আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে বাধা দেয়া দুর্বৃত্তদের প্রতি অনুকম্পা নয়

ইলিশ সম্পদের উন্নয়নে বাধা দেয়া দুর্বৃত্তদের প্রতি সরকারের ন্যূনতম অনুকম্পা থাকবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সবাই মিলে সফল করতে হবে। কিছু প্রতিকূলতা ও সমস্যা রয়েছে। এ সমস্যা ও প্রতিকূলতা আমাদের সদিচ্ছা ও সৃজনশীলতা দিয়ে অতিক্রম করতে হবে। সমস্যা অতিক্রম করে কাজ করতে পারলেই সফলতা আসবে। মানুষের সচেতনতা বাড়ছে। আইনের প্রয়োগকে আমরা এমন জায়গায় নিয়ে এসেছি যে, দুর্বৃত্ত যারা দেশের উন্নয়নে, মাছের উন্নয়নে বাধা, সে দুর্বৃত্তদের প্রতি আমাদের কোনো রকম অনুকম্পা থাকবে না।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২০ সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে অনলাইন মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মো. ইমদাদুল হক ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকার উপস্থিত ছিলেন।

মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বিভাগীয় কমিশনার, নৌপুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলাম, ইলিশ সম্পৃক্ত ৩৬ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, মৎস্য অধিদফতরের বিভাগীয় উপপরিচালক, ইলিশ সম্পৃক্ত ৩৬ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী সদরদফতরের প্রতিনিধিরা সভায় ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, ইলিশের যেন বিস্তার ঘটে, মা ইলিশ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, ইলিশ আহরণের পরিসর যেন আরও বাড়ানো যায়, সেজন্য মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিশেষ করে পুলিশ, র্যাব, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ভূমিকা রাখতে হবে। নিষেধাজ্ঞাকালে কোনোভাবেই যেন ইলিশ আহরণ না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। এসময় মৎস্য আহরণে বিরত থাকা মৎস্যজীবীদের জন্য ইতোমধ্যে ভিজিএফ চাল মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে একটা বিপ্লব হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন এ বছর অভাবনীয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই বিপ্লবের সাফল্য মন্ত্রণালয়সহ মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তার। এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি জায়গায় মৎস্য সম্পদকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। মৎস্য খাতের ব্যাপক সফলতা দেশে এবং দেশের বাইরে আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। আমরা আশা করছি অদূর ভবিষ্যতে বিদেশে মাছ রফতানির মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ করে দিতে পারবো।

দেশের ইলিশ সম্পদের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিশেষ করে পুলিশ, র্যাব, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সভায় ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

দৈনন্দিন

করোনা হলে কখন উপুর করে শোয়াতে হবে

করোনা হলেও মানুষ খুব বেশি হাসপাতালে যাওয়ার চিন্তা করছেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতেই চলছে করোনা রোগীর চিকিৎসা।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, করোনাভাইরাস যেহেতু শ্বাসনালীর মাধমে ফুসফুসকে আক্রান্ত করে থাকে, তাই শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়ে থাকে। যখন স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিয়ে সমস্যা হয়, তখন রোগীকে উপুড় করে শোয়ানো হলে কষ্ট কিছুটা কমে।  

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শ্বাসকষ্টের সমস্যা তীব্র হলে এভাবে শোয়ানো হয় রোগীকে।  কারণ উপুর হয়ে শোয়া অবস্থায় ফুসফুসের অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে। করোনা আক্রান্ত রোগীর ফুসফুসে সংক্রমণ হলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীর থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের কাজটাও সঠিকভাবে হয় না। ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুর্বল ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যই রোগীকে উপুড় করে শোয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।  

এছাড়াও উপুড় হয়ে শোয়ার ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস বাড়ে ও ইনফেকশনের প্রবণতাও কমে।

মনে রাখতে হবে করোনা আক্রান্ত রোগীকে উপুড় করে শোয়াতে সমস্যা হলে ডান বা বাঁ পাশে কাত করে শোয়াতে হবে। কখনোই চিত করে শোয়ানো যাবে না।  

তবে ঘুমানোর সময় একটানা উপুড় করে শোয়ানো ঠিক না। জেগে থেকে বিশ্রাম নেওয়ার সময় এভাবে শোয়ালে উপকার পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তারকা রেস্টুরেন্টের শর্মা এবার বাড়িতেই

মহামারি করোনার কারণে বাইরে থেকে খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এসেছে আমাদের। কিন্তু মাঝে মাঝে তো কিছু স্পেশাল খাবার খেতে ইচ্ছে করতেই পারে।

এই যেমন অনেক দিন হয়তো শর্মা খাওয়া হচ্ছে না।  
এবার হবে, তাও আবার ঘরের তৈরি। কে তৈরি করবে? কেন, আপনি। বেশ সহজ জেনে নিন রেসিপি: 

উপকরণ 
পুরের জন্য: যেকোনো মাংস কিমা অথবা ছোট টুকরো করে কাটা ৫০০ গ্রাম, দই এক কাপ, ভিনেগার দুই টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা ও পেঁয়াজ কুচি দুই টেবিল চামচ করে, রসুন এক চা চামচ, ধনে গুঁড়া দেড় চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৩-৪টা এলাচ-দারুচিনি, লবণ পরিমাণমতো, লেবু একটি।

প্রস্তুত প্রণালী: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ঢেকে ফ্রিজে একঘণ্টা রাখুন।


পাত্রে অল্প তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি ছাড়ুন। পেঁয়াজ ভাজা হলে মিশ্রণটি দিয়ে রান্না করে নিন।
সসের জন্য: রসুন চারটি, লবণ স্বাদমতো, তেল এক কাপ, ডিমের সাদা অংশ দু’টি, লেবুর রস এক চা চামচ।

প্রণালী: রসুন, লবণ আর তেল একসাথে ব্লেন্ড করে তারপর ডিমের সাদা অংশটা ঢেলে দিন তেল একটু লেবুর রস ব্লেন্ডার চলতে থাকা অবস্থায় ঢেলে দিন। হয়ে গেল গার্লিক সস।

রুটির জন্য: ময়দা দুই কাপ, ইস্ট দুই চা চামচ, গরম পানি আধা কাপ।

লবণ পরিমাণ মতো। চিনি এক চা চামচ।

প্রণালী:  ইস্ট ১/২ কাপ পানিতে মিশিয়ে চিনি দিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। একটি পাত্রে ময়দা ও লবণ মিশিয়ে এতে ইস্ট ও পানি দিয়ে মিশিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন।  এবার খামির একটু গরম জায়গায় আধাঘণ্টা রেখে দিন, ফুলে উঠবে। ওভেনে ১৮০ ডিগ্রিতে ১০ মিনিট প্রি-হিট দিয়ে মোটা রুটি বানিয়ে ৪ মিনিট বেক করুন। চাইলে চুলায় ফ্রাইপ্যানেও একটু সময় নিয়ে রুটি তৈরি করে নিতে পারেন।

সবশেষে শসা, টমেটো, পেঁয়াজ ও ধনে পাতা কুচি রুটির ওপর কিমা দিন, এরপর গার্লিক সস দিন। এবার রুটি রোল করে পরিবেশন করতে পারেন। অথবা রুটির মাঝে কেটে পকেটের মতো তৈরি করে কিমার মিশ্রণ ভেতরেও দিয়ে দিতে পারেন।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বটিয়াঘাটায় উদ্ধার ৫৩ সন্ধি কচ্ছপ ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত

বটিয়াঘাটায় উদ্ধার ৫৩ সন্ধি কচ্ছপ ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত

বাগেরহাট: খুলনার বটিয়াঘাটা থেকে উদ্ধার করা ৫৩টি সন্ধি কচ্ছপ বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ সংলগ্ন ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।  

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঘোড়াদিঘীর ঘাটে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক আনম ফয়জুল হক কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করেন।

এসময় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বন্যপ্রাণী) নির্মল কুমার পাল, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার মৎস্য বিশেষজ্ঞ মফিজুর রহমান চৌধুরী, বাগেরহাট প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার পরিদর্শক রাজু আহমেদসহ বন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বন্যপ্রাণী) নির্মল কুমার পাল বলেন, বটিয়াঘাটা থেকে উদ্ধার করা কচ্ছোপগুলোকে ষাটগম্বুজ মসজিদ সংলগ্ন ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। দিঘীতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে পারবে। তবে এগুলোকে সংরক্ষণের জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। 

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আনম ফয়জুল হক বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জেলা প্রশাসন সব সময় সোচ্চার। ভবিষ্যতেও আমরা সোচ্চার থাকব। এর অংশ হিসেবে কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করা হলো। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, বন বিভাগসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একযোগে কাজ করে এ অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করবো।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বটিয়াঘাটা উপজেলার বাজারমাছ থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করেন বণ্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার সদস্যরা। আহরণ নিষিদ্ধ কচ্ছপ বিক্রির দায়ে নিরাপদ সরকার নামে এক ব্যবসায়ীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নজরুল ইসলাম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে রসুন ও পেঁয়াজের ক্ষেত

নীলফামারী: এবারের শীতে মানুষ, গবাদি পশু কষ্টে পড়েছে। তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের হাড় ভাঙা পরিশ্রমে বোনা ফসল।

বিশেষ করে আলু, রসুন ও পেঁয়াজের ক্ষতি কৃষকরা পুষিয়ে নিতে পারবেন না। শীত ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের কারণে মাঠের পর মাঠের পেঁয়াজ আর রসুনের পাতার আগা বাদামী হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে (স্টেমফাইলিয়াম লিফ ব্লাইট রোগ)

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ি, কামারপুকুর, পার্শ্ববর্তী খানসামার প্ল্যান বাজার, দুহশুহ, ফতেজংপুর,  মারগাঁও চিরিবন্দর বিভিন্ন  এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়। সেখানকার কৃষক ফয়েজ উদ্দিন, আবু তালেব, রতন মিয়া জানান, আলু, রসুন ও পেঁয়াজ বোনার পর পরই শুরু হয় তীব্র শীত ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। 

শীতের তীব্রতা সহ্য করতে না পেয়ে আলু ক্ষেতে দেখা দেয় ছত্রাক জনিত পচন রোগ। কৃষকরা বালাইনাশক ওষুধ স্প্রে করলেও খুব কাজ একটা হয়নি তাতে। বিশেষ করে রসুন ও পেঁয়াজের পাতাগুলো কুঁকড়ে গেছে। ফলে এ বছর উৎপাদনে টান পড়তে পারে বলে জানান তারা।  

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, রসুন ও পেঁয়াজের উৎপাদন কম হলেই দাম বাড়বে। ফলে কৃত্রিম সংকটও সৃষ্টি হতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ, ভেসে উঠলো লক্ষাধিক টাকার মাছ

রাজবাড়ী: রাজবাড়ী সদর উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের রশোরা গ্রামে একটি মৎস্য খামারে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলা হয়েছে।

শনিবার (১৩ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে ইতালী প্রবাসী মো. ইখতেখায়রুল আলম তুহিনের মৎস্য খামারে এ ঘটনা ঘটেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুরে অনেক মাছ মরে ভেসে উঠেছে।  
খামারের কেয়ারটেকার মো. ওমর আলী তুহিন জানান, খামারের মালিক ইতালীতে থাকেন। মৎস্য খামার তিনি দেখাশোনা করেন। বেশ কিছুদিন ধরে এলাকার মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত আবুল বাসার শেখ বিভিন্ন ভাবে তাদের খামারের পুকুর থেকে মাছ চুরি করে আসছিলো। এ ব্যাপারে তাকে নিষেধ করা হলো সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ৮/১০ দিনের ব্যবধানে দুটি পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলে। এতে লাখ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের বাসার ৪/৫ জন জড়িত আছে।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে মো. ইখতেখায়রুল আলম তুহিনের সঙ্গে কথা বল্লে তিনি জানান, বাসার ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোরা এলাকায় চুরির সঙ্গে জড়িত। তারা মাদকসেবী হিসেবেও পরিচিত। বাসারের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রয়েছে। সে তার পুকুরের মাছ চুরি করে বাজারে বেচে মাদক সেবন করে বলে জানা আছে। তিনি এর প্রতিকার চান।

চিলতি মাসের ৯ তারিখে মো. ইখতেখায়রুল আলম তুহিনের স্ত্রী ফারজানা নাসরিন রাজবাড়ী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন। এতে উল্লেখ করেন, আবুল বাসার ও এলাকার বেশ কয়েক জন ছেলে তাদের মৎস্য খামার থেকে জাল দিয়ে মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। পরে তাদের নিষেধ করলে জীবননাশের হুমকি দেয়।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com