আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

অন্যান্য

সৌদি খেজুর চাষ করে সফল সোলাইমানের গল্প

বাংলাদেশে বেকারত্বের হার চরম পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। চাকরির বাজার ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। এখন বেকারত্বের হাত থেকে মুক্তি পেতে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর উপায়ে কৃষি কাজ করতে পারেন। এতে অনেকেই সফল হচ্ছেন। এবার সৌদি খেজুর চাষ করে সোলাইমানের সফলতার গল্প জেনে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

হাটে ক্রেতা বাড়তেই বেড়ে গেল গরুর দাম

 হাটে ক্রেতা বাড়তেই বেড়ে গেল গরুর দাম
হাটে ক্রেতা বাড়তেই বেড়ে গেল গরুর দাম

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে কোরবানির পশু নিয়ে হাটে আসছেন বিক্রেতারা। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) শহরের ট্রাক টার্মিনাল পশুর হাট ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখর ছিল।

হাটে গরু নিয়ে আসা আজগর আলী বলেন, আমি লংগদু উপজেলার মাইনী থেকে দুটি গরু নিয়ে এসেছি। একটি গরু ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। আরেকটা ৭০ হাজার টাকা হলে বিক্রি করবো।

রাঙ্গামাটি শহরের বাসিন্দা আরেক গরু বিক্রেতা সোলাইমান জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম অনেকটা কম। শুরুর দিকে হাটে ক্রেতা না থাকলেও এখন জমে উঠেছে।

হাটে কোরবানির জন্য গরু কিনতে আসা আবুল হোসাইন নামে এক ব্যক্তি জানান, বিভিন্ন জায়গা থেকে হাটে বেশকিছু কোরবানির পশু এসেছে। শুরুর দিকে গরুর দাম কম ছিল। এখন ক্রেতা বাড়ায় দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা।

হাটে ক্রেতা বাড়তেই বেড়ে গেল গরুর দাম
হাটে ক্রেতা বাড়তেই বেড়ে গেল গরুর দাম

রাঙ্গামাটি শহরের বাসিন্দা তৌহিদ খান বলেন, শুরুর দিকে ক্রেতা কম থাকলেও শেষ মুহূর্তে অনেক ক্রেতা। দাম এখন একটু বেশি, আমরা পাঁচজন মিলে ৮০ হাজার টাকায় একটি গরু কিনেছি।

রাঙ্গামাটি ট্রাক টার্মিনাল কোরবানির পশুর হাটের ইজারাদার ছাওয়াল উদ্দীন জানান, হাটে অনেক কোরবানির পশু এসেছে। দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটা সহনীয়। রাঙ্গামাটিতে শুরুর দিকে ক্রেতা না থাকায় অনেকে পশু নিয়ে চট্টগ্রাম গেছেন। তবে গতকাল বুধবার (২৯ জুলাই) থেকে হাটে আশানুরূপ ক্রেতা আসছে।

রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবির জানান, কোরবানির পশুর হাটে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হাটে জাল নোট শনাক্ত করতে মেশিনসহ পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক। করোনা পরিস্থিতিতে সবাই যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট থেকে কোরবানির পশু কিনতে পারে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

হাজারীবাগের পশুর হাটে র‍্যাবের তিনস্তরের নিরাপত্তা

হাজারীবাগের পশুর হাটে র‍্যাবের তিনস্তরের নিরাপত্তা
হাজারীবাগের পশুর হাটে র‍্যাবের তিনস্তরের নিরাপত্তা

রাজধানীর হাজারীবাগে লেদার টেকনোলজি কলেজের পাশে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উদ্বোধন করা হয়েছে কোরবানির পশুর হাট। করোনা পরিস্থিতিতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ হাটে গরু-ছাগল কেনাবেচার জন্য তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র‍্যাব-২।

র‍্যাব-২ সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির পশুর হাটকেন্দ্রিক র‍্যাব-২ নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করছে। হাজারীবাগে লেদার টেকনোলজি কলেজের পাশে বসা পশুর হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থাপন করা হয়েছে একটি কন্ট্রোল রুম।

হাজারীবাগের পশুর হাটে র‍্যাবের তিনস্তরের নিরাপত্তা
হাজারীবাগের পশুর হাটে র‍্যাবের তিনস্তরের নিরাপত্তা

র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, এবার কোরবানির পশুর হাটে সাদা পোশাকে র‍্যাব সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন, যাতে জাল টাকা প্রবেশ, মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টি, ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজ প্রবেশ করতে না পারে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে র‍্যাব-২।

হাজারীবাগের পশুর হাটে র‍্যাবের তিনস্তরের নিরাপত্তা
হাজারীবাগের পশুর হাটে র‍্যাবের তিনস্তরের নিরাপত্তা

তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট এলাকার সবস্তরের সাধারণ মানুষ নিরাপদে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গরু, ছাগল কিনতে এসে সাধারণ মানুষ যাতে কোনো হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য র‍্যাব-২ বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, যা জনমনে আস্থা সৃষ্টি করবে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

বাড়ির উঠানে লেবু চাষ করে খোকা মিয়ার সাফল্য

বাড়ির উঠানে লেবু চাষ করে খোকা মিয়ার সাফল্য
বাড়ির উঠানে লেবু চাষ করে খোকা মিয়ার সাফল্য

বাড়ির উঠানে লেবু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন নওগাঁর বদলগাছীর কৃষক আব্দুল মজিদ খোকা মিয়া। গত ২০ বছর থেকে লেবু চাষ করে পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে সংসারের খরচ চালাতে সক্ষম হয়েছেন। এতে সংসারের স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে।

উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নের বৈকুন্ঠপুর গ্রামের দিনমজুর আব্দুল মজিদ খোকা মিয়া এক সময় পরের বাড়িতে কামলা দিতেন। শখের বসে প্রতিবেশীর বাগান থেকে একটি লেবুর চারা এনে বাড়ির উঠানে লাগান। বছর যেতেই গাছে ফুল এসে ভরে যায়। মাস খানেকের মধ্যেই গাছে লেবু ধরা শুরু হয়। বাড়িতে নিজেদের খাবারের পাশাপাশি তিনি বাজারে কিছু লেবু বিক্রি করে কিছু টাকা পান। এরপর লেবু চাষে আগ্রহ তৈরি হয়।

বসতভিটা ছাড়া নিজের কোনো ফসলি জমি না থাকায় বাড়ির উঠানে দশকাঠা পরিমাণ জায়গায় শরবতী ও কাগজী লেবুর প্রায় দেড়শটি চারা রোপণ করেন। এক বছর পর গাছগুলোতে লেবু আসা শুরু হয়। লেবু চাষের মাধ্যমে ভাগ্যের চাকা খুলে যায় খোকা মিয়ার।

দিনমজুরের অভিশাপ থেকে মুক্ত হন তিনি। সংসারে এসেছে স্বচ্ছলতা। লেবুর বিক্রির আয় থেকে সংসারের বিভিন্ন কাজে খরচের পাশাপাশি তিন মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন তিনি।

আব্দুল মজিদ খোকা মিয়া বলেন, ২০ বছর আগে এই এলাকায় লেবুর বাগান তেমন ছিল না। এলাকা জুড়ে কালু চাচার একটি লেবুর বাগান ছিল। শখের বসে কালু চাচার বাগান থেকে একটি লেবুর চারা এনে রোপণ করেছিলাম। গাছে লেবুর পরিমাণ ভাল হওয়ায় পরে বাড়ির সামনের উঠানে দশকাঠা জমিতে প্রায় দেড় শতাধিক শরবতি ও কাগজী লেবুর চারা রোপণ করে বাগান তৈরি করি। এখন লেবুর বাগান থেকে ভাল লাভ আসছে।

তিনি আরো বলেন, বছরের আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস লেবুর মৌসুম। ফলে এ দু`মাসে প্রায় ১৫/২০ হাজার টাকার মতো বিক্রি হয়। এছাড়া সারা বছরই কমবেশি লেবু বিক্রি হয়। আল্লাহর রহমতে এখন অন্যের বাড়িতে আর কাজ করতে যেতে হয় না।

বাড়ির উঠানে লেবু চাষ করে খোকা মিয়ার সাফল্য
বাড়ির উঠানে লেবু চাষ করে খোকা মিয়ার সাফল্য

খোকা মিয়ার স্ত্রী হাজেরা বেগম জানান, আগে আমাদের সংসারে খুবই অভাব ছিল। লেবুর বাগান থেকে আয় হওয়ার পর সংসারে স্বচ্ছলতা এসেছে। লেবু চাষের পাশাপাশি হাস, মুরগি ও ছাগল পালন করি। এছাড়াও লেবুর বাগানের ভেতরে ও বাইরের বিভিন্ন প্রকারের সবজি চাষ করা যায়। ফলে সংসার চালাতে তেমন কষ্ট হয় না।

খোকা মিয়ার দেখাদেখি বাগান করেছেন একই গ্রামের বিদ্যুৎ হোসেন। তিনি বলেন, লেবু চাষ এখন শুধু এই গ্রামে নয়, এখন এই ইউনিয়নের প্রায় সর্বত্রই লেবুর চাষ করছেন অনেকে। তবে লেবু কেনার জন্য বাইরে থেকে পাইকার না আসায় ভাল দাম পাওয়া যাচ্ছে না। পাইকারের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় লেবু পাঠানো গেলে ভাল দাম পাওয়া যেত।

বদলগাছী কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলী জানান, এ উপজেলায় প্রায় ১০ হেক্টরের মতো জমিতে বিভিন্ন জাতের লেবুর বাগান রয়েছে। তবে আধাইপুর ইউনিয়নে সাত হেক্টর জমিতে লেবুর বাগান রয়েছে। কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এছাড়া আগামীতে লেবু চাষের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

হাইয়া সোফিয়া মসজিদে ৮৬ বছর পর জুম্মার নামাজ

জুম্মার নামাজে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এবং তুর্কী মন্ত্রিসভার ক'জন সদস্য।
জুম্মার নামাজে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এবং তুর্কী মন্ত্রিসভার ক’জন সদস্য।

তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের খ্যাতনামা হাইয়া সোফিয়া জাদুঘরকে মসজিদে রূপান্তর করা হয়েছে এবং ৮৬ বছর পর সেখানে প্রথমবারের মতো জুম্মার নামাজ পড়া হয়েছে।

এর আগে গত ১০ই জুলাই এক তুর্কী আদালত সাবেক এই গির্জাকে জাদুঘরে পরিণত করা হয়নি বলে রায় দেয় এবং এর পরেই তুরস্কের ইসলামপন্থী সরকার একে মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের পক্ষে আদেশ জারি করে।

দেড় হাজার বছরের পুরনো হাইয়া সোফিয়া এক সময় ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থোডক্স গির্জা, পরে তা পরিণত হয় মসজিদে, তারও পর একে জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়।

বিশ্বের নানা দেশ থেকে এই ভবনটিকে মসজিদে রূপান্তরের সরকারি সিদ্ধান্তের নিন্দা করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার প্রথম জুম্মার নামাজের আগে শত শত মানুষ সেখানে জড়ো হন।

স্থান সংকুলান না হওয়ায় বহু মুসল্লি মসজিদের বাইরে জুম্মার নামাজ আদায় করেন।
স্থান সংকুলান না হওয়ায় বহু মুসল্লি মসজিদের বাইরে জুম্মার নামাজ আদায় করেন।

তুরস্কের ধর্মমন্ত্রী বলছেন, হাইয়া সোফিয়া মসজিদের ভেতরে এক হাজার মানুষ একসাথে নামাজ পড়তে পারবেন।

কিন্তু এর আগেই হাজার হাজার মানুষ মসজিদটির আশেপাশে জুম্মার নামাজ আদায়ের জন্য বসে পড়েন।

প্রথম দিনের জামাতে মসজিদের ভেতরে মুসল্লিদের সাথে সামিল হন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ান।

তুর্কী ধর্মমন্ত্রী আলী এরবাস জানিয়েছেন, নতুন মসজিদের জন্য তিন জন ইমামকে নিয়োগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন মেহমেত বয়নুকালিন ইস্তাম্বুলের মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী আইন বিভাগের অধ্যাপক।

বৃহস্পতিবার টেলিভিশনে এক ভাষণে ইস্তাম্বুলের গভর্নর আলী এরলিকায়া করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলার স্বার্থে জুম্মার নামাজের মুসল্লিদের ‘ফেসমাস্ক, জায়নামাজ, ধৈর্য এবং সহানুভূতি’ নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করার পরামর্শ দেন।

সাহায্যের জন্য মসজিদ ও তার আশেপাশে স্বাস্থ্য কর্মীরা মোতায়েন থাকবেন বলে তিনি জানান।

প্রথম জুম্মাকে কেন্দ্র করে হাইয়া সোফিয়া মসজিদ ও তার আশেপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
প্রথম জুম্মাকে কেন্দ্র করে হাইয়া সোফিয়া মসজিদ ও তার আশেপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

হাইয়া সোফিয়ার ইতিহাস:

  • হাইয়া সোফিয়ার ইতিহাসের সূচনা ৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে যখন বাইজান্টাইন সম্রাট জাস্টিনিয়ান ইস্তাম্বুলের গোল্ডেন হর্ন নামে এক জায়গায় একটি বিশাল গির্জা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন।
  • সে সময় বিশাল গম্বুজের এই গির্জাকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গির্জা এবং দালান বলে মনে করা হতো।
  • ১২০৪ সালে ক্রসেডারদের হামলার ঘটনা বাদে কয়েক শতাব্দী ধরে হাইয়া সোফিয়া বাইজান্টাইনদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
  • অটোমান (ওসমান) বংশীয় সুলতান তৃতীয় মেহ্‌মেদ ১৪৫৩ সালে বাইজান্টাইন শাসকদের হাত থেকে ইস্তাম্বুল দখল করে নেন। তার আগ পর্যন্ত শহরটির নাম ছিল কনস্টান্টিনোপল।
  • ইস্তাম্বুল দখলের পর বিজয়ী মুসলিম বাহিনী প্রথমবারের মতো গির্জার ভেতরে নামাজ আদায় করে।
  • অটোমান শাসকেরা এরপর হাইয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করেন। মসজিদের চারপাশে চারটি মিনার তৈরি করেন।
  • গির্জার সব খ্রিস্টান প্রতিকৃতি এবং সোনালি মোজাইকগুলো কোরানের বাণী দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়।
  • এর পরের কয়েকশো বছর ধরে হাইয়া সোফিয়া ছিল অটোমান মুসলমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু।
  • ১৯৩৪ সালে তুরস্কে ধর্মনিরপেক্ষতা চালু করার প্রক্রিয়ায় মসজিদটিকে জাদুঘরে পরিণত করা হয়।

হাইয়া সোফিয়া এখন তুরস্কের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান বলে স্বীকৃত। প্রতিবছর ৩৭ লক্ষ পর্যটক এটি দেখতে আসেন।

হাইয়া সোফিয়া মসজিদের ভেতরের দৃশ্য।
হাইয়া সোফিয়া মসজিদের ভেতরের দৃশ্য।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com