আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফসল

আম উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ সপ্তম ও পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম

 ফল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ ২৮তম ও আম উৎপাদনে সপ্তম ও পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে।
আজ সংসদ ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদের কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৪র্থ বৈঠকে এই তথ্য জানানো হয়। কমিটি সভাপতি মতিয়া চৌধুরী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কমিটি সদস্য কৃষি মন্ত্রী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মুহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রাং, মো: মোসলেম উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, মোঃ মামুনুর রশীদ কিরন, জয়া সেন গুপ্তা এবং হোসনে আরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।


বৈঠকে জানানো হয়, ফল বিভাগ, উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত ৩৫ প্রজাতির ফলের ৮৪টি উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয় থেকে ২৪ প্রজাতির ফলের ৮৪টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় থেকে ৫ প্রজাতির ফলের ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ^বিদ্যালয়, গাজীপুর থেকে ফলের ২ প্রজাতির ২টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বৈঠকে জানানো হয় যে, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের সংশোধিত এডিপিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় মোট ৭২টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন ছিল। যার অনুকুলে মোট বরাদ্দ ছিল ১৮০৬ দশমিক ৮৯ কোটি টাকা, তম্মধ্যে জিওবি ১৪৪৮ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ৩৫৮ দশমিক ৫০ কোটি টাকা। এ অর্থ বছরে অর্থ ব্যয় হয়েছে ১৭৭৫ দশমিক ৭৮ কোটি টাকা, যা মোট সংশোধিত এডিপি বরাদ্দের ৯৮ দশমিক৩০ শতাংশ। এর মধ্যে জিওবি খাতে ব্যয় হয়েছে ৯৯ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং প্রকল্প সাহায্য খাতে ব্যয় ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। বর্তমান অর্থ বছরে জাতীয় গড় অগ্রগতি (৯৪.২৩%) অপেক্ষা এ মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি বেশি হয়েছে।


সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে দেশের সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতিতে কৃষি মন্ত্রণালয় কী করণীয় আছে সে বিষয়ে কমিটিকে অবহিত করার সুপারিশ করা হয়।

ফসল

ধানের বদলে কুমড়া চাষে লাভ তিন গুণ

দাম ভালো পাওয়ায় ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নে ধানের পরিবর্তে কুমড়া চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা। এতে তিন গুণ বেশি লাভ হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কালিদহ ইউনিয়নের ৪শ শতক জমিতে কুমড়া চাষ করা হয়।  

কালিদহ ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, ইউনিয়নের কৃষকরা ধানের পরিবর্তে কুমড়া চাষ করেছেন, অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন।  

চলতি মৌসুমে ৪শ শতক জমিতে মিষ্টি কুমড়া ও চাল কুমড়া চাষ করে অনেক টাকা আয় করেছেন কৃষকরা। আগামীতে তারা আরও বেশি কুমড়া চাষ করবেন বলে জানান।

কালিদহ ইউনিয়নে কৃষকদের জন্য আইপিএম নামের একটি ক্লাব রয়েছে। ওই ক্লাবের সদস্য ২০ জন।

আইপিএম ক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম।

মহিউদ্দিন জানান, কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তিনিও ২০ শতক জমিতে কুমড়া চাষ করেছেন। ফলন ভালো হওয়ায় আগামীতে দ্বিগুণ কুমড়া চাষ করবেন। প্রতি শতক কুমড়া চাষে খরচ হয়েছে ৩শ টাকা। প্রতি শতক কুমড়া বিক্রি করেছেন ১ হাজার টাকায়। এতে খরচ মিটিয়ে ৭শ টাকা করে লাভ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কুমড়া বিক্রি করার পর ওই জমিতে আউশ ধান চাষ করবেন।

সদর উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কৃষি অফিস থেকে কালিদহ আইপিএম ক্লাবকে কৃষি কাজে পানি সেচের জন্য ৬শ ৫০ ফুটের একটি পাইপ ও মোটর দেওয়া হয়েছে।

ফেনী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ পরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জনান, ধান চাষের চেয়ে কুমড়া চাষে খরচ কম। তাই কৃষকদের কুমড়া চাষে আগ্রহ বেড়েছে।

অপরদিকে জেলার ফুলগাজী উপজেলার মুন্সীর হাট ইউনিয়নের উত্তর আনন্দ পুর এলাকায় এ বছর চাল কুমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা। আগামীতে কুমড়া চাষের ফলন আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

সবুজে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। বিশেষ করে উপজেলার মুন্সীর হাটের উত্তর আনন্দ পুর, বালুয়া, কুতুব পুর, দরবারপুর, শ্রীচন্দ্রপুর অঞ্চলে ব্যাপকহারে এসব কুমড়ার আবাদ হয়েছে। ধান চাষের উপর নির্ভরশীল কৃষি জমিতে এ বছর কুমড়া চাষ এনে দিয়েছে কৃষকদের নতুন গতি। এই উপজেলার উৎপাদিত কুমড়া জেলা শহর ফেনীসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির জন্য নেওয়া হয়।

উপজেলার মুন্সীর হাট ইউনিয়নের উত্তর আনন্দপুর গ্রামের চাষি শাহজালাল অনিক জানান, তিনি এবছর মাত্র ৩০ শতক জমিতে চাল কুমড়ার চাষ করেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা। কুমড়া বিক্রি করে তার প্রায় ২০/২৫ হাজার টাকা লাভ হতে পারে। এর আগে একই জমিতে আলু চাষ করেও তার ভালো লাভ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মাসুদ রানা জানান, উপজেলার বেশকিছু এলাকায় এবার চাল কুমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। নিয়মিত কৃষি অফিস থেকে তাদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগামীতে এর ফলন আরও বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। কৃষকদের উন্নত মানের বীজও দেওয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

তরমুজ-বাঙ্গিতে লাভবান কৃষকরা

গাছের সবুজ পাতার আড়ালে ধরে থাকা বাঙ্গি, তরমুজ ও মিষ্টি কুমড়া যেন এক অপরূপ দৃশ্য ধারণ করেছে। মাঠের ফসল রক্ষায় পরিচর্যার ব্যস্ত কৃষকরা। ইতিমধ্যে কৃষকরা জমি থেকে উপযুক্ত সাথী ফসল তুলতে এবং বাজারজাতকরণ শুরু করেছেন।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা, চরকাদহ, শিধুলী, পাঁচশিশা, নাড়িবাড়ি, সোনাবাজু, হাজিরহাট, তালবাড়িয়া ও নয়াবাজার বিশ্বরোড সংলগ্ন সবুজ বিস্তীর্ণ মাঠের দিকে তাকালেই মিষ্টি কুমড়া, বাঙ্গি ও তরমুজের দেখা মিলে। শষ্য ভান্ডার খ্যাত এ অঞ্চলে গত কয়েক বছরের তুলনায় রসুনের সাথী ফসলের রেকর্ড পরিমাণ আবাদ হয়েছে।

প্রতিদিন অন্তত ৫০টি গাড়ি বাঙ্গি, তরমুজ ও মিষ্টি কুমড়া লোড করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। গতবছর বিঘাপ্রতি ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করলেও এ বছর ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে এই সাথী ফসল। এখানকার বাঙ্গি ও তরমুজ ক্রয় করতে বাইরে থেকে আসছেন অনেক বেপারি।

উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এ বছর গুরুদাসপুরে বাঙ্গি ৭২০ হেক্টর, তরমুজ ৫৫৫ হেক্টর ও মিষ্টি কুমড়া ২৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। খরায় ফসলের ফলন ভালো হওয়ায় বাঙ্গিতে ২২ হাজার মেট্রিক টন, তরমুজ ২৩ হাজার মেট্রিক টন ও মিষ্টি কুমড়ায় ১৭৫ মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ ধরা হয়েছে।

সোনাবাজু গ্রামের কৃষক মোতাহার ও বজলুর রশিদ জানান, রসুনের গাছ বড় হওয়ার পর গাছের ফাঁকে ফাঁকে বাঙ্গি, তরমুজ ও মিষ্টি কুমড়ার বীজ লাগাতে হয়। এ ফসলের জন্য বাড়তি সার ও কীটনাশক লাগে না। এ বছর বাঙ্গি ও তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে।

বাঙ্গি তুলতে শ্রমিকদের ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি দিতে হচ্ছে। তবে রমজান মাসে বাজারে এসব ফলের চাহিদা থাকায় দামও ভালো পাচ্ছি। তাতে রসুনের চাষে লোকসান হলেও এসব সাথী ফসলে আমরা লাভবান হচ্ছি।

বেপারিরা জানান, দেশজুড়ে এফসলের সুনাম থাকায় আমরা প্রতিবছরই এখানে আসি। কিন্তু এ বছর করোনা, লকডাউন ও গাড়ি ভাড়া বেশি হওয়ায় মাল কিনে পরতা হচ্ছে না। তবে রমজানে কারণে কিছুটা দাম পাচ্ছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুনর রশিদ জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গুরুদাসপুরে এ বছর সাথী ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে দাম বেশি পাওয়ায় আগামী বছরে কৃষকরা সাথী সফল আবাদে আগ্রহী হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

হলুদ তরমুজ চাষে সফল কৃষক আনোয়ার

কালো তরমুজ চাষ করে সফল হওয়ার পর কৃষক আনোয়ার এবার চাষ করেছেন হলুদ তরমুজের। দেখলে চোখাজুড়িয়ে যায় আর খেতেও রসালো ও সুস্বাদু এই তরমুজ। বিক্রি করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বলারামপুর মাঠে আনোয়ার হোসেনের খেতে গিয়ে দেখা যায়, সবুজ কচি লতাপাতার মাঝে ঝুলছে হলুদ রঙের তরমুজ। ছোট-বড় তরমুজে নুয়ে পড়েছে মাচা। দেখতে যেন হলুদের সমারহ। জেলায় এই প্রথম মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করা হয়েছে। তাই এ তরমুজ চাষ দেখতে ভিড় করছেন এলাকাবাসী।

তিনি গত বছর কালো তরমুজ চাষ করে হয়েছেন সফল। তাই ইউটিউব দেখে এবার করেছেন হলুদ তরমুজের চাষ। চায়না জাতের এ তরমুজ চাষেও সফল হবেন বলে আশাবাদী কৃষক আনোয়ার।

Yellow

চাষি আনোয়ার হোসেন জানান, এ বছর তিনি ৬৫ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। এর মধ্যে হলুদ তরমুজ চাষ করেন ২০ শতক জমিতে এবং বাকি ৪৫ শতক জমিতে চাষ করেন কালো তরমুজ। সবমিলিয়ে প্রায় ৪ হাজার তরমুজ আছে জমিতে। আর পনের-বিশ দিনের মধ্যে বিক্রির উপযোগী হবে এই সব তরমুজ। তাই বর্তমানে গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটছে আনোয়ারের।

এখন পর্যন্ত হলুদ তরমুজ চাষে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছেন তিনি। বর্তমান বাজারে হলুদ জাতের তরমুজের প্রতি কেজির দাম প্রায় একশ টাকা। সে হিসেবে প্রায় দশ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন আনোয়ার।

তিনি আরও জানান, তরমুজ চাষ শুরু থেকেই তাকে পরামর্শ ও সহযোগিতা করে আসছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহিদা আক্তার।

Yellow

সদর দক্ষিণ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহিদা আক্তার জাগো নিউজকে জানান, এ অঞ্চলের মাটি তরমুজ চাষের জন্য উপযোগী। চাষি আনোয়ার এ লাকায় প্রথম তরমুজ আবাদ শুরু করেন। তাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগীতা করা হয়েছে।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, আনোয়ার হোসেন ২০২০ সালে ইউটিউব দেখে কালো তরমুজ চাষ শুরু করেন। সে সময় তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা।

এবারও তিনি কালোর পাশাপাশি ২০ শতক জমিতে হলুদ তরমুজ চাষ করেছেন। ফলনও ভালো হয়েছে। হলুদ তরমুজ চাষে কুমিল্লার মাটি বেশ উপযোগী। কালো ও হলুদ তরমুজ রসালো। খেতেও সুস্বাদু।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

পাইকগাছায় ঘাস চাষে ঘুরেছে ভাগ্যের চাকা

লেখক

পাইকগাছায় উন্নত জাতের ঘাস চাষ করে সফল হয়েছেন মোহাম্মদ আলী গাজী। বর্তমানে তার ৮ বিঘা জমিতে উন্নত জাতের ঘাস রয়েছে। নিজের খামারের চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত ঘাস বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন তিনি। মোহাম্মদ আলী গাজী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড গোপালপুর গ্রামের মৃত আমির আলী গাজীর ছেলে।

তিনি জানান, ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে নিজের বাড়ির সাথেই লামিয়া ডেইরি ফার্ম নামে একটি খামার করেন। বর্তমানে তার খামারে ৩২টি গাভী রয়েছে। নিজের খামারের ঘাসের চাহিদার কথা বিবেচনা করে প্রথমে তিনি ১ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে উন্নত জাতের ঘাস চাষ শুরু করেন। ঘাসের উৎপাদন ভালো হওয়ায় ঘাস চাষ বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী এলাকায় বছরে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা হারি হিসেবে ৮ বিঘা জমি লীজ নিয়ে নেপিয়ার, পাকচং সহ ৩ ধরণের উন্নত জাতের ঘাসের আবাদ করে। নিজের খামার থাকায় ঘাস চাষে সম্পূর্ণ জৈব সার ব্যবহার করায় বর্তমানে তার ৮ বিঘা জমিতে ঘাসের ভালো উৎপাদন হয়েছে। প্রতিদিন মোহাম্মদ আলী ও তার পরিবারের পাশাপাশি কমপক্ষে ৮ জন শ্রমিক কাজ করে খামার ও ঘাস পরিচর্যার কাজে। নিজের খামারের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি ঘাস বিক্রি করে বাড়তি আয় করছে মোহাম্মদ। হাঁট বাজার ও এলাকার বিভিন্ন স্থানে ১০ টাকা আটি দরে ঘাস বিক্রি হয়ে থাকে। তাকে অনুসরণ করে এলাকার অনেকেই ঘাস চাষে এগিয়ে এসেছেন।

ঘাস চাষ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ আলী গাজী বলেন ‘ভ্যাটেরনারী সার্জন ডাঃ পার্থ প্রতীম রায় এর পরামর্শে খামার ও ঘাস চাষ করার জন্য উৎসাহিত হন তিনি। তার নিজের খামারের জন্য প্রতিদিন দেড় হাজার টাকার ঘাসের প্রয়োজন হয়। আমি যদি ঘাস চাষ না করতাম প্রতিদিন এই টাকার ঘাস কিনে খামার করা সম্ভব হতো না। আমাকে দেখে এলাকার অনেকেই ঘাস চাষে এগিয়ে এসেছে। প্রশিক্ষণসহ সরকারি পৃষ্টপোষকতা পেলে ঘাস চাষে সাধারণ কৃষকদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি হবে এবং এলাকার উৎপাদিত ঘাস দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী জানান কৃষি আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রেখেছে। করোনাকালীন অনেক কিছু স্থবির হয়ে পড়লেও কৃষি আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকারত্ব দূর ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তিনি বলেন কৃষির এখন বহুমুখী সম্প্রসারণ ঘটেছে। সনাতন চিন্তা ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিকাজে কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে। মোহাম্মদ আলী গাজীর মত ঘাস চাষসহ প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিকাজে যারা এগিয়ে আসবে তাদেরকে সরকারি ভাবে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

রাজশাহীতে বেঁধে দেয়া হলো আম নামানোর সময়

বাজারে নিরাপদ ও পরিপক্ব আম নিশ্চিত করতে গাছ থেকে আম নামানোর সময় বেঁধে দিল রাজশাহী জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে কৃষিবিদ, ফল গবেষক, চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি সভা করে জেলা প্রশাসন এ তারিখ নির্ধারণ করে। পরবর্তীতে দুপুর সাড়ে ৩টায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আম নামানোর বিষয়ে মতবিনিময় করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল।

এ সময় জানানো হয়, জাত অনুযায়ী গত বছরে যেভাবে গাছ থেকে আম নামানো শুরু হয়েছিল, এবারও সেই সময়সূচিই নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সব ধরনের গুটি জাতের আম নামানো যাবে আগামী ১৫ মে থেকে। আর উন্নতজাতের আমগুলোর মধ্যে গোপালভোগ ২০ মে, লক্ষণভোগ বা লখনা ও রাণীপছন্দ ২৫ মে এবং হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাত ২৮ মে থেকে নামিয়ে হাটে তুলতে পারবেন বাগানমালিক ও চাষিরা।

এছাড়া ৬ জুন থেকে ল্যাংড়া, ১৫ জুন থেকে ফজলি ও আম্রপালি এবং ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা ও বারি আম-৪ নামানো যাবে। নির্ধারিত সময়ের আগে আম বাজারে পেলে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। তবে কারও বাগানে নির্ধারিত সময়ের আগেই আম পাকলে তা প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যে আমের বাজারগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার বিষয়টিও সভায় আলোচিত হয়েছে। হাটগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশ থাকবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী কমিশনাররাও বিষয়টি দেখভাল করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাজশাহীতে সবচেয়ে বড় আমের হাট বসে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরে। এছাড়া বাঘার আড়ানী, মনিগ্রাম, বাউসা ও পাকুড়িয়া এবং মোহনপুরের কামারপাড়ায় পাইকারি আমের হাট বসে। হাটগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে এর প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।’

আম নামানো ও আইন মানার বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল জলিল বলেন, ‘অধিক ফলন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চয়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী গত বছর থেকে আম নামানোর বিষয়ে একটি সময়সীমা বেধে দেয়ার নির্দেশ দেন আমাদের। যে আম যে সময় পরিপক্ব হয় তখন সেটাই নামানো হবে। এতে কৃষি ও কৃষক উভয়ই লাভবান হবেন। তবে কেউ যদি অধিক লাভের আশায় পূর্বেই বাগান থেকে আম নামান সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রাজশাহীর বাইরে থেকে আসা আম ব্যাপারিদের যাতায়াত ও হোটেলে রাত্রি যাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘এ বিষয়ে খুব শিগগিরই হোটেল ব্যবসায়ী ও আম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটি মিটিং করা হবে। তবে রাজশাহীতে আম নিতে আসা ব্যাপারীদের নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা করবে।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে, রাজশাহীতে এ বছর ১৭ হাজার ৯৪৩ হেক্টর জমিতে আমবাগান আছে। গত বছর ১৭ হাজার ৫৭৩ হেক্টর জমিতে আমবাগান ছিল। এবার বাগান বেড়েছে ৩৭৩ হেক্টর জমিতে। এ বছর হেক্টর প্রতি ১১ দশমিক ৯ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে জেলায় এ বছর মোট দুই লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে। তবে খরার কারণে এবার আমের ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com