আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ঝালকাঠিতে আমন ধানে খোলপচা ও পাতামোড়ানো রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। ফসল রক্ষায় কীটনাশক দিয়েও তেমন উপকার পাচ্ছেন না কৃষকরা। সেইসঙ্গে রয়েছে ইঁদুরের উপদ্রব। সবমিলিয়ে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

জেলার রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের ঘিগড়া গ্রামের কৃষক আক্কাস আলী তালুকদার জানান, ৯ কাঠা জমিতে পাতামোড়া ও খোলপচা রোগ দেখা দিয়েছে।

এ সময় তিনি মরা ধানের ছোপা ও মোড়ানো পাতার ভেতরে পোকার অসংখ্য সাদা ডিম বের করে দেখান। ওই ডিম থেকে ছোট ছোট লম্বাকৃতির পোকা হয়ে ধানের পাতা মরে যায়।

তিনি জানান, দোকানির পরামর্শে কীটনাশক স্প্রে করেছেন। কিন্তু তাতে তেমন কাজ হচ্ছে না।

কাঠিপাড়া গ্রামের কৃষক চান মিয়া জানান, তিনি দেড় বিঘা জমিতে আমন ধান আবাদ করেছেন। কয়েকদিন ধরে তার খেতে খোলপচা ও পাতামোড়ানো রোগ দেখা দিয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে পরামর্শ নিয়ে কীটনাশক স্প্রে করায় এখন কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

একই গ্রামের পরিমল মন্ডল বলেন, ৩ বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। প্রায় মাসখানেক আগে সার দিয়েছি। বীজ এখন ঘনসবুজ হতে শুরু করছে। কয়েক দিনের মধ্যেই থোর (ধানের ছড়ার প্রাথমিক অংকুর) আসবে। এখন পাতা মোড়ানো ও খোলপচা রোগ দেখা দিয়েছে। কৃষি অফিসের লোকজন আমাদের কাছে না আসায় উপজেলায় গিয়ে পরামর্শ নিয়ে কীটনাশক স্প্রে করতে হচ্ছে।

এদিকে আমন খেতে পোকা আক্রমণের পাশাপাশি ইঁদুরের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। ইঁদুরের হাত থেকে ফসল বাঁচাতে খেতজুড়ে ছেঁড়া কাপড়, কাগজ, শুকনা কলাপাতা টানিয়ে রাখছেন কৃষকরা।

চাষি আব্দুল মালেক জানান, তিনি ২০ কাঠা জমিতে আমন আবাদ করেছেন। পোকায় ধানের ক্ষতির পাশাপাশি কয়েকদিন ধরে খেতে ইঁদুরের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। ধানের গোছার মধ্যে থেকে দু’তিনটি করে চটা কেটে ফেলে চলে যায় ইঁদুরের দল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ফজলুল হক জানান, এ বছর জেলায় ৪৮ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। মৌসুমের শুরুতেই কয়েক দফা বন্যা, অতিবৃষ্টিতে বীজতলা নষ্ট ও রোপণকৃত আমনের চারা পচে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছিল।

তবে চাহিদার চেয়ে এক হাজার হেক্টর অতিরিক্ত বীজতলা এবং ১২০টি বেডে ভাসমান বীজতলা করায় বীজের সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। এখন শুনছি পোকার আক্রমণ হয়েছে।

তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে জেনেছি কোনো কোনো এলাকায় খোলপচা ও পাতামোড়ানো রোগ স্বল্পাকারে দেখা দিয়েছে। তবে এসব প্রতিরোধে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

পরিবেশ

লোকসানের আশঙ্কায় আমও লিচু চাষিরা

রাজশাহীর পুঠিয়ায় চলতি মৌসুমের শুরুতে অনুকূল আবহাওয়ায় বেশির ভাগ আম ও লিচু বাগান গুলোতে বিগত বছরের সমপরিমাণ ফল ধরেছে। তবে সম্প্রতি গত কয়েকদিনের তীব্র খড়া ও পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবার চাষিরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চাষিরা দাবি করছেন বিগত বছরের সমপরিমাণ পরিচর্যা করেও এবার বেশির ভাগ বাগান গুলোতে বিভিন্ন রোগ-বালাই দেখা দিয়েছে। যার কারণে এবার বাগান মালিকরা চরম লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

[৩] উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর নতুন ও পুরাতন মিলে প্রায় ৯শ’ হেক্টোর জমিতে আম বাগান রয়েছে। গত মৌসুমে এই এলাকায় আমের উৎপাদন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৫০ মে. টন। এবং উৎপাদন হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মে. টন আম।

[৪] এ বছর প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মে. টন আম উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অপরদিকে বাজার ভালো থাকায় প্রতিবছর লিচুর বাগান রোপণে আগ্রহ হচ্ছেন অনেক চাষিরা। এই এলাকায় নতুন পুরোনো মিলে প্রায় একশ’ হেক্টোর জমিতে লিচুর বাগান রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করলে লিচুতে বাম্পার ফলন আশা করছেন চাষিরা।

[৫] জানা গেছে, বিগত কয়েক বছর থেকে এই অঞ্চলে বৈরি আবহাওয়ার বিরাজ করায় চাষিরা বিভিন্ন ধান-গমসহ ফসল উৎপাদন করে লোকসানের মুখে পড়ছেন। যার কারণে তারা স্বল্প খরচে অধিক লাভের আশায় ফসলি জমি গুলোতে বিভিন্ন প্রজাতির আম ও লিচুর গাছ রোপণ করছেন। গত বছর পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টিপাত হওয়ায় এ বছর বেশির ভাগ আম ও লিচু বাগানে মুকুল দেখা দেয়।

[৬] কিন্তু মৌসুমের শুরু থেকে কোনো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় অনেক মুকুল ও কুঁড়ি গুলো শুকিয়ে ঝড়ে যায়। তার ওপর এবার মাত্রাতিরক্ত তাপদাহ হওয়ায় বাগান মালিকরা ব্যাপক লোকসানের মুখে রয়েছেন। অনেক বাগান গুলোতে পচন রোগের প্রভাব দেখা দিয়েছে। তীব্র তাপদাহে লিচুর ওপরিভাগের অংশ পুড়ে ও ফেটে যাচ্ছে। চাষিরা ফেটে যাওয়া ও পচন রোধে বিভিন্ন প্রতিরোধক ব্যবহার করেও পর্যাপ্ত সুফল পাচ্ছে না। এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেখা দেয়ায় বাগান মালিকরা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

[৭] উপজেলায় কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, আম-লিচু সাধারণত দু’টি কারণে পচন ধরতে পারে। একটি হচ্ছে ইটভাটার বিষাক্ত কালো ধোয়ার কারণে বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। অপরটি হলো আম ও লিচু ছিদ্রকারী মাছি পোকার কারণে হতে পারে। আর সূর্যের তাপ রোধে লিচুর গাছে নেট বা জাল ব্যবহার অনেক অংশে প্রতিরোধ করা যেতে পারে।বাগান মালিক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, এবার বৃষ্টিপাত হয়নি।

[৮] তার ওপর এখন অনেক তাপমাত্রা বেড়ে গেছে। এতে আম ও লিচুর ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। যার কারণে এবার ব্যবসায়ীরা আগাম আম ও লিচুর বাগান কিনতে আগ্রহী হচ্ছে না।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামসুনাহার ভূইয়া বলেন, বৈরি আবহাওয়ার কারণে মৌসুমের শুরু থেকে এই অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম।

[৯] যার কারণে তাপমাত্রাও অনেক বেশি হয়েছে। এতে করে আম-লিচুসহ বিভিন্ন ফসলের কিছুটা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে। বাগান গুলোতে রোগ-বালাই কমাতে সঠিক মাত্রায় ¯েপ্র করলে পচন ও পোকা-মাকড় থেকে অনেক অংশে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ঝরে পড়ছে লিচুর গুটি

জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রচণ্ড খরায় ঝরে পড়ছে পাবনার ঈশ্বরদীর প্রধান অর্থকরী ফল লিচু। এ বছর বাম্পার ফলনের আশা দেখিয়েও খরার কারণে লিচু ঝরে পড়ায় দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা। তীব্র খরায় লিচু ফেটে যাচ্ছে, আকারে ছোট হচ্ছে এবং কালো দাগ দেখা দিয়েছে।

এদিকে দেশে চলমান করোনা মহামারি লকডাউনের কারণে ঈশ্বরদীর লিচুচাষিরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মহাজনদের কাছে এ বছর তাঁদের লিচুগাছ বিক্রি করতে পারছেন না।

উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মিতা সরকার জানান, ঈশ্বরদী দেশের অন্যতম বৃহৎ লিচু চাষের এলাকা। অতিরিক্ত খরার কারণে লিচু ঝলসে যাওয়ায় চাষিরা এবার তাঁদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন না। চাষিরা অনুখাদ্য মনে করে অতিমাত্রায় সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করার কারণেও লিচু ঝরে পড়তে পারে। পরামর্শ ছাড়া কোনো অনুখাদ্য না দেওয়ার জন্য চাষিদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলার বক্তারপুর গ্রামের লিচুচাষি আয়নাল হোসেন জানান, প্রায় ১৫ দিন আগে ঈশ্বরদীতে কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির ফলে গাছে লিচু ঝরে পড়া বন্ধ থাকে। কিন্তু বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আবারও চাষিরা চিন্তায় পড়ে যান।

পাকশী ইউনিয়নের দিয়াড় বাঘইল গ্রামের চাষি আকাত উল্লাহ্ জানান, এক দুই সপ্তাহ ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এখন গাছের লিচু ঝরে পড়ছে, আকারে ছোট হচ্ছে এবং লিচুতে কালো দাগ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঈশ্বরদী পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নর বিভিন্ন গ্রামে ৩ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে লিচু গাছ রয়েছে ২ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০টি। বিঘা প্রতি ২০টি থেকে ১৫টি গাছ অর্থাৎ ১ একর জমিতে ৪২টি, ১ হেক্টর জমিতে ৯০টি গাছ হয়।

লিচু আবাদী কৃষকের সংখ্যা ৯ হাজার ৬২০ বাণিজ্যিক আকারে বাগান ২ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। বিচ্ছিন্নভাবে বসতবাড়িতে আবাদ রয়েছে ৫৫০ হেক্টর। ফলন্ত আবাদি জমির পরিমাণ ২ হাজার ৮৩৫ হেক্টর জমি। লিচু উৎপাদন জমির পরিমাণ ২ হাজার ৮৩৫ হেক্টর। অফলন গাছ রয়েছে ৫৫ হাজার ৫৫০টি।

চাষিরা আরও জানান, কোভিড-১৯ জনিত সংকটকালের পরিবহন সংকটের জন্য অন্য জেলার কোনো মহাজন লিচুবাগান কিনতে ঈশ্বরদীতে আসছেন না। এ কারণে এ বছর চাষিরা আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মধ্যে পড়বেন।

সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া গ্রামের লিচু চাষি কদম আলী বিশ্বাস জানান, তাঁর ৪০০ লিচুগাছে এবার ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে তিনি একটি গাছও এ বছর বিক্রি করতে পারেননি।

মানিকনগর গ্রামের চাষি আসাদুল হক জানান, তাঁর বাড়িতে ১৫০টি লিচুগাছ রয়েছে। করোনার কারণে বাইরের কোনো পাইকারি ব্যবসায়ী না আসায় তিনি একটি গাছও বিক্রি করতে পারেননি।

ঢাকার পাইকারি লিচু ব্যবসায়ী মিজান উদ্দিন জানান, বাগান থেকে তুলে আনার পর লিচু এক দিনের বেশি রাখা যায় না। বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের মধ্যে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কায় তাঁরা এবার বাগান কেনা থেকে বিরত আছেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

মানিকগঞ্জে ইটভাটার আগুনের তাপে পুড়ে গেছে ৫শ’ বিঘা জমির ধান

মানিকগঞ্জ, ০৭ মে (ইউএনবি)- সদর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামে ইটভাটার আগুনের তাপে প্রায় ৫০০ বিঘা জমির ধান পুড়ে গেছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে অন্তত দুইশ’ কৃষক।

ভাটার মালিকরা দায় স্বীকার করলেও কৃষকরা ক্ষতিপূরণ পাবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আর কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, বিস্তীর্ণ জমির ধান নষ্ট হওয়ায় এবার ইরি ধানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে না।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, সদর উপজেলার বেতিলা-মিতোরা ইউনিয়নের গোকুলনগর, সুলন্ডি গ্রামের প্রায় দুইশ কৃষক এবার ৫০০ বিঘা জমিতে ইরি ধানের আবাদ করেছেন। আর মাত্র ১৫/২০ দিনের মধ্যেই পাকা ধান ঘরে তোলার আশা করছিল কৃষকরা। কিন্তু এরই মধ্যে বিস্তীর্ণ ধান ক্ষেতের পাশে অবস্থিত ডায়ানা কোম্পানির তিনটি ইটভাটা, গ্রামীণ কোম্পানির একটি ইটভাটাসহ ১০/১২টি ইটভাটার আগুনের তাপে পুড়ে গেছে পুরো ৫০০ বিঘা জমির ধান। এতে চরম ক্ষতিতে পড়েছেন তারা।

কৃষকরা বলেন, ইটভাটার নিচের অংশে আগুনের তাপ বাতাসে ছড়িয়ে ধান ক্ষেত পুড়ে গেছে। ধান চিটা হয়ে গেছে। ইরি ধান বিক্রি করেই তারা সংসার চালান। এখন ধান নষ্ট হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। ক্ষতি পোষাতে ভাটার মালিকদের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন কৃষকরা।

কৃষকরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা ফসলি জমি থেকে ইটভাটা অপসারণের কথা বলে আসছেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি।

তারা অবিলম্বে কৃষকদের ক্ষতিপূরণ এবং আবাদী জমি থেকে ইটভাটা অপসারণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গৌর চন্দ্র সরকার বলেন, ইটভাটার মালিকদের একাধিকবার সর্তক করেও কোনো লাভ হয়নি। প্রতি বছরই ইটভাটার আগুনের তাপে ধানের ক্ষতি হচ্ছে।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমতিয়াজ আলম বলেন, ইট খোলার আগুনের তাপে প্রায় ৫০০ বিঘা জমির ধান একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। ইটখোলা মালিকদের ইতিপূর্বে একাধিকবার জানানো হয়েছিল। কিন্তু খোলা মালিকরা কোনো ধরনের কর্ণপাত করেনি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেয়া ছাড়া এখন আর কোনো কিছুই করার নেই বলে জানান তিনি।

ইটভাটার আগুনের তাপে ধান নষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ভাটার মালিকরা। ডায়ানা ইটভাটার ম্যানেজার শাহাব উদ্দিন বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে বসে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নামের তালিকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পরিবেশ সুন্দর করতে গাছের বিকল্প নেই: মন্ত্রী

পরিবেশ সুন্দর রাখতে হলে গাছের বিকল্প নেই বলে মনে করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘শুধু গাছ লাগালেই হবে না, গাছের সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। তিন-চার বছর গাছের যত্ন নিলেই পরিবেশ সবুজ ও দৃষ্টিনন্দন হবে।’

শনিবার মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় ঢাকার সরকারি বাসভবন হতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে হাসপাতাল চত্বরে লাগানো গাছের প্রসঙ্গে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলা, সর্বোপরি স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, অধিকাংশ লোকই করোনা পরীক্ষা করাতে অনাগ্রহী। ফলে একজন আক্রান্ত হলে পরিবারের সবাই আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই লক্ষণ দেখা দিলে নিজ দায়িত্বে করোনা পরীক্ষা করাতে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সভায় উপস্থিত কমিটির সদস্যদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান রুহুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাশ, নারী ভাইস চেয়ারম্যান রনজিতা শর্মা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সমরজিত সিংহসহ কমিটির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

রাজশাহীতে আমের ‘ফ্রুট ব্যাগিং’ কার্যক্রম শুরু

রাজশাহীতে নিরাপদ ও বালাইমুক্ত আম উৎপাদনে ‘ফ্রুট ব্যাগিং’ পদ্ধতি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।  

রোববার (২ মে) বিকেলে সেনানিবাসের পাশে ৫ বিঘার একটি আমবাগনে ‘ফ্রুট ব্যাগিং’ পদ্ধতির উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোশেনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

এ সময় সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, রাজশাহীর আম ইউরোপসহ বাইরে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত সুখবর। রাজশাহী কৃষি প্রধান অঞ্চল। এ অঞ্চলে কৃষি পণ্য ভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হলে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে ও অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।

উদ্বোধনকালে রাজশাহী এগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক, সহ-সভাপতি ডা. আব্দুল খালেক সহ সংগঠনটির সদস্য ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে রাজশাহী এগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। আম বিদেশে রপ্তানি করতে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম উৎপাদন করতে হয়।

ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম রপ্তানি করা হয়। ‘ফ্রুট ব্যাগিং’ পদ্ধতিতে উৎপাদিত আম নিরাপদ ও বালাইমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত। এই প্রদ্ধতিতে উৎপাদিত আমের চাহিদা দেশেও আছে।

আনোয়ারুল হক আরও বলেন, ‘ফ্রুট ব্যাগিং’ পদ্ধতিতে চলতি বছর আমরা ৩শ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা র্নিধারণ করেছি। এরমধ্যে অধিকাংশ আম বিদেশে রপ্তানি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com