আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

জৈব

আবর্জনা যখন উৎকৃষ্ট জৈব সার

যে বস্তুকে মানুষ বর্জন করতে চায়, সেটাই বর্জ্য। এই সরল সংজ্ঞাকে স্বতঃসিদ্ধ ধরে নিয়ে আমরা এতকাল আবর্জনাকে ‘আবর্জনা’ই মনে করে এসেছি। বর্জ্যও যে সম্পদ, সেটি আমরা বুঝতে চাইনি। সে কারণে আবর্জনা এখন বোঝা হয়ে বাস্তুতন্ত্রের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপকে বিপন্ন করে চলেছে। বিঘ্ন ঘটাচ্ছে জীবমণ্ডলের স্থিতাবস্থায়। বর্জ্য মোকাবিলা এখন পরিবেশ রক্ষার অন্যতম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রান্নাঘরের ফেলে দেওয়া যেকোন সবজির খোসা, মাছের আঁশ- কাটা, মোরগ-মুরগির নাড়িভুঁড়ি-হাড়, ভাত, ডাল, রুটি, চা, তরিতরকারি থেকে শুরু করে গাছের পাতা, পুরোনো কাগজ, খড়খুটো, ঘাস সবকিছু থেকে এই জৈব সার তৈরি করা যায়। এ সারকে আবর্জনা সারও বলা যায়। তবে আবর্জনা থেকে এ সার তৈরির বেলায় কিছু নিয়ম কিন্ত আপনাকে মানতে হবে। আর সে নিয়মকানুন কি ? সেটাই নীচে আলোচনা করার চেস্টা করবো । আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলে একটা নির্দিষ্ট গর্তে ফেলতে হবে। এক মিটার লস্বা X এক মিটার প্রস্থ X এক মিটার গভীর একটি গর্ত তৈরী করে সেখানে আবর্জনা সংরক্ষণ করতে হবে। এই আবর্জনা থেকে যদি জৈব সার তৈরি করা যায়, তাহলে একদিকে যেমন উৎকৃষ্ট সার পাবো অন্যদিকে আমাদের পরিবেশও পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যকর থাকবে । আবর্জনা থেকে তৈরি জৈব সারে নাইট্রোজেন কম থাকে। এ জন্য এক লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে আবর্জনায় ছিটিয়ে দিলে সেই ঘাটতি পূরণ হবে। এটা এমনভাবে ছিটাতে হবে, যেন আবর্জনা থেকে দরদর করে পানি না পড়ে, বরং হাতে দিয়ে চাপ দিলে আঙুলের ফাঁকে পানি জমে। সারের গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য গর্তে দুই কেজি ফসফেট সার ভালো করে ছিটিয়ে দিতে পারেন।

এরপর গর্তে জমানো আবর্জনার ওপর মাটি দিয়ে তিন মাস আটকে রাখতে হবে। তিন মাস পর গর্তের আবর্জনাগুলো একই মাপের অন্য একটি গর্তে বদল করে দিতে হবে। এর ৬ সপ্তাহ পর থেকে এই সার ব্যবহার করার উপযোগী হয়ে যাবে। রোদে শুকিয়ে বস্তায় ভরে এই সার অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায়। ( CAJ ) বিষ্ঠা থেকে কম্পোস্টঃ হাঁস -মুরগীর বিষ্ঠা প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট গর্তে ফেলতে হবে। এক মিটার প্রস্থ X এক মিটার গভীর X তিন মিটার লম্বা গর্ত করে নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত পলিথিন বিছিয়ে দিতে হবে। এরপর প্রতিদিন বিষ্ঠা সংগ্রহ করে গর্তে রাখতে হবে। বিষ্ঠার পরিমাণ ১০ কেজি হলে আড়াই লিটার পানি এবং আধা কেজি চুন ছিটিয়ে দিতে হবে। একইভাবে আগের মতোই গর্তে জমানোর প্রথম ১৫ দিন, প্রতি ৩ দিন পরপর উল্টে পাল্টে দিতে হবে। এরপর প্রতি ৭ দিনে একবার নাড়াচাড়া করে দিলেই হবে। কম্পোষ্টের মান বাড়াতে গর্ত বিষ্ঠা দিয়ে ভর্তি হয়ে গেলে ২ কেজি ফসফেট বিষ্ঠার ওপর ছিটিয়ে দিতে হবে। এবার পলিথিন দিয়ে ২ মাস আটকে রাখতে হবে। কপোষ্ট পরীক্ষাঃ ২ মাস পর বিষ্ঠাগুলো গাছ পচাঁ গন্ধের মত গন্ধ সৃষ্টি করবে। কপোষ্ট দেখতে হবে গাঢ় বাদামি রঙের। শরীরে লাগলে গরম অনুভূত হবে না। এ রকম কপোষ্ট জমিতে সার হিসাবে প্রয়োগ করা যাবে।

জৈব

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে?

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

বর্জ্য থেকে প্রস্তুত পচা জৈব উপাদানকে বলা হয় কমপোস্ট সার বা মিশ্র জৈব সার। পেষাই হয়ে যাওয়া আখ, ধানের খড়, আগাছা ও অন্যান্য গাছ ও বর্জ্য থেকে তৈরি সারই হল কমপোস্ট সার। এই সারে গড়ে ০.৫ শতাংশ নাইট্রোজেন, ০.১৫ শতাংশ ফসফরাস, ০.৫ শতাংশ পটাসিয়াম থাকে। সার তৈরির প্রাথমিক স্তরে কমপোস্ট পিটে প্রতি টন কাঁচামালে ১০/১৫ কেজি সুপার ফসফেট বা রক ফসফেট মেশালে সারের গুণমান বাড়ানো যায়। শহরের মল, ডাস্টবিন ও রাস্তার আবর্জনা থেকে তৈরি সারও হল কমপোস্ট সার। এতে থাকে ১.৪ শতাংশ নাইট্রোজেন, ১ শতাংশ ফসফরাস ও ১.৪ শতাংশ পটাসিয়াম।

কমপোস্ট সার তৈরির জন্য খামার বর্জ্যকে সাড়ে চার থেকে ৫ মিটার লম্বা, দেড় থেকে দু’মিটার চওড়া ও ১ থেকে ২ মিটার গভীর গর্ত খুঁড়ে রেখে দেওয়া হয়। গর্তে খামার বর্জ্যকে স্তরে স্তরে রাখা হয়। প্রতিটি স্তর গরুর গোবরের কাই দিয়ে বা জল দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়। জমি থেকে ০.৫ মিটার উপর পর্যন্ত গর্তগুলি ভরাট করে দেওয়া হয়। ৫-৬ মাসের মধ্যে সার ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে। কমপোস্ট সার প্রস্তুতি প্রকৃতপক্ষে গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলের জৈব অবশেষকে জীবাণু দ্বারা পচানোর প্রক্রিয়া ।

সার তৈরির পদ্ধতি

এখানে তিনটি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে।

ইন্দোর পদ্ধতি

জৈব বর্জ্য গোয়ালে বিছানার মতো করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। মূত্রে ভেজা সেই বর্জ্য এবং গোবর প্রতি দিন সরিয়ে আনা হয় এবং ১৫ সেমি পুরু স্তর তৈরি করে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয়। মূত্রে ভেজা মাটি গোয়াল থেকে সংগ্রহ করে জলে ভেজানো হয় এবং দিনে দু-তিনবার ওই বর্জ্যের স্তরের ওপর চাপানো হয়। এই প্রক্রিয়া প্রায় দিন পনেরো চলে। তার পর খুব ভাল মানের কমপোস্ট সার বর্জ্যের স্তরের ওপর চাপানো হয় এবং গোটা উপাদানটিকে উল্টেপাল্টে দেওয়া হয়। পুরনো সার গোটা উপাদানটিকে পচাতে সাহায্য করে। গোটা উপাদানকে পরবর্তী ১ মাস একই ভাবে রেখে দেওয়া হয়। তত দিনে এই সার পুরোপুরি আর্দ্র হয়ে যায়। এই সার আরও এক বার উল্টেপাল্টে দেওয়া হয়। আরও এক মাসের মধ্যে নতুন সার ব্যবহারের উপযুক্ত হয়ে ওঠে।

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

ব্যাঙ্গালোর পদ্ধতি

২৫ সেন্টিমিটার পুরু শুকনো বর্জ্য পদার্থ একটি গর্তে ছড়িয়ে রাখা হয়, তার ওপর জলে ভেজা থকথকে গোবর ছড়িয়ে দেওয়া হয় ভেজানোর জন্য। ভিজে স্তরের উপর শুকনো বর্জ্যের আরও একটি স্তর চাপিয়ে দেওয়া হয়। প্রথমে শুকনো বর্জ্যের স্তর, তার উপর গরুর গোবরের দ্রবণ, এই ভাবে স্তরে স্তরে গর্তটি মাটির উপর ০.৫ মিটার পর্যন্ত ভরাট করা হয়। এই অবস্থায় কোনও ঢাকা না দিয়ে ১৫ দিন রাখা হয়। এর পর এই উপাদান উল্টেপাল্টে তুলে কাদা মাখিয়ে ৫ মাস বা যত দিন না ব্যবহার হচ্ছে ,তত দিন একই ভাবে রেখে দেওয়া হয়।

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

কোয়েম্বাটোর পদ্ধতি

কী ধরনের বর্জ্য পদার্থ পাওয়া যাচ্ছে তার ভিত্তিতে নানা মাপের গর্তে সার প্রস্তুত করা হয়। প্রথমে গর্তে বর্জ্য পদার্থের একটি স্তর বানানো হয় , তার উপর আড়াই থেকে ৫ লিটার জলে ৫ থেকে ১০ কিলো গরুর গোবরের দ্রবণ ও ০.৫ থেকে ১ কিলো হাড়ের গুঁড়োর মিশ্রণ সমান ভাবে ছড়ানো হয়। এ ভাবে একের পর এক স্তর তৈরি করা হয়, যতক্ষণ না উপাদানের উচ্চতা মাটির থেকে ০.৭৫ মিটার পর্যন্ত পৌঁছচ্ছে। এর পর এটিকে কাদামাটি দিয়ে মুড়িয়ে একই ভাবে ৮-১০ সপ্তাহ রেখে দেওয়া হয়। তার পর পুরো পদার্থটি তুলে জলে ভিজিয়ে উল্টেপাল্টে আয়তাকার স্তুপ বানিয়ে , যত দিন না ব্যবহার হচ্ছে, ছায়ায় রেখে দেওয়া হয়।

কোয়েম্বাটোর পদ্ধতিতে প্রথমে অবাত পচন প্রক্রিয়া তারপর সবাত পচন প্রক্রিয়া চলে। এটি ব্যাঙ্গালোর পদ্ধতির বিপরীত। কোয়েম্বাটোর বা ইন্দোর পদ্ধতির মতো ব্যাঙ্গালোর প্রক্রিয়ায় সার পচানো হয় না। কিন্তু এটাই সবচেয়ে ভারী।

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

খামার-বর্জ্যের রক্ষণাবেক্ষণ

যেখানে জন্তু জানোয়ার আছে, সেখানে তাদের বর্জ্যও আছে। পশুপালন শিল্পের চেহারা নেওয়ার পর থেকে পশুপালনের খামার যত বেড়েছে, তার তুলনায় বহু বহু গুণ বেড়েছে খামারে পশুর সংখ্যা। এর ফলে খুব ছোট জায়গাতেও প্রচুর পরিমাণে পশু বর্জ্য পাওয়া যায়। যখন এক জায়গায় প্রচুর পরিমাণে পশু বর্জ্য তৈরি হয়, তখন তাকে নিরাপদে ও কম খরচে কার্যকর ভাবে ব্যবহার করাও মুশকিল, ফেলে দেওয়াও কঠিন। সরকারি নিয়মনীতি এবং উন্নত মানের বর্জ্য রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টাতে পারে এবং খামারগুলিতে যেন তা প্রয়োগ করা হয়, সে দিকে লক্ষ রাখা উচিত। কিন্তু যত দিন আমরা আমাদের খাদ্যের জন্য ছোট জায়গায় শিল্পের আকারে প্রচুর পশু পালনের ওপর নির্ভর করে থাকব, তত দিন পশু বর্জ্য সংক্রান্ত সমস্যা থেকে যাবে।

যে সব খামারে পশুরা ঘাসের জমিতে চরে বেড়ায়, সেখানে সবটা না হলেও বর্জ্যের অনেকটাই সরাসরি জমিতে যায়, যা সার হিসেবে কাজ করে এবং তার ভেতরে থাকা পরিপোষক পদার্থ চক্রাকারে মাটিতে ফিরে যায়। পশুপালন শিল্প খামারে, পশুরা যেখানে থাকে সেখানেই বর্জ্য ত্যাগ করে। সেখান থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করতে হবে, অন্যত্র নিয়ে যেতে হবে এবং সংরক্ষণ করতে হবে— প্রতিটি ধাপই পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পশুপালনের জন্য ব্যবহৃত ঘরগুলিকে শুধুমাত্র ধুয়ে পরিষ্কার করতে চাইলে প্রচুর পরিমাণ জলের প্রয়োজন হয়। দুগ্ধ শিল্পের ক্ষেত্রে, যেখানে বর্জ্য ধুয়ে পরিষ্কার করার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকে, সেখানেও গরু পিছু দিনে ১৫০ গ্যালন জল খরচ হয়।

পশুপালন শিল্পের কারখানায় বিভিন্ন ব্যবস্থায় বাতাস দূষিত হয় এবং ৪০০-রও বেশি গ্যাস নির্গত হয়, বেশির ভাগটাই বিশাল পরিমাণ পশু বর্জ্যের কারণে। প্রধানত যে সব গ্যাস নির্গত হয়, তার মধ্যে রয়েছে, হাইড্রোজেন সালফাইড, মিথেন, অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইড। বায়ূদূষণের ক্ষেত্রে এই গ্যাসগুলি বিপজ্জনক, এগুলি পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্য –দু’য়ের পক্ষেই অত্যন্ত ক্ষতিকারক। বর্জ্যের কারণ শিল্প খামারগুলি থেকে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রিক অক্সাইডও নির্গত হয়। অ্যাসিড বৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ হল এই গ্যাস।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

জৈব

জৈব পদ্ধতিতে ফসলের রোগ পোকা নিয়ন্ত্রণ

সবুজ বিপ্লবের সময়ে পেস্টিসাইড ব্যবহারকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জীব বৈচিত্র্য, মাটির স্বাস্থ্য ও ফসলের গুণমানতা। এখন ভেবে দেখার সময় এসেছে, এত রাসায়নিক পেস্টিসাইড ব্যবহার করা কি ঠিক হচ্ছে? এ প্রশ্ন শুধু ভারতে নয়, সারাবিশ্বের কৃষকসমাজ ও শস্যবিজ্ঞানীদের কাছে। তাই মনে হয় জৈব নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব দিয়ে সুসংহত রোগ পোকা নিয়ন্ত্রণ আগামী দিনে একমাত্র সমাধানের রাস্তা হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

চলমান খরিফ মরসুমে আমাদের রাজ্যে প্রধানত ধান, খরিফ পেঁয়াজ, জুট, ইক্ষু, তিল ইত্যাদি ফসলের চাষ হয়ে থাকে। এ রাজ্যে ধানে ঝলসা রোগের আক্রমণ একটি গুরুতর বিষয়।

জৈব পদ্ধতিতে এই রোগ দমন করার একটি সহজ উপায় রয়েছে। ৫০ মিলিলিটার কেরোসিন তেলে ৮৫ গ্রাম থেঁতলানো রসুন মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এরপর ৯৫০ মিলি. জল ও ১০ মিলি. তরল সাবান মিশিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিয়ে বোতলে রেখে দিতে হবে। ১৯ লিটার জলের সাথে ১ ভাগ মিশ্রণ মিশিয়ে সকালে/বিকেলে স্প্রেয়ার দিয়ে আক্রান্ত গাছে স্প্রে করতে হবে।

এই মিশ্রণটি আমেরিকান বোল ওয়ার্ম, আর্মি ওয়ার্ম, পেঁয়াজ-এর চিরুনি পোকা, আলুর টিউবার মথ, রুট নট নিমাটোড (কৃমি), আখের কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা, ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ, ডাউনি মিলডিউ ও ধানের ঝলসা রোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী।

এছাড়া বিভিন্ন ধরণের পাতা খেকো পোকা ও জাব পোকা নিয়ন্ত্রণে ১ কেজি পেঁয়াজ থেঁতো করে ১ লিটার জলের সাথে মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দেবার পর কচলিয়ে রস নিংড়ে নিতে হবে। প্রাপ্ত নির্যাসের সাথে ১০ লিটার জল মিশিয়ে আক্রান্ত ফসলে স্প্রে করতে হবে।

জৈব সার প্রয়োগ ও জৈব কীটনাশক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদন খরচ শতকরা ২৫-৩০ শতাংশ হ্রাস করা সম্ভব। উচ্চ পুষ্টিমানসম্পন্ন প্রযুক্তিতে উৎপাদিত জৈব সার, শাকসব্জী ও অন্যান্য ফসলের প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম-এর সাথে অণুখাদ্যের যোগান দেয়।

জৈব পদ্ধতিতে উৎপন্ন কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকগুলি ফসলে কোনওরকম দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ব্যতিরেকে, পোকা ও রোগ দমনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এতে মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও উর্বরতা দীর্ঘমেয়াদী হয়। উৎপাদিত ফসল হয় স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

জৈব

বাসাইলে জনপ্রিয় হচ্ছে ভার্মি কম্পোস্ট সার

টাঙ্গাইলের বাসাইলে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার। কম দাম, অধিক কার্যকারিতা, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী হওয়ায় এ সার ব্যবহারে অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন। হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা, গবাদিপশুর গোবর, শাক-সবজির উচ্ছিষ্ট, খোসা ও কচুরিপানার মিশ্রণে প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদন করা হয় কেঁচো সার, যা ভার্মি কম্পোস্ট সার নামে অধিক পরিচিত। পচনশীল দ্রব্য দিয়ে তৈরি ভার্মি সার ব্যবহারে জমির গুণগত মান ঠিক থাকে।

উপজেলার নর্থখোলা গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম জানান, এ সার খুব উপকারী। আমি নিজে ব্যবহার করি। বাকি সার আশপাশে কৃষকের কাছে বিক্রি করি। প্রথমে আমি কৃষি অফিস থেকে ১০টি রিং আর কেঁচো পাইছিলাম। এরপর চাহিদা দেখে নিজ খরচে আরও ৮টি রিং আমি বসিয়েছি।

উপজেলার দাপনজোর গ্রামের ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনকারী কৃষক হোসেন আলী বলেন, একটি রিং এ ৫০ কেজি ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি করা যায়। সার তৈরিতে প্রয়োজন হয় কেঁচো, পচা গোবর, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা, তরকারির খোসা ও কচুরিপানা। সব উপকরণ না পেলেও কেঁচো, কলার খোসা ও পচা গোবর দিয়ে এ সার তৈরি করা যায়। আমি কৃষি অফিস থেকে ১০টি রিং আর কেঁচো পেয়েছিলাম। এখন আমার কাছে ২৫টি রিং রয়েছে। এ সারের যে উপকার তাতে আমি আরও রিং বাড়াবো।

বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, ৫০ কেজি সার উৎপাদন করতে সময় লাগবে এক থেকে দেড় মাস। ৫০ কেজি ভার্মি কম্পোস্ট ৩০ শতক জমিতে ব্যবহার করা যায়। ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে তেমন খরচ না হওয়ায় কৃষকরাও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা নাজনিন আক্তার জানান, আমরা উপজেলা থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের বিনামূল্যে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরির উপকরণ দিয়েছি। এ সারের উপকারিতা দেখে দিন দিন কৃষকরা নিজ খরচেই এ সার তৈরি করছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

জৈব

কোকোডাস্ট দিয়ে কিভাবে জৈব সার তৈরি করা হয়

বাংলাদেশে নারিকেলকে বলা হয় গ্রামীণ অর্থনীতির চালিকা শক্তি। ঐতিহ্যগতভাবে এদেশে নারিকেল চাষ হয় বাড়ির আঙিনায়। নারিকেল চাষে তাই বাড়তি কোনো জায়গা জমির দরকার হয় না। নারিকেল গাছের ছায়া বসতবাড়িতে সাথী ফসল হিসেবে অন্যান্য ফল ও শাকসবজি চাষ করতেও সহযোগিতা করে। রোপণ করার ৬-৭ বছর পর ফল আসে এবং বিরামহীনভাবে ৫০-৬০ বছর তা চলতে থাকে। বিস্ময়কর এ ফলদ বৃক্ষের ফুল, ফল, কাণ্ড পাতা বছরব্যাপী কোনো না কোনোভাবে আমাদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে থাকে। কৃষকের কাছে তাই নারিকেল সবচেয়ে সমাদৃত গাছ। নারিকেল থেকে উত্তম পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ডাবের পানি পাওয়া যায়। নারিকেলের ছোবড়া থেকে আঁশ এবং আঁশজাত দ্রব্য তৈরি করা যায়।

সবশেষে নারিকেলের তুষ (কোকোডাস্ট) থেকে ভালোমানের জৈব সার তৈরি হয়ে থাকে। বরিশাল অঞ্চলের স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর), খুলনার ফুলতলা, বাগেরহাট ও যশোর জেলার মনিরামপুর অঞ্চলে নারিকেলের ছোবড়া বা খোসা থেকে বংশানুক্রমে নারিকেলের খোসা, আঁশ ও আঁশজাত দ্রব্য করা হয়ে থাকে।

নারিকেলের খোসা

নারিকেলের খোসা থেকে আঁশ তৈরির সময় খোসার ৬৬% তুষ বা Cocodust বের হয়। নারিকেলের তুষে ৩১% সেলুলোজ ও ২৭% লিগনিন জাতীয় জৈব পদার্থ আছে এবং এর কার্বন ও নাইট্রোজেনের অনুপাত ১০৪:১ (Shekar, 1999)। সেলুলোজ খুব শক্ত বা Stable পদার্থ এবং এ কারণে নারিকেলের তুষ ১০-১৫ বছর পরও মাটিতে অক্ষতাবস্থায় থাকে। লিগনিন পচন-সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া বা অনুজীবের কার্যক্ষমতা কমায়। নারিকেলের তুষে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় সব রকম পুষ্টি থাকে বলে তুষ পচালে উৎকৃষ্ট জৈব সারে রূপান্তরিত হয়। ভারত, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনে নারিকেলের তুষের সাথে চুন (প্রতি ১০০০ কেজি তুষে ৫ কেজি চুন) ও মাশরুম স্পন (Spawn) বা বীজ মিশিয়ে পচানো হয়। নারিকেলের তুষের মধ্যে মাশরুম চাষ করেও তা পচানো যায়। মাশরুমে ক্লোরোফিল না থাকায় সূর্যের আলো ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করতে পারে না। দৈহিক বাড়-বাড়তির জন্য মাশরুম নারিকেলের তুষের সেলুলোজ হতে শর্করা জাতীয় খাদ্য সংগ্রহ করে, ফলে নারিকেলের তুষের সেলুলোজ কঠিন পদার্থ হতে সরলতম পদার্থে রূপান্তরিত হয় ও সহজে পচে যায়। তুষে মাশরুম spawn ও চুন প্রয়োগ করলে ১ মাসের মধ্যে হিউমাস জাতীয় কালো পদার্থে পরিণত হয়।

হিউমাস রাসায়নিক সারের মতো পুষ্টি সমৃদ্ধ নয়, তবে মাটিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থেকে মাটির অনুজীবের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, মাটির ভৌত গুণাবলি ধরে রাখে এবং গাছের জন্য প্রয়োজনীয় মুখ্য ও গৌণ সব ধরনের খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে। হিউমাস মাটির Ca++, Zn++, Cu++ Fe++ ধাতব আয়ন ধরে রাখতে সাহায্য করে। এসব আয়নগুলো গাছের আয়ন বিনিময় ক্ষমতা বাড়ায়, মাটি থেকে খাদ্য সংগ্রহ করার ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্ষতিকর ফ্রি-রেডিকেল অপসারণ করে গাছের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। ফ্রি-রেডিকেল এক ধরনের ক্রিয়াশীল যৌগমূলক যা গাছের ক্লোরোফিল নষ্ট করে দেয়। গাছের স্বাভাবিক রেচন প্রক্রিয়া (Metabolism) থেকেই ফ্রি-রেডিকেল তৈরি হয়। জমিতে বেশি বেশি রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে ফ্রি-রেডিকেলও বেশি তৈরি হয়। ফল জাতীয় সবজি যেমন টমেটো, করলার ক্ষেত্রে ফ্রি-রেডিকেলের কারণে একবার ফল আসলেই গাছের পাতা শুকিয়ে মারা যায়। এসব ধাতব আয়ন গুলো Super oxide dismutage (SOD) নামে এক ধরনের এনজাইম তৈরির মাধ্যমে ফ্রি-রেডিকেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

নারিকেলের তুষের বিশেষ গুণ হচ্ছে ওজনের ৮-১০ গুণ পানি ধারণক্ষমতা। তাই সঠিক ব্যবহার পদ্ধতি জানা থাকলে নারিকেলের অব্যবহৃত এ তুষ সরাসরি নার্সারি ব্যবসা ও ফুল চাষে ব্যবহার করে যায়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণ কেন্দ্র যশোরের কর্মরত বিজ্ঞানীরা ২০০৮ সালে যশোর শহরতলীর চাচড়া এলাকায় কোকো ফাইবার মিল নামক কোম্পানির সহায়তায় নারিকেলের আঁশ তৈরি ও তুষ পচানোর ওপর এক গবেষণা পরিচালনা করেন। ওই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা মাশরুমের বীজ ও চুন প্রয়োগ করে দ্রুত নারিকেলের তুষ পচানোর পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। হাইড্রোলিক মেশিনে নারিকেলে তুষের ব্লক তৈরি করে তাতে চারা লাগানোর ওপরও বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেন।

নারিকেল থেকে জৈব সার তৈরি

নারিকেলের তুষ ফলের অংশ হওয়ায় গাছের বৃদ্ধির জন্য দরকারি সব পরিমাণ পুষ্টি বিশেষ করে পটাশিয়াম জাতীয় পদার্থ থাকে। পচানোর পর মাটিতে প্রয়োগ করলে মাটির পানি ধারণক্ষমতা ও অন্যান্য ভৌতিক গুণাবলি বৃদ্ধিসহ অনুজীবের কার্যক্রম বৃদ্ধি করে দীর্ঘমেয়াদে গাছের পুষ্টি সরবরাহ ও বৃদ্ধি-সহায়তা প্রদান করে। তাছাড়া নারিকেল থেকে তৈরি জৈব সারে আছে অনেক রকমের এনজাইম (Enzyme) ও কোষীয় পদার্থ যা শিকড় দিয়ে গাছের মধ্যে প্রবেশ করে ও গাছের রোগ প্রতিরোধ ও পোকার আক্রমণ প্রতিহত করার বাড়তি ক্ষমতা প্রদান করে। নারিকেল থেকে তৈরি জৈব সারে আছে ৬০৭৫% জৈব পদার্থ, ০.৭৬/ নাইট্রোজেন, ০.৪% হারে ফসফরাস ও পটাশ, ০.২% সালফার ও ০.০০৪ বোরন।

কোকোপিটের ব্যবহার

০ ক্রমবর্ধমান হাইড্রোপোনিকউপায়ে সবজি চাষের জন্য কোকোপিট ব্যবহার করা হয় যেন কোনোভাবেই গাছ বা চারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়;
০ কোকোপিট উদ্ভিদের শিকড় উন্নয়নের জন্য একটি চমৎকার স্তর এবং গাছ বা চারা রোপণ করার সময় কোনো এজেন্ট প্রয়োজন হলে জৈব সারের সাথে কোকোপিটের সংমিশ্রণে একটি গ্রোয়ার মিডিয়া তৈরি করে সরাসরি চারা তৈরি করা যেতে পারে;
০ কোকোপিট মাটির তুলনায় অনেক হালকা এবং টবে ব্যবহারের সময় খুব সহজেই কোকোপিটের ভেতর বাতাস চলাচল করতে পারে যার ফলে গাছ বেশি বেশি অক্সিজেন নিতে পারে;
০ কোকোপিট শোষক সময়কাল অনেক : ফলে এটা গাছে ধীরে ধীরে শোষিত হয়;
০ কোকোপিট একটি উচ্চ বাফার ক্ষমতাসম্পন্ন জৈব পদার্থ যা মাটির গুণাগুণ বজায় রাখতে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে। কাকোপিটের পিএইচ (pH) সবসময় ৫.৫ থেকে ৭ থাকে যা সুস্থ উদ্ভিদ তৈরি করে এবং খুব সহজেই উন্নত মানের গাছপালা তৈরি করতে সাহায্য করে এবং এর ফলে অনেক বেশি পরিমাণে ফসল সংগ্রহ করা যায়;
০ টবে মাটি ব্যবহার করলে ওজন বেশি হয়, কিন্তু কোকোপিট ব্যবহার করলে কম হয়। ছাদের ওপর অনেক টব ব্যবহার করলে লোড ক্যাপাসিটি কম হয়;
০ কোকোপিট দিয়ে যে কোনো প্রকার চারা তৈরি বা গাছ লাগানো যেতে পারে, নির্দিষ্ট কোনো ধরা বাঁধা নিয়ম নেই। আধুনিক গ্রিন হাউসে কোকোপিটকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে

ফসল উৎপাদন করে থাকে:

০ কোকোপিট দিয়ে টবে গাছপালা লাগালে দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং পানি দিলে টবের ভেতর কখনও জলাবদ্ধতা তৈরি হয় না, পানি সাথে সাথে দ্রুত সব জায়গাতে ছড়িয়ে দেয় এবং নির্দিষ্ট পরিমাণমতো পানি ধরে রেখে গাছকে সতেজ রাখে এবং কখনও পানি আবদ্ধ হয়ে গাছ মারা যায় না ।
নিত্যপ্রয়োজনীয় সব চাহিদার জোগান দিলেও আমাদের দেশে নারিকেল অনেকটা অবহেলিত রয়ে গেছে। নারিকেল গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে নারিকেলের ফলন ও উৎপাদন বাড়ানো জরুরি। একই সাথে নার্সারির চারা তৈরি কলম লাগানোর ক্ষেত্রে কোকোডাস্ট নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে। একে কাজে লাগিয়ে কৃষিকে আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

জৈব

মুলার ভালো ফলন পেতে যেসব সার ব্যবহার করবেন

মুলার ভালো ফলন পেতে কী কী সার ব্যবহার করব?

মুলা রবি মৌসুমের একটি প্রধান সবজি। প্রচুর ভিটামিন এ সমৃদ্ধ এ সবজির ভালো ফলন পেতে সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে। মুলার জমিতে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম এবং বোরাক্স দিতে হয়।

প্রতি হেক্টর জমির জন্য ইউরিয়া প্রয়োজন হবে ৩৭৫ কেজি, টিএসপি ২২৫ কেজি, এমওপি ২২৫ কেজি, জিপসাম ১০০ কেজি এবং বোরাক্স ১০-১৫ কেজি। শেষ চাষের সময় টিএসপি, জিপসাম, বোরাক্স সবটুকু এবং ইউরিয়া ও এমওপি সারের অর্ধেক জমিতে দিতে হবে। সারগুলো জমিতে সমানভাবে ছিটিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।

বাকি ইউরিয়া ও এমওপি সার সমান দুই ভাগে ভাগ করে দুই কিস্তিতে জমিতে প্রয়োগ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথম কিস্তি বীজ বপনের তিন সপ্তাহ পর এবং দ্বিতীয় কিস্তি বীজ বপনের পাঁচ সপ্তাহ পর প্রয়োগ করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com