আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনা ভাইরাস: এমন মহামারি আগামীতে আরো হবে

বিজ্ঞানীরা আশংকা করেন করোনাভাইরাসের মত মহামারি আগামীতে আরো হবে
বিজ্ঞানীরা আশংকা করেন করোনাভাইরাসের মত মহামারি আগামীতে আরো হবে

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষ যে সভ্যতা গড়ে তুলেছে তাতে বন্যপ্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে রোগ সংক্রমণ এবং তার পর তা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়া – এর ‌‘নিখুঁত ব্যবস্থা’ করে রাখা আছে।

প্রাকৃতিক জগতে মানুষের অনুপ্রবেশ সেই প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করছে।

এ কথা বলছেন সারা বিশ্বের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা – যারা কোথায় এবং কীভাবে নতুন রোগের বিস্তার ঘটে তা নিয়ে গবেষণা করেন।

তাদের এই প্রয়াসের অংশ হিসেবে তারা একটি পদ্ধতি তৈরি করেছেন যাতে এসব রোগ বিস্তারে প্রক্রিয়ায় কী কী সাদৃশ্য দেখা যায় –তা চিহ্নিত করা সম্ভব, যাকে বলে প্যাটার্ন রিকগনিশন।

এ পদ্ধতির ফলে পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব যে কোন কোন বন্যপ্রাণী মানুষের জন্য সবচেযে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

যুক্তরাজ্যের লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এই গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে এটি ভবিষ্যতের কোন রোগবিস্তারের জন্য প্রস্তুত থাকার যে বৈশ্বিক প্রয়াস, তার অংশ।

বাদুড় থেকে একাধিক ভাইরাসজনিত রোগ মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে
বাদুড় থেকে একাধিক ভাইরাসজনিত রোগ মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে

“আমরা পাঁচটি বুলেট থেকে বেঁচে গেছি”

“গত ২০ বছরে আমরা ৬টি বড় বড় হুমকির সম্মুখীন হয়েছি – সার্স, মার্স, ইবোলা, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা, এবং সোয়াইন ফ্লু” – বলছিলেন লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ম্যাথিউ বেলিস।

“আমরা পাঁচটি বুলেট এড়াতে পেরেছি, কিন্তু ছয় নম্বরটার হাত থেকে বাঁচতে পারিনি” – বিবিসিকে বলেন অধ্যাপক বেলিস।

সবচেয়ে বড় কথা, তিনি বলছেন – এটাই যে আমাদের সম্মুখীন হওয়া শেষ মহামারি, তা মোটেও নয়।

‍“আমাদের বন্যপ্রাণী থেকে মানবদেহে আসা রোগগুলোর দিকে আরো গভীরভাবে নজর দিতে হবে”, বলেন অধ্যাপক বেলিস।

এ পরীক্ষারই অংশ হিসেবে তিনি এবং তার সহযোগীরা এমন একটি প্যাটার্ন-রিকগনিশন পদ্ধতি তৈরি করেছেন, যার সাহায্যে আমরা বন্যপ্রাণী থেকে আসা যত রোগের কথা জানি তার সবগুলোর উপাত্ত অনুসন্ধান করে দেখা যাবে।

এ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা হাজার হাজার ব্যাকটেরিয়া, প্যারাসাইট বা পরজীবী এবং ভাইরাস সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

অধ্যাপক বেলিসের পদ্ধতি দিয়ে এই অণুজীবগুলো যেসব প্রজাতির প্রাণীকে সংক্রমিত করতে পারে – তার মধ্যে লুকিয়ে থাকা সূত্রগুলো চিহ্নিত করা যাবে।

এই সূত্রগুলো দিয়ে আবার এটাও বোঝা যাবে যে কোন কোন অণুজীব মানুষের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

যদি এভাবে কোন প্যাথোজেন, অর্থাৎ রোগ-সৃষ্টিকারী অণুজীব চিহ্নিত হয় – তাহলে বিজ্ঞানীরা কোন রোগের প্রাদুর্ভাব হবার আগেই তা ঠেকানোর উপায় উদ্ভাবনের গবেষণা চালাতে পারবেন।

অধ্যাপক বেলিস বলছেন, ঠিক কোন রোগ মহামারির চেহারা নিতে পারে তার গবেষণা সম্পূর্ণ অন্য ব্যাপার – কিন্তু আমরা এই প্রথম পদক্ষেপটির ব্যাপারে অগ্রগতি ঘটাতে পেরেছি।

বনভূমির পাশে পশুপালনের খামার হতে পারে নতুন রোগের উৎস
বনভূমির পাশে পশুপালনের খামার হতে পারে নতুন রোগের উৎস

লকডাউনের শিক্ষা

বিজ্ঞানীরা একমত যে বন ধ্বংস এবং বন্যপ্রাণীর আবাসসভূমিতে মানুষের ঢুকে পড়ার ফলে এখন ঘন ঘন এবং সহজেই প্রাণী থেকে মানুষে রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক কেট জোনস বলছেন, মানুষ যেভাবে ইকোসিস্টেমকে বদলে দিয়ে কৃষি বা বৃক্ষরোপণ করছে, তাতে জীববৈচিত্র কমে যাচ্ছে এবং মানুষের নানা সংক্রমণে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বাড়ছে বলেই তারা তথ্যপ্রমাণ পাচ্ছেন।

তিনি বলছেন, অবশ্য সব রোগের ক্ষেত্রেই এমন হচ্ছে তা নয়।

“কিন্তু কিছু বন্যপ্রাণী যারা মানুষের উৎপাতের ব্যাপারে সবচেয়ে সহিষ্ণু – যেমন কিছু প্রজাতির ইঁদুর – তারা অনেক সময় রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব ছড়ানোর ক্ষেত্রে বড় ভুমিকা রাখছে।”

“ফলে জীববৈচিত্র হারানোর ফলে এমন পরিবেশ তৈরি হচ্ছে যাতে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর ঝুঁকিপূর্ণ সংস্পর্শ বেড়ে যাচ্ছে। তাতে কিছু কিছু ভাইরাস, ব্যকটেরিয়া বা প্যারাসাইটের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে।‍“

এ ক্ষেত্রে কিছু রোগ বিস্তারের কথা বলা যায় – যেখানে মানুষ এবং বন্যপ্রাণীর ‘মধ্যবর্তী পর্ব’ বা ইন্টারফেসের এই যে ঝুঁকি – তা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

মানুষ আর বন্যপ্রাণীর মাঝখানের ‘ইন্টারফেস’

মালয়েশিয়ায় ১৯৯৯ সালে নিপাহ ভাইরাসের এক প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল। এটি একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ যা এক ধরণের বাদুড়ের মধ্যে দিয়ে বাহিত হয়। এই সংক্রমণ ছড়িয়েছিল বনভূমির প্রান্তে থাকার একটি শূকরের খামারে।

ফলের গাছে এসে জঙ্গলের বাদুড় ফল খেতো। তাদের আধা-খাওয়া ফল মাটিতে পড়লে তা খেতো শূকর। ওই ফলে লেগে থাকতো বাদুড়ের মুখের লালা – যা থেকে শূকরের দেহে সংক্রমণ হয়।

এই সংক্রমিত শূকরের দেখাশোনা করতো খামারের ২৫০ জনেরও বেশি কর্মী। ফলে তাদের দেহেও দেখা দিল ভাইরাস সংক্রমণ। তাদের মধ্যে ১০০ জনেরও বেশি লোকের মৃত্যু হয়।

কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃত্যুর হার সম্পর্কে এখনো গবেষণা চলছে। তবে অনুমান করা হয়, যত লোক করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয় তার প্রায় ১ শতাংশ মারা যায়।

নিপাহ ভাইরাসের ক্ষেত্রে মারা যায় সংক্রমিতদের ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ।

লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয় ও কেনিয়ার আন্তর্জাতিক গবাদিপশু গবেষণা কেন্দ্রের অধ্যাপক এরিক ফেভরে বলছেন, যে সব এলাকায় রোগের প্রাদুর্ভাবের উচ্চ ঝুঁকি সেসব জায়গায় গবেষকদের সার্বক্ষণিক নজর রাখতে হবে।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল এবং ফার্মের মতো মানুষের কর্মকান্ড – এ দুয়ের মধ্যে যদি এরকম কোন ইন্টারফেসের অস্তিত্ব থাকে, তাহলে সেটা হয়ে উঠতে পারে নতুন রোগ ছড়ানোর হটস্পট।

যেমন বনভূমির কাছে একটি পশুপালনের ফার্ম, বা যেসব বাজারে প্রাণী বেচাকেনা হয় – এগেুলোই হচ্ছে এমন জায়গা, যেখানে মানুষ আর বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলের পার্থক্য ঝাপসা হয়ে যায়।

এগুলো থেকেই রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি।

অধ্যাপক ফেভরে বলছেন, “আমাদের এরকম ইন্টারফেস কোথাও তৈরি হচ্ছে কিনা তার ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখতে হবে, এবং অস্বাভাবিক কোন কিছু দেখলেই তার বাপারে পদক্ষেপ নেবার ব্যবস্থা থাকতে হবে।“

মানব বসতি আছে এমন জায়গায় প্রতি বছর তিন থেকে চার বার নতুন রোগের উদ্ভব হয়। শুধু এশিয়া বা আফ্রিকা নয়, ইউরোপ বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এটা হচ্ছে।“

“নতুন রোগের ব্যাপারে নজরদারির গুরুত্ব এখন আরো বেড়ে যাচ্ছে। আমরা এখন পৃথিবীতে মহামারি ছড়ানোর জন্য প্রায় আদর্শ পরিবেশ সৃষ্টি করে ফেলেছি” – বলছেন অধ্যাপক বেলিস।

অধ্যাপক ফেভরেও এ ব্যাপারে একমত। তার কথা – করোনাভাইরাসের মতো ঘটনা আগামীতে বার বার ঘটতে পারে।

তিনি বলছেন, এ থেকে আমাদের শিক্ষা নেবার আছে যে কীভাবে মানুয়ের কর্মকান্ড প্রাকৃতিক জগতের ওপর প্রভাব ফেলছে ।

  • বনভূমির পাশে পশুপালনের খামার হতে পারে নতুন রোগের উৎস

    বনভূমির পাশে পশুপালনের খামার হতে পারে নতুন রোগের উৎস

  • বাদুড় থেকে একাধিক ভাইরাসজনিত রোগ মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে

    বাদুড় থেকে একাধিক ভাইরাসজনিত রোগ মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে

  • বিজ্ঞানীরা আশংকা করেন করোনাভাইরাসের মত মহামারি আগামীতে আরো হবে

    বিজ্ঞানীরা আশংকা করেন করোনাভাইরাসের মত মহামারি আগামীতে আরো হবে

  • বনভূমির পাশে পশুপালনের খামার হতে পারে নতুন রোগের উৎস
  • বাদুড় থেকে একাধিক ভাইরাসজনিত রোগ মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে
  • বিজ্ঞানীরা আশংকা করেন করোনাভাইরাসের মত মহামারি আগামীতে আরো হবে

দৈনন্দিন

যে ৫ সবজি বেশি খেলেই বিপদ!

শরীর সুস্থ রাখতে শাক-সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবজি রাখা জরুরি। একেক সবজি থেকে ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিগুণ মেলে। আর তাই তো স্বাস্থ্য সচেতনরা অবশ্যই খাদ্যতালিকায় সবজি রাখেন।

বর্তমানে অনেকেই ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে পাতে প্রোটিন ও ভিটামিন বেশি রাখেন। তাই অনেকেই এখন ভাত-রুটি কমিয়ে শাক-সবজি বেশি করে খান।

তবে জানেন কি, অতিরিক্ত সবজি খাওয়াও বিপদের কারণ হতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন সবজি বেশি খেলে শরীরে খারাপ প্রভাব পড়ে-

>> স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে মাশরুম খুবই প্রিয় এক সবজি। বিশেষ করে বাহারি সব পদে ব্যবহার করা হয় এটি। মাশরুমে ভিটামিন ডি’সহ অনেক পুষ্টিগুণ আছে।

তবে অ্যালার্জির সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের মাশরুম খেলে সমস্যা হতে পারে। তা ছাড়াও এমন কিছু মাশরুম যা এতোটাই বিষাক্ত যে, হাত দিলেও বিপদ!

>> প্রতিদিন পাতে এক টুকরো লেবু না থাকলে খাবারের স্বাদই বাড়ে না। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, তা সবারই জানা। তবে লেবুর অ্যাসিডিক উপাদান বেশি শরীরে গেলেও ক্ষতি হতে পারে।

বিশেষ করে দাঁতের ক্ষয় হয়। আবার অনেকে শরীরের বিপাক হার বাড়াতে খালি পেটে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খান। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় যারা ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এটি বদহজম ও পেট ব্যথার কারণ হতে পারে।

>> বাজারে এখন ফুলকপি উঠেছে। এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অনেক কম। যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য ফুলকপি অনেক উপকারী।

তবে এই সবজিতে এমন এক পদার্থ থাকে, যা বদহজমের কারণ হতে পারে। তাই ফুলকপি বেশি খেলে পেট ভার হয়ে থাকাসহ অ্যাসিডিটির মতো নানা সমস্যা হয়। আবার বর্ষায় বা গরমে ফুলকপি খেলেও অনেকের সমস্যা হয়।

>> লাল টকটকে বিটরুটে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে। বিশেষ করে যারা ওজন কমাতে চান, তাদের ডায়েটে বিট থাকবেই। তবে এই সবজিও বেশি খেলে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

>> গাজরে আছে বিটা ক্যারোটিন। যা বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে, ত্বকের রং বদলে কমলা হয়ে যেতে পারে।

আবার ভিটামিন সি’তে ভরপুর গাজর খেলে দাঁত, চোখ ভালো থাকে। তবে গাজরও মেপে খাওয়াই ভালো।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

গিঁটে ব্যথা যে মারাত্মক রোগের লক্ষণ

গিঁটে ব্যথায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষ করে মধ্য বয়স্করা এই সমস্যায় বেশি কষ্ট পান। এটি মূলত রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ।

এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা হাঁটু, গোড়ালি, পিঠ, কব্জি বা ঘাড়ের জয়েন্টগুলোতে ব্যথার অনুভূত হয়।

রিউমাটয়েড আর্থরাইটিসকে অনেকে শুধু হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা বলেই মনে করেন। তবে এই অসুখ শুধু তা নয়।

এ রোগের কারণে হাড়ে ব্যথার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

jagonews24

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের সমস্যা রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এই রোগের কারণে হাড়ে প্রদাহ ও ব্যথা বাড়ে।

সমস্যাটি অতিরিক্ত পর্যায়ে পৌঁছালে চোখ, ত্বক, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীতেও মারাত্মক প্রভাব পড়ে।

যদিও রাতারাতি এই অসুখ সারানো যায় না। তবে প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়লে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে। গিঁটে ব্যথা ছাড়াও এ রোগে আরও যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়-

>> অতিরিক্ত ক্লান্তি সব রোগেরই প্রাথমিক লক্ষণ। ঠিক তেমনই রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসও এই অসুখের ইঙ্গিত দেয়।

>> প্রায়ই জ্বর আসছে? তাহলে নিশ্চয়ই শরীরে কোনো রোগ বাসা বাঁধছে। যা জ্বরের মাধ্যমে জানান দেয়। যদি প্রায়ই হঠাৎ করে জ্বর আসে বা শরীরে জ্বরজ্বর ভাব থাক, তাহলে রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ হতে পারে।

jagonews24

>> হঠাৎ করেই হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া এই রোগের আরেকটি লক্ষণ। হাত ও পায়ের জোরও কমে যেতে পারে এ কারণে।

>> যদি হাত-পায়ে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যথা থাকে, তাহলে সতর্ক হওয়া জরুরি। রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস হলে যে প্রচণ্ড ব্যথা হয় তা কিন্তু নয়। শুরুর দিকে এক্ষেত্রে কম ব্যথা থাকে।

>> রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের আরও একটি মারাত্মক লক্ষণ হলো, চোখ লাল হয়ে যাওয়া।

>> এ ছাড়াও ওজন কমতে শুরু করলেও সতর্ক হতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

খাবারের ফরমালিন দূর করবেন যেভাবে

এখন বাংলাদেশে ফরমালিন ছাড়া খাবারজাতীয় কোনো কিছু পাওয়া এককথায় অসম্ভব। ফলে ফরমালিনযুক্ত খাবার খেয়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। তবে একেবারে সহজ কিছু উপায় অবলম্বন করে খাদ্য থেকে ফরমালিন দূর করা যায়।


অনেকেরই ধারণা, ১৫ থেকে ২০ মিনিট বিশুদ্ধ পানিতে ডুবিয়ে রাখলে খাদ্যদ্রব্য থেকে ফরমালিন দূর হয় বা কমে যায়। অাসলে কমলেও তা অতটা কার্যকর নয়। তার চেয়ে বরং কাঁচা অবস্থায় খাবার থেকে ফরমালিন অপসারণ করতে চাইলে পানির কল ছেড়ে তার নিচে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। কারণ কাঁচাসবজি ও ফলের ত্বকে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে। অার পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ফরমালিন আরো ভালোভাবে খাবারে মিশে যেতে পারে। তাই পানির কল ছেড়ে তার নিচে নির্দিষ্ট খাবার দ্রব্য বা ফলটি রেখে দিন।ভিনেগার বা লেবুর রসে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখেও ফরমালিন দূর করা যায়। আগুনের তাপে ফরমালিন অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্নার আগে ফরমালিন কমানোর পদ্ধতি ব্যবহার করে রান্না করলে খাবার পুরোপুরি ফরমালিন মুক্ত করা সম্ভব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

অ্যালোভেরার যত গুণ

প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পরিসীমা নেই। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিন-এ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি, যা স্বাস্থ্যরক্ষার বিভিন্ন কাজে লাগে।

অ্যালোভেরার গুণাগুণ;অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।
অ্যালোভেরায় মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিডসহ নানা পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। যা হাড় ও মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে।
দেহে ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।

অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ওষুধের কাজ করে। বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায় এটি। অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরার জুস ক্লান্তি দূর করে দেহকে সতেজ করে।

নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে হজম শক্তি বাড়ে। পরিপাক তন্ত্রের নানা জটিলতা সারাতেও সাহায্য করে অ্যালোভেরা।    

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যালোভেরা। এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে যা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে।

সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

ওজন কমাতে অ্যালোভেরার জুস অনেক বেশি কার্যকরী। অ্যালোভেরা জুসের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান শরীরের জমে থাকা মেদ দূর করে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ওজন কমাতে সাহায্য করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কাঁচা পিঁয়াজে রয়েছে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা

পিঁয়াজ কাটতে গেলে চোখে পানি চলে আসে। তবে এই পিঁয়াজ যে স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা উপকারি তা জানলে আপনি অবাক হতে বাধ্য। প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের সঙ্গে এতে ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে, যা আমাদের শরীরে নানা উপকারে আসে। 

স্যালাদ থেকে স্যান্ডউইচ কিংবা শুধু মুড়িতে মেখে যেমন নানা ভাবে পিঁয়াজ খাওয়া যায়, তেমনই এর রয়েছে নানাবিধ গুণ। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে দেখে নিন নিয়মিত কাঁচা পিঁয়াজ খেলে কী কী স্বাস্থ্য উপকারিতা লাভ করা যায়।পিঁয়াজের মধ্যে ২৫টি ভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের মতো রোগকে প্রতিরোধ করে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

পিঁয়াজের ফ্ল্যাভোনয়েডগুলি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে এবং থিওসালফিনাটগুলি রক্ত পাতলা করার সঙ্গে সঙ্গে রক্তের ধারাবাহিকতা সঠিক রাখতে সাহায্য করে। এর কারণে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত পিঁয়াজের মতো অ্যালিয়াম শাকসবজি খান তাদের মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি ৭৯% কম। পিঁয়াজের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা মুক্ত র‍্যাডিকেলের সঙ্গে লড়াই করে ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে।

একটি পিঁয়াজের মধ্যে ২৫.৩ গ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই কাঁচা পিঁয়াজ খেলে অক্সিডেটিভ চাপ কমে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়ে এবং এটি হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করে, যা অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে।

পিঁয়াজের ভিটামিন এ, সি এবং কে পিগমেন্টেশন থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে এবং আপনাকে ক্ষতিকারক ইউভি রশ্মি থেকেও রক্ষা করে। ভিটামিন সি এর একটি ভাল উৎস হিসাবে পিঁয়াজ কোলাজেন নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করে, যা ত্বক এবং চুল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কাঁচা পিঁয়াজ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করতে পারে, যা ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। পিঁয়াজে পাওয়া কুয়েরসেটিন এবং সালফার নামক এই দুই নির্দিষ্ট যৌগ ডায়াবেটিক বিরোধী প্রভাব ধারণ করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com