আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

অস্ট্রেলিয়ায় বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরলেও আরো বড় আগুনের আশঙ্কা থাকার কথা বলছে কর্তৃপক্ষ

 আগুন নেভাতে ব্যবহৃত গাড়ির উইন্ডশিল্ডে বৃষ্টির পানি
আগুন নেভাতে ব্যবহৃত গাড়ির উইন্ডশিল্ডে বৃষ্টির পানি

অবশেষে অস্ট্রেলিয়ায় বৃষ্টি নেমেছে আর তাপমাত্রাও কমেছে-কিন্তু কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, দেশটিতে বুশফায়ার বলে পরিচিত যে দাবানল জ্বলছে তা আবারো বেগবান হবে।

সিডনি থেকে মেলবোর্ন পর্যন্ত পূর্ব উপকূলীয় এলাকায় মাঝারি ধরণের বৃষ্টি হয়েছে। তবে নিউ সাউথ ওয়েলসের কিছু কিছু এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কিন্তু রবিবার রাতে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে যে, বৃহস্পতিবার নাগাদ তাপমাত্রা আবারো বেড়ে যাবে।

তারা আরো বলছে, ভিক্টোরিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসে যে ব্যাপক আগুন জ্বলছে তা মিলে গেলে একটি মেগা ফায়ার বা বিশালাকার আগুন তৈরি হতে পারে।

“স্বস্তির কোন সুযোগ নেই,” সোমবার সকালে সতর্ক করে একথা বলেছেন নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রধান গ্ল্যাডসি বেরেজিকলিয়ান।

আগুনের কারণে যারা গৃহহীন হয়ে পড়েছেন সেসব হাজারো মানুষকে সহায়তা দেয়া অব্যাহত রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

“এখন উদ্ধার তৎপরতা চালানোর সময়, যারা ঘর হারিয়েছে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে,” মিস বেরেজিকলিয়ান বলেন।

 এই ছুটিতে, দাবানলের সবচেয়ে খারাপ কিছু দিন পার হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়
এই ছুটিতে, দাবানলের সবচেয়ে খারাপ কিছু দিন পার হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়

বৃষ্টির কারণে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও বাতাস এখনো মারাত্মকভাবে দূষিত।

ক্যানবেরায় অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল গ্যালারি সোমবার বন্ধ রাখা হয়েছিল “দর্শনার্থী, কর্মকর্তা এবং শিল্পকর্মের ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা কমিয়ে আনতে”।

রাজধানীর অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিও বন্ধ ছিল।

ভিক্টোরিয়ার ভূ-তাত্ত্বিক ব্যুরো সতর্ক করে বলেছে, মেলবোর্ন শহরের বিভিন্ন এলাকা ও এর আশেপাশের অনেক অঞ্চলে দৃষ্টিসীমা এক কিলোমিটারের কম।

এই ছুটিতে, দাবানলের সবচেয়ে খারাপ কিছু দিন পার হয়েছে, যখন শত শত বাড়ি-ঘর, স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। স্থানীয় ছোট ছোট শহর এবং বড় শহরগুলোতেও ছিল লাল আকাশ, ছাই আর ধোঁয়ার ছড়াছড়ি যা বাতাসকে ভারী করে তুলেছে।

কিন্তু সোমবার, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে দাবানলের শিকার রাজ্যগুলোতে কোন জরুরী অবস্থা ছিল না।

ভিক্টোরিয়া রাজ্যে ২৫টি স্থানে সতর্কতামূলক “ওয়াচ এন্ড অ্যাক্ট” অ্যালার্ট এবং সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় একটি এ ধরণের অ্যালার্ট জারি ছিল।

এনএসডাব্লিউ-তে, সব ধরণের আগুন কমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এমন অর্থাৎ সর্বনিম্ন সতর্কতা মাত্রায় এসেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কমিশনার শেন ফিৎজসিমন্স।

যাই হোক ভিক্টোরিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিশনার অ্যান্ড্রু ক্রিস্প সতর্ক করে বলেছেন, “পরিবেশ আবারো উষ্ণ হবে” এবং আগুন “আবারো বেগবান হবে।”

সোমবার সকালে, ভিক্টোরিয়ার করিয়ং এলাকার দাবানল এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের কোসিউজকো ন্যাশনাল পার্কের দুটি দাবানলের মাঝে মাত্র ১০ কিলোমিটারের ব্যবধান ছিল।

“এটা পরিবর্তিত এবং গতিশীল অবস্থা ধারণ করবে,” উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন, এই দুটি দাবানল সীমান্ত এলাকায় এক হয়ে যাবে যা কিছুতেই থামানো “সম্ভব নয়”।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৬৯ হাজার মার্কিন ডলার ত্রাণ সহায়তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া আরো ২ বিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার আগামি দুই বছরে পুনর্বাসন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য বরাদ্দ করা হবে।

 শনিবারে নিউ সাউথ ওয়েলসের ইডেন এমনি দেখাচ্ছিল
শনিবারে নিউ সাউথ ওয়েলসের ইডেন এমনি দেখাচ্ছিল

কমলা থেকে ধূসর হচ্ছে

নিউ সাউথ ওয়েলসে বিবিসির সংবাদদাতা সাইমন অ্যাটকিনসন বলেন, ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আর ধূসর দিগন্তের কারণে ইডেনের জেটিটিকে অনেকটা ইংলিশ উপকূলীয় শহরের মতো মনে হচ্ছে।

তবে শনিবার রাতেই এটি কল্পনা করা কঠিন ছিল যখন আগুনের হুমকি এবং কমলা রঙের আকাশের কারণে- নিরাপত্তার জন্য শত শত মানুষ এখানে পানির কাছে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছিল।

ইডেনের অ্যাডেলেইডে সোমবার বৃষ্টি হয়
ইডেনের অ্যাডেলেইডে সোমবার বৃষ্টি হয়

বেশিরভাগই এখন চলে গেছে। আগুনের হুমকি কমে যাওয়ায় অনেকে বাড়িতে ফিরে গেছে। জেটি আসল তেমন নিরাপদ নয়- কর্তৃপক্ষের এমন সতর্কতার পর অনেকে আবার বড় শহরে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে চলে গেছে।

বৃষ্টি আসলেই অবাক করা এবং আকাঙ্ক্ষিত ছিল, এবং এটি ধোঁয়া ও বাতাস থেকে কিছুটা স্বস্তিও দিয়েছে।

তবে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে যে গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, তাতে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো ইডেনের মানুষেরও অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার মতো অবস্থা হয়েছে।

এছাড়া উপকূলের কাছাকাছি নৌবাহিনীর যে জাহাজগুলো এখনো উদ্ধার কাজে সহায়তা করছে তা এটিই ইঙ্গিত দেয় যে, দুর্যোগ এখনো শেষ হয়নি।

অস্ট্রেলিয়া অন্যতম ভয়ঙ্কর দাবানলের মৌসুমগুলোর একটি পার করছে। যার পেছনে কাজ করেছে রেকর্ড পার করা তাপমাত্রা এবং মাসের পর মাস ধরে চলা খরা।

প্রতিবছরই দেশটিতে দাবানল হয় তবে এ বছর স্বাভাবিকের তুলনায় এটি অনেক ভয়াবহ ছিল।

এই ছুটিতে, মিস্টার মরিসন সতর্ক করে বলেছিলেন যে, এই সংকট কয়েক মাস ধরে চলবে।

গত সেপ্টেম্বরে আগুন শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২৪ জন মারা গেছে। রাজধানী ক্যানবেরার বাতাসের মান সম্প্রতি বিশ্বে সবচেয়ে খারাপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগুনে যারা ঘর-বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হারিয়েছে তাদের সহায়তায় একটি সংস্থা চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন মিস্টার মরিসন।

দাবানলে তার প্রতিক্রিয়ার জন্য কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি- এই সংকটের মধ্যেও হাওয়াইয়ে ছুটি কাটাতে যাওয়ার কারণেও সমালোচনা শুনতে হয়েছে তাকে।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ এবং মিস্টার মরিসনের লিবারেল পার্টির সহকর্মী বলেন, তিনি ভাবতেন যে, প্রধানমন্ত্রী হয়তো “তার সর্বোচ্চ চেষ্টা” করছেন, কিন্তু বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ক্যানবেরার নেতৃত্ব দেয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, “এই দেশে আমাদের জাতীয় জ্বালানি নীতিমালা নেই এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়েও কোন জাতীয় উদ্যোগ নেই।”

“যদি অস্ট্রেলিয়ার মতো একটি দেশ নেতৃত্ব দিতে না পারে তাহলে এ বিষয়ে অন্য কোন দেশ কেন নেতৃত্ব দিলো না সে বিষয়েও আমরা তাদেরকে দোষারোপ করতে পারবো না।”

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

পাঁচ লাখ টন মজুদ থাকার পরও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন

দুই সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কাঁপুনি ধরিয়েছে ক্রেতার পকেটে। গত মাসের শেষ দিকে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা থাকা নিত্যপণ্যটি দাম বেড়ে এখন ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এই দাম বৃদ্ধির পেছনে যৌক্তিক কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছে না ক্রেতা। খোদ বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন দেশে পাঁচ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে, যা দিয়ে আগামী তিন মাস চাহিদা মেটানো যাবে।

পেঁয়াজই নয় শুধু, দাম বৃদ্ধির দৌড়ে আছে চাল, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেলসহ আরও কয়েকটি নিত্যপণ্য। অল্প দিনের ব্যবধানেই দফায় দফায় বাড়ছে এসব পণ্যের দাম। খোদ রাষ্ট্রায়ত্ত ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি এক প্রতিবেদনে বলছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম একমাসে প্রায় ১৯.৬৪ শতাংশ বেড়ে গেছে। একমাসের ভেতর দ্রব্যমূল্যের দাম এর আগে কখনোই এতটা বাড়তে দেখা যায়নি বলেও দাবি সংস্থাটির।

প্রশ্ন উঠেছে, তিন মাসের পেঁয়াজ মজুদ থাকার পরও কেন বাড়ছে দাম? যেখানে মধ্য সেপ্টেম্বরেও সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ছিল পেঁয়াজের কেজি সেখানে গত দুই সপ্তাহ ধরে ৭০ থেকে ৮০ টাকা ছাড়া মিলছে না নিত্যপণ্যটি। অবশ্য পেঁয়াজের দাম আপাতত আর বাড়বে না বলেই অভয় দিয়েছেন বাণিজ্য সচিব। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এনবিআরকে পেঁয়াজের ওপর শুল্ক প্রত্যাহারে অনুরোধও জানানো হয়েছে।

সোমবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এক সভায় নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে এই মুহূর্তে পাঁচ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে, যা দিয়ে আগামী আড়াই থেকে তিন মাস চলতে পারে।’

পেঁয়াজসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা চারদিক থেকে চেষ্টা করছি যাতে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যতদিন পর্যন্ত আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ না হবো, ততদিন পর্যন্ত কখনো কখনো আমাদের মূল্য নিয়ে ক্রাইসিসে পড়তে হবে।’

যদিও পেঁয়াজের দাম কবে নাগাদ সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে বাণিজ্যমন্ত্রী ও সচিব বলতে পারেননি। অবশ্য আরেক অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক পেঁয়াজের দাম ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে কমে আসবে বলে জানিয়েছেন।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম সত্যিই অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। তাই কথা বলার চেয়ে এগুলো নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা যায় সেদিকে মন দিতে হবে দায়িত্বশীলদের।’

দুদকের সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে আমরা বারবার বলে আসছি। বিশেষ করে পেঁয়াজ নিয়ে এমন কিছু হবে এটা অনেকেই আশঙ্কা করেছিল। উচিত ছিল ভারত ছাড়া অন্য উৎসগুলো থেকে আগেভাগে পেঁয়াজ আমদানি নিশ্চিত করা।’

পেঁয়াজ নিয়ে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস প্রতি বছরই ওঠে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত রপ্তানি বন্ধ করায় দেশের পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। দফায় দফায় বেড়ে তখন পণ্যটির দাম কেজি প্রতি ৩০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছয়। তবে বিকল্প উৎস থেকে সরকারি ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে আমদানি করে সেবার পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।

দুই সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার কারণ নিয়ে কৃষিমন্ত্রীর ভাষ্য, পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে সেই এপ্রিল মাসে, এত দিন পর্যন্ত পেঁয়াজ থাকে না। তাই কৃষকেরা সব বিক্রি করে দেন। পেঁয়াজ পচনশীল ও মজুদ রাখার তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। আর একারণে মৌসুমের শেষের দিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়।

গত রবিবার এক অনুষ্ঠানে দাম কমার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন ও আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে আসার পরপরই আগামী ১৫ থেকে ২০ দিন পর দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

অবশ্য বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কিছুটা ভিন্ন কারণ দেখিয়েছেন। তিনি বলছেন, ‘যতদিন পর্যন্ত আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ না হবো, ততদিন পর্যন্ত কখনো কখনো আমাদের মূল্য নিয়ে ক্রাইসিসে পড়তে হবে। এছাড়া বৃষ্টিজনিত কারণে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে।’

পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে সব ধরণের চেষ্টার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত ছাড়া মিয়ানমার থেকে যদি পেঁয়াজ আনা যায়, তাহলে কিন্তু এত প্রেশার (চাপ) পড়ার কথা না। গত বছরের তুলনায় এবছর অন্তত এক লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন বেশি হয়েছে।’ শুধু পেঁয়াজ নয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে ১৭টি পণ্য রয়েছে সেগুলোর মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি মনিটর করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে পেঁয়াজ উৎপাদন কম হয় জানিয়ে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ জানান, নভেম্বরের মাঝামাঝি বা শেষে বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসবে। ভারতের বেঙ্গালুরুতে অতিবৃষ্টির কারণে সেখানকার বাজারে দাম বেড়ে গেছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, সেটার প্রভাবে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিছু ভারতের দাম বাড়ার জন্য এবং কিছু আশঙ্কা থেকে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তিন মাসের পেঁয়াজ মজুদ থাকার পরও দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা নিয়ে জানতে চাইলে ক্যাব চেয়ারম্যান গোলাম রহমান ঢাকা টাইমসকে বলেন, মন্ত্রী হয়তো ধারণা করে বলেছেন। যে পেঁয়াজ আছে সেটা তো কৃষকের ঘরে। এখন কৃষক কয় টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি করবে সেটা তার বিষয়। এজন্য বিপদের আগেই স্বল্প মেয়াদে একাধিক উৎস থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। দেশে পেঁয়াজের উৎপাদনশীলতাও বাড়াতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

চাঁদপুরে ৭৫ কেজি মা ইলিশ ৫৫ লাখ মিটার জালসহ ৩১ জেলে আটক

লেখক

জেলার পদ্মা- মেঘনায় প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় অভয়াশ্রমে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে চাঁদপুর  নৌ-পুলিশ।  শনিবার অভিযানের ষষ্ঠ দিন ভোর থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত চলা নৌ-পুলিশের এ অভিযানে ৭৫ কেজি মা ইলিশ ৫৫ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৩১ জেলেকে আটক করা হয়। 
এ অভিযানে  অংশ নেয় নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জমান এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান। এসময় চারটি ফাঁড়ি এবং একটি থানার পুলিশ সদস্যরা অভিযানে যোগ দেন। এছাড়া নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্য্যসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত  ছিলেন। 


পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজজ্জামান বাসসকে জানান, চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর ও তার আশপাশের পদ্মা ও মেঘনা নদীর বেশকিছু এলাকায় শনিবার সকাল থেকে  এ সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। তিনি আরো জানান, অভিযানকারী দলটি দেখে জেলেরা জাল ও নৌকা নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাবার চেষ্টা করেন। এসময় আটক ৩১ জেলের জাল থেকে  ৭৫ কেজি মা ইলিশ, ৮টি নৌকা,  প্রায় ৫৫ লাখ মিটার কারেন্ট  জাল আটক করা হয়।   


এদিকে, গত ৬ দিনের অভিযানে  সবমিলিয়ে চাঁদপুর জেলায়  এ পর্যন্ত এক কোটি দশ লাখ মিটার কারেন্ট  জাল, ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার ১৫টি নৌকা এবং প্রায় চারশ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। এ সময় আটক করা হয়েছে ৮০ জন জেলেকে। অন্যদিকে, আটক দের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলাসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তরমুজ থেকে তৈরি হচ্ছে ‘গুড়’, নতুন সম্ভাবনার হাতছানি

তরমুজ থেকে তৈরি হওয়ায় গুড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘তোগুড়’

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ছোটবন্ড গ্রামে  কৃষক মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় তরমুজ থেকে গুড় উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। সেই উৎপাদিত গুড়ের নাম দিয়েছেন “তোগুড়”।

কৃষক মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল জানান, ২০১৯ সাল থেকে তিনি তরমুজ চাষ শুরু করে সফলতা পান। এরপর তরমুজের রস মিষ্টি এবং পাতলা বলে তা জ্বালিয়ে গুড় তৈরি করে সফল হন। 

তিনি আরও বলেন, “শুরুতে প্রায় তিন কেজি গুড় তৈরি করে পাড়া প্রতিবেশী, উপজেলা কৃষি অফিসারসহ অনেককেই খাইয়েছেন। আবার অনেকেই সে গুড় ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনতেও চেয়েছেন।”

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মোছাদ্দেক হোসেন জানান, আমাদের দেশের গুড় শিল্প দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, তাল ও খেঁজুর গাছের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি, গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য গাছির সংখ্যাও কমছে। এছাড়া, উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলগুলো তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তরমুজের মৌসুমের সময়ে কৃষকরা তরমুজের জন্য ন্যয্য মূল্য পান না। তাই তরমুজের গুড় কৃষিক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তাই বাণিজ্যিকভাবে তরমুজের গুড় তৈরি করলে কৃষকরা তার ন্যায্যমূল্য পাবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পদ্মায় ইলিশ ধরার সময় আটক ৫৫ জেলে

মুন্সিগঞ্জের পদ্মা নদীতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ ধরার সময় আটক করা হয়েছে ৫৫ জন জেলেকে। আটকদের মধ্যে ৩৭ জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে রোববার (১৭অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত লৌহজং উপজেলা সংলগ্ন পদ্মা নদীর বিভিন্ন অংশে ইলিশ রক্ষায় অভিযান চালায় উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। এতে সহায়তা করে নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

জানা যায়, অভিযানে ১ লাখ ২০হাজার মিটার কারেন্টজালসহ একটি মাছ ধরার নৌকা ও ২৫০কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। অভিযান শেষে দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করায় জেলেদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

jagonews24

লৌহজং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান আসাদ জাগো নিউজকে জানান, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যদের সহায়তায় নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশ ধরা বন্ধ করতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ৫৫ জেলেকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৭ জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকিদের মধ্যে ১৭ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অপর একজন প্রতিবন্ধী ছিলেন।

jagonews24

তিনি আরও জানান, দুপুরে জব্দ করা ইলিশ মাছ স্থানীয় বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। আর কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে আমন, শঙ্কা পোকার

ঝলমলে সোনা রাঙা রোদ পড়েছে সবুজ ধানক্ষেতে। যতদূর চোখ যায় দেখা মেলে শরতের বাতাসে দুলছে রোপা আমন ধান।কুষ্টিয়ায় এ বছর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চাষ হয়েছে এই ধান। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের মাঠে বেড়েছে পোকার উপদ্রব। পোকা নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন কৃষকরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর জেলার ছয়টি উপজেলায় ৮৮ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে ৭৯ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল উফশী, আট হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড এবং এক হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের রোপা আমন।

তবে চলতি মৌসুমে জেলায় ৮৮ হাজার ৮৯৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৭ হাজার ৩৮৮ হেক্টর জমিতে উফশী, ১০ হাজার ৪৭৪ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড এবং ১ হাজার ৩৩ হেক্টর জমিতে করা হয়েছে স্থানীয় রোপা আমনের আবাদ। দেখা গেছে, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে উফশী ধানের চাষ কম হলেও বেড়েছে অন্য জাতের ধানের আবাদ। এর মধ্যে ধান গবেষণা উদ্ভাবিত ও বিনা উদ্ভাবিত ৩৪ জাতের উফশী, ১২ জাতের হাইব্রিড ও ২টি স্থানীয় জাতের ধান চাষ করেছে কৃষকরা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার উচ্চ ফলনশীল জাতের মধ্যে স্বর্ণা (১১ হাজার ৯৪৭ হেক্টর), ব্রিধান-৪৯ (১০ হাজার ৪১৬ হেক্টর) ও ব্রিধান-৩৯ (১০ হাজার ১৫৩ হেক্টর) চাষ করা হয়েছে। হাইব্রিড ধানের মধ্যে রয়েছে ধানীগোল্ড (পাঁচ হাজার ৮২১ হেক্টর), এটুজেড-৭০০৬ (দুই হাজার ৫৫৪ হেক্টর) ও মাহিকো-১ (৫২০ হেক্টর)। এছাড়া কুষ্টিয়ার দুটি স্থানীয় জাত কালোজিরা ও বাদশা ভোগের চাষ হয়েছে এক হাজার ৩৩ হেক্টর জমিতে। আবার, মিরপুর উপজেলায় ৪৫ হেক্টর জমিতে এবং খাটোবাবু ও ভেড়ামারায় ৫০০ হেক্টর জমিতে শুরু হয়েছে রূপসা জাতের চাষ।

মাজরা পোকার আক্রমণে উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় চাষিরা।  ছবি: বাংলানিউজ

মাজরা পোকার আক্রমণে উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় চাষিরা। ছবি: বাংলানিউজ

জেলা কৃষি বিভাগের পরিসংখ্যান মতে, এ বছর জেলায় চার লাখ ৪৪ হাজার ৪৭৫ মেট্রিক টন রোপা আমন উৎপাদিত হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ থেকে পাওয়া যাবে দুই লাখ ৯৬ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন চাল। আবার, রোপা আমনে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম হলেও উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন চাষিরা। এবার জেলা জুড়ে দেখা গেছে মাজরা বা কারেন্ট পোকার উপদ্রব। কৃষকরা কীটনাশক দিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।

মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের কচুবাড়িয়া মাঠের প্রায় অধিকাংশ জমিতে দেখা গেছে পোকার উপদ্রব।

ওই এলাকার কৃষক দুলাল আলী বাংলানিউজকে বলেন, ‘রোপা আমন ধান বেশ ভালো হয়েছে। তবে মাজরা পোকা আক্রমণ করেছে খুব। কীটনাশক দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। ’

ফরিদুল ইসলাম নামে অপর এক কৃষক বলেন, ‘কয়েকদিন আগেও ধানের জমিতে গেলে মন ভরে যেতো। বেশ ভালো ফলন পাবো বলে আশা করেছিলাম। তবে এবার পোকার কারণে ফলন কম হতে পারে। ’

ভেড়ামারা উপজেলার ঠাকুর দৌলতপুর এলাকার কৃষক দেলোয়ার হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ‘আগের বছরের তুলনায় এবার মাজরা পোকার আক্রমণ বেশি। তবে খুব একটা ফলনের পার্থক্য হবে না। ’

এ বিষয়ে মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ঘোষ বাংলানিউজকে বলেন, আমরা কৃষকদের ফসলের উপকারী ও অপকারী পোকা চেনা উপায়, অধিক কীটনাশক ব্যবহার না করাসহ আধুনিক চাষাবাদ ও জৈব পদ্ধতি অবলম্বনে উৎসাহিত করছি। ধানের দাম বাড়ায় ও সরকারি প্রণোদনার ফলে কৃষকরা ধান চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

পোকার আক্রমণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বছর জলবায়ুর কারণে পোকার আক্রমণ একটু বেশি। তবে আমরা সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছি। ফলে পোকার আক্রমণ বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পোকায় ক্ষতির পরিমাণ কম হবে বলে মনে করি। ’

কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. হায়াত মাহমুদ বাংলানিউজকে বলেন,  ‘এ বছর রোপা আমনের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধানের আবাদ হয়েছে। আশা করছি উৎপাদনও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। ’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com