রকম পরিস্থিতিতে কৃষিবিষয়ক উচ্চশিক্ষায় নারীরা এগিয়ে থাকার তথ্য এল। বিষয়টিকে ইতিবাচক বলছেন একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কৃষি গবেষণায় যুক্ত ব্যক্তিরা। তাঁরা বলছেন, এর ফলে দেশের কৃষির ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০১৯-২০) প্রথমবারের মতো কৃষিসংক্রান্ত ডিগ্রি দেওয়া দেশের সাতটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ অভিন্ন প্রশ্নে এক দিনে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়। গত ৩০ নভেম্বর এই পরীক্ষা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তিযোগ্য আসন ৩ হাজার ৫৫১টি। এর বিপরীতে আবেদন করেন ৭৫ হাজার ৮৭২ জন। প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ যাওয়ার পর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন ২৩ হাজার ৪৬৭ জন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫৫ দশমিক ১১ শতাংশ ছাত্র এবং ৪৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ ছাত্রী।

কৃষিবিষয়ক সাত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে মেধাতালিকায় ৫০.৪২% ছাত্রী। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই হার ৫৪ শতাংশের বেশি।

কৃষিবিষয়ক উচ্চশিক্ষায়ও এগিয়ে নারী
কৃষিবিষয়ক উচ্চশিক্ষায়ও এগিয়ে নারী

ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ছাত্রদের অংশগ্রহণ বেশি হলেও মেধাতালিকায় এগিয়ে যান ছাত্রীরা। মেধাতালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০ দশমিক ৪২ শতাংশ ছাত্রী। অন্যদিকে ছাত্রদের এই হার ৪৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ভর্তির কাজ শেষে এখন ক্লাস শুরু হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, আলাদাভাবে পুরোনো ও বড় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের এগিয়ে থাকার চিত্র বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার প্রথম বর্ষে মোট ১ হাজার ১০৮ জন ভর্তি হন। এর মধ্যে ছাত্রী ৬০৩ জন ও ছাত্র ৫০৫ জন। অর্থাৎ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ভর্তির হার ৫৪ শতাংশের বেশি।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য লুৎফুল হাসান এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারই ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা বেশি ভর্তি হলেন। ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করায় ছাত্রীরা মেধাতালিকায়ও এগিয়ে রয়েছেন। এতে দেশের কৃষিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৫১ জন ছাত্রী ও ৩২০ জন ছাত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কামাল উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেছেন, এক-দুই বছর আগে তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৩ শতাংশের মতো ছাত্র ভর্তি হতেন। বাকিরা ছাত্রী। এই প্রথম ছাত্রীরা বেশি ভর্তি হয়েছেন। ৫২ শতাংশ ছাত্রী এবং ৪৮ শতাংশ ছাত্র এবার ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন। নারীশিক্ষার জন্য সরকারের নানা ধরনের প্রণোদনাসহ বিভিন্ন কারণে এখন নারীরা শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি মনে করেন।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১৫০টি আসনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছেন ১৪২ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৫ জন ছাত্রী, বাকি ৬৭ জন ছাত্র।

কৃষিশিক্ষায় ছাত্রীদের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি পুরো কৃষি খাতের ওপরই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা) তমাল লতা আদিত্য। তিনি নিজেও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী। ১৯৮৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পাস করেন ১৯৯৩ সালে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তখন ১০ থেকে ১২ শতাংশ ছাত্রী ভর্তি হতেন। এখন কৃষিশিক্ষায় ছাত্রীদের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অবশ্যই পুরো কৃষি খাতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। নতুন জাত উৎপাদনসহ কৃষিশিক্ষায় নারীরা এখন ভালো করছেন। চাকরির বাজার বড় প্রসারিত হওয়ায় এবং কৃষি গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষির প্রতি উদ্বুদ্ধ হওয়ায় কৃষিশিক্ষায় নারীরা এগিয়ে আসার কারণ বলে তিনি মনে করেন।

বাংলাদেশ

কোরবানির ঈদে কি বাড়ি ফেরা যাবে?

ঈদের সময় রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরবাসী মানুষের গ্রামে ফেরা আমাদের ঐতিহ্যে রূপ নিলেও তাতে বাধ সেধেছে করোনা মহামারি। ঈদুল ফিতরের সময় বন্ধ ছিল গণপরিবহন, চলাচলেও ছিল নিষেধাজ্ঞা। স্বাভাবিকভাবে বাড়ি ফেরার সুযোগ ছিল না কারো। যদিও গত ঈদে ব্যক্তিগত গাড়িতে বাড়ি ফেরার সুযোগ দিয়েছিল সরকার।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলেও গত কয়েক মাসের কড়াকড়ি অবস্থা থেকে বেরিয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে জীবনযাত্রা। তাই নগরে থাকা মানুষের জানতে চাওয়া-তবে কি আগামী ঈদে বাড়ি ফেরা যাবে?

মার্চ মাসের শুরুতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী প্রথম ধরা পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমাবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী গত ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ছিল। পরে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দেয়া হয়, চালু করা হয় গণপরিবহন। পরে এই ব্যবস্থা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। এখন তা বহাল থাকবে ১ জুলাই থেকে আগামী ৩ আগস্ট পর্যন্ত

তবে কেউ কেউ বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখন গণপরিবহন চলাচল করলেও ঈদের সময় তা অব্যাহত থাকলে করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ঈদের সময় চলাচলের সুযোগ করে দিলে একসঙ্গে অনেক মানুষ হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব হবে না। সরকারও এত মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, ‘মানুষ নিজেরা যদি সচেতন থাকে তবে ঝুঁকিটা কম। মানুষকে তো আটকানো যায় না, পৃথিবীর কোনে দেশই তা পারেনি। তবে প্রত্যেকে সচেতন থাকলে নিরাপদ থাকা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে যদি সচেতন থাকে তবে মুভ করলেও খুব বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ঈদে বাড়ি ফেরার বিষয়ে হয়তো কিছু নির্দেশনা থাকবে, সেটা ঈদের আগে জানিয়ে দেয়া হবে।’

সচিব আরও বলেন, ‘আমরা প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলছি। মানুষ নিজেকে বাঁচানোর জন্য যদি সচেতন না হয় তবে আর কবে সচেতন হবে? সচেতনতাই এখন আমাদের একমাত্র বাঁচার উপায়।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, ‘মানুষ নিজেরা যদি সচেতন থাকে তবে ঝুঁকিটা কম। মানুষকে তো আটকানো যায় না, পৃথিবীর কোনে দেশই তা পারেনি। তবে প্রত্যেকে সচেতন থাকলে নিরাপদ থাকা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে যদি সচেতন থাকে তবে মুভ করলেও খুব বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ঈদে বাড়ি ফেরার বিষয়ে হয়তো কিছু নির্দেশনা থাকবে, সেটা ঈদের আগে জানিয়ে দেয়া হবে।’

সচিব আরও বলেন, ‘আমরা প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলছি। মানুষ নিজেকে বাঁচানোর জন্য যদি সচেতন না হয় তবে আর কবে সচেতন হবে? সচেতনতাই এখন আমাদের একমাত্র বাঁচার উপায়।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

দুশ্চিন্তায় খুলনার খামারিরা, অনলাইনে গরু বিক্রির পরিকল্পনা

মাসখানেক বাদেই পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রতি বছর এই সময়ে গরু নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা আতঙ্কে গরু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খুলনার প্রান্তিক খামারিরা। গরুর দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা। তবে প্রাণিসম্পদ দফতর এবার অনলাইনে গরু বিক্রির পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে।

খামারিরা বলছেন, এবার গরু লালন-পালনের খরচের তুলনায় প্রতি গরুতে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হবে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই খামার বন্ধ করতে বাধ্য হবেন অনেকেই।

একাধিক খামারির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে খুলনা শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেশীয় পদ্ধতিতে গরু লালন-পালন করা হচ্ছে। তবে করোনা কারণে প্রান্তিক খামারিরা গরুর সঠিক দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। একদিকে গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও অন্যদিকে গরুর দাম কম হওয়ায় দিন দিন তাদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া গ্রামের আলাউদ্দীন মিয়া জানান, তিনি ঈদুল আজহাকে টার্গেট করে ২৭টি গরু নিয়ে একটি খামার গড়েছেন। খামারে থাকা এক একটি গরু প্রায় এক বছর আগে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায় কেনা। এসব গরু বাড়তি লাভের আশায় লালন-পালন করলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে যে দাম হচ্ছে তাতে মনে হয় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা প্রতি গরুতে লোকসান গুনতে হবে।

খামার মালিক মো. আওছাফুর রহমান জানান, বর্তমানে তার খামারে ছোটবড় মিলে ৩৫টি গরু আছে। গরুগুলোকে কোরবানির ঈদে বিক্রি করার জন্য গত ছয় মাস ধরে তিনি লালন-পালন করছেন। বাজারে গরুর যে দাম তাতে চিন্তা অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

কয়ছার উদ্দীন নামে এক খামারি জানান, গরু পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। তাই তিনি গত আট বছর ধরে খামার করে গরু বিক্রি করছেন। তার খামারে ২৫টি গরু রয়েছে। একদিকে গো-খাদ্যের চড়া দাম তার ওপর করোনায় বাজার মন্দা হওয়ায় উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় মোট ৬ হাজার ৮৯০ জন গবাদিপশুর খামারি রয়েছেন। সব থেকে বেশি খামার রয়েছে তেরখাদা, ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটা উপজেলায়। এসব খামারে মোট গবাদিপশু আছে ৪৫ হাজার ১৪৮টি। এর মধ্যে ৪০ হাজার ৯৬৮টি গরু ও ৪ হাজার ১৮০টি ছাগল ও ভেড়া।

খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এসএম আউয়াল হক বলেন, খুলনার খামারে থাকা বেশির ভাগ পশু বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। কিন্তু দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে খামারিরা অনেকটা বিপদে পড়েছেন। আমরা তাদের মনোবল শক্ত রাখতে অনেক চেষ্টা করছি। অন্যান্য বছর খুলনায় কোরবানির পশুর মোট চাহিদার ৯৯ শতাংশ স্থানীয় খামারিরা পূরণ করতেন। এ বছরও তারা ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করার জন্য গরু-ছাগল পালন করছেন। তবে করোনার প্রকোপ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষ এবার কোরবানি দেবে না। এতে খামারিদের পশুও কম বিক্রি হবে।

তিনি আরও বলেন, অন্যান্য বছর প্রতিটি গরুতে একজন খামারি ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা লাভ করতেন। এবার লাভের অংশটা অনেক কমে যাবে। অনেকের লোকসানও হতে পারে। তবে আমরা খুলনার খামারিদের কথা চিন্তা করে অনলাইনে গরু বিক্রি করা যায় কি-না সেই চেষ্টা করছি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

গরিবের জন্য কুরবানির গোশত বিতরণের সহায়তা প্যাকেজ

বান্দার সঙ্গে মহান আল্লাহর ভালোবাসা অনন্য নিদর্শন কুরবানি। আবার এ কুরবানি ধনী-গরিবের মাঝে সেতু বন্ধনের অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের যে পশু কুরবানি করা হয় তা থেকে কিছু অংশ সমাজের গরিব-দুঃখীর মাঝে বিতরণ করা হয়।

সমাজে এমন অনেক অভাবি মানুষ রয়েছে, যারা কুরবানিকেই গোশত খাওয়ার উপলক্ষ হিসেবে বিবেচনা করে। আশায় থাকে কুরবানি আসলেই চাহিদা পূরণ করে খাবে গরু/খাশির গোশ্ত। কুরবানির ঈদের অপেক্ষায় থাকে এসব অভাবি মানুষ।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের এসব অভাবি অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ‘সবার জন্য কুরবানি’ স্লোগানে গত কয়েক বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে দেশের জনপ্রিয় দ্বীনি খেদমতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন।’ স্বচ্ছলদের পক্ষ থেকে কুরবানি করে দারিদ্রপীড়িত অঞ্চলের দুস্থ-অসহায়-অভাবি মানুষের মাঝে এসব কুরবানির গোশত নিজ উদ্যোগে বিতরণ করে এ প্রতিষ্ঠান।

যদিও এবার মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে মানুষের মাঝে বিগত বছরের তুলনায় কুরবানি ও উৎসব নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা কম পরিলক্ষিত হয়, তারপরও গরিবদের মাঝে কুরবানির গোশ্ত বিতরণের এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে এ বছরও উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন দরিদ্র অঞ্চলের দুস্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে কুরবানির গোশ্ত বিতরণ করা হবে। ইনশা আল্লাহ।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের আহ্বান
আপনার একটি কুরবানি অথবা কুরবানির অংশ অনেক অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারে। কুরবানি এমন একটি ইবাদত, যা প্রতিনিধি মারফত সম্পাদন করা যায়। সে লক্ষ্যে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন কুরবানির জন্য সাধ্য মতো দান-সহযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে একটি প্যাকেজ তৈরি করেছে। প্যাকেজগুলো হলো-
– ১টি মাঝারি আকারের গরু : ৫৬ হাজার টাকা।
– ১টি মাঝারি আকারের ছাগল ৯ হাজার টাকা।
– গরুর ৭ ভাগের একভাগ ৮ হাজার টাকা।

যারা একক কুরবানির নিয়তে দান করতে চায়, তারা উল্লেখিত যে কোনো প্যাকেজে এ পরিমাণ অর্থ দিয়ে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

আবার কুরবানির প্যাকেজে অংশগ্রহণ ছাড়াও যে কোনো পরিমাণ টাকা দিয়েও এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। এভাবে প্রাপ্ত টাকায় কুরবানির উদ্দেশ্য ছাড়া শুধু পশু জবাই করে দুস্থ-অসহায়-গরিবদের মাঝে গোশ্ত বিতরণ করা হবে।

এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহীরা উল্লেখিত হিসাব নাম্বারে টাকা পাঠাতে পারেন। তবে টাকা পাঠানোর তথ্য ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট নাম্বারে জানিয়ে দিতে হবে। টাকা পাঠানোর ব্যাংক হিসাব, বিকাশ/নগদ/রকেট নাম্বার ও ফোন নাম্বার দেয়া হলো-

ব্যাংক হিসাব
ACCOUNT NAME : AS SUNNAH FOUNDATION
SAVINGS ACCOUNT NO : 20502920202959613
ISLAMI BANK BANGLADESH
KANCHPUR BRANCH. NARAYAN GANJ

বিকাশ
01756400541 (পারসোনাল)
01551555400 (মার্চেন্ট) (পারসোনাল বিকাশ থেকে Pament সিলেক্ট করে পাঠাতে হবে)

নগদ : 01756400542, রকেট : 01551555400

কুরবানির এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের শেষ তারিখ : ২৬ জুলাই রাত ১২টা।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের এ কার্যক্রম সম্পর্কে যে কোনো বিষয় বিস্তারিত জানতে ও জানাতে যোগাযোগ করুন-
ফোন : 01756400542, 01551555400, E-mail : assunnahfoundationbd@gmail.com , Website : www.assunnahfoundation.org

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

সরকারকে গবাদিপশু কিনে অনলাইনে বিক্রির পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশে গবাদিপশুর হাট বসলে এবং ঈদুল ফিতরের মতো এবার ঈদের আগে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগ থেকে লোকজনের অবাধ যাতায়াত নতুন করে সারাদেশে করোনা সংক্রমণের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে আসা চীনা বিশেষজ্ঞ দলও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। কোরবানি উপলক্ষে পশুর হাট বসলে এবং এই ঈদকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামে চলে গেলে আরও এক দফা দাবানলের মতো করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করেছেন তারা। তাই জীবন ও জীবিকা ঠিক রেখে এ দুটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর করণীয় সম্পর্কে নানা চিন্তাভাবনা চলছে।

জানা গেছে, ঈদের সময় দেশের কোনো কোনো রেড জোনভুক্ত বিভাগ বা জেলা পূর্ণাঙ্গ বা আংশিক লকডাউন হতে পারে।

এদিকে গত একমাসেরও বেশি সময়ের করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বলছেন, এখন করোনার পিক আওয়ার (চূড়ান্ত সংক্রমণ) চলছে। আবার কেউ কেউ বলছেন, আমরা ধীরে ধীরে পিকের দিকে যাচ্ছি। তবে তারা সকলেই কোরবানির পশুর হাট বসা ও ঈদের সময় মানুষের গ্রামে যাওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এটা ঠেকানো না গেলে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সদস্য স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, ‌ঈদের সময় গবাদিপশুর হাট বসলে করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে পারে।

এ সমস্যার সমাধান কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার কৃষকদের পণ্যের সঠিক দাম পেতে সাহায্য করতে সরাসরি ধানচাল কিনে থাকে। ঠিক তেমনিভাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারিভাবে গবাদিপশু কিনে নিয়ে তা অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা করতে পারে। সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। এক্ষেত্রে গবাদিপশু কিনে বিক্রি করলে সরকারের কিছু আর্থিক ক্ষতি হলেও করোনা ঝুঁকি থাকবে না।

ঈদে মানুষের যাতায়াত সম্পূর্ণরুপে বন্ধের কোনো বিকল্প নেই মন্তব্য করে ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, এ ব্যাপারে আগে থেকেই সরকারিভাবে ঘোষণা দিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মোশতাক হোসেন বলেন, রমজানের ঈদের মতো এবারও ঈদের সময় লাখ লাখ মানুষ বাসে ও লঞ্চে গাদাগাদি করে শহর ছেড়ে গ্রামে গেলে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা কিছুতেই সম্ভব হয় না। এ কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়াটাই স্বাভাবিক।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানির পশুর হাট বসানোর কথা শোনা যাচ্ছে। তবে গবাদিপশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি কিছুতেই রক্ষা করা যাবে না। ফলে সংক্রমণ বাড়বে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে আসা চীনা বিশেষজ্ঞ দলও বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনাকালে গত দু-তিন মাসের আক্রান্ত, মৃত্যু এবং সুস্থতা ইত্যাদির তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঈদের সময় লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত চরম ঝুঁকি তৈরি করবে বলে অভিমত দিয়ে গেছেন। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ঈদে মানুষের যাতায়াত ও গবাদিপশুর হাট-এ দুটি চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে নানা পরিকল্পনা চলছে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। গতকাল পর্যন্ত ৭ লাখ ৩০ হাজার ১৯৭টি নমুনা পরীক্ষা করে দেশে মোট এক লাখ ৩৭ হাজার ৭৮৭ জন রোগী শনাক্ত করা গেছে। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৭৩৮ জনের। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৫৫ হাজার ৭২৭ জন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

এবার দেশে কোরবানিযোগ্য পশু এক কোটি ৯ লাখ

এবার দেশে কোরবানিযোগ্য মোট পশুর সংখ্যা এক কোটি ৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০০টি। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯ লাখ কম। গত বছর এ সংখ্যা ছিল এক কোটি ১৮ লাখ।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতর এবারের কোরবানির পশুর এ সংখ্যা নির্ধারণ করেছে। করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এবার পশু উৎপাদন কম হয়েছে। একই সঙ্গে চাহিদা অন্য সময়ের চেয়ে কম হবে, তাই কোরবানির পশু নিয়ে কোনো সংকট দেখছেন না সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। এই ঈদে মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করে থাকে।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরেরে একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, কোরবানিকে সামনে রেখে আমরা সারাদেশ থেকে তথ্য নিয়েছি। সেই তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, দেশে সব মিলিয়ে কোরবানিযোগ্য পশু এক কোটি ৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০০টি। এরমধ্যে গরু-মহিষ ৪২ লাখ ৩৮ হাজার, ছাগল ও ভেড়া ৬৭ লাখ এবং অন্যান্য হিসেবে দুম্বা ও উট ৪ হাজার ৫০০।

গবাদি পশুর এই হিসাব মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) এ কে এম আরিফুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘কোনবানিযোগ্য পশুর যোগান চাহিদার চেয়ে বেশি হবে বলেই আশা করছি। আমরা পশু বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি। করোনার কারণে পশুর হাটের সংখ্যা বেশি করার জন্য বলা হয়েছে, যাতে সামাজিক দূরত্ব মানা যায়।’

তিনি বলেন, ‘অনলাইনে বিক্রির দিকেও জোর থাকবে আমাদের- আমরা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছি।’

প্রাণিসম্পদ অধিদফতর থেকে জানা গেছে, গত বছর কোরবানি যোগ্য পশু ছিল এক কোটি ১৭ লাখ। গত বছর কোরবানির পশু জবেহ হয়েছিল এক কোটি ৬ লাখ।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা বলেন, এবার পশুর উৎপাদন একটু কমেছে, তবে বড় আকারে কমেনি। কোরবানি উপলক্ষে অনেকে সিজনাল খামারি হয়ে যান। কিন্তু গত ৪/৫ মাস ধরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ চলমান থাকায় তারা সেটা করতে পারেননি। সংখ্যায় কমলেও এক কোটি ৯ লাখ পশু এবার কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত মনে করছি আমরা। কোনো সংকট হবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু বিক্রি করতে পারলেই হলো।

তিনি আরও বলেন, সাধারণত আগের বছরের জবেহ হওয়া পশুর সংখ্যার সঙ্গে আরও ৫ শতাংশ যোগ করে চলতি বছরের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এবার এটা বলা মনে হয় ঠিক হবে না যে, গত বছরের সঙ্গে এবার চাহিদা আরও ৫ শতাংশ বাড়বে। করোনায় সবারই আয়-রোজগার কমেছে, তাই চাহিদা আরও কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই এবার এক কোটি ৯ লাখ কোরবানির পশু পর্যাপ্ত মনে করছি আমরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com