আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

অস্ট্রেলিয়ার ভয়াবহ দাবানলের শিউরে ওঠা কিছু মুহূর্তের ছবি

অস্ট্রেলিয়ায় মারাত্মক দাবানল দেশটির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত নিউ সাউথ ওয়েলস এবং ভিক্টোরিয়া জুড়ে ১২০০ ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ১৭জন। শুক্রবার থেকে রাজ্যটিতে সপ্তাহব্যাপী জরুরি অবস্থা চলছে।

  • ট্রেসি বার্গেস, ওয়াইল্ডলাইফ ইনফরমেশন, রেসকিউ এবং এডুকেশন সার্ভিসেস (ডাব্লুআইআরইএস) এর একজন স্বেচ্ছাসেবক, অস্ট্রেলিয়ার ব্লু মাউন্টেইনের কাছে আগুন থেকে ব্রাশটেল পোসামকে উদ্ধার করেন তিনি।

    ট্রেসি বার্গেস, ওয়াইল্ডলাইফ ইনফরমেশন, রেসকিউ এবং এডুকেশন সার্ভিসেস (ডাব্লুআইআরইএস) এর একজন স্বেচ্ছাসেবক, অস্ট্রেলিয়ার ব্লু মাউন্টেইনের কাছে আগুন থেকে ব্রাশটেল পোসামকে উদ্ধার করেন তিনি।

  • অব্যাহত দাবানল ভিক্টোরিয়ার মাল্লাকুটার আকাশকে লাল করে তোলে।

    অব্যাহত দাবানল ভিক্টোরিয়ার মাল্লাকুটার আকাশকে লাল করে তোলে।

  • নতুন বছরের শুরুতে উপগ্রহ থেকে ধারণ করা বেটসম্যানস বে-এর একটি ছবি।

    নতুন বছরের শুরুতে উপগ্রহ থেকে ধারণ করা বেটসম্যানস বে-এর একটি ছবি।

  • ইস্ট গিপসল্যান্ডে আগুন থেকে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

    ইস্ট গিপসল্যান্ডে আগুন থেকে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

  • ইস্ট গিপসল্যান্ডের মাল্লাকুটায় ক্ষতিগ্রস্থ একটি এলাকা।

    ইস্ট গিপসল্যান্ডের মাল্লাকুটায় ক্ষতিগ্রস্থ একটি এলাকা।

  • ইস্ট গিপসল্যান্ডের সার্সফিল্ডে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ বসতি।

    ইস্ট গিপসল্যান্ডের সার্সফিল্ডে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ বসতি।

  • ক্যান রিভার শহরের বাসিন্দাদের ইস্ট গিপসল্যান্ডের অরবস্টে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    ক্যান রিভার শহরের বাসিন্দাদের ইস্ট গিপসল্যান্ডের অরবস্টে সরিয়ে নেওয়া হয়।

  • দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বসতি।

    দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বসতি।

  • দাবানলের কারণে জরুরী অবস্থা জারি হওয়ায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জোর করে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে পারবে, রাস্তা বন্ধ করতে পারবে।

    দাবানলের কারণে জরুরী অবস্থা জারি হওয়ায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জোর করে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে পারবে, রাস্তা বন্ধ করতে পারবে।

  • দাবানলের ধোঁয়া। ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের ছবি।

    দাবানলের ধোঁয়া। ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের ছবি।

  • নওরা শহরের আশেপাশে গাছ কেটে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস।

    নওরা শহরের আশেপাশে গাছ কেটে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস।

  • নওরা শহরের আশেপাশে দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই করছে দমকলকর্মীরা।

    নওরা শহরের আশেপাশে দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই করছে দমকলকর্মীরা।

  • নওরা শহরের একটি আবাসিক এলাকা থেকে একটি ঘোড়া সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

    নওরা শহরের একটি আবাসিক এলাকা থেকে একটি ঘোড়া সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

  • নওরার আশেপাশে গাছে আগুন ধরার কারণে এর শিখা অনেক দূর ছড়িয়ে পড়ছে।

    নওরার আশেপাশে গাছে আগুন ধরার কারণে এর শিখা অনেক দূর ছড়িয়ে পড়ছে।

  • নববর্ষের আগের দিন কনজোলায় একটি ক্যাঙ্গারু জ্বলন্ত বাড়ির পাশ দিয়ে ছুটে যায়।

    নববর্ষের আগের দিন কনজোলায় একটি ক্যাঙ্গারু জ্বলন্ত বাড়ির পাশ দিয়ে ছুটে যায়।

  • নিউ সাউথ ওয়েলস শহরের জেরাওয়াঙ্গালায় একজন দমকলকর্মী আগুন নিরোধক ফোম স্প্রে করছেন।

    নিউ সাউথ ওয়েলস শহরের জেরাওয়াঙ্গালায় একজন দমকলকর্মী আগুন নিরোধক ফোম স্প্রে করছেন।

  • নিউ সাউথ ওয়েলসের কোবারগোতে একটি রাস্তার পাশে পুড়ে যাওয়া বসতির ধ্বংসাবশেষ।

    নিউ সাউথ ওয়েলসের কোবারগোতে একটি রাস্তার পাশে পুড়ে যাওয়া বসতির ধ্বংসাবশেষ।

  • নিউ সাউথ ওয়েলসের নওরা শহরের কাছে মানুষের বসতি বাঁচানোর চেষ্টায় একটি দমকলকর্মী গাছ ভেঙে ফেলছেন।

    নিউ সাউথ ওয়েলসের নওরা শহরের কাছে মানুষের বসতি বাঁচানোর চেষ্টায় একটি দমকলকর্মী গাছ ভেঙে ফেলছেন।

  • নিউ সাউথ ওয়েলসের বেগা শহরে একটি গৃহহারা পরিবার কাছের একটি আশ্রয় শিবিরে বসে আছে।

    নিউ সাউথ ওয়েলসের বেগা শহরে একটি গৃহহারা পরিবার কাছের একটি আশ্রয় শিবিরে বসে আছে।

  • নিউজিল্যান্ডের ওয়েস্টল্যান্ড তাই পাউতিনি জাতীয় উদ্যানের ফ্রাঞ্জ জোসেফ গ্লেসিয়ারের কাছে "ক্যারামেলাইজড" তুষার দেখা যায়। অস্ট্রেলিয়ান দাবানল থেকে সৃষ্টি ধুলাবালি থেকে এই ধরণের তুষারপাত হয়।

    নিউজিল্যান্ডের ওয়েস্টল্যান্ড তাই পাউতিনি জাতীয় উদ্যানের ফ্রাঞ্জ জোসেফ গ্লেসিয়ারের কাছে "ক্যারামেলাইজড" তুষার দেখা যায়। অস্ট্রেলিয়ান দাবানল থেকে সৃষ্টি ধুলাবালি থেকে এই ধরণের তুষারপাত হয়।

  • বেইটম্যানস বে'তে দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বাড়ি। যার সুইমিং পুলের আশেপাশে ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    বেইটম্যানস বে'তে দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বাড়ি। যার সুইমিং পুলের আশেপাশে ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

  • ব্লু মাউন্টেইন থেকে এই ক্যাঙ্গারুটি উদ্ধার করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

    ব্লু মাউন্টেইন থেকে এই ক্যাঙ্গারুটি উদ্ধার করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

  • ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকারের একটি ছবিতে দেখা গেছে যে ইস্ট গিপসল্যান্ডের বায়ার্নডেলে দাবানল নিয়ন্ত্রণে একটি হেলিকপ্টার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকারের একটি ছবিতে দেখা গেছে যে ইস্ট গিপসল্যান্ডের বায়ার্নডেলে দাবানল নিয়ন্ত্রণে একটি হেলিকপ্টার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

  • ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড অঞ্চলে বায়ার্নডেলের কাছে আগুনের লেলিহান শিখা।

    ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড অঞ্চলে বায়ার্নডেলের কাছে আগুনের লেলিহান শিখা।

  • ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের বেম নদী এবং ক্যান নদীর মাঝে শহরতলি দাবানলে জ্বলছে।

    ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের বেম নদী এবং ক্যান নদীর মাঝে শহরতলি দাবানলে জ্বলছে।

  • মোগো চিড়িয়াখানার বানর, পান্ডা, এমনকি একটি বাঘসহ সব প্রাণীদের উদ্ধার করে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    মোগো চিড়িয়াখানার বানর, পান্ডা, এমনকি একটি বাঘসহ সব প্রাণীদের উদ্ধার করে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

  • ট্রেসি বার্গেস, ওয়াইল্ডলাইফ ইনফরমেশন, রেসকিউ এবং এডুকেশন সার্ভিসেস (ডাব্লুআইআরইএস) এর একজন স্বেচ্ছাসেবক, অস্ট্রেলিয়ার ব্লু মাউন্টেইনের কাছে আগুন থেকে ব্রাশটেল পোসামকে উদ্ধার করেন তিনি।
  • অব্যাহত দাবানল ভিক্টোরিয়ার মাল্লাকুটার আকাশকে লাল করে তোলে।
  • নতুন বছরের শুরুতে উপগ্রহ থেকে ধারণ করা বেটসম্যানস বে-এর একটি ছবি।
  • ইস্ট গিপসল্যান্ডে আগুন থেকে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।
  • ইস্ট গিপসল্যান্ডের মাল্লাকুটায় ক্ষতিগ্রস্থ একটি এলাকা।
  • ইস্ট গিপসল্যান্ডের সার্সফিল্ডে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ বসতি।
  • ক্যান রিভার শহরের বাসিন্দাদের ইস্ট গিপসল্যান্ডের অরবস্টে সরিয়ে নেওয়া হয়।
  • দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বসতি।
  • দাবানলের কারণে জরুরী অবস্থা জারি হওয়ায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জোর করে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে পারবে, রাস্তা বন্ধ করতে পারবে।
  • দাবানলের ধোঁয়া। ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের ছবি।
  • নওরা শহরের আশেপাশে গাছ কেটে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস।
  • নওরা শহরের আশেপাশে দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই করছে দমকলকর্মীরা।
  • নওরা শহরের একটি আবাসিক এলাকা থেকে একটি ঘোড়া সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
  • নওরার আশেপাশে গাছে আগুন ধরার কারণে এর শিখা অনেক দূর ছড়িয়ে পড়ছে।
  • নববর্ষের আগের দিন কনজোলায় একটি ক্যাঙ্গারু জ্বলন্ত বাড়ির পাশ দিয়ে ছুটে যায়।
  • নিউ সাউথ ওয়েলস শহরের জেরাওয়াঙ্গালায় একজন দমকলকর্মী আগুন নিরোধক ফোম স্প্রে করছেন।
  • নিউ সাউথ ওয়েলসের কোবারগোতে একটি রাস্তার পাশে পুড়ে যাওয়া বসতির ধ্বংসাবশেষ।
  • নিউ সাউথ ওয়েলসের নওরা শহরের কাছে মানুষের বসতি বাঁচানোর চেষ্টায় একটি দমকলকর্মী গাছ ভেঙে ফেলছেন।
  • নিউ সাউথ ওয়েলসের বেগা শহরে একটি গৃহহারা পরিবার কাছের একটি আশ্রয় শিবিরে বসে আছে।
  • নিউজিল্যান্ডের ওয়েস্টল্যান্ড তাই পাউতিনি জাতীয় উদ্যানের ফ্রাঞ্জ জোসেফ গ্লেসিয়ারের কাছে "ক্যারামেলাইজড" তুষার দেখা যায়। অস্ট্রেলিয়ান দাবানল থেকে সৃষ্টি ধুলাবালি থেকে এই ধরণের তুষারপাত হয়।
  • বেইটম্যানস বে'তে দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বাড়ি। যার সুইমিং পুলের আশেপাশে ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
  • ব্লু মাউন্টেইন থেকে এই ক্যাঙ্গারুটি উদ্ধার করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।
  • ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকারের একটি ছবিতে দেখা গেছে যে ইস্ট গিপসল্যান্ডের বায়ার্নডেলে দাবানল নিয়ন্ত্রণে একটি হেলিকপ্টার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
  • ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড অঞ্চলে বায়ার্নডেলের কাছে আগুনের লেলিহান শিখা।
  • ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের বেম নদী এবং ক্যান নদীর মাঝে শহরতলি দাবানলে জ্বলছে।
  • মোগো চিড়িয়াখানার বানর, পান্ডা, এমনকি একটি বাঘসহ সব প্রাণীদের উদ্ধার করে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

জেনে নিন এই মরসুমে কোন কোন ঔষধি উদ্ভিদের চাষ আপনার জন্য সেরা

দেশের বিভিন্ন রাজ্যেই বর্ষার (Monsoon 2021) প্রভাবে চলছে বৃষ্টিপাত। এসময় কৃষকেরা খারিফ শস্য (Kharif Crops) বপনে তৎপর হয়ে ওঠেন। এই খরিফ মরসুমে কৃষকভাইরা সাধারণত অঞ্চলভেদে ধান, অড়হর, সোয়াবিন সহ বিভিন্ন চাষে মনযোগ দিয়ে থাকেন ৷ তবে এসব ছাড়াও, ঔষধি গুন সমৃদ্ধ (Medicinal Crops) গাছ চাষে বর্ষায় যে কতটা লাভ হতে পারে সে সম্পর্কে অনেকেই হয়তো জানেন না৷

বিশেষ করে বর্ষাকালেই এমন বহু ঔষধি গুন সম্পন্ন গাছ রয়েছে যাদের চাষ হতে পারে লাভজনক৷

বর্ষাকালে কোন কোন ঔষধি উদ্ভিদের চাষ করা যেতে পারে অথবা এই চাষ কীভাবেই বা করা যাবে সে বিষয়ে সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণেই অনেকের কাছে বিষয়টি অধরা৷ চলুন এই প্রতিবেদনে এমনই কিছু গাছ নিয়ে আলোচনা করা যাক যা কৃষকদের জন্য হতে পারে লাভদায়ক৷ তবে সঠিক সময়ে, সঠিক রোপন, সেচ, কীটনাশক দেওয়ার প্রয়োজন এগুলিতে, না হলে এর ওপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে৷

অশ্বগন্ধা –

বর্ষায় এর চাষ ভালো৷ জুন থেকে অগস্ট পর্যন্ত এর চাষ করতে পারেন৷ এর বিভিন্ন জাত রয়েছে৷ উন্নত মানের গাছের চাষে কৃষকের লাভের পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে পারে৷ উল্লেখ্য, প্রতি হেক্টরে ৫ কিলোগ্রাম বীজ ব্যবস্থা করতে হবে৷ যদি কেউ ১ হেক্টর জমিতে অশ্বগন্ধার চাষ করতে চায় তাহলে তাকে প্রায় ৫০০ বর্গমিটারে নার্সারি তৈরি করতে হবে৷ প্রায় ১ সেন্টিমিটার গভীরে বীজ বপন করতে হবে৷

শতমূলী –

শীত বাদ দিয়ে বছরের যে কোনও সময়ে এই গাছের চাষ করতে পারেন৷ বর্ষাকালে এই চারা রোপন করলে সহজেই তা বেড়ে উঠতে থাকে৷ তবে বীজ বপনের আগে বীজ ১ দিন পর্যন্ত হালকা গরম জলে ভিজিয়ে রাখতে হয়৷

যষ্টিমধু –

জুলাই থেকে অগস্ট পর্যন্ত এর চাষ করা হয়৷ আর তাই জুন থেকেই এর প্রস্তুতি শুরু করে দেন কৃষকেরা৷ জলনিকাশি ব্যবস্থা উচ্চমানের হওয়া প্রয়োজন এই গাছ চাষের জন্য৷ মনে রাখতে হবে এর চাষের আগে জমিতে কমপক্ষে ১৫ টন গোবর সার দেওয়া প্রয়োজন, এরপরেই এটি চাষ করা উচিত৷

ঘৃতকুমারী –

এর ভালো উৎপাদনের জন্য জলনিকাশি ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে৷ এই ধরনের ঔষধি গুনসম্পন্ন গাছ শীতকাল বাদ দিয়ে যে কোনও সময় চাষ করতে পারেন৷ বর্ষাকালে দূরত্ব রেখে বীজ বপন করতে হবে৷ কম সময়ের মধ্যেই ব্যবহারোপযোগী হয়ে ওঠে এগুলি৷

অগ্নিশিখা বা কলিহারি –

এটি চাষের জন্য কৃষকেরা জুন মাসেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন৷ জুলাইয়ে ভালো বৃষ্টিতে এর চাষ শুরু করা যেতে পারে৷ উল্লেখ্য, ১ হেক্টর জমির জন্য প্রায় ১০ ক্যুইন্টাল কন্দের প্রয়োজন৷ এটি চাষের আগেও জমিতে গোবর সার প্রয়োগ করে তা প্রস্তুত করে নিতে হবে৷

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

শিখে নিন টবে দারুচিনির চাষের কৌশল

পৃথিবীতে ভোজ্য মসলা যতরকম আছে তারমধ্যে দারুচিনি সবথেকে উল্লেখযোগ্য। এই প্রাচীনতম মসলা বহুদিন ধরে ওষধি হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে চলেছে। এছাড়াও খাবারে স্বাদ বাড়ানো থেকে শুরু করে, পানীয় এবং তরল মশলাদার খাবারে স্বাদ বাড়ানোর জন্যও এই দারচিনির ব্যবহার হয়। এলাচ, গোলমরিচ, লবঙ্গের সাথে সাথে দারুচিনির নামও মসলা হিসেবে একই পংক্তিতে উচ্চারিত হয়। বহু কৃষক দারুচিনির চাষ করে ভীষণভাবে উপকৃত হয়েছেন। বাজারে এই দারুচিনির চাহিদা প্রচুর পরিমানে থাকায়, এই চাষে ভালো লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও সৌখিন মানুষেরাও ভালোবেসে দারুচিনির চাষ বাড়িতে করে থাকেন। দারুচিনি গাছের বাকল, ফুল, কুঁড়ি, পাতা, ফল, শেকড় সবকিছুই কাজে লেগে যায়। দারুচিনি গাছ বাড়িতে চাষ করতে গেলে ঘরে ছাদে দুই জায়গাতেই চাষ করা যায়।

মনে রাখতে হবে এই চাষ করতে গেলে উপযুক্ত পরিমানে রোদ দরকার। বাংলার জলবায়ুতে মূলত শীতকালে এই চাষ করা সবথেকে ভালো। জানুয়ারি মাসে দারুচিনি গাছে ফুল ফোটা আরম্ভ করে, এবং এই গাছের ফল পাকতে আরম্ভ করে জুলাইয়ে। সেইসময়ই ফল থেকে বীজ সংগ্রহ করে নিয়ে এসে বাগানে বা টবে রোপন করে দেওয়া উচিত।

প্রয়োজনীয় রোদ (Sunlight)

কড়া সূর্যালোক দারুচিনি জন্য প্রয়োজনীয়, তাই এটি পর্যাপ্ত রোদ পাওয়া যায় এমন জায়গায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দারুচিনি রোপন করতে গেলে রৌদ্রোজ্জ্বল স্থান যেমন জানালার ধারে, ব্যালকনি কিংবা ছাদের খালি স্থান ব্যবহার করতে হবে।

উপযুক্ত মাটি (Soil)

দারুচিনি চাষের জন্য ভাল মানের মাটি ব্যবহার করা আবশ্যক। বাগানের মাটি ব্যবহার না করাই ভালো, কেননা এতে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। অনে সময় আমরা আশেপাশ থেকে মাটি নিয়েই টব ভরে গাছ লাগানো হয়।  বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংবেদনশীল গাছগুলোতে এই উপায় কার্যকরী হয় না। নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভাল এমন মাটি ব্যবহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে উত্তম নিষ্কাশনযুক্ত বেলে দোআঁশ মাটি ব্যবহার করা সবথেকে উত্তম। জেনে রাখা ভালো দারুচিনি খরা একদমই সহ্য করতে পারে না। মাটির বিকল্প হিসেবে ১৫% ট্রাইকোকমপোস্টযুক্ত কোকোডাস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।

বাইরে চাষ করার জন্য এক মিটার (৩০ সেন্টিমিটার গভীর) পর্যন্ত গর্ত করে মাটি দিয়ে পূরণ করে নিতে হবে। ঘরের ভিতরে বা ছাদবাগানের দারুচিনি চাষের জন্য একটি বড় পাত্র প্রয়োজন হবে।

রোপন (Planting)

দারুচিনির বীজ সংগ্রহও করা যায় অথবা নার্সারি থেকে দারুচিনির গাছ কিনেও আনা যায়।

বাইরে চাষের ক্ষেত্রে

দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ১ মিটার x ১ মিটার এবং ৩০ সেমি গভীরতায় খনন করে মাটি দিয়ে গর্তটি পূরণ করতে হবে।

ঘরের মধ্যে টবে রোপনের ক্ষেত্রে

নিচে গর্ত সহ বড় সিরামিক পাত্র (৬০ x ৫০ সেমি) ব্যবহার করতে হবে। পাত্রটি মাটি বা কোকোডাস্ট দিয়ে পূরণ করে নিতে হবে। ৩০ সেন্টিমিটার গভীরতা এবং ৩০ সেন্টিমিটার প্রস্থের একটি গর্ত তৈরি করতে একটি বাগান ট্রোয়েল ব্যবহার করে নেওয়া ভালো। বীজ ব্যবহার করলে  ১.৫ সেন্টিমিটার গভীর গর্ত তৈরি করে নেওয়া উচিত। এবার গাছটি গর্তের মধ্যে রেখে মাটি দিয়ে চাপা দিতে হবে। বীজ ব্যবহার করলে প্রতি ১.৫ সেমি গর্তে একটি করে বীজ পুঁততে হবে এবং মাটি দিয়ে বীজটি ঢেকে দিতে হবে।

মাটি সবসময় ভেজা রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল দিতে হবে। দারুচিনি গাছ পাত্রে রোপন করার পর, টবের নিচের গর্ত থেকে জল বের না হওয়া পর্যন্ত জল দিতে হবে। টবের উপরের ৫ সেন্টিমিটার শুকিয়ে গেলেই আবার গাছটিকে জল দিতে হবে।

গাছের পরিচর্যা (Caring)

দারুচিনি গাছে নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম বছর ৫০ গ্রাম টিএসপি, ৭৫ গ্রাম এমওপি ও ৫০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হবে। প্রতিবছর ২-৩ কেজি ট্রাইকোকম্পোস্ট ও সার প্রয়োগ শেষে একই হারে টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া দিতে হবে।

দারুচিনি প্রথম ধরতে দুই থেকে তিন বছর সময় নেয় এবং তার পরে প্রতি দুই বছর পরপরই ফসল দিতে থাকে। দারুচিনি গাছ কম করে ১০-১৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। তাই একে নিয়মিত করে ছোট রাখতে হবে। পাঁচ বছর বয়সী দারুচিনি গাছ থেকে নিয়মিত দারুচিনি সংগ্রহের ডাল পাওয়া সম্ভব। দারুচিনি ব্যবহার করার জন্য যে শাখাগুলি কাটা হবে সেগুলি থেকে বাকল তুলে নিতে হবে, বাকলগুলি ব্যবহার করার আগে জলে ভালোভাবে ভিজিয়ে নেওয়া উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

টবে লাগান মিষ্টি তেঁতুল গাছ

পৃথিবীতে জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, হারিয়ে যাচ্ছে বহু প্রাণী ও উদ্ভিদ বৈচিত্র। চাষবাসের জমিরও সংকুলান ঘটছে সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে। গগনচুম্বী বাড়ি ঘিরে ফেলছে সমস্ত ফাঁকা জমিন। শখ করে মানুষ খোলা জায়গায় যে গাছ লাগবে অথবা ফল-ফুলের চারা সেই উপায়ও আর নেই। গাছ লাগানোর জন্য সামান্য জায়গাও ফাঁকা থাকছে না আর। তবে আমাদের করণীয় কী? বৃক্ষরোপন কি তবে অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবে। বেঁচে থাকার জন্য তো গাছ লাগাতে হবেই। বাড়ির একটুকরো বারান্দা অথবা ব্যালকনিতেও সুন্দর ভাবে ইচ্ছা করলে গাছ লাগানো যায়। বাড়ির ছাদেও বানানো যায় সুন্দর বাগিচা। শহরের মানুষদের জন্য ছাদ বাগানের কোনও বিকল্পও নেই। বাড়ির মধ্যেকার ব্যালকনি অথবা ছাদের একটুকরো জমিতেও, ইচ্ছা করলে টবে চাষ করা যায় বিভিন্ন ফুলের ও ফলের গাছ।

শাকসবজি, পেয়ারা, লেবু প্রভৃতি দেশীয় গাছ টবে বাড়তে দেওয়া থেকে শুরু করে বর্তমানে বহু বিদেশী গাছের চারাও মানুষ ব্যালকনি অথবা ছাদে চাষ করছেন। তার মধ্যে থাই মিষ্টি তেঁতুল টবের চাষ পদ্ধতি হিসাবে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। প্রথমত মিষ্টি তেঁতুলের চাষ করতে গেলে, নার্সারি থেকে এই বিশেষ তেঁতুলের সঠিক বীজ নিয়ে আনতে হবে। তবে থাই মিষ্টি তেঁতুলের কলম পাওয়া একটু দুষ্কর কাজ। বুঝে সঠিক চারা নিয়ে আসা বাগান মালিকের উপরেই বর্তায়।

থাই মিষ্টি তেঁতুলের ফুল থেকে ফল ধরতে প্রায় ৭ মাস সময় লাগে। বছরে দু’বার থাই মিষ্টি তেঁতুলের গাছে ফল ধরে। প্রথমবার বর্ষাকালে এবং দ্বিতীয়বার শীতকালে। এই গাছের পরিচর্যা আলাদা করে করার কোনও দরকার পড়ে না। গাছের যত্নআত্তি নিতে হয় ঠিকই, কিন্তু তা বলে, আলাদা করে কোনও বিশেষ যত্ন নিতে হয় না।

গাছ লাগানোর পদ্ধতি (Planting):

থাই মিষ্টি তেঁতুল চাষের জন্য আদর্শ মাটি হল, দো-আঁশ বা বেলে দো-আঁশ মাটি। এই দু’টি মৃত্তিকার মধ্যে যে কোনও একটি বেছে নিন। তারপর বেছে নেওয়া মাটির দুই ভাগ অংশের সাথে গোবর, ১০০ গ্রাম, টিএসপি ১০০ গ্রাম, পটাশ, ২৫০ গ্রাম, হাড়ের গুঁড়ো এবং ৫০ গ্রাম সরিষার খোল একসঙ্গে মিশিয়ে ২০ ইঞ্চি মাপের বড় টবে জল মিশিয়ে রেখে দিতে হবে। ১০ থেকে ১২ দিন পর টবের মাটি ভালো করে খুঁচিয়ে দিয়ে আরও ৪-৫ দিন রেখে দিতে হবে। ৪ থেকে ৫ দিন বাদে মিষ্টি তেঁতুলের একটি ভালো চারা ওই টবে লাগান।

পরিচর্যা(Caring):

চারা লাগানোর প্রথম কয়েক মাস তেমন যত্নের দরকার পড়বে না। অবশ্যই গাছে এই সময়টুকু পর্যাপ্ত জলের যোগান, এবং আগাছা পরিষ্কারের কাজ করতে হবে।  ছয় মাস চারা লাগানোর সময়সীমা ফুরোলেই ১ মাস বাদে বাদে গাছে সরষের খোল মিশ্রিত পচা জল দিতে হবে। মনে রাখতে  হবে খোল দেওয়ার আগে গাছের মাটি খুঁচিয়ে নিতে হবে।

রোগ দমন (Disease management):

সাধারণত থাই মিষ্টি তেঁতুল গাছে পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা যায় না। কিন্তু বর্ষাকালে অনেক সময় তেঁতুল গাছে ছত্রাক হানা দেয়। এর ফলে তেঁতুল ফেটে যায়। এই অসুবিধার থেকে গাছকে বাঁচাতে হলে, বর্ষাকাল আসার আগেই ভালো ছত্রাকনাশক ওষুধ ১০ দিন অন্তর গাছে স্প্রে করে ছড়িয়ে দিতে হবে।

বাংলার বেজায় টক তেঁতুলের সঙ্গে থাই মিষ্টি তেঁতুলের কোনও তুলনাই চলে না। অত্যন্ত মিষ্টি খেতে এই তেঁতুল থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় চাষ প্রভূত পরিমাণে হলেও, আমাদের রাজ্য এই ফলের চাষ এখনও ততটা গতি পায়নি। কিন্তু আপনি আপনার ব্যালকনি অথবা ছাদে সহজেই এই থাই তেঁতুলের গাছ লাগাতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ছাদকৃষি

ছাদে বেদানা চাষের সহজতম পদ্ধতি

বেদানা খেতে কার না ভালো লাগে। ছোট থেকে বড় বেদনার প্রতি আকর্ষণ সব্বার। দানাদার এই ফলের বীজ মুখের মধ্যে দিলেই, সুমিষ্ট রোষে মন উতলা হয়ে ওঠে। স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে অত্যন্ত বলবর্ধক এই ফল, রুগীদের পথ্য হিসাবে আদর্শ। বাজারেও এর চাহিদা থাকায়, এই ফলের চাষ বহুল পরিমাণে আমাদের রাজ্যে হয়। তবে বাড়ির ছাদে এই ফলের চাষ নিয়ে অনেকেই ওয়াকিবহাল নন। সহজে, বুদ্ধিমত্ততার প্রয়োগে এই ফলের চাষ বাড়িতেও করা যায়। অনেকেই বাড়ির ছাদে ইদানিং এই ফলের চাষ নিয়ে মেতে উঠেছেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক, বাড়ির ছাদে বেদনা চাষের সহজতম পদ্ধতি। যা শিখে আপনি আপনার পাড়া-পড়শীকেও তাক লাগিয়ে দিতে পারবেন।

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

ছাদে বেদানার চারা লাগানোর জন্য প্রথমে ভালো মানের টব সংগ্রহ করতে হবে। গাছের গোড়ায় যাতে জল না জমতে পারে, তারজন্য টবের তলায় তিন থেকে চারটি ফুটো করে নিয়ে সেগুলি স্টোন চিপস দিয়ে ভালোভাবে বুজিয়ে দিতে হবে। ছাদে রোদ পড়ে এমন জায়গায় ডালিমের টবটিকে রাখতে হবে।

প্রস্তুতি কালে বেলে দোআঁশ মাটি ২ ভাগ, গোবর ১ ভাগ, টিএসপি ৪০-৫০ গ্রাম, পটাশ ৪০-৫০ গ্রাম এবং ২০০ গ্রাম হাড়ের চূর্ণ ভালো করে মিশিয়ে টবে জল দিয়ে প্রায় ১৫ দিন রেখে দিতে হবে। পনেরটা দিন কাটলে টবের মাটি খুঁচিয়ে আলগা করে দিতে হবে। এরপর ৫ থেকে ৬ এরকম আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। এরপরেই লক্ষ্য করা যাবে টবের মাটি ঝুরঝুরে হয়ে আসবে। ঠিক সেইসময় বেদানার কলমের চারা টবে পুঁততে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, সোজা করে বসিয়ে যেন বেদানার চারা রোপণ করা হয়। সরু লাঠি দিয়ে চারাটিকে এরপর বেঁধে দেওয়া উচিত। চারা রোপণের শুরুর দিকে জল অল্প দিলেই চলবে। পরবর্তী কালে জল দেওয়ার পরিমাণ চারাতে বাড়াতে হবে। গাছের গোড়ায় কখনোই যাতে জল না জমে তাতে নজর রাখা উচিত।

বেদানা গাছের চারা লাগানোর ৪-৫ মাস হয়ে গেলে, এক মাস অন্তর সরিষার খোল পচা জল গাছে দেওয়া উচিত। সরিষার খোল ১০ দিন ভালো রূপে জলে ভিজিয়ে নিয়ে সেই পচা খোলের জল হালকা ভাবে গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করে নিতে হবে। টবের কিছুটা মাটি ১ বছর হয়ে গেলে বদলে দিতে হবে। মাটি যখন বদলাতে হবে সেই সময়কাল বর্ষার শেষ ও শীতের আগে যাতে হয় তাতে খেয়াল রাখা উচিত। মাঝে মধ্যেই টবের মাটি খুঁচিয়ে উল্টে পাল্টে দেওয়া উচিত।

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

সার প্রয়োগ (Fertilizer)


বেদানার চারা বসানোর আগেই টবে দেওয়া মাটির গর্তে সার দিয়ে নিতে হবে। প্রত্যেক বছর নিয়ম করে এই । গর্ত করার ৮-১০ র প্রয়োগ করা উচিত, এতে গাছের ফলনের মান উন্নত হবে। নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ করলে বেদনা গাছের বৃদ্ধি দ্রুত হবে।

সারের নাম সারের পরিমাণ/গর্ত
কম্পস্টের গুঁড়া ৫০০ গ্রাম
ইউরিয়া ১৫০ গ্রাম
টিএসপি ১০০ গ্রাম
এমওপি ১০০ গ্রাম
জিপসাম ৭০ গ্রাম
১ বছর বয়সের প্রতিটি গাছে গোবর ১০ কেজি, ইউরিয়া ১২৫ গ্রাম, টিএসপি ১২৫ গ্রাম এবং পটাশ সার ১২৫ গ্রাম প্রয়োগ করতে হবে। প্রতি বছর সারের মাত্রা একটু করে বাড়াতে হবে। পূর্ণ বয়স্ক ১ টি গাছে ৬০ কেজি গোবর, ১.৫ কেজি ইউরিয়া, ১.৫ কেজি টিএসপি এবং ১.৫ কেজি এমওপি (মিউরেট অব পটাশ) সার প্রয়োগ করতে হবে। ওই পরিমাণ সার ২ বারে গাছে প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম বারে মে- জুন মাসে এবং দ্বিতীয় বারে সেপ্টেম্বর- অক্টোবর মাসে গাছের গোড়ায় সারগুলি প্রয়োগ করতে হবে।

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

ফল সংগ্রহ: (Harvest)

৩-৪ বছর বয়স থেকেই বেদনা গাছে ফল আসতে শুরু করে। ফল পাকতে প্রায় ৬ মাসের মতো সময় লাগে। পরিপুষ্ট ফলের খোসার রঙ হলদে বাদামি বর্ণ নিলেই ফল পেড়ে নিতে হবে। ফল গাছে বেশিদিন থাকলেই তা ফেটে যেতে পারে। বেদনার খোসা অত্যন্ত শক্ত হওয়ার জন্য এই ফল অনেকদিন জমিয়ে রাখা যায়।

ফলন:(Yield)


চার-পাঁচ বছর বয়স হয়ে গেলেই ডালিম গাছ ফল দিতে শুরু করে। তবে জেনে রাখা ভালো প্রথম দিকে এই গাছ ভালো ফলন দেয় না। গাছের বয়স ৮ থেকে১০ বছর হয়ে গেলেই পরিপুষ্ট ডালিম গাছে আসতে থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে ডালিম গাছের ফলনও বেড়ে যায়। সঠিক ভাবে পরিচর্যা করলে একটা বেদনা গাছ কম করে ২০০ টির মতন ফল দিতে পারে। কম করে ৩০ বছর বেদনা গাছ অত্যন্ত ভালো মানের ফলন দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

সহজ উপায়ে টবে লঙ্কা চাষ

রান্নাতে লঙ্কা না হলে, খাবার যেন ঠিক জমে না। খাদ্যে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ তৈরীতে এবং মসলা হিসাবেও লঙ্কা দেশ তথা গোটা বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন দেশে নানাবিধ লঙ্কার চাষ হয়ে থাকে। সৌখিন মানুষ যারা বাড়িতেও বিভিন্ন ধরনের চাষাবাদ টবে করে থাকেন, তারাও এই বিশেষ ধরনের সবজি অর্থাৎ লঙ্কার চাষ করতে ভীষণই পছন্দ করেন।

মাটি (Soil):

গোটা বছর ধরেই লঙ্কার চাষ করা যায়। শীতকাল নাগাদ এই চাষ করলে ফলন বেশি ভালো হয়। বাড়ির বাগান, ছাদে লঙ্কার চাষ অত্যন্ত সহজেই করা যায়। দো-আঁশ মৃত্তিকা লঙ্কা চাষের জন্য আদর্শ। গোবর সার, ইউরিয়া সার লঙ্কা গাছ টবে চাষ করার জন্য জৈব সার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

নার্সারির থেকে প্রথমে ভালো মানের লঙ্কা চারা কিনে আনতে হবে। মাটি ভালো করে তৈরী করে চারাগাছে বা বীজ বপন করতে হবে। শুকনো লঙ্কার বীজ ৬ ঘন্টার মতন ভিজিয়ে নিয়ে ভালো করে শুকিয়েও টবের মাটিতে পোঁতা যেতে পারে। অঙ্কুরোদ্গম এর ফলে ভালো হবে গাছে যাতে জল না জমে তার জন্য টবের নিচে ছোট ছিদ্র করে দেওয়া উচিত। যেই স্থানে আলো বাতাস পর্যাপ্ত পরিমানে থাকে সেখানে লঙ্কার গাছ করা উচিত

সার প্রয়োগ (Fertilizer):

লঙ্কা গাছ বাড়ির টবে করতে গেলে সবসময় জৈব উপায়ে করাই ভালো। রাসায়নিক সার না দিয়ে ঘরের উচ্ছিষ্ট সবজি খোসা পচাও জৈব সার হিসাবে লঙ্কা গাছে প্রয়োগ করা যায়। গাছের পরিচর্যা অবশ্যই ভালোবেসে করতে হবে। সময় করে জল দেওয়া থেকে শুরু করে, গাছের আগাছা দূর করা সব নিজের হাতেই করা উচিত। লক্ষ্য রাখতে হবে, জল দেওয়ার পর টবে যেন কখনোই জল না জমে।

কীটপতঙ্গ প্রতিকার (Pest Control):

ঠিকঠাক ভাবে যত্ন করলে একটি লঙ্কা গাছ দু’ দফায় কম করে ৫০ থেকে ৮০ টি লঙ্কা উৎপাদন করতে পারে। কৃষিক্ষেত্রে বেশি পরিমানে লঙ্কা চাষ করা হলে, মূল পচা, পাতা পচা, পাতা কুঁকড়ে যাওয়া, ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন রকমের রোগ দেখা যায়। স্বল্প পরিসর অর্থাৎ টবে চাষ করলে এই রোগগুলির তেমন প্রাদুর্ভাব ঘটে না। অনেক সময় টবের লঙ্কা চাষে, পিঁপড়েরা আক্রমণ করে থাকে। এই বিপদ থেকে গাছকে বাঁচাতে সাবান গুঁড়োর ব্যবহার করা যেতে পারে। অল্প পরিমানে সাবানের গুঁড়ো গাছে ছিটিয়ে দিলে পিঁপড়ে হানার থেকে গাছকে রক্ষা করা যায়।

এই পদ্ধতিতে লঙ্কা চাষ করলে, লঙ্কার উৎপাদনও ভালো হবে, সঙ্গে খাবার পাতে ঝালের অভাবও হবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com