আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

আমেরিকায় সম্মান পেল বাংলার পাতিহাঁস!

রেজিনা আখতার

রাতে খাবার টেবিলে গাইড ক্যারেন জানালো, আগামীকাল আমাদের জন্য রয়েছে এক বিশেষ সারপ্রাইজ। মুহূর্তেই সবাই আগ্রহী হয়ে উঠলাম, কী ধরনের সারপ্রাইজ! মেসিডোনিয়ার এলমেদিনাতো একের পর এক ক্লু দিতেই থাকলো। কিন্তু কোনটাই মিলছে না! নাছোড়বান্দা ক্যারেনও খোলাসা করে কিছু বলছে না। সবার চাপে পড়ে শুধু এটুকুই জানালো, আগামীকাল আমরা ‘রাজকীয় হাঁস’ বা ‘রয়্যাল ডাক’ দেখার সৌভাগ্য অর্জন করতে যাচ্ছি। রাজকীয় হাঁস দর্শনের জন্য হোয়াইট হাউস কনভেনশন্স হল থেকে নির্ধারিত সময়ের ত্রিশ মিনিট আগেই আমরা লিটলরক শহরের বিখ্যাত হোটেল পিবডিতে পৌঁছে যাই। ক্যারেন তো মহা পুলকিত! বারবারই বোঝাতে চাইছে, কী রাজকপাল নিয়ে যে আমরা এই পৃথিবীতে এসেছি। রয়্যাল ডাকদের ক্যাটওয়াক দেখার মত বিরল সৌভাগ্য অর্জন করতে যাচ্ছি!

পাঁচতারকা হোটেল পিবডির বিশাল লবিতে প্রচুর লোকের সমাগম। সবার মধ্যেই অস্থিরতা, কখন আসবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ! কখন দর্শন দেবেন রাজকীয় সেই হাঁসগণ! ভিডিও ক্যামেরা, স্টিল ক্যামেরা নিয়ে সবাই প্রস্তুত, যেন উনারা এলেই ক্লিক ক্লিক ক্লিক ক্লিক। রাজকীয় হাঁসগণের নেতৃত্বে যিনি থাকবেন, তিনিও রাজকীয় পোশাকে প্রস্তুত। তার পরনের টকটকে লাল রঙের লম্বা ওভারকোটের সোনালি বোতামগুলো চকচক করছে। কুচকুচে কালো গামবুটও এমনভাবে পালিশ করা, যেন চেহারা দেখা যাবে! সোনালি পাত দিয়ে মোড়ানো ব্যাটনটি বগলদাবা করে তিনিও অধীর আগ্রহে অপেক্ষমান বিশেষ অতিথিবৃন্দের জন্য।

লবির একপাশে ছোটখাট একটি চৌবাচ্চা, যেখানে রাজকীয় হাঁসগণ জলকেলি করবে বলে নির্ধারিত। একটি লিফটও প্রস্তুত, যাতে করে তারা সপ্তম তলা থেকে নিচে নেমে আসবেন। সেই লিফট আবার সাধারণ জনগণের জন্য নিষিদ্ধ। যে পথে তারা ক্যাটওয়াক করে যাবেন, তা-ও লালগালিচা দিয়ে মোড়ানো, রাজকীয় হাঁস বলে কথা! লিফটের পাশেই দণ্ডায়মান বিশেষ ব্যাচ পরিহিত মধ্যবয়সী ছয় জন নারী-পুরুষ। যারা বেশ গর্বিত ভঙ্গিতে গদগদ ভাব নিয়ে অপেক্ষা করছেন বিশেষ অতিথিদের বরণ করে নেওয়ার জন্য। এই দায়িত্ব পেয়ে তাদের এমন একটা মনোভাব যেন- সার্থক জনম আমার, এ কাজের দায়িত্ব পেয়ে। হাঁস লালন-পালনের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য আজকে তাদেরকেও পুরস্কৃত এবং সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

হোটেলের লোকজন, দর্শনার্থীরা সবাই খুব ব্যস্ত। কিছুক্ষণের মধ্যেই উনারা নেমে আসবেন। আমার সহকর্মীরাও দেখলাম মহা উৎসাহী। ডিজিটাল ক্যামেরা হাতে সবাই প্রস্তুত, এমন একটা ভাব যেন ক্ষণিক মুহূর্তও মিস করা যাবে না। পানির দেশের মানুষ আমি। নদী-নালা, খাল-বিল, হাটে-মাঠে-ঘাটে হাঁস দেখে অভ্যস্ত। কিন্তু এতসব দক্ষযজ্ঞ দেখে আমার ভেতরেও এক ধরনের কৌতূহল কাজ করতে লাগল। রাজকীয় হাঁসদের নিয়ে নানা রকম কল্পনার ডানা মেলতে মেলতে আমিও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে লাগলাম! না জানি কী দেখবো!

এ পর্যায়ে ক্যারেনকে দেখলাম হাঁপাতে হাঁপাতে এগিয়ে আসছে। আহা! বেচারি ভারি শরীর নিয়ে হাঁটতেই যার কষ্ট হয়, সে কি-না আসছে প্রায় দৌড়াতে দৌড়াতে! এসে আবারো জানালো, ভাগ্যদেবী আমাদের প্রতি আসলেই সহায়। কারণ মার্কিন সরকারের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আমরা রাজকীয় হাঁসদের প্রাতঃরাশ দেখার বিরল সুযোগ পেতে যাচ্ছি। যা কি-না আজ পর্যন্ত কোন দর্শনার্থী পাননি।কপাল বটে আমাদের!

সবাই মিলে ক্যারেনকে আবারো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলাম। মার্কিন মুলুকে এসে এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করার রীতিটা বেশ ভালোই রপ্ত করেছি। আমার দলের সবাই তো উত্তেজনার চরমে আছেন। তাদের এমন একটা ভাব, যেন গিয়ে দেখবে রাজকীয় হাসঁগণ টেবিল-চেয়ারে বসে কাঁটা চামচ-ছুরি দিয়ে প্রাতঃরাশ পর্ব সারতে ব্যস্ত। আমি আছি মহা ফাঁপড়ে। চোখের সামনে শুধু ভেসে উঠছে চিরচেনা রাজহাঁস, পাতিহাঁস, বালিহাঁস ইত্যাদি।

যা হোক, ক্যারেনের সাথে আমরা নির্ধারিত স্থানে গিয়ে পৌঁছলাম। বেশ বড়সড় একটি রুমের অর্ধেক দেয়াল এবং বাকি অর্ধেক গ্রিল দিয়ে ঘেরা। দু’জন হোটেল কর্মী মহা যতনে হাঁসগণকে খাওয়াতে ব্যস্ত।আমার ভিনদেশি সতীর্থদের ক্রমাগত শাটারের আওয়াজ শুনে বুঝতে পারলাম, ওরা ছবি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু রাজকীয় হাসঁ দর্শন করে তো আমার আক্কেলগুড়ুম অবস্থা। হায় হায়, এ কী দেখছি! এযে অতিচেনা পাতিহাঁস। দু’জন হোটেল কর্মী পরম যতনে পাঁচটি পাতিহাঁসকে খাওয়াতে ব্যস্ত। হাঁসগণ তাদের সহজাত ভঙ্গিতেই খেয়ে যাচ্ছে, রাজকীয় কোন ব্যাপার-স্যাপার আমি দেখতে পেলাম না।তারপরও আশায় আছি শেষমুহূর্তে হয়তো কোন ভেলকি আছে।

ক্যারেনের তাড়ায় আবার লবিতে এসে অপেক্ষা করতে লাগলাম। দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত লিফটে চড়ে উনারা নেমে এলেন নিচে। সেই ছয় জন বিশেষ ব্যক্তিত্ব সসম্মানে তাদের বরণ করে নিলেন। হাঁসগণ সেই বিশেষ সম্মান কতটুকু বুঝতে পারল কে জানে? তারা তাদের সহজাত ভঙ্গিতে ‘প্যাক প্যাক’ করতে করতে হেলেদুলে এগিয়ে চললো লালগালিচা মাড়িয়ে, নেতৃত্বে আছেন সেই লাল ওভারকোটওয়ালা। একপর্যায়ে হাঁসগণ সেই সুইমিং পুলের পানিতে ঝপাং ঝপাং করে লাফিয়ে যথারীতি সাঁতার কাটতে লাগল।

দর্শনার্থীদের মুহুর্মুহু হাততালিতে বুঝতে পারলাম, রাজকীয় হাঁসগণের ক্যাটওয়াক এবং সাঁতারে তারা মুগ্ধ। আর আমার কাছে শুধুই মনে হচ্ছিল, বাংলার চিরচেনা পাতিহাঁস আমেরিকায় পাচ্ছে ‘রয়্যাল ডাক’র সম্মান! শুধু এই ‘রয়্যাল ডাক ক্যাটওয়াক শো’র জন্য এই পিবডি হোটেল প্রচুর পর্যটক আকর্ষণ করার পাশাপাশি এর রয়েছে আলাদা মর্যাদা ও চাহিদা।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

শীতকালে বডি স্ক্রাবিং

শীতকালে মানবদেহ সব থেকে বেশি রুক্ষ, শুষ্ক ও মলিন হয়ে যায়। তখন প্রচুর ডেড সেল দেখা দেয়। এতে স্কিন অনেক খারাপ দেখায়।

পাশাপাশি স্কিনের ডেড সেলগুলো কাপড়ে পড়তে থাকে, যা মানুষের সামনে অনেক বেশি লজ্জাজনক। এই লজ্জার হাত থেকে বাঁচার জন্য হলেও বডি স্ক্রাবের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

বডি স্ক্রাব করার জন্য পার্লারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ঘরে বসে, ঘরেই রয়েছে এমন উপকরণগুলো দিয়ে সম্ভব।

কফি অনেক কার্যকরী একটি স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কফির দানাগুলো স্কিনে জমে থাকা ময়লা খুব সহজেই তুলে ফেলতে সাহায্য করে। এছাড়াও স্কিন ফর্সা করতেও সক্ষম।

শুধু কফিই নয়, স্ক্রাবার হিসেবে লেবু, চিনি, কমলা লেবুর খোসা অনেক কার্যকর। এছাড়াও বাজারে অনেক ধরনের স্ক্রাব পাওয়া যায়। যদিও তাদের কার্যকারিতা সবার স্কিনে এক রকম হয় না।

ঘরে বানানো স্ক্রাবারগুলো নিজের স্কিন টাইপের মত খুব সহজেই তৈরি করে নেওয়া সম্ভব। পরিমাণটাও নিজেই নির্ধারণ করা সম্ভব; সে ক্ষেত্রে অপচয় অথবা পণ্যটি ডেট-ওভার হওয়ার সুযোগ থাকে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

নারীর সৌন্দর্যে রাফ্যাল শাড়ি

শাড়িতেই নারী! খুব পরিচিত একটা প্রবাদ। আর তাই হয়তো শাড়িকে আরো কিভাবে নতুনত্ব দেওয়া যায় তা নিয়ে সবসময়ই কাজ করে যান ডিজাইনাররা। এই উপমহাদেশে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে শাড়ি অনেক বেশি সমাদৃত। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরাও এখন শাড়ি পরে থাকেন।

অন্যান্য কাপড়ের মতই শাড়িতেও রয়েছে নানা প্রকরণ। শাড়ির তৈরির মূল কাপড়ে রয়েছে পার্থক্য। সুতি, জামদানী, জর্জেট, সিল্কসহ আরো নানা ধরনের কাপড়ে তৈরি হয় শাড়ি। শাড়ি পছন্দের ক্ষেত্রে বয়সটিও মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

কারণ, একজন বয়স্ক নারীর কাছে সুতি শাড়ি অনেক বেশি পছন্দের; সুতি কাপড় অনেক বেশি আরামদায়ক হওয়ায় তাদের পছন্দের তালিকার প্রথম স্থান অধিকারে সক্ষম সুতি শাড়ি গুলো।

আবার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের কাছে একটু ডিজাইনার শাড়ি পছন্দের। তথাপি, শাড়িটি যেন শরীরে ঠিক মত থাকে সে চিন্তা থেকে তারা জর্জেট শাড়ি গুলোকেই তাদের পছন্দের তালিকায় রাখেন।

কিন্তু এখন ডিজাইন শুধু জর্জেটেই সীমাবদ্ধ নয়, এখন প্রায় সব শাড়িতেই দেখা যায় নতুনত্ব, কারণ শাড়ির ডিজাইন যে কোন কাপড় দিয়েই সম্ভব। তাই সব বয়সের নারীদের ভাল লাগার তালিকায় এখন রাফ্যাল শাড়ি। বর্তমানে প্রায় সব বয়সের নারীদেরই দেখা যায় এই শাড়িতে। যে কোন অনুষ্ঠান বা পার্টি, জন্মদিন কিংবা বিয়ে, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কোন ক্ষেত্রেই এই শাড়ি গুলো নারীদের কাছে পছন্দের প্রথম স্থানেই।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কোঁকড়ানো চুল সোজা করার উপায়

নারীদের সৌন্দর্যের সব থেকে বেশি নজরকারা জিনিসটি হলো তাদের চুল। আর চুলের কথা বললেই মাথায় আসে ঘন কালো, লম্বা, সোজা চুলের। যেকোনো দেশের সিনেমাতে, নাটকে, এমনকি কার্টুনেও যদি লক্ষ্য করা যায় তাহলে চোখে পরে প্রধান চরিত্র গুলোর চুল সবসময় সোজা, আর ভিলেনের চরিত্রে থাকে কোঁকড়ানো চুলের কেউ। যা অনেক কোঁকড়ানো চুলের মেয়েদের হতাশ করে।

অনেকে কোঁকড়ানো চুল থেকে মুক্তির জন্য অনেক টাকা খরচ করেন, ব্যবহার করেন অনেক নামীদামী প্রসাধনী। কিন্তু ফলাফল বরাবরই হতাশাজনক। কারণ এসব প্রসাধনী ব্যবহারে চুলের উপকারের থেকে ক্ষতিটাই বেশি হয়ে থাকে।

কিন্তু ঘরে বসেই তৈরি কিছু মাস্ক নিয়মিত ব্যবহার করলেই কোঁকড়ানো চুল থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদিও এই পদ্ধতিটি অনেক ধীরে কাজ করে, তবে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এর ব্যতিক্রম নেই।

-ক্যাস্টর অয়েল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় সর্বাধিক ভূমিকা রাখে এবং নারিকেল তেল শুষ্ক ও রুক্ষ চুলকে হাইড্রেট করে, ফলে চুল সতেজ হয়। তাই কোঁকড়ানো চুলে এই দুই তেলের সংমিশ্রণ অনেক বেশি কার্যকরী। চুলের জন্য গরম তেলের ম্যাসাজ খুব ভালো কাজ করে। ক্যাস্টর অয়েল এবং নারিকেল তেল একত্রে গরম করে তা নিয়মিত স্ক্যাল্পে ও সম্পূর্ণ চুলে ম্যাসাজ করতে হবে তবেই চুল ধীরে ধীরে সোজা হতে শুরু করবে। চুলে ম্যাসাজ করে তেল কমপক্ষে ৩০ মিনিটের জন্য একটি তাওয়াল দিয়ে পেঁচিয়ে রাখতে হবে। অতঃপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিতে হবে। কন্ডিশনার অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।

– লেবুর রস চুলকে সিল্কি ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। লেবুতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি থাকায় স্ক্যাল্পের খুশকিও রোধ করে ব্যাপক পরিসরে। লেবু এবং ডাবের পানি দিয়ে তৈরি এই মাস্কটি প্রথম ব্যবহারেই অনেক ভালো ফল দিতে পারে। এই হেয়ার মাস্কটি প্রস্তুত করতে, লেবু এবং ডাবের পানিকে একত্রে মিশিয়ে সারা রাতের জন্য রেখে দিতে হবে। সকালে সম্পূর্ণ চুলে অর্থাৎ চুলের আগা থেকে গোঁড়া পর্যন্ত এ মিশ্রণটিকে ম্যাসাজ করে করে লাগাতে হবে এবং কমপক্ষে ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে। ৩০ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। আশানুরূপ ফলের জন্য সপ্তাহে অন্তত একবার ব্যবহার করতে হবে এই হেয়ার মাস্কটি।

– ডিম এবং অলিভ অয়েলের মিশ্রণ চুলকে অনেক ভালো করে কন্ডিশন করে। পাশাপাশি চুলকে সোজা করতেও ভূমিকা রাখে। ডিমে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস ক্ষতিগ্রস্থ চুলকে তার হারানো স্বাস্থ্য ফিরিয়ে দেয় এবং ফ্যাটি এসিড চুলে পুষ্টি যোগায়। এ মাস্কে অবশ্যই উপকরণগুলোকে খুব ভালো করে মেশাতে হবে, কোনো প্রকারের গুটি গুটি দানা থাকা যাবে না। কমপক্ষে ৩০ মিনিট মিশ্রণটিকে চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিতে হবে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মেকআপ ছাড়াই সুন্দর ত্বক পেতে করণীয়

মেয়েরা মেকআপ করতে পছন্দ করেন। কিন্তু অনেক মেয়ে রয়েছেন যারা মেকআপ করেন না। অনেকে হয়তো সময়ের অভাবে প্রতিদিন মেকআপ করতে পারেন না, আবার অনেকে মেকআপই করতে পারেন না। কিন্তু মেকআপ ছাড়া মুখের ত্বক সুন্দর দেখানোর জন্য অনুসরণ করেন নানা অভিনব কায়দা।

কোনো প্রসাধনী ব্যবহার না করেই যদি সুন্দর ও মসৃণ ত্বক পাওয়া যায় তাহলে কার না ভাল লাগে। তাই এখানে তুলে ধরা হল মেকআপ ছাড়াই সুন্দর ত্বক পাওয়ার ৭ টি কৌশলের কথা।

– প্রতিদিন বাইরে বেড় হবার সময় অবশ্যই মুখে সান্সক্রিম লাগিয়ে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে বাইরে যাওয়ার কমপক্ষে ১৫ মিনিট আগেই মুখে সান্সক্রিম মেখে নিতে হবে।

– ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। মাথায় রাখতে হবে ময়েশ্চারাইজারটি যেনো খুব বেশি ঘন না হয়। ময়েশ্চারাইজার ঘনত্ব খুব ভারি হলে তা দিয়ে রোদে কখনই যাওয়া উচিৎ না।

– সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে এক কাপ লেবু পানি খেতে হবে। কুসুম গরম পানিতে এক টুকরো লেবু চিপে নিতে হবে, প্রয়োজন মনে হলে এক চিমটি লবন দিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

– প্রতিদিন রাতে বাইরে থেকে এসেই মুখ ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। স্তরে স্তরে পরিষ্কার করতে হবে। স্ক্রাব, ফেস ওয়াস ব্যবহার করতে হবে। তবে অবশ্যই মুখের ত্বক বুঝেই এই সব পণ্য ব্যবহার করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন বার মুখ পরিষ্কার করতে হবে।

– মুখ পরিষ্কার করা মাত্রই ভালো মানের টোনার ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবান ত্বকের জন্য টোনার অনেক বেশি কার্যকর। টোনার মুখের পি এইচ লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ত্বককে সুন্দর ও মসৃণ করে টোনার।

– সব থেকে বেশি প্রয়োজন হল পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা। পর্যাপ্ত পানি পান করলে ত্বকের পাশাপাশি শরীরও সতেজ থাকে। শুধু তাই নয় একজন সুস্থ মানুষের তার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিৎ। এতে করে বিভিন্ন রোগের হাত থেকেও রক্ষা পাওয়া সম্ভব। পানি শরীরের সুস্থ বিকাশে সাহায্য করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

নারী হওয়ার কারণে আমার কাজ করতে সুবিধা হয়েছে

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্রথম নারী ফটোগ্রাফার অ্যানি গ্রিফিথস মনে করেন, নারী হওয়ার কারণে কাজ করতে সুবিধা হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে তার তোলা হাজার হাজার ছবি আছে। ৪৫ বছরের কর্মজীবনে ১৫০টির ও বেশি দেশ ঘুরেছেন ছবি তোলার জন্য।

ফটোসাংবাদিকতা করে তিনি উপলব্ধি করেন, অর্ধেক পৃথিবী তার কাছেই আছে। অ্যানি পাঁচ বছর মধ্যপ্রাচ্যে কাটিয়েছেন বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করে। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক অংশ এবং তাদের সংস্কৃতির অনেক দিকে আছে লিঙ্গবৈষম্য। পশ্চিমা বিশ্বে এ নিয়ে প্রায়ই সমালোচনা হয়। নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটা দেখার সুযোগ আছে! গ্রিফিথের ক্যামেরায় ধরা পড়ে নারীরা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, অভিবাসন, বৈষম্য, যুদ্ধ, মহামারি ও দুর্ভিক্ষ থেকে বেঁচে যাওয়া যোদ্ধা।

তিনি বলেন, এত বিপর্যয়ের পরও তারা ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখে, শিশুদের লালনপালন করে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। অ্যানি গ্রিফিথস জানান, ‘আমি সব সময় নারীদের সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। নারীর এক অশ্চর্য ক্ষমতা আছে। পুরুষেরা সংসারত্যাগী হলেও নারীরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সংসারের হাল ধরে রাখছেন। তাদের সন্তানদের এবং কখনো কখনো তাদের শ্বশুর-শাশুড়িকেও দেখাশোনা করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে অ্যানি গ্রিফিথস দুই সন্তানের মা। সন্তানদের কাছেও তার মমতা আর দায়িত্বশীলতার প্রমাণ রেখেছেন। সন্তানদের প্রতিশ্রুতি দেন—তিনি দুই সপ্তাহের বেশি তাদের কাছ থেকে দূরে থাকবেন না।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের সঙ্গে তার বেশির ভাগ কাজ অন্তত তিন মাস স্থায়ী হয়। এই সুযোগে গ্রিফিথের সন্তানেরা ডজনখানেক দেশ দেখেছে এবং হাজার হাজার মানুষ দেখেছে। ২০০৮ সালে গ্রিফিথস ছবির স্মৃতিকথার একটি বই প্রকাশ করেন, যার নাম দিয়েছেন ‘একটি ক্যামেরা, দুই সন্তান এবং একটি উট’। যেখানে লেখা রয়েছে কাজ, পরিবার এবং পুরো বিশ্ব—এই তিনকে এক সুরে গাঁথা সম্ভব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com