আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

ইলিশ ডিমের মতি পোলাও

ইলিশ ডিমের মতি পোলাও
ইলিশ ডিমের মতি পোলাও

উপকরণ ক. ইলিশ মাছ ৪ টুকরা, ইলিশের ডিম ২ টুকরা, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচকুচি ২ টেবিল চামচ, পাউরুটি ২ টুকরা, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, লবণ স্বাদমতো।

উপকরণ খ. আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, তরল দুধ ১ কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৪–৫টি, সয়াবিন তেল সিকি কাপ, টক দই ২ টেবিল চামচ, চিনি আধা চা-চামচ।

উপকরণ গ. পোলাওর চাল ২ কাপ, নারকেলের দুধ ১ কাপ, পানি (ইলিশ সিদ্ধ করার জন্য) ২ কাপ, গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ, ঘি সিকি কাপ, এলাচি ২টি, দারুচিনি ২ টুকরা, চিনি ১ চা-চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো।

প্রণালি ক. ইলিশ মাছ লবণ ও ৩ কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন। বাকি পানি পোলাওয়ের জন্য রেখে দিতে হবে। এবার ইলিশের ডিম ভালোভাবে চটকে নিন। কাঁটা বাছা মাছ ও বাকি উপকরণগুলো একসঙ্গে পানি দিয়ে ভেজানো পাউরুটির সঙ্গে মাখাতে হবে। এবার হাতে টোস্টের গুঁড়ো লাগিয়ে ছোট ছোট বলের মতো বানিয়ে ডুবো তেলে হালকা বাদামি করে ভেজে নিন।

খ. একটি পাত্রে দুধ বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে ভালোভাবে বেটে চুলায় দিয়ে কষান। মসলায় সুঘ্রাণ এলে দুধ দিয়ে দিন। দুধ ফুটে উঠলে ভাজা মাছের ডিমের মতিগুলো দিতে হবে। একটু পর তেল চকচকে হলে পোলাওর সঙ্গে মিশিয়ে অল্প ঘি ছড়িয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে পরিবেশন করুন।

গ. পোলাও: রাইস কুকারে যথারীতি নারকেলের দুধ ও ইলিশ সিদ্ধ পানি দিয়ে পোলাও রান্না করে নিতে হবে। রাইস কুকার ছাড়া চুলাতেও পোলাও রান্না করতে পারবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

দৈনন্দিন

বিশ্বের সবচেয়ে পরিবেশ বান্ধব খাবার কোনগুলো?

খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখে
খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখে

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে বিশ্বে যে পরিমাণ গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হয় তার এক চতুর্থাংশের জন্য দায়ী খাদ্য উৎপাদন। অর্থাৎ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের পেছনে এই খাদ্য উৎপাদন অন্যতম প্রধান কারণ।

তবে, গবেষকরা দেখেছেন যে একেক ধরণের খাবারের পরিবেশগত প্রভাব একেক রকম।

পরিবেশ সচেতন অনেকেই এখন প্লাস্টিকের ব্যাগ এবং প্লাস্টিকের স্ট্র ব্যবহার বাদ দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন যতোটা সম্ভব নিজের ব্যবহার্য জিনিষগুলো পুনর্ব্যবহার করার, যেন উষ্ণতা কয়েক ডিগ্রী কমানো যায়।

তবে আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনার সাপ্তাহিক বাজার এই বিশ্বের পরিবর্তনে কতোটা ভূমিকা রাখতে পারে?

বিবিসি রেডিও ফাইভ তাদের কুল প্ল্যানেট সিজনে এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত তথ্যচিত্র প্রচার করে।

সেখানে তারা এটা খোঁজার চেষ্টা করেছে যে আমাদের প্রাত্যহিক বাজারে ছোটখাটো কোন পরিবর্তনগুলো কিভাবে আমাদের গ্রহের ওপর বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে।

ল্যানক্যাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাই বার্নার্স লি গিয়েছিলেন বাজার করতে। তিনি একাধারে একজন জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশেষজ্ঞ।

বাজার করতে গিয়ে কয়েকটি খাবারের উদাহরণ সামনে আসে।

লাল মাংসের কিমা
লাল মাংসের কিমা

মাংস এবং মাছ

বেশিরভাগ মানুষই বাড়িতে মাছ মাংস খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোয়। ভেবে দেখুন সপ্তাহের ওই বিশেষ দিনগুলোর ডিনারে গড়ে কি পরিমাণ গ্রিল মুরগি, সসেজ, নুডুলস ইত্যাদি খাওয়া হয়?

অধ্যাপক বার্নার্স-লি বলেছেন যে গরুর মাংস বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন উৎপাদনকারী মাংস।

তিনি বলেন, মুরগি পরিবেশের জন্য অপেক্ষাকৃত ভাল। সঙ্গে তিনি এটাও জানান, “উদ্ভিদজাত খাবার অর্থাৎ শাক সবজির উৎপাদনের চাইতে সব ধরণের মাংসের উৎপাদন বেশ সহজ। এতে কৃষিকাজের মতো সময় ও শ্রম দিতে হয়না।”

মাছ সম্পর্কে অধ্যাপক বার্নার্স-লি পরামর্শ দিয়েছেন মাছ খাওয়া কমিয়ে আনতে। যেমন প্রতিদিনের পরিবর্তে প্রতি সপ্তাহে এক অথবা দুই বেলায় মাছ খাওয়া সীমিত রাখা।

এবং প্রতিবারই বিভিন্ন ধরণের মাছ খাওয়ার চেষ্টা করা।

তবে সবচেয়ে ভাল উপায় হল নিরামিষভোজী হয়ে যাওয়া। যদি আপনি নিরামিষাশী হওয়ার কথা ভাবতেই রা পারেন, তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আপনি বাদ দিতে না পারেন, অন্তত মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করতে পারেন।

যদি আপনার প্রতিদিন মাংস খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে সপ্তাহে মাত্র একটি দিন বেছে নিন যেদিন আপনি কোন মাংস খাবেন না। এই ছোট পরিবর্তন পরিবেশে বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে।

২০১৮ সালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায় যে, গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ অর্ধেকেরও বেশি হ্রাস করা হবে যদি আমরা সবাই সপ্তাহে রেড মিট খাওয়ার পরিমাণ এক বেলায় নামিয়ে আনতে পারি।

ব্রোকোলি
ব্রোকোলি

ফল এবং সবজি:

ফল এবং সবজি সবসময়ের জন্য সবচেয়ে ভাল এবং টেকসই খাবার। তবে এর কিছু ব্যতিক্রম আছে বলে মনে করেন অধ্যাপক বার্নার্স-লি।

“আপনার কাছে থাকা ফল বা সবজিটি যে মৌসুমে ফলন হয় এটা যদি ওই সময়ের পরিবর্তে অন্য কোন মৌসুমে আপনার হাতে আসে তাহলে সেটি খাওয়ার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করে নেবেনে এটি এখানে এলো কিভাবে?

“যদি ওই ফল ও সবজি দেখতে অনেক তরতাজা হয় তাহলে ধরে নিতে পারেন যে এটি আপনার দেশের নয়। বিদেশ থেকে বিভিন্ন উপায়ে আমদানি করা হয়েছে।

হয় এটি পানিপথে এসেছে না হলে আকাশপথে। আর এসব পরিবহনে প্রচুর পরিমাণে কার্বন নির্গত হয়েছে। উড়োজাহাজের একটি ফ্লাইটেই কয়েকশ টন জ্বালানি পোড়ানো হয়। একইভাবে হয় নৌযানের ক্ষেত্রেও।

যদি শীতকাল চলে যাওয়ার পরও আপনার শীতের ফল খেতে ইচ্ছা করে তাহলে সবচেয়ে ভাল উপায় হল সেই ফল ও সবজিগুলোকে হিমায়িত সংরক্ষণ করা।

প্রফেসর বার্নার্স-লি বলেছেন: “খাবার হিমায়িত অবস্থায় অনেকদিন পর্যন্ত টাটকা ও সুস্বাদু থাকে।”

তবে এতেও কার্বন নির্গমনের প্রশ্ন থেকে যায়। কেননা রেফ্রিজারেটর থেকেও কার্বন নির্গত হয়।

আপেল এবং রাস্পবেরি
আপেল এবং রাস্পবেরি

তবে অধ্যাপক বার্নার্স লি বলেছেন, ফ্রিজ থেকে যে পরিমাণ কার্বন নির্গত হয় সেটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো নয়।

আবার বারো মাস ফলন হয় এমন অনেক সবজি রয়েছে যেগুলো কিনা উচ্চমাত্রার কার্বন নি:সরণের জন্য দায়ী। যেমন কচি ব্রোকোলি।

আমরা সবসময় ধরে নিই যে এটি অন্য সব ব্রোকোলির মতোই। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, এই বিশেষ ধরণের ব্রোকোলিটি বিপুল পরিমাণ কার্বন নির্গমন করে থাকে।

কেননা বিশ্বের বেশিরভাগ ব্রোকোলি আসে বিভিন্ন দেশ থেকে আকাশপথে।

গোলাপ ফুল
গোলাপ ফুল

ফুল:

যদি আপনি ফুল খুব ভালবাসেন এবং দিনটাকে রঙিন করে তুলতে মাঝে মাঝে একগুচ্ছ ফুল কেনেন। তাহলে সেই ফুল কেনার ক্ষেত্রেও আনতে পারেন কিছুটা পরিবর্তন।

সবার পছন্দের গোলাপ বা লিলি ফুল সাধারণত দুইভাবে বাজারে আসে। প্রথমত উষ্ণ ঘরে উৎপাদনের মাধ্যমে এবং দ্বিতীয়ত আকাশ পথে আমদানি হয়ে। আবার দুটি বিষয়ও হতে পারে।

এক্ষেত্রে আপনি পটারি প্লান্ট বা টবের গাছ কিনতে পারেন। অথবা ফুলের মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন। যখন দেশেই উৎপাদিত তাজা ফুল হাতে পাবেন।

মুরগির মাংস অপেক্ষাকৃত পরিবেশবান্ধব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা
মুরগির মাংস অপেক্ষাকৃত পরিবেশবান্ধব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা

গোল্ডেন রুলস:

পরিবেশের বিষয়ে সচেতনতার ক্ষেত্রে অধ্যাপক মাইক বার্নার্স লি কিছু গোল্ডেন রুলস বা নিয়মের কথা বলে গেছেন। সেগুলো হল:

  • জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকানোর জন্য সবচেয়ে বড় প্রভাব রাখতে, মাংস এবং দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে এই দুই ধরণের খাবার সবচেয়ে কম কার্যকর। অথচ এই খাবারগুলো কার্বন ফুটপ্রিন্টের মূল কারণ।
  • যদি আপনি সম্পূর্ণ মাংস-মুক্ত থাকতে না চান তাহলে আপনি গরু বা খাসির মাংসের পরিবর্তে মুরগি বা মাছ বেছে নিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে সেই মুরগি ও মাছের কোনটাই যেন খামারে উৎপাদন না হয়।
  • আপনি যা কিছু কিনবেন তার সবটাই খেয়ে নিন। কোন খাবার নষ্ট করবেন না। এজন্য সপ্তাহের বাজার করতে যাওয়ার আগে ভালভাবে ফ্রিজ এবং রান্নাঘর দেখে নিন। যেন বুঝে শুনে কিনতে পারেন।
  • বাজারে প্রায়ই চটকদার সব অফার দেখিয়ে ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়। এসব দেখে কখনোই প্রলুব্ধ হবেননা। দাম কম হওয়ার চাইতে এটা জানা জরুরি, এই জিনিষটা আপনার কতোটা প্রয়োজন।
  • আপনি যতো বেশি ফল এবং সবজি খাবেন ততোই ভাল। তবে খেয়াল রাখবেন যেটা আপনি খাচ্ছেন সেটা মৌসুমি ফল/সবজি কিনা। যদি সেটা ওই ঋতুতে উৎপাদিত খাবার না হয় এবং তা সত্ত্বেও খাবার চেহারা যদি টাটকা থাকে তাহলে ধরে নিতে হবে যে এটি আকাশ বা নৌপথে আমদানি করা হয়েছে।

প্রিয় খাবারটি পরে খাওয়ার জন্য রেফ্রিজারেটরে সঠিক নিয়মে সংরক্ষণ করে রাখুন। যেন আমদানি করা খাবার খেতে না হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যেসব খাবার প্রতি পাঁচ জন লোকের মধ্যে একজনের অকাল মৃত্যু ডেকে আনছে

স্বাস্থ্যকর খাবারে মনোযোগ দেয়ার কথা বলছেন গবেষকরা
স্বাস্থ্যকর খাবারে মনোযোগ দেয়ার কথা বলছেন গবেষকরা

ডায়েটের কারণেই প্রতি পাঁচ জনে একজনের জীবনের আয়ু কমে যাচ্ছে। এক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, প্রতি বছর এক কোটিরও বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে শুধু খাবারের কারণেই।

ল্যানসেটে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে দৈনন্দিন যে খাদ্য তালিকা সেটিই ধূমপানের চেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটায় এবং বিশ্বব্যাপী প্রতি পাঁচটি মৃত্যুর মধ্যে একটির জন্য এই ডায়েট বা খাবারই দায়ী।

যেমন ধরুন লবণ- তা রুটি, সস বা মাংস- যেটার সাথেই দেয়া হোক না কেন -এটিই জীবনের আয়ু কমিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

গবেষকরা বলছেন, এই গবেষণা শুধু মাত্র স্থূলতার বিষয়ে নয় বরং দেখা হয়েছে কিভাবে নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাস (পুওর কোয়ালিটি) হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করছে বা ক্যান্সারের কারণ হচ্ছে।

কোন খাবার নিয়ে চিন্তার কারণ আছে?

দ্যা গ্লোবাল বার্ডেন অফ ডিজেস স্টাডি হলো গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ যেখানে দেখা হয়েছে কিভাবে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে মানুষ মারা যাচ্ছে।

বিপদজনক খাদ্য হিসেবে যেসব উপাদানের কথা বলা হচ্ছে :

১. অতিরিক্ত লবণ- ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ

২. কম দানাদার শস্য খাওয়া- ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ

৩. ফলমূল কম খাওয়া- ২০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ

এছাড়া বাদাম, বীজ, শাক-সবজী, সামুদ্রিক থেকে পাওয়া ওমেগা-৩ এবং আঁশ জাতীয় খাবারের পরিমাণ কম হওয়াটাও মৃত্যুর বড় কারণগুলোর অন্যতম।

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্রিস্টোফার মুরে বিবিসিকে বলছেন, “ডায়েটকেই আমরা স্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান পরিচালক হিসেবে পেয়েছি। এটা সত্যিই অনেক গভীর।”

লবণ অনেক খাবারের সাথেই ব্যবহৃত হচ্ছে
লবণ অনেক খাবারের সাথেই ব্যবহৃত হচ্ছে

কিভাবে মানুষকে হত্যা করছে?

এক কোটি দশ লাখ ডায়েট সম্পর্কিত মৃত্যুর মধ্যে এক কোটির মৃত্যু হচ্ছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে।

অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় যা স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

হার্টে ও রক্ত বহনকারী ধমনীর ওপর লবণের প্রভাব পড়ে সরাসরি যা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধের ঝুঁকি তৈরি করে।

সঠিক ডায়েট থেকে কত দূরে বিশ্ব?

সঠিক ডায়েট থেকে কত দূরে বিশ্ব
সঠিক ডায়েট থেকে কত দূরে বিশ্ব

আমরা কি সঠিক খাবার সঠিক পরিমাণে খাচ্ছি- এটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যেমন, বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার দিনে ২৫ গ্রাম খাওয়ার কথা বলা হলেও গড়ে মানুষ খাচ্ছে মাত্র ৩ গ্রাম। আবার দুধ খাওয়া উচিত ৪৪৩ গ্রাম অথচ মানুষ গ্রহণ করছে ৭১ গ্রাম।

একই ভাবে দানাদার শস্য জাতীয় খাবার ১২৬ গ্রামের জায়গায় ২৯ গ্রাম খাচ্ছে।

অথচ লাল মাংস ২২ গ্রাম খাওয়া উচিত হলেও সেটি খাচ্ছে ২৭ গ্রাম, লবণ ৩.২ গ্রামের ওপর খাওয়া উচিত নয় কিন্তু সেটি গ্রহণ করছে ৬ গ্রাম আর প্রক্রিয়াজাত মাংস ২.১ গ্রামের স্থানে ৪ গ্রাম।

এই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, বিশ্বব্যাপী যে স্বাস্থ্যকর খাবার খাদ্য তালিকা থেকে বেশি বাদ যাচ্ছে তা হলো – বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার।

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর নিতা ফরোউহি বলছেন, ধারণা করা হয় যে এসব খাবারের ছোট একটি প্যাকেটে একজনকে মোটা বানাতে পারে অথচ এগুলো সব ভালো ফ্যাটে ভর্তি।

আর বেশিরভাগ লোকই এটাকে প্রধান খাবার ভাবতে পারেনা, তিনি বলেন।

রেড মিট বা লাল মাংস আর প্রক্রিয়াজাত করা মাংসের সাথে ক্যান্সারের সম্পর্ক নিয়ে প্রতিবছর অনেক সংবাদ হয়।

প্রফেসর মারে বলছেন, কিন্তু সেটা শস্য, দানাদার ও আঁশজাতীয় খাবার ও ফলমূল কম খাওয়ার চেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ।

গবেষকরা তাই মনে করছেন, স্বাস্থ্য নিয়ে যারা সচেতনতা তৈরি করেন তাদের চর্বি কিংবা সুগারের কথা কম বলে স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা বেশি বলা উচিত।

খারাপ ডায়েট মানুষের আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে বিশ্বজুড়ে এটি এখন গবেষণায় পাওয়া যাচ্ছে বলে বলছেন গবেষকরা।

ভালো থাকার জন্য বাদাম জাতীয় খাবার গুরুত্বপূর্ণ
ভালো থাকার জন্য বাদাম জাতীয় খাবার গুরুত্বপূর্ণ

কোনো দেশ ভালো করছে?

ফ্রান্স, স্পেন এবং ইসরায়েলের মতো কিছু দেশ ডায়েট সম্পর্কিত মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম।

আর দক্ষিণ পূর্ব, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার চিত্র উল্টো।

প্রচুর পরিমাণে লবণ
প্রচুর পরিমাণে লবণ

ইসরায়েলে যেখানে প্রতি এক লাখে এ ধরণের মৃত্যুর হার মাত্র ৮৯, সেখানে উজবেকিস্তানে ৪৯২ জন।

তবে প্রফেসর মারে বলছেন, জাপানে আগে ব্যাপক লবণ খাওয়ার প্রবণতা থাকলেও সেটি এখন নাটকীয়ভাবে কমে এসেছে।

তবে চীনারা প্রচুর পরিমাণে লবণ খায় এবং খাদ্য তালিকায় লবণ দিয়ে সস বেশি পছন্দ করে তারা।

আর যুক্তরাজ্য এ বিষয়ে এখনো ফ্রান্স, ডেনমার্ক ও বেলজিয়ামের পেছনে আছে।

তবে এজন্য ফলমূল বা দানাদার ও শস্যজাতীয় খাবারের স্বল্পতাও কম দায়ী নয়।

দেশটিতে ডায়েট সম্পর্কিত মৃত্যু প্রতি লাখে ১২৭ জন।

বেশি লবণ ব্যবহার করে তৈরি খাবার
বেশি লবণ ব্যবহার করে তৈরি খাবার

কোনো পরামর্শ?

প্রফেসর মারে বলছেন, “কোয়ালিটি ডায়েট হলো আসল কথা, আপনার ওজন কতো সেটা এখানে বিবেচ্য নয়।”

তিনি সবজি, আঁশজাতীয় খাবার ও ফলমূল খাওয়া বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন।

কিন্তু এক্ষেত্রে বড় বিষয় হলো টাকা।

প্রফেসর ফরউহি বলছেন, লোকজন জানলে আর রিসোর্স থাকলে মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিতে পারে।

তবে তারা দুজনই একমত যে ফ্যাট, সুগার বা সল্ট এসব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে মানুষের উচিত ভালো খাবারের দিকে মনোযোগ দেয়া।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ঝটপট রান্নার সমাধান বাতলে যে যুবক গড়েছেন শত কোটি পাউন্ডের সফল ব্যবসা

টিমোর ফ্ল্যাটের লাউঞ্জেই চালু হয়েছিল গৌস্তো
টিমোর ফ্ল্যাটের লাউঞ্জেই চালু হয়েছিল গৌস্তো

টিমো বোলড্ট যখন ২৬ বছরের টগবগে উদ্যমী তরুণ ছিলেন, তখন সুপারমার্কেটে যাবার সুযোগই পেতেন না তিনি।

সেই ২০১২ সালে, লম্বা সময় ধরে অফিসের কাজের পর বাসায় ফিরে সহজে রান্না করা যায়, কিন্তু যা খেতেও ভালো তেমন কিছু খেতে ইচ্ছে হতো টিমো বোলড্টের।

টিমো বলছিলেন, “অনেক সময় রান্নার সময় থাকলেও দেখা যেতো কিছু খাবার হয়তো নষ্ট হতো। কখনো আবার অনলাইনে খাবারের রেসিপি ঠিকমত করা যেতো না।”

এরকম অবস্থায় কীভাবে নিজের খাবারের সমস্যার সমাধান করবেন, কীভাবে রান্না-বান্নার বিষয়টিকে সহজ করে যায়— এই নিয়ে ভাবতে থাকেন তিনি।

এই নিয়ে যখন গবেষণা শুরু করলেন তখন টিমো দেখলেন, তার মতন সময়ের টানাটানিতে যারা থাকে তাদের আসলে এমন একটা প্রতিষ্ঠান দরকার যেখানে রান্নার সকল উপাদান আগে-ভাগেই পরিমাপ করে কেটে-কুটে গুছিয়ে বাক্সে ভরে রাখা হবে।

সাথে দেয়া থাকবে সহজে রান্নার রেসিপি বা দিক-নির্দেশনাটাও। তারপর সেই বাক্সটা ক্রেতার বাসায় পৌঁছে দিতে হবে। ব্যাস!

সেই সময়, আজ থেকে বছর সাতেক আগে, এই জাতীয় খাবারের প্যাকেট সরবরাহ করার প্রতিষ্ঠান ছিল অল্প কিছু।

তেমনি একটি জার্মানির ‘হ্যালোফ্রেশ’।

রেসিপি বক্স সরবারহের এই ব্যবসায় এখন অনেক প্রতিযোগিতা
রেসিপি বক্স সরবারহের এই ব্যবসায় এখন অনেক প্রতিযোগিতা

টিমোর মনে হলো, এই ধরণের খাবারের চাহিদা সামনে আরো বহুগুণ বাড়বে।

তাই, একদিন চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে নিজেই এই জাতীয় খাবার সরবরাহ করার ব্যবসায় নেমে গেলেন। খুলে বসলেন তার প্রতিষ্ঠান ‘গৌস্তো’।

সেদিনের সেই ছোট্ট দোকানের আজ বার্ষিক বেচা-বিক্রির পরিমাণ ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড ছাড়িয়ে গেছে।

শুধু তাই নয়, এখন তার ব্যবসার লগ্নিতেও রয়েছে প্রায় সমপরিমাণ অর্থ।

টিমো বোলড্টের মতন এখন আরো অনেকেই এই ব্যবসায় এসেছেন।

যেমন ‘সিম্পলি কুক’, ‘মাইন্ডফুল শেফ’ ইত্যাদি নানা প্রতিষ্ঠান মিলে এই ব্যবসা এখন একটা বৃহৎ শিল্পে পরিণত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাজ্যে এই শিল্প বর্তমানে প্রায় ১০০ কোটি পাউন্ডের অনেক বেশি ব্যবসা গড়ে তুলেছে।

প্রতি মাসে গৌস্তো এক লাখের বেশি বক্স পাঠায় মানুষের কাছে
প্রতি মাসে গৌস্তো এক লাখের বেশি বক্স পাঠায় মানুষের কাছে

২০২৫ সালের মধ্যে বৈশ্বিকভাবে এই ব্যবসা প্রায় ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারের বাণিজ্যে পরিণত হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

গৌস্তো বর্তমানে তার লোকবল আরো বাড়াচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের কর্মী সংখ্যা যুক্তরাজ্যে ৫শ থেকে বাড়িয়ে ১২ শত হতে যাচ্ছে।

টিমোর জীবন

টিমোর জন্ম ও বেড়ে ওঠা বার্লিনে। পরবর্তীতে লন্ডনে চলে আসেন তিনি।

নিজের ব্যবসা চালু করতে সেই সময় নিজের সঞ্চয় থেকে ৭৫ হাজার পাউন্ড দিয়ে গৌস্তো চালু করেন টিমো।

পরে পরিবার আর বন্ধু-বান্ধবদের কাছ থেকে আরো প্রায় দেড় লাখ পাউন্ড অর্থ সংগ্রহ করেন তিনি।

তবে, ব্যবসার একদম শুরুটা ছিল বলতে গেলে একেবারে কপর্দকহীন। তার উপর চাকরি ছেড়ে দেয়ায় মাস শেষে বেতনের টাকাটাও পাওয়া বন্ধ।

টিমো বলছিলেন, সেই সময় সারাদিন ধরে তিনি বিভিন্ন রেসিপি নিয়ে গবেষণা চালাতেন।

এসব করতে-করতেই টিমোর বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনদের মধ্যে একটা সাড়া পাওয়া যায়।

তবে, ব্যবসা শুরুর পর প্রথম তিন বছর নিজে কোন অর্থ পারিশ্রমিক নিতে পারেননি। তবু দিনমান গৌস্তো নিয়ে মেতে থাকতেন তিনি।

এসব করতে গিয়ে পারিবারিক জীবনেও খানিকটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

গৌস্তোর পাঠানো রেসিপি অনুসরণ করে বানানো খাবার
গৌস্তোর পাঠানো রেসিপি অনুসরণ করে বানানো খাবার

টিমো বলছিলেন, “আমি আমার গ্রাহকদেরকে নিজের নাম্বারটা দিই। যদিও এই বিষয়টা আমার স্ত্রী খুব অপছন্দ করেন। কারণ এমনকি মধ্যরাতেও কেউ-কেউ ফোন করে নিজের পার্সেলের খবর জিজ্ঞেস করে।”

শুরুর দিকে টিমোর ব্যবসাটা পূর্ব লন্ডনে ভালো করে।

তারপর তাদের মুখ থেকেই গৌস্তোর কথাটা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পরে বলে জানালেন এই ব্যবসায়ী।

গৌস্তো’র যাত্রা

তরুণ ব্যবসায়ীদের উদ্যোগ বা অন্টারপ্রেনারশিপ নিয়ে বিবিসির টিভি অনুষ্ঠান ‘ড্রাগন্স ডেন’ এ ২০১৩ সালে অংশ নিয়েছিলেন টিমো।

কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে আসা পাঁচজন ব্যবসায়ীর কেউই তখন টিমর প্রতিষ্ঠানে লগ্নি করতে রাজি হননি।

সেই সময়ে মাসে মাসে প্রায় ২৫ হাজার পাউন্ড করে লোকসান গুনছিলেন তিনি।

বর্তমানে গৌস্তো’র অফিস রয়েছে হ্যামারস্মিথ ও ওয়েস্ট লন্ডনে। আর নিজস্ব একটা কারখানা রয়েছে লিঙ্কনশায়ারে।

প্রতিমাসে গৌস্তো এখন গড়ে আড়াই লাখ প্যাকেট খাদ্য সরবরাহ করে।

ব্যবসায় এখনো তার লোকসান হয় বটে। কিন্তু টিমো বলছেন, তার নজর ব্যবসা প্রসারের দিকেই বেশি।

“মুনাফার চেয়ে আমরা আরো বেশি বিনিয়োগ করতে চাই।”

ব্রেক্সিট নিয়ে ততটা উদ্বিগ্ন নন টিমো
ব্রেক্সিট নিয়ে ততটা উদ্বিগ্ন নন টিমো

কারা গ্রাহক?

মিন্টেল নামে একটি প্রতিষ্ঠান যেটি খুচরা বাজার বিষয়ে গবেষণা করে সেটির কর্মকর্তা নিক ক্যারোল বলছিলেন, যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা একটু ভালো মূলত তারাই এই ধরণের প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক।

নিক ক্যারল আরো বলছিলেন, গৌস্তোসহ এই জাতীয় আরো যত কোম্পানি আছে তাদের জন্য সামনে কিছু চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।

এর মধ্যে প্যাকেজিং বা খাবার প্যাকেটজাত করাই অন্যতম প্রধান ইস্যু।

টিমো জানালেন, খাবার প্যাকেটজাত করার ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের ব্যাবহার কিভাবে আরো অন্তত ৫০ ভাগ কমিয়ে আনা যায় সেই চেষ্টা তিনি করছেন।

পাশাপাশি প্লাস্টিকের বিকল্পও খুঁজছে তারা।

খাবারের অপচয় রোধেও তারা ব্যাপকভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। এজন্য কম্পিউটারের এলগোরিদমের সাহায্যে নিচ্ছে তারা।

তাছাড়া খাবারের প্যাকেটের যে মূল্য পড়ে সেটিও একটা চিন্তার কারণ।

প্যাকেটের দাম গত কয়েক বছরে ১০-১৫ শতাংশ কমেছে। কিন্তু তবু এখনো তা সস্তা নয়।

দুইজন মানুষের জন্য দুই পদের রেসিপি দিয়ে খাবারের প্যাকেট অর্ডার করলে বর্তমানে দাম পড়ে ২৪.৯৯ পাউন্ড।

টিমো বলছিলেন, ২০১৭ সালে তিনি খাবারের মূল্য কিছুটা কমাতে সক্ষম হন।

কারণ তখন তার ব্যবসাটা অর্থনৈতিকভাবে বড় পরিসরে বেড়ে ওঠে। তবে এই খাবার আরো সহজলভ্য করতে চান টিমো।

যদিও গৌস্তোকে যুক্তরাজ্যের বাইরে ছড়িয়ে দেবার কোনো পরিকল্পনা এখনি টিমোর মাথায় নেই।

তবে ব্রেক্সিটের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব তার ব্যবসায় কী পড়তে পারে – তা নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত টিমো।

তার মতে, ব্রেক্সিটের ফলে, মোটাদাগে, ব্যবসায় একটা নেতিবাচক প্রভাব হয়তো পড়বে।

তবে, গৌস্তো’র উপরে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে আশাবাদী টিমো বোলড্ট।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ঋণাত্মক

ঋণাত্মক
ঋণাত্মক

এত দিন নিয়ম ছিল, কোনও শিল্পসংস্থা বনভূমির অংশবিশেষ পরিষ্কার করিয়া ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ব্যবহার করিলে বন দফতরকে ক্ষতিপূরণের অর্থ দিবে। শুধু তাহাই নহে, শিল্পসংস্থাটিকেই নির্বাচন ও অধিগ্রহণ করিতে হইবে অন্য ভূমিখণ্ড, যেখানে বন দফতর নূতন করিয়া বনসৃজন করিবেন। এই বন্দোবস্তেই বদল আসিতেছে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের অধীন ফরেস্ট অ্যাডভাইজ়রি কমিটি সম্প্রতি সবুজ সঙ্কেত দিয়াছে ‘গ্রিন ক্রেডিট’ প্রকল্পকে। যাহা ছিল একান্তই সরকারের কাজ, এই প্রকল্পের অধীনে তাহাই করিতে পারিবে কোনও বেসরকারি সংস্থা। তাহারাই জমি বাছিবে, গাছ লাগাইবে, কাজ দেখিয়া ঠিক মনে হইলে ও বন দফতরের শর্ত পূরণ করিলে তিন বৎসর পরে তাহা ‘সম্পূরক বনভূমি’র মর্যাদা পাইবে। বনভূমি হইতে লব্ধ অর্থকরী যাহা কিছুই, বেসরকারি সংস্থাটি চাহিলে তাহা লইয়া বাণিজ্য করিতে পারিবে, অপর কোনও শিল্পসংস্থা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ইহাদের নিকট হইতে সেই ভূমিখণ্ড ক্রয়ও করিতে পারিবে। অর্থাৎ বনভূমিকে দেখা হইতেছে একটি পণ্য হিসাবে। সরকারের ঘর হইতে ছাড়িয়া দিয়া, বেসরকারি হস্তে সঁপিয়া বাণিজ্যও হইল, নূতন বনসৃজনও হইল। পরিবেশ বাঁচিল, আবার শিল্পসংস্থার উন্নয়নকার্যও বহাল রাখিল!

সমস্যা রহিয়াছে। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যে অরণ্য কাটা পড়িল, আর সম্পূরক বনভূমি বলিয়া যাহা সৃষ্টি হইল, তাহার চরিত্র এক নহে। অরণ্য বহুমাত্রিক, তাহাতে শতসহস্র তরুলতাবৃক্ষের অবস্থিতি। বেসরকারি সংস্থা জমি অধিগ্রহণ করিয়া যাহা করিবে তাহা বৃক্ষরোপণ, মূলত একই ধরনের গাছ লাগাইবার কাজ। হয়তো সমগ্র ভূমিতে সারি সারি ইউক্যালিপটাস রোপণ হইল। তাহা কি পরিণত অবস্থাতেও কখনও অরণ্যের সমান বা সমকক্ষ হইতে পারে? যে হেতু বেসরকারি সংস্থার গাছ লালনপালন করিয়া বড় করিবার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বরাদ্দ, তাই নানান প্রজাতির গাছ না লাগাইয়া একটি-দুইটি প্রজাতির গাছ— যাহারা অনায়াসে বা অল্প আয়াসে বড় হয়— লাগাইবার প্রবণতা থাকিবে। গত বৎসর প্রকাশিত ‘স্টেট অব ফরেস্ট রিপোর্ট’ হইতে প্রাপ্ত তথ্য, দেশে সবুজের বিস্তৃতি বাড়িয়াছে। এই সবুজের মধ্যে অনেকাংশেই কিন্তু বাণিজ্যিক বৃক্ষরোপণ; প্রকৃত অর্থে ‘গভীর অরণ্য’ যাহা, তাহার পরিধি ক্রমেই কমিতেছে। গ্রিন ক্রেডিট দিয়া বেসরকারি সংস্থাকে কাজ ছাড়িয়া দিলে বৃক্ষরোপণ হইবে বটে, বনসৃজন কতখানি হইবে বলা মুশকিল। অরণ্য কেবল অক্সিজেনই দেয় না, বহুবিধ প্রাণকে আশ্রয় দেয়, জীববৈচিত্রকে ধরিয়া রাখে। একধর্মী বৃক্ষরোপণে শত প্রাণের পরিপুষ্টি সাধন অসম্ভব।

বাণিজ্যিক দিকটি লইয়াও নিঃসন্দেহ হওয়া যাইতেছে না। যে বেসরকারি বা শিল্পসংস্থা এই কাজে যোগ দিবে, তাহাদের সামগ্রিক দায়বদ্ধতা থাকিবে তো? অরণ্যবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষিত হইবে তো? বন দফতর এত সব নজরে রাখিতে গিয়া নিজেদের কার্যে পিছাইয়া পড়িলেও গোল বাধিবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বেসরকারিকরণ লইয়া বিতর্ক কম নাই। তাহার উপরে আছে পছন্দের বেসরকারি সংস্থাকে ‘পাইয়া দিবার’ অভিযোগ, যাহা আদৌ ভিত্তিহীন নহে। সমস্ত সামলাইয়া সবুজের অভিযান সফল হইবে কি না, প্রশ্নচিহ্ন থাকিয়া গেল। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মতামত

দেশে দেশে ‘ফিরে চল মাটির টানে’

বিপ্লবী নেতা মার্কাস গার্ভে বলেছিলেন, যে মানুষের নিজের মূল, অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কোনো জ্ঞান নেই সে মূলত একটি শিকড়হীন গাছ। রবিঠাকুরও আমাদের মাটির টানে ফিরে যেতে বলেছেন শিকড়ে, যেখান থেকে উৎপত্তি হয়েছে নিজের অস্তিত্বের। সমুদ্র উত্থিত এই ব-দ্বীপের পলি জমা উর্বর মাটিতে পূর্বপুরুষরা বুনেছিল ফসলের বীজ, ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির স্বপ্ন। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের মূল প্রোথিত রয়েছে হাজার বছর আগে, এই কৃষিতেই।

পাঠক! আপনারা হয়তো জানেন, চ্যানেল আইয়ের পর্দায় ‘ফিরে চল মাটির টানে’ অনুষ্ঠানে দেখেছেন আমি প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ ও স্কুলের একঝাঁক শিশু-কিশোর নিয়ে চলে যাই কৃষকের কাছে, কৃষির কাছে। যেন এই অনুষ্ঠান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি তরুণ, আগামী প্রজন্ম একবার হলেও ছুঁয়ে আসে নিজের শিকড়পোঁতা মাটি, নিয়ে আসে বাংলাদেশের কৃষকের শ্রমে-ঘামে সিক্ত মাটির ঘ্রাণ। সেখান থেকে যেন তারা দীক্ষা নিতে পারে ধ্যানমগ্ন ও শ্রমসাধনার সমৃদ্ধ জীবনের এবং আরও শক্ত ও মজবুত করতে পারে নিজের শিকড়কে।

নতুন প্রজন্মকে আগের প্রজন্মের সঙ্গে, অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার রীতি রয়েছে প্রতিটি উন্নত ও সভ্য জাতিরই। কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত উন্নত রাষ্ট্রগুলোর কৃষি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের পাঠ দেওয়া হয় নতুন প্রজন্মকে। যেমন বলা যায় স্কটল্যান্ডের উইটমোর অর্গানিক ফার্মের কথা। সেখানে শিশুরা নিয়মিত কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য প্রস্তুত প্রণালির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পারে। আবার যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ৫০ মাইল দূরের ম্যুর পার্ক এলাকায় আন্ডার উড ফ্যামিলি পার্কের কথাও বলা যেতে পারে। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদনও আপনারা ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানে দেখেছেন।

ক’দিন আগে কাজের প্রয়োজনে যেতে হয়েছিল মার্কিন মুলুকের নিউইয়র্কে। সেখানে স্কুলের শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণদের কৃষি বিষয়ে সম্যক জ্ঞান ও হাতেকলমে শিক্ষা দেওয়ার এক প্রতিষ্ঠানের খোঁজ মিলল। পোকান্টিকো হিলসের স্টোন বার্নস সেন্টার ফর ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার। পাহাড়বেষ্টিত নৈসর্গিক পরিবেশে সমন্বিত কৃষির এক বিশাল আয়োজন। প্রতিষ্ঠানটিতে একদিকে চলছে কৃষি উৎপাদন, অন্যদিকে কৃষি নিয়ে বহুমুখী গবেষণা। এখানে বিভিন্ন বয়সী ও শ্রেণির শিক্ষার্থীর জন্য যেমন রয়েছে ব্যবহারিক কৃষি শিক্ষার আয়োজন, একইভাবে রয়েছে প্রচলিত কৃষিব্যবস্থার ত্রুটিগুলো হাতে-কলমে জানার ব্যবস্থাও।

৮০ একর জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান আমেরিকার স্বনামখ্যাত শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ ডেভিড রকফেলার ও তার মেয়ের মালিকানাধীন। তাদের উদ্যোগেই প্রথমে দুগ্ধ খামার গড়ে তোলা হয়; যা দিনে দিনে বহুমুখী কৃষি উৎপাদন ও কৃষিপণ্যের স্বাদ ও মান সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত ধারণা দেওয়ার এক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এই ‘স্টোন বার্ন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার’ সেন্টারেই রয়েছে ‘ব্লু হিল’ নামের ব্যয়বহুল ও অভিজাত রেস্টুরেন্ট। সরাসরি খামারজাত খাদ্যের সেই রেস্তোরাঁয় একজনের খাবারের আনুমানিক মূল্য পড়ে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ হাজার টাকা। প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাস বলে খামারটি ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত রকফেলার পরিবারের নিজস্ব ও রক্ষণশীল একটি প্রতিষ্ঠান ছিল। ২০০৪ সালে এটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কৃষিবিষয়ক শিক্ষার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছে ১৩ সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ; যাদের সবারই কৃষির প্রতি যেমন রয়েছে অনুরাগ, একইভাবে রয়েছে সম্যক জানা-বোঝাও।

আগেই স্টোন বার্ন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার সেন্টার পরিদর্শনের সময়সূচি ও অনুমোদন নিয়ে রাখা ছিল। তাই প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ নির্বাহী আমাদের সাদর সম্ভাষণ জানিয়ে ভিতরে নিয়ে গেলেন। তিনি জানালেন তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে। স্টোন বার্ন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার সেন্টার গভীরভাবে চায় নতুন প্রজন্মকে কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে শিক্ষা দিতে। সে শিক্ষাটি হোক হাতে-কলমে। মাটি ও ফসলের স্পর্শের মধ্য দিয়ে। শুধু উন্নত বিশ্ব নয়, পৃথিবীব্যাপীই শিক্ষা হয়ে উঠেছে রুদ্ধ শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ভবন কাঠামোর ভিতরমহলের বিষয়। কিন্তু এখানে রয়েছে মুক্ত প্রাঙ্গণে মাটির ঘ্রাণ মেখে নতুন এক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ।

সনাতন কৃষি ও আধুনিক কৃষির পার্থক্যটি খুব স্পষ্টভাবেই ধরা পড়ে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে। অবশ্য প্রকৃতিনির্ভর কৃষিকে বেশি করে প্রাধান্য দিচ্ছে তারা। মাঠে দেখা মিলল একদল শিক্ষার্থীর, যারা হাতে-কলমে নিচ্ছে কৃষি শিক্ষা। আর তাদের শিক্ষক প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা পরিচালক রেনে মারিয়ন। কথা হয় মারিয়নের সঙ্গে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা নিউইয়র্কের একটি কলেজের নবম গ্রেডের। কলেজের প্রাণিবিদ্যা ক্লাসের অংশ হিসেবেই উদ্ভিদের জীবনপ্রণালি, কৃষি ও এর অনুশীলনগুলো প্রথমবারের মতো সরেজমিন দেখছে। কৃষির পরিবর্তনগুলো তারা বোঝার চেষ্টা করছে।

মারিয়ন জানান, যদিও আমাদের সনাতন কৃষিতে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। কৃষি থেকে অনেকেই সরে গেছেন। কিন্তু কয়েক প্রজন্ম আগে এসব শিক্ষার্থীর পূর্ব প্রজন্মও কৃষক ছিল। ওরা সেই অতীতটা জানে না। ওদের সেই অতীতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াটা জরুরি। মাঠে দেখা মেলে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক তরুণের। নাম লরেন্স। কথা হয় তার সঙ্গে। সে জানায়, নয় মাসের সমন্বিত কৃষির একটি কোর্স করছে সে। কোর্সের শুরুর তিন মাস ছিল প্রাণিসম্পদ। তা শেষ করার পর বনায়ন বিষয়ে কোর্স করেছে তিন মাস, এরপর চলছে পুরোপুরি কৃষি শিক্ষা।

যুক্তরাষ্ট্রের স্টোন বার্ন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার সেন্টারটি বিস্ময়কর এক কৃষি ক্ষেত্র। মাঠে যেমন ফসলের উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের, একইভাবে ধারণা দেওয়া হচ্ছে উদ্ভিদের রোগবালাই, কীটনাশক প্রয়োগসহ প্রয়োজনীয় প্রতিটি বিষয়ে। বিস্তীর্ণ ফসলি খেত তার পাশে দীর্ঘদিনের বন-বনানীর ভিতর দিয়ে শিক্ষার্থীরা বিচরণ করছে, সেই সঙ্গে জেনে নিচ্ছে কৃষির পানি ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে নানা বিষয়। স্টোন বার্ন সেন্টারের ব্লু হিল রেস্টুরেন্টের কিচেনে গিয়ে রীতিমতো অবাক হয়েছিলাম। সেখানেও শিক্ষার্থীরা। কিন্তু কিচেনে শিক্ষার্থীদের কাজ কী? স্টোন বার্ন সেন্টারে এক দিনের জন্য সংযুক্ত শিক্ষার্থীদের ক্লাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ সবজি কাটা থেকে শুরু করে রান্না পর্যন্ত। এর প্রতিটি পর্ব অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত।

রেনে মারিয়ন জানান, ফসল উৎপাদনের সব পর্বে যেমন নানা বিষয়ে দৃষ্টি রাখার প্রয়োজন রয়েছে, তেমন দৃষ্টি রাখতে হবে কৃষিপণ্যকে খাদ্যে পরিণত করার কৌশলের দিকেও। বিশেষ করে সবজি বা ফল কাটা, তা রান্না করা এবং পরিবেশনের ওপর নির্ভর করছে এর বিশুদ্ধতা।

পাঠক! এসব শুনে আপনাদের নিশ্চয়ই মনে পড়ছে ফিরে চল মাটির টানের কথা। আমাদের প্রতিটি সেশনেই শিক্ষার্থীদের কৃষি কাজের পাশাপাশি থাকে নিজ হাতে খাদ্য রান্নার বিষয়। অনেক বিড়ম্বনা সহ্য করে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই এ কাজগুলো সম্পন্ন করে। যাই হোক, সমন্বিত কৃষি শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী আমেরিকান শিশুদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলল, ফসলের মাঠ থেকে খাবারের প্লেট পর্যন্ত অর্থাৎ খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্রস্তুতি পর্যন্ত এই সম্যক ধারণা তাদের জীবনবোধকে সমৃদ্ধ করেছে।

আগেই বলেছি, স্টোন বার্ন সেন্টার একদিকে যেমন আধুনিক কৃষির নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও উন্নয়নের কাজ করে চলেছে, একইভাবে শিক্ষার্থীদের এমনভাবে কৃষিকৌশল সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছে যাতে তারা যে কোনো সময় কৃষিকাজে হাত দিতে পারে। ইতিমধ্যে আমেরিকার ৪৬টি স্কুলের মাধ্যমিক শ্রেণির নিয়মিত পাঠক্রমে যুক্ত রয়েছে এই সেন্টার পরিদর্শন ও ব্যবহারিক শিক্ষা। বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকেও চিন্তা করা হচ্ছে প্রজন্মকে কৃষিসচেতন করে গড়ে তোলার। খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্যের স্বার্থেই প্রতিটি নাগরিকের জানা প্রয়োজন ফসল উৎপাদনের কলাকৌশল। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কৃষি সম্পর্কিত ধ্যান-ধারণা থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।

আমাদের দেশেও খোদ প্রধানমন্ত্রী বার বার আহ্বান জানাচ্ছেন, শিক্ষার্থীদের কৃষকের মাঠে গিয়ে কৃষি সম্পর্কিত ধারণা নেওয়ার জন্য। হৃদয়ে মাটি ও মানুষের পক্ষ থেকে প্রায় এক দশক ধরে ‘ফিরে চল মাটির টানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে আমি চেষ্টা করে চলেছি নতুন প্রজন্মকে কৃষির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। আমার বিশ্বাস, এসবের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম মাটির সঙ্গে তাদের সম্পর্কটুকু ধরে রাখবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০১৯
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com