আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফসল

খুলনায় আমনে ক্ষতি, তরমুজে ঝোঁক

খুলনায় আমনে ক্ষতি, তরমুজে ঝোঁক
খুলনায় আমনে ক্ষতি, তরমুজে ঝোঁক

খুলনায় আমন ধানের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তরমুজ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। মাঠে মাঠে এখন কিষান–কিষানির ব্যস্ততা। অল্প সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় বছর বছর তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। আর আমনের ক্ষতি পোষাতে এবার সেই ঝোঁক আরও বেড়েছে।

তরমুজচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত তরমুজ চাষের মৌসুম শুরু হয় ১৫ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে। কিন্তু এ সময় জেলার তরমুজ চাষের অধিকাংশ জমিতে কাদাভাব থাকায় মাসখানেক দেরিতে তরমুজ চাষ করেন কৃষকেরা।

গত বুধ ও বৃহস্পতিবার দাকোপ উপজেলার খেজুরিয়া, উত্তর বানীশান্তা, কালিকাবাটি, হরিনটানা, লাউডোব, কৈলাশগঞ্জ, ধোপাদী, দাকোপ, পশ্চিম বাজুয়া, পূর্ব বাজুয়া এবং বটিয়াঘাটা উপজেলার বরণপাড়া, গঙ্গারামপুর, বয়ারভাঙা, দেবীতলাসহ অন্তত ২০টি গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, সব গ্রামেই এখন তরমুজচাষিদের ব্যস্ততা। খেত ঘিরে একধরনের প্রাণচাঞ্চল্য কাজ করছে। বেশির ভাগ মাঠে বীজ রোপণ করা হয়ে গেছে। দু-এক জায়গায় এখনো জমি প্রস্তুতির কাজ চলছে। কোথাও আবার চারা বাড়তে শুরু করেছে। সার, পানি ও কীটনাশক ছিটানোয় ব্যস্ত সময় পার করছেন কিষান-কিষানিরা। মৌসুমি নারী শ্রমিকেরা মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের মধ্যে এই জেলায় সবচেয়ে বেশি তরমুজের চাষ হয়। বছর বিশেক ধরে আবাদ হলেও ২০১৪ সালে জেলায় সবচেয়ে বেশি তরমুজের আবাদ হয়। ওই বছর জেলায় ৩ হাজার ৪৬৮ হেক্টর জমিতে তরমুজ হয়েছিল। তবে সেবার ফসল তোলার সময় বৃষ্টি ও খারাপ যোগাযোগব্যবস্থার কারণে জেলার চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়েন। ফলে ২০১৫ সালে জেলায় আগের বছরের ছয় ভাগের এক ভাগ জায়গায় আবাদ হয়। ২০১৭ সাল থেকে আবার একটু একটু বাড়তে থাকে। ২০১৭ সালে জেলায় ১ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৮৫ কোটি টাকার তরমুজ উৎপাদন হয়েছিল। ২০১৮ সালে জেলায় ২ হাজার ৪৮৫ হেক্টর জমিতে ১ লাখ ১৫ হাজার টন তরমুজ হয়েছিল, যার বাজারদর ছিল ১৩৫ কোটি টাকা বেশি। গত বছর ২০১৯ সালে ১ হাজার ৬৬৫ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছিল। নষ্ট হওয়ার পর ছিল সাড়ে ৯০০ হেক্টরের মতো। এ বছর জেলায় তরমুজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ হাজার হেক্টর জমিতে। তবে এরই মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

তরমুজ আবাদে অন্যতম সুপরিচিত এলাকা খুলনার দাকোপ। জেলার মোট উৎপাদিত তরমুজের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ চাষ হয় এই উপজেলায়। এখানকার পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ এই ফসল আবাদের সঙ্গে জড়িত। আগে থেকে চাষ হওয়া এলাকার সঙ্গে এবার তিলডাঙ্গা, পানখালী এবং কামারখোলা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে নতুন করে এই আবাদ হচ্ছে।

দাকোপের বিভিন্ন গ্রামের অন্তত ৩০ জন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দাকোপের অধিকাংশ কৃষিজমি একসময় একফসলি ছিল। ১৯৯৫ সালের দিকে কিছু জমিতে তরমুজের চাষ করা হলেও পরিমাণে তা ছিল খুবই কম। কিন্তু সিডরে এলাকার কৃষক বড় ধাক্কা খান। এরপর আয় বাড়াতে এলাকায় তরমুজ চাষ বাড়তে থাকে। সাধারণ হিসাবে তরমুজ চাষে যে পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হয়, খরচ বাদে সেই সমপরিমাণ টাকা মুনাফাও হয়।

গত বছর এ উপজেলায় ৯১৭ হেক্টর জমিতে আবাদও করা হয়েছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত কয়েক দফা বৃষ্টিপাতে ৭০০ হেক্টর জমির তরমুজ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়। এ বছর এখন পর্যন্ত ১ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।

দাকোপের কালিকাবাটি গ্রামের কৃষক জবা রানী বলেন, ‘এবার ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এবং পোকার কারণে আমন ধান পাওয়া যায়নি বললেই চলে। বিঘায় ৭-৮ মণের বেশি ধান হয়নি। এখন ১২ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। গত বছর বৃষ্টিতে তরমুজের ক্ষতি হয়েছিল। এ জন্য এবার উঁচু–নিচু সব ধরনের জমিতে চাষ করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে সব ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে।’

বটিয়াঘাটার বয়ারভাঙা এলাকার কৃষক ও কৃষক সংগঠনের নেতা কাঁকন মল্লিক বলেন, আমনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং গত বছর ভালো বাজার পাওয়ায় বটিয়াঘাটার প্রচুর কৃষক এবার তরমুজে ঝুঁকেছেন। তরমুজে কিছুটা ঝুঁকি থাকে, তারপরও গঙ্গারামপুর ও সুরখালী ইউনিয়নের অর্ধেকের বেশি কৃষক এবার কমবেশি তরমুজ চাষ করছেন।

বটিয়াঘাটার সানকেমারী গ্রামের কৃষক প্রিয়ব্রত রায় বলেন, ‘গত বছর তরমুজে ব্যাপক লাভ করেছিলেন বটিয়াঘাটার কৃষকেরা। দাকোপের কৃষকেরা বৈরী আবহাওয়ার কারণে লস (ক্ষতি) করায় দাম পেয়েছিল বটিয়াঘাটার কৃষকেরা। গত বছর আমার ৮ বিঘায় ১৩ লাখ টাকা লাভ হয়েছিল। এবার প্রচুর চাষি তরমুজ করছেন।’

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক পঙ্কজ কান্তি মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, প্রাকৃতিক কারণে গতবারের কয়েকটি এলাকার তরমুজচাষিরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন, অনেকে ব্যাপক লাভ করেছিলেন। এবার জোরেশোরে চাষিরা তরমুজ নিয়ে কাজ শুরু করেছেন।

এগ্রোবিজ

কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার কৃষকের ভাগ্য

 কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য
কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ১৬টি গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘পাখিমারা’ খাল। এই ইউনিয়নের আরও ১০টি গ্রামে প্রবেশ করেছে খালের সাতটি শাখা।

৫০-৬০ বছর আগে বন্যা থেকে রক্ষা পেতে পাখিমারা খালের দুই প্রান্তে বাঁধ দেয়া হতো। এরপর থেকে শাখা জুগীর খালের মাধ্যমে পাখিমারা খালে আন্ধারমানিক নদের পানি প্রবাহিত হয়ে আসছে। জুগীর খালের একপ্রান্ত আন্ধারমানিক নদে মিলেছে। আরেক প্রান্ত মিলেছে মাখিমারা খালে। খালগুলো মিঠাপানির অন্যতম উৎস। অন্তত ২৬টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ তাদের জীবিকার জন্য খালগুলোর ওপর নির্ভরশীল। তাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ খালগুলো।

 কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য
কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য

তবে কুমিরমারা গ্রামে জুগীর খালের বিভিন্ন অংশে আড়াআড়ি করে বাঁশের ওপর জাল দিয়ে প্রভাবশালী কয়েকটি পরিবার মাছ ধরত। ফলে পানিপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটতো। দখলদারদের কারণে গ্রামের বাসিন্দারা খালের পানি ব্যবহার করতে পারতেন না। খালের পানি ছাড়া অন্য কোনো সেচের ব্যবস্থা নেই। বর্ষা মৌসুমে আমন ছাড়া বছরের অন্য সময় আবাদ হতো না। সেচের অভাবে বিপুল পরিমাণ জমি অনাবাদি পড়ে থাকতো। ফলে গ্রামগুলোর অধিকাংশ পুরুষ কাজের সন্ধানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলে যেতেন। দুই যুগের বেশি সময় এভাবে চলছিল তাদের বেঁচে থাকার লড়াই।

প্রায় দুই যুগ পর কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমানের হস্তক্ষেপে দখল মুক্ত হয় ওই খালগুলো। তখন খালের পানি ব্যবহারে আর বাধা না থাকলেও দেখা দেয় ভিন্ন সমস্যা। খালের জলকপাটগুলো জরাজীর্ণ হওয়ায় জোয়ারের লোনা পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয় কৃষিজমি।

 কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য
কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য

এবার তাদের সহায়তায় হাত বাড়িয়েছেন ইউএনও। খালে বাঁধ নির্মাণে সরকারি তহবিল থেকে টাকাও দেন তিনি। গ্রামের মানুষ সাধ্যমতো চাঁদা দেন। সেই টাকা দিয়ে খালে লোনা পানির প্রবেশ ঠেকাতে নির্মাণ করা হয় তিনটি বাঁধ। বাঁধগুলো নির্মাণের ফলে গ্রামের কৃষিতে এসেছে পরিবর্তন। খালের আশপাশের ৫০০ একর অনাবাদি জমিতে এবার দেখা যাচ্ছে সবুজের সমারোহ। গ্রামজুড়ে কর্মমুখর পরিবেশ। নীলগঞ্জ ইউনিয়ন গোটা উপজেলার মধ্যে কৃষির পাশাপাশি সবজি চাষের মডেল ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এক সময়ের দরিদ্র গ্রামগুলোর ৩০ হাজার মানুষ এখন সমৃদ্ধশালী।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গ্রামের সংখ্যা ৫২টি। এর মধ্যে ঘুটাবাছা, নাওভাঙ্গা, গামুরতলা, পূর্বসোনাতলা, নেয়ামতপুর, এলেমপুর, মজিদপুর, ফরিদগঞ্জসহ ১৬টি গ্রামের মধ্য দিয়ে পাখিমারা খাল বয়ে গেছে। পাখিমারার খালের শাখা রয়েছে অন্তত সাতটি। এর মধ্যে জুগীর খাল, হাজীর খাল, মজিদপুর খাল, আমিরাবাদ খাল ও জোনাব আলীর খাল ইউনিয়নের ১০টি গ্রামে প্রবেশ করেছে।

 কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য
কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষকরা জানান, আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ জুগীর খাল। কুমিরমারা গ্রামে এটির বিভিন্ন অংশে আড়াআড়ি করে বাঁশের ওপর জাল দিয়ে প্রভাবশালী কয়েকটি পরিবার মাছ ধরত। দখলদারদের কারণে গ্রামের বাসিন্দারা খালের পানি ব্যবহার করতে পারতেন না। খালের পানি ছাড়া সেচের অন্য ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে আমন ছাড়া অন্য কিছু আবাদ হতো না।

দিনে দিনে গ্রামবাসীরা খালের পানি জমিতে সেচ কাজে ব্যবহারের দাবিতে সোচ্চার হন। শুরু হয় খাল দখলমুক্ত করার লড়াই। সেই লড়াইয়ে সঙ্গী হন কলাপাড়া উপজেলার ইউএনও। প্রায় দুই যুগ পর গ্রামবাসী ও ইউএনওর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রভাবশালীদের হাত থেকে দখলমুক্ত হয় জুগীর খাল।

 কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য
কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য

এরপর খালের জলকপাটগুলো জরাজীর্ণ হওয়ায় জোয়ারের লোনা পানি ঢুকে পড়ত জমিনে। জলকপাট মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন দফতরে গিয়েও কাজ হয়নি। এবারও এগিয়ে আসেন ইউএনও। খালে বাঁধ নির্মাণে সরকারি তহবিল থেকে ২৫ হাজার টাকা দেন তিনি। গ্রামের মানুষও সাধ্যমতো চাঁদা দেন। এভাবে সংগ্রহ হওয়া ৪০ হাজার টাকা দিয়ে নির্মাণ করা হয় তিনটি বাঁধ। বাঁধ নির্মাণের ফলে গ্রামগুলোর কৃষিতে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। প্রায় ৫০০ একর অব্যবহৃত জমিতে এবার দেখা যাচ্ছে সবুজের সমারোহ। স্থানীয় কৃষকেরা আবাদ করেছেন তরমুজ, লাউ, শিম, টমেটো, কপি, মুলা ও মরিচসহ নানা ধরনের সবজি। এবার প্রায় ৫০ একর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে।

স্থানীয় কৃষক জাকির গাজী জানান, খালের পাশেই তার বাবার দুই বিঘা জমি রয়েছে। তবে জমিতে আগে আমন ছাড়া বছরের অন্য সময়ে আবাদ করা যেত না। কারণ চাষাবাদ করতে সেচের প্রয়োজন। খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও তা ব্যবহারের সুযোগ ছিল না। কারণ মজিদপুরের শামসুদ্দিন, ছোটকুমিরমারার মনির হাওলাদার ও কুদ্দুস হাওলাদারের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন জুগীর খালে মাছ চাষ করতেন। তাদের ৪০-৫০ জনের বাহিনী ছিল। খালে মাছ চাষের প্রতিবাদ করলে ওই বাহিনী দিয়ে হামলা চালানো হতো। এসব কারণে গ্রামবাসী মুখ খুলতে সাহস পায়নি।

 কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য
কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য

তিনি জানান, ২০১৭ সাল থেকে তিনিসহ এলাকার কয়েকজন গ্রামে ঘুরে লোকজনকে বোঝানো শুরু করেন। ২০১৮ সালে তিন গ্রামের শত শত মানুষ বৈঠকে সমবেত হন। সেখানেই খাল উদ্ধারের জন্য গঠন করা হয় নীলগঞ্জ আদর্শ কৃষক শ্রমিক সমবায় সমিতি। গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি সুলতান গাজীকে সভাপতি, আবু বকর মৃধাকে সাধারণ সম্পাদক ও জাকির গাজীকে কোষাধ্যক্ষ করে ৩৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

এরপর ২০১৯ সালের জুলাইয়ে যোগ দেয়া ইউএনও মুনিবুর রহমান এগিয়ে আসেন। আগস্ট মাসে খাল থেকে দখলদারদের জাল অপসারণে অভিযান চালান তিনি। কিন্তু দখলদাররা কয়েকদিন পর আবারও খালে জাল পেতে পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা ঘটায়। এরপর ইউএনওর উদ্যোগে আরও দুই দফা অভিযান চালানো হয়। সর্বশেষ অভিযানে দখলদারদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এরপর আর জাল পাতার সাহস পায়নি দখলদাররা। এরপরও শুরু হয় গ্রামে কৃষিকাজ।

কুমিরমারা গ্রামের মাস্টার্স পরীক্ষার্থী হেমায়েত উদ্দিন বলেন, চাকরির চিন্তা না করে কৃষিকাজে নেমেছি। বাবার দেয়া জমিতে সবজি ও ফসলের আবাদ করেছি। ১০ শতাংশ জমি বন্ধক নিয়ে বোম্বাই মরিচের আবাদ করেছি। চাষ বাবদ আমার খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। বোম্বাই মরিচ থেকে দুই লাখ টাকা আয় হবে আশা করছি।

মজিদপুর গ্রামের লিটন হাওলাদার বলেন, একসময় ঢাকা ও বরিশালে গিয়ে দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতাম। এখন অন্যের জমি বর্গা নিয়ে কৃষিকাজ করছি। সবজি চাষাবাদ করে অভাব দূর হয়েছে আমার।

নীলগঞ্জ আদর্শ কৃষক শ্রমিক সমবায় সমিতির সভাপতি সুলতান গাজী জানান, জমিতে সেচ দেয়ার জন্য আগে খালের পানি ব্যবহারের সুযোগ ছিল না। ফসলাদি ভালো হতো না বলে কুমিরমারা গ্রামে অভাব লেগেই ছিল। এক ফসলি জমি ছিল গ্রামবাসীর একমাত্র ভরসা। এখন কুমিরমারাসহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের চিত্র বদলে গেছে। কৃষকরা এখন সবজির আবাদ করেছেন।

কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য
কৃষিকাজ বদলে দিল ৩০ হাজার মানুষের ভাগ্য

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মন্নান বলেন, সেচের সুবিধা পেয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের অন্তত ২৬টি গ্রামের পাঁচ শতাধিক একর জমিতে নতুন করে এবার আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ একর জমিতে বোরোর চাষ হয়েছে। বাকি জমিতে হয়েছে সবজির চাষ। আগে এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করে বছরে ১৪ থেকে ১৮ হাজার টাকা আয় হতো। এবার সবজি চাষ করে গড়ে প্রতি বিঘা থেকে অন্তত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আয় করার আশা কৃষকদের। সবজির আবাদ এখানকার কৃষকদের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। এতে তাদের জীবনযাত্রায় ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে।

নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, সেচ সুবিধা পেয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২৫-৩০ গ্রামের মানুষ কৃষিতে যে সাফল্য অর্জন করেছেন তা অবিশ্বাস্য। পরিবর্তন এসেছে তাদের জীবনযাত্রায়। জমি আবাদ করে নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন করেছেন তারা। আগে জমিগুলো পড়ে থাকত। এখন তারা আবাদ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। সবচেয়ে ভালো খবর হলো লেখাপড়া ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে ছেলে-মেয়েরা।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমান বলেন, প্রশাসনের কাজ হচ্ছে জনসেবা করা। আমি শুধু আমার ওপর রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি। গ্রামবাসীরা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চরম প্রতিকূলতা জয় করেছেন। সহায়তা পেলে গ্রামের মানুষ তার আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন করতে পারে, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

খাবারের স্বাদ পোলাও পাতা গাছ

খাবারের স্বাদ পোলাও পাতা গাছ
খাবারের স্বাদ পোলাও পাতা গাছ

পোলাও পাতা গাছের আকৃতি ও পাতা অনেকটা কেয়াগাছের মতো। এর পাতায় পোলাওয়ের মতো ঘ্রাণ আছে বলে পোলাও পাতা গাছ বলা হয়। এই পাতা খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া খাবার সুরভিত করতে এ পাতা ব্যবহৃত হয়। আসুন জেনে নেই পোলাও পাতা গাছ চাষ করার পদ্ধতি।

জমি
চারা সরাসরি জমিতে লাগানো যেতে পারে অথবা বাড়ির আঙিনায় ঝোপ করার জন্য এক জায়গায় কয়েকটা গাছ লাগানো যেতে পারে।

রোপণ
প্রথমে গাছ সংগ্রহ করতে হবে। কাণ্ডের গিঁট থেকে কুশির মতো চারা বের হয়। চারা লাগিয়ে নতুন গাছ জন্মানো যায়। গাছ একটু বড় হলে সেই গাছের গোড়া থেকে এবং তার চারপাশ থেকে কুশি বের হয়। ওই কুশি আবার পুনরায় জমিতে রোপণ করা যায়।

খাবারের স্বাদ পোলাও পাতা গাছ
খাবারের স্বাদ পোলাও পাতা গাছ

সার
সার দেওয়ার দরকার হয় না। লাগানোর সময় মাটির সাথে বেশি করে জৈব সার মিশিয়ে দিলে ভালো হয়।

সেচ
চারা লাগানোর পর কয়েক দিন সেচ দিতে হয়। আর কোনো যত্নের প্রয়োজন নেই। আধোছায়া ও রোদেলা জায়গায় ভালো জন্মে।

খাবারের স্বাদ পোলাও পাতা গাছ
খাবারের স্বাদ পোলাও পাতা গাছ

নিড়ানি
যেকোন সময় গাছ থেকে পাতা তোলা যায়। তোলার সময় গোড়ার দিকের বয়স্ক পাতা তুলতে, না হলে পাতা পুরনো হয়ে নষ্ট হয়ে যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

চালে পোকা ধরার সমস্যা দূর করার উপায়

চালে পোকা ধরার সমস্যা দূর করার উপায়
চালে পোকা ধরার সমস্যা দূর করার উপায়

যেহেতু প্রায় প্রতিবেলায়ই ভাত রান্না হয়, তাই অন্যান্য খাবারের চেয়ে চালের পরিমাণটা একটু বেশিই লাগে সব পরিবারে। আর প্রতিদিন চাল কিনে আনা নিশ্চয়ই সম্ভব নয়? তাইতো একসঙ্গে এক কিংবা একাধিক মণ চাল কিনে রাখার অভ্যাস প্রায় সব বাড়িতেই।

কিন্তু একসঙ্গে এত চাল রাখতে গিয়ে কখনো কখনো পড়তে হয় সমস্যায়। সমস্যাটি হলো চালের পোকা নিয়ে। চাল একটু পুরনো হতে শুরু করলেই পোকা হতে শুরু করে। ভাত রান্নার আগে সেই চাল যতই ধোয়া হোক না কেন, চোখ ফাঁকি দিয়ে দু-একটি ঠিকই থেকে যায়। এটি যেমন বিরক্তিকর তেমনই অসহ্যকর।

চালে যাতে পোকা না ধরে তার জন্য কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। জেনে নিন কী সেই কৌশল-

চালে পোকা ধরার সমস্যা দূর করার উপায়
চালে পোকা ধরার সমস্যা দূর করার উপায়

চালের পরিমাণ অনেক হলে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে রাখুন। এতে চাল অনেক দিন ভালো থাকবে।

চাল সংরক্ষণ করার জন্য অবশ্যই এয়ারটাইট ফুড কন্টেইনার ব্যবহার করবেন। এতে চালে পোকা ধরার ভয় যেমন থাকে না, চালটা স্যাঁতস্যাঁতেও হয় না।

চালের যদি পোকা ধরেই যায়, তাহলে চালের পাত্রে কয়েকটি নিম পাতা বা তেজপাতা রেখে দিতে দিন। দেখবেন চালের পোকা পালিয়েছে। চালে পোকা না ধরলেও রাখতে পারেন। তাতে পোকা ধরার ভয় থাকে না।

চালে পোকা ধরার সমস্যা দূর করার উপায়
চালে পোকা ধরার সমস্যা দূর করার উপায়

চালে পোকা ধরলে কৌটা ভর্তি করে চাল ফ্রিজে রেখে দিন। ফ্রিজে ৪-৫ দিন রাখার পর দেখবেন চালের সব পোকা মরে গেছে।

অনেকেই চালের পোকা ধরলে রোদে শুকোতে দেন। এতে পোকা মরে যায় ঠিকই, কিন্তু সেই চালে আর ভালো ভাত হয় না। তাই সরাসরি চাল রোদে না রেখে, কৌটাশুদ্ধ রেখে দিতে পারেন। রোদের তাপে পোকা মরে যাবে।

চালে পোকা ধরার সমস্যা দূর করার উপায়
চালে পোকা ধরার সমস্যা দূর করার উপায়

যে জায়গায় চাল রাখছেন, সেই জায়গাটি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। চাল রাখার পাত্রটি কিছুদিন পরপর পরিষ্কার করে নিন।

চালের কৌটোর আশপাশে কীটনাশক স্প্রে করে দিন। তাহলে আর চালে পোকা ধরার ভয় থাকবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

গোপালগঞ্জে বিনাখেসারির বাম্পার ফলন

গোপালগঞ্জে বিনাখেসারির বাম্পার ফলন
গোপালগঞ্জে বিনাখেসারির বাম্পার ফলন

‘ঘূর্নিঝড় বুলবুলের কবলে পড়ে গাছের গোড়ায় ৭ দিন পানি জমেছিল, তবুও গাছ মরেনি’

গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত মানব দেহের জন্য সহনশীল বিনাখেসারি-১ এর বাম্পার ফলন হয়েছে।

প্রতি হেক্টরে এ জাতের খেসারি ১ হাজার ৬০০ কেজি উৎপাদিত হয়েছে। বিনা গোপালগঞ্জ উপকেন্দ্র আয়োজিত মাঠ দিবস থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী সরদারপাড়া গ্রামে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য দেন গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক রমেশ চন্দ্র ব্রহ্ম। 

গোপালগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মোর্শেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাজমুল হক শাহিন, জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা হাসান মো. ওয়ারীসুল কবির, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জামাল উদ্দিন, বিনার ফার্ম ম্যানেজার মো. আলমগীর কবির, কৃষক বাকা শেখ প্রমুখ বক্তব্য দেন। 

মাঠ দিবসের বক্তব্যে কৃষক বাকা শেখ বলেন, ক্ষেতে খেসারি বপণের পর চারা গজায়। তারপর ঘূর্নিঝড় বুলবুলের কবলে পড়ে গাছের গোড়ায় ৭ দিন পানি জমেছিল, তবুও গাছ মরেনি! তাই  কৃষি বিভাগের পরামর্শে সার প্রয়োগ ও ক্ষেতের পরিচর্যা করি। এ অবস্থায় বিনাখেসারি-১ বাম্পার ফলন দিয়েছে। কিন্তু স্থানীয় জাতের খেসারি গাছ বৃষ্টিতে মারা যায়। 

একই গ্রামের কৃষক রহমত আলী বলেন, প্রতিকূলতা সহিষ্ণু বিনাখেসারি-১ ভাল ফলন দিয়েছে। আগামী বছর আমরা এ খেসারি আবাদ করবো।

গোপালগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, এ খোসারিতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর নিউরোটিক্সক সহনীয় ০.২৩% রয়েছে। তাই এ ডাল খেলে ল্যাথারিজম রোগ হওয়ার আশংকা নেই। এ জাত রোগবালাই প্রতিরোধ  ক্ষমতা সম্পন্ন। জীবনকাল ১১৫ থেকে ১২৫ দিন। স্থানীয় জাতের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ফলন দেয়। তাই এ ডালের আবাদ করে কৃষক লাভবান হন। এ জাতের আবাদ সম্প্রসারিত হলে দেশে ডালের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসাণের উপ-পরিচালক রমেশ চন্দ্র ব্রহ্ম বলেন, বিনা উদ্ভাবিত প্রতিটি ফসলের জাত উচ্চ ফলনশীল ও এর বীজ পরবর্তী বছরের চাষাবাদের জন্য রাখা যায়। বিনার ফসলের জাতগুলো প্রতিকূলতা সহিষ্ণু। তাই  গোপালগঞ্জের কৃষক বিনা উদ্ভাবিত ফসল আবাদ করে তাদের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটাচ্ছেন। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

যশোরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কমেছে বোরো আবাদ

যশোরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কমেছে বোরো আবাদ
যশোরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কমেছে বোরো আবাদ

বিগত আমন ও বোরো মৌসুমে ধান চাষে বিঘা প্রতি প্রায় ৫ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে। যে কারণে এবার অনেকেই ভুট্টা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকেছেন

চলতি বোরো মৌসুমে যশোরের চৌগাছায় ১৭ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬৮০ হেক্টর অর্থাৎ ৪ হাজার ৭৬০ বিঘা কম।

চলতি মৌসুমে ১৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ অঞ্চলে বোরো চাষে ২১ হাজার কৃষক জড়িত রয়েছেন।

কৃষকরা জানান, বিগত আমন ও বোরো মৌসুমে ধান চাষে বিঘা প্রতি প্রায় ৫ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে। যে কারণে এবার অনেকেই ভুট্টা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকেছেন। এ জন্যই ধানের চাষ কম হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ফুলসারা ইউনিয়নে ২ হাজার ১২০ হেক্টর, পাশাপোলে ২ হাজার ১০০ হেক্টর, সিংহঝুলিতে ১ হাজার ২০০ হেক্টর, ধুলিয়ানীতে ৯৫০ হেক্টর, চৌগাছা সদরে ১ হাজার ১০০ হেক্টর, জগদীশপুরে ১ হাজার ৫০ হেক্টর, পাতিবিলায় ১ হাজার ১৫০ হেক্টর, হাকিমপুরে ১ হাজার ৫৫০ হেক্টর, স্বরূপদহে ১ হাজার ৭০০ হেক্টর, নারায়ণপুরে ১ হাজার ৮৫০ হেক্টর, সুখপুকুরিয়ায় ২ হাজার ৩৫০ হেক্টর এবং চৌগাছা পৌর এলাকায় ৭০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে।

এসব জমিতে ব্রি-২৮, ব্রি-৫০, ব্রি-৬৩, ব্রি-৮১, সুবললতা, কাজললতা, মিনিকেট, সিনজেনটা-১২০৩ ও এএসএল-৮৮ ধানের চাষ হয়েছে বেশি। এছাড়াও অন্যান্য জাতের ধান চাষ করেছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত মৌসুমে ধানের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া এবং চলতি বছর ভুট্টা, গোল আলু, পেঁয়াজ, গম, মসুরসহ অন্য আবাদে কৃষক ঝুঁকছে বলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬৮০ হেক্টর কম জমিতে বোরো চাষ করেছেন কৃষকরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com