আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

অস্ট্রেলিয়ার ভয়াবহ দাবানলের শিউরে ওঠা কিছু মুহূর্তের ছবি

অস্ট্রেলিয়ায় মারাত্মক দাবানল দেশটির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত নিউ সাউথ ওয়েলস এবং ভিক্টোরিয়া জুড়ে ১২০০ ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ১৭জন। শুক্রবার থেকে রাজ্যটিতে সপ্তাহব্যাপী জরুরি অবস্থা চলছে।

  • ট্রেসি বার্গেস, ওয়াইল্ডলাইফ ইনফরমেশন, রেসকিউ এবং এডুকেশন সার্ভিসেস (ডাব্লুআইআরইএস) এর একজন স্বেচ্ছাসেবক, অস্ট্রেলিয়ার ব্লু মাউন্টেইনের কাছে আগুন থেকে ব্রাশটেল পোসামকে উদ্ধার করেন তিনি।

    ট্রেসি বার্গেস, ওয়াইল্ডলাইফ ইনফরমেশন, রেসকিউ এবং এডুকেশন সার্ভিসেস (ডাব্লুআইআরইএস) এর একজন স্বেচ্ছাসেবক, অস্ট্রেলিয়ার ব্লু মাউন্টেইনের কাছে আগুন থেকে ব্রাশটেল পোসামকে উদ্ধার করেন তিনি।

  • অব্যাহত দাবানল ভিক্টোরিয়ার মাল্লাকুটার আকাশকে লাল করে তোলে।

    অব্যাহত দাবানল ভিক্টোরিয়ার মাল্লাকুটার আকাশকে লাল করে তোলে।

  • নতুন বছরের শুরুতে উপগ্রহ থেকে ধারণ করা বেটসম্যানস বে-এর একটি ছবি।

    নতুন বছরের শুরুতে উপগ্রহ থেকে ধারণ করা বেটসম্যানস বে-এর একটি ছবি।

  • ইস্ট গিপসল্যান্ডে আগুন থেকে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

    ইস্ট গিপসল্যান্ডে আগুন থেকে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

  • ইস্ট গিপসল্যান্ডের মাল্লাকুটায় ক্ষতিগ্রস্থ একটি এলাকা।

    ইস্ট গিপসল্যান্ডের মাল্লাকুটায় ক্ষতিগ্রস্থ একটি এলাকা।

  • ইস্ট গিপসল্যান্ডের সার্সফিল্ডে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ বসতি।

    ইস্ট গিপসল্যান্ডের সার্সফিল্ডে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ বসতি।

  • ক্যান রিভার শহরের বাসিন্দাদের ইস্ট গিপসল্যান্ডের অরবস্টে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    ক্যান রিভার শহরের বাসিন্দাদের ইস্ট গিপসল্যান্ডের অরবস্টে সরিয়ে নেওয়া হয়।

  • দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বসতি।

    দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বসতি।

  • দাবানলের কারণে জরুরী অবস্থা জারি হওয়ায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জোর করে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে পারবে, রাস্তা বন্ধ করতে পারবে।

    দাবানলের কারণে জরুরী অবস্থা জারি হওয়ায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জোর করে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে পারবে, রাস্তা বন্ধ করতে পারবে।

  • দাবানলের ধোঁয়া। ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের ছবি।

    দাবানলের ধোঁয়া। ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের ছবি।

  • নওরা শহরের আশেপাশে গাছ কেটে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস।

    নওরা শহরের আশেপাশে গাছ কেটে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস।

  • নওরা শহরের আশেপাশে দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই করছে দমকলকর্মীরা।

    নওরা শহরের আশেপাশে দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই করছে দমকলকর্মীরা।

  • নওরা শহরের একটি আবাসিক এলাকা থেকে একটি ঘোড়া সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

    নওরা শহরের একটি আবাসিক এলাকা থেকে একটি ঘোড়া সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

  • নওরার আশেপাশে গাছে আগুন ধরার কারণে এর শিখা অনেক দূর ছড়িয়ে পড়ছে।

    নওরার আশেপাশে গাছে আগুন ধরার কারণে এর শিখা অনেক দূর ছড়িয়ে পড়ছে।

  • নববর্ষের আগের দিন কনজোলায় একটি ক্যাঙ্গারু জ্বলন্ত বাড়ির পাশ দিয়ে ছুটে যায়।

    নববর্ষের আগের দিন কনজোলায় একটি ক্যাঙ্গারু জ্বলন্ত বাড়ির পাশ দিয়ে ছুটে যায়।

  • নিউ সাউথ ওয়েলস শহরের জেরাওয়াঙ্গালায় একজন দমকলকর্মী আগুন নিরোধক ফোম স্প্রে করছেন।

    নিউ সাউথ ওয়েলস শহরের জেরাওয়াঙ্গালায় একজন দমকলকর্মী আগুন নিরোধক ফোম স্প্রে করছেন।

  • নিউ সাউথ ওয়েলসের কোবারগোতে একটি রাস্তার পাশে পুড়ে যাওয়া বসতির ধ্বংসাবশেষ।

    নিউ সাউথ ওয়েলসের কোবারগোতে একটি রাস্তার পাশে পুড়ে যাওয়া বসতির ধ্বংসাবশেষ।

  • নিউ সাউথ ওয়েলসের নওরা শহরের কাছে মানুষের বসতি বাঁচানোর চেষ্টায় একটি দমকলকর্মী গাছ ভেঙে ফেলছেন।

    নিউ সাউথ ওয়েলসের নওরা শহরের কাছে মানুষের বসতি বাঁচানোর চেষ্টায় একটি দমকলকর্মী গাছ ভেঙে ফেলছেন।

  • নিউ সাউথ ওয়েলসের বেগা শহরে একটি গৃহহারা পরিবার কাছের একটি আশ্রয় শিবিরে বসে আছে।

    নিউ সাউথ ওয়েলসের বেগা শহরে একটি গৃহহারা পরিবার কাছের একটি আশ্রয় শিবিরে বসে আছে।

  • নিউজিল্যান্ডের ওয়েস্টল্যান্ড তাই পাউতিনি জাতীয় উদ্যানের ফ্রাঞ্জ জোসেফ গ্লেসিয়ারের কাছে "ক্যারামেলাইজড" তুষার দেখা যায়। অস্ট্রেলিয়ান দাবানল থেকে সৃষ্টি ধুলাবালি থেকে এই ধরণের তুষারপাত হয়।

    নিউজিল্যান্ডের ওয়েস্টল্যান্ড তাই পাউতিনি জাতীয় উদ্যানের ফ্রাঞ্জ জোসেফ গ্লেসিয়ারের কাছে "ক্যারামেলাইজড" তুষার দেখা যায়। অস্ট্রেলিয়ান দাবানল থেকে সৃষ্টি ধুলাবালি থেকে এই ধরণের তুষারপাত হয়।

  • বেইটম্যানস বে'তে দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বাড়ি। যার সুইমিং পুলের আশেপাশে ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    বেইটম্যানস বে'তে দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বাড়ি। যার সুইমিং পুলের আশেপাশে ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

  • ব্লু মাউন্টেইন থেকে এই ক্যাঙ্গারুটি উদ্ধার করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

    ব্লু মাউন্টেইন থেকে এই ক্যাঙ্গারুটি উদ্ধার করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

  • ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকারের একটি ছবিতে দেখা গেছে যে ইস্ট গিপসল্যান্ডের বায়ার্নডেলে দাবানল নিয়ন্ত্রণে একটি হেলিকপ্টার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকারের একটি ছবিতে দেখা গেছে যে ইস্ট গিপসল্যান্ডের বায়ার্নডেলে দাবানল নিয়ন্ত্রণে একটি হেলিকপ্টার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

  • ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড অঞ্চলে বায়ার্নডেলের কাছে আগুনের লেলিহান শিখা।

    ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড অঞ্চলে বায়ার্নডেলের কাছে আগুনের লেলিহান শিখা।

  • ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের বেম নদী এবং ক্যান নদীর মাঝে শহরতলি দাবানলে জ্বলছে।

    ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের বেম নদী এবং ক্যান নদীর মাঝে শহরতলি দাবানলে জ্বলছে।

  • মোগো চিড়িয়াখানার বানর, পান্ডা, এমনকি একটি বাঘসহ সব প্রাণীদের উদ্ধার করে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    মোগো চিড়িয়াখানার বানর, পান্ডা, এমনকি একটি বাঘসহ সব প্রাণীদের উদ্ধার করে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

  • ট্রেসি বার্গেস, ওয়াইল্ডলাইফ ইনফরমেশন, রেসকিউ এবং এডুকেশন সার্ভিসেস (ডাব্লুআইআরইএস) এর একজন স্বেচ্ছাসেবক, অস্ট্রেলিয়ার ব্লু মাউন্টেইনের কাছে আগুন থেকে ব্রাশটেল পোসামকে উদ্ধার করেন তিনি।
  • অব্যাহত দাবানল ভিক্টোরিয়ার মাল্লাকুটার আকাশকে লাল করে তোলে।
  • নতুন বছরের শুরুতে উপগ্রহ থেকে ধারণ করা বেটসম্যানস বে-এর একটি ছবি।
  • ইস্ট গিপসল্যান্ডে আগুন থেকে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।
  • ইস্ট গিপসল্যান্ডের মাল্লাকুটায় ক্ষতিগ্রস্থ একটি এলাকা।
  • ইস্ট গিপসল্যান্ডের সার্সফিল্ডে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ বসতি।
  • ক্যান রিভার শহরের বাসিন্দাদের ইস্ট গিপসল্যান্ডের অরবস্টে সরিয়ে নেওয়া হয়।
  • দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বসতি।
  • দাবানলের কারণে জরুরী অবস্থা জারি হওয়ায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জোর করে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে পারবে, রাস্তা বন্ধ করতে পারবে।
  • দাবানলের ধোঁয়া। ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের ছবি।
  • নওরা শহরের আশেপাশে গাছ কেটে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস।
  • নওরা শহরের আশেপাশে দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই করছে দমকলকর্মীরা।
  • নওরা শহরের একটি আবাসিক এলাকা থেকে একটি ঘোড়া সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
  • নওরার আশেপাশে গাছে আগুন ধরার কারণে এর শিখা অনেক দূর ছড়িয়ে পড়ছে।
  • নববর্ষের আগের দিন কনজোলায় একটি ক্যাঙ্গারু জ্বলন্ত বাড়ির পাশ দিয়ে ছুটে যায়।
  • নিউ সাউথ ওয়েলস শহরের জেরাওয়াঙ্গালায় একজন দমকলকর্মী আগুন নিরোধক ফোম স্প্রে করছেন।
  • নিউ সাউথ ওয়েলসের কোবারগোতে একটি রাস্তার পাশে পুড়ে যাওয়া বসতির ধ্বংসাবশেষ।
  • নিউ সাউথ ওয়েলসের নওরা শহরের কাছে মানুষের বসতি বাঁচানোর চেষ্টায় একটি দমকলকর্মী গাছ ভেঙে ফেলছেন।
  • নিউ সাউথ ওয়েলসের বেগা শহরে একটি গৃহহারা পরিবার কাছের একটি আশ্রয় শিবিরে বসে আছে।
  • নিউজিল্যান্ডের ওয়েস্টল্যান্ড তাই পাউতিনি জাতীয় উদ্যানের ফ্রাঞ্জ জোসেফ গ্লেসিয়ারের কাছে "ক্যারামেলাইজড" তুষার দেখা যায়। অস্ট্রেলিয়ান দাবানল থেকে সৃষ্টি ধুলাবালি থেকে এই ধরণের তুষারপাত হয়।
  • বেইটম্যানস বে'তে দাবানলে পুড়ে যাওয়া একটি বাড়ি। যার সুইমিং পুলের আশেপাশে ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
  • ব্লু মাউন্টেইন থেকে এই ক্যাঙ্গারুটি উদ্ধার করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।
  • ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকারের একটি ছবিতে দেখা গেছে যে ইস্ট গিপসল্যান্ডের বায়ার্নডেলে দাবানল নিয়ন্ত্রণে একটি হেলিকপ্টার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
  • ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড অঞ্চলে বায়ার্নডেলের কাছে আগুনের লেলিহান শিখা।
  • ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ডের বেম নদী এবং ক্যান নদীর মাঝে শহরতলি দাবানলে জ্বলছে।
  • মোগো চিড়িয়াখানার বানর, পান্ডা, এমনকি একটি বাঘসহ সব প্রাণীদের উদ্ধার করে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

পরিবেশ

২০ বছরে ২০ লাখ ইঁদুর নিধন

২০ বছরে ২০ লাখ ইঁদুর নিধন
২০ বছরে ২০ লাখ ইঁদুর নিধন: এই যন্ত্র দিয়েই ২০ বছরে ২০ লাখ ইঁদুর মেরেছেন মাগুরার হান্নান।

জানা যায়, প্রতিদিন একটি ইঁদুর ২৭ গ্রাম খাবার খায়। এছাড়া, প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ খাবার নষ্ট করে।

২০ বছরে ২০ লাখ ইঁদুর নিধন করেছেন মাগুরার কাঠমিস্ত্রী আব্দুল হান্নান। আর এর মাধ্যমে তিনি উপকার করে যাচ্ছেন কৃষকদের।

হান্নানের গল্পের শুরুটা এমন- একবার ১৫ মণ ধান কিনে ঘরে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু মাস পাঁচেক পরে মেপে দেখলেন সেখানে চার মণ ধান কম! বাড়িতে ইঁদুরের আনাগোনা দেখে যা বোঝার বুঝে গেলেন তিনি। 

এরপর থেকে তার মাথায় ঘুরতে লাগলো ইঁদুর নিধনের পরিকল্পনা। কাঠমিস্ত্রির কাজের অভিজ্ঞতা থেকে দিন কয়েকের চেষ্টায় একটি ইঁদুর মারার যন্ত্র বানিয়েও ফেলেন হান্নান। যন্ত্রের কার্যকারিতা বোঝা গেল মাত্র একমাসেই। এই ব্যবধানে তার বাড়ি হয়ে গেলো ইঁদুর মুক্ত। 

এ সাফল্য হান্নানকে ভাবালো অন্যভাবে। এবার তিনি শুরু করলেন এলাকার বাড়ি ও ফসলের মাঠগুলোর ইঁদুর নিধন। ৬ মাসের মধ্যে তার গ্রাম বড়খড়ি হলো ইঁদুর মুক্ত। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে দূর-দূরান্ত থেকে ডাক আসতে শুরু কর হান্নানের। এখন হান্নানের এ সাফল্য ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মাগুরা জেলায়।

হান্নান জানান, ২০১০ সালে সে ১ লাখ ৯০ হাজার ইঁদুর মেরে পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। পরের বছর আবারও তার এ সম্মান মেলে ২ লাখ ১০ হাজার ইঁদুর নিধনের জন্য। গত ২০ বছরে কমপক্ষে ২০ লাখ ইঁদুর নিধন করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

হান্নানের গ্রাম বড়খড়ির বাসিন্দা সাগর হোসেন বলেন, হান্নান একেবারেই নিঃস্বার্থভাবে সমাজের বিশেষ করে কৃষকদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। শুধু নিজ গ্রাম নয়, যখন যেখান থেকে ডাক আসে, ছুটে যান হান্নান। 

তিনি আরও বলেন, কোনও অ্যাকাডেমিক শিক্ষা না থাকলেও কাঠমিস্ত্রী হান্নান সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ। পুরো কাজটাই তিনি করেন কোনও রকম বিনিময় ছাড়া। নিজের বানানো যন্ত্রগুলোও তিনি রেখেছেন সবার জন্য উন্মুক্ত।

এ বিষয়ে হান্নান ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, এ কাজ আমার পেশা নয়, নেশা। সমাজের মানুষের জন্য সামান্য উপকারে আসতে পারলেই আমি নিজেকে ধন্য মনে করব। এভাবেই ফসলের শত্রু ইঁদুর নিধন করে মাধ্যমে সমাজের উপকার করতে চাই।

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, হান্নানের অনেক বড় কাজ করছে। প্রতিদিন একটি ইঁদুর ২৭ গ্রাম খাবার খায়। এছাড়া, প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ খাবার নষ্ট করে। 

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সারাদেশে প্রতিবছর ইঁদুর ৫৪ লাখ মানুষের খাদ্যশস্যের ক্ষতি করে। 

তাই হান্নানের এমন উদ্যোগকে উৎসাহিত করে দেশব্যাপী তার উদ্যোগের প্রচারণা প্রয়োজন বলে মনে করেন কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

চীন

করোনাভাইরাস মহামারির উৎস কি চীনে চোরাচালান হওয়া প্যাঙ্গোলিন থেকে?

প্যাঙ্গোলিন
প্যাঙ্গোলিন

প্যাঙ্গোলিন নামে একটি প্রাণী যা চোরাই পথে চীনে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করা হয় – তার দেহে এমন একটি ভাইরাস পাওয়া গেছে যা কোভিড নাইনটিনের সাথে ‘ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।’

প্যাঙ্গোলিন হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি চোরাই পথে পাচার হওয়া স্তন্যপায়ী প্রাণী।

এটা খাদ্য হিসেবে যেমন ব্যবহৃত হয়, তেমনি ব্যবহৃত হয় ঐতিহ্যবাহী ওষুধ তৈরির জন্য। ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে প্যাঙ্গোলিনের গায়ের আঁশের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং তাদের মাংসও চীনে একটি উপাদেয় খাবার বলে গণ্য করা হয়।

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. টমি ল্যাম বলেছেন, চীনে পাচার হওয়া মালয়ান প্যাঙ্গোলিনের মধ্যে এমন দুই ধরনের করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে – যা মানুষের মধ্যে দেখা দেয়া মহামারির সাথে সম্পর্কিত।

নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব প্রাণী নিয়ে নাড়াচাড়া করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক হওয়া প্রয়োজন, এবং ভবিষ্যতে করোনাভাইরাসের মতো কোন মারাত্মক রোগ বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমাতে হলে বুনো প্রাণীর বাজারে প্যাঙ্গোলিনের মত জন্তু বিক্রি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা উচিত।

তারা এটাও বলছেন যে , মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির ক্ষেত্রে প্যাঙ্গোলিনের ভুমিকা বুঝতে হলে আরো পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা প্রয়োজন।

“যদিও সার্স-কোভ-টু-র প্রাদুর্ভাবের সরাসরি ‘হোস্ট’ হিসেবে প্যাঙ্গোলিনের ভুমিকা আরো নিশ্চিত হবার দরকার আছে, তবে ভবিষ্যতে যদি এরকম প্রাণী-থেকে-মানুষে মহামারি ছড়ানো ঠেকাতে হয় তাহলে বাজারে এসব প্রাণীর বিক্রি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা উচিত” – বলেন ড. ল্যাম।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বাদুড়ের দেহেও করোনাভাইরাস আছে, এবং তার সাথে মানুষের দেহে সংক্রমিত ভাইরাসের আরো বেশি মিল আছে। কিন্তু একটি অংশ – যা মানুষের দেহের কোষ ভেদ করে ভেতরে ঢুকতে ভাইরাসটিকে সহায়তা করে – তার সাথে এর মিল নেই।

করোনাভাইরাস
করোনাভাইরাস

সহ-গবেষক সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এডওয়ার্ড হোমস বলেন, এর অর্থ হলো বন্যপ্রাণীদের মধ্যে এমন ভাইরাস আছে যা মানুষকে সংক্রমিত করার ক্ষেত্রে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে।

তিনি বলছেন,”করোনাভাইরাসের সাথে বাদুড়ের নিশ্চয়ই সম্পর্ক আছে, হয়তো প্যাঙ্গোলিনও সম্পর্কিত, তবে অন্য কোন প্রাণীর জড়িত থাকারও জোর সম্ভাবনা আছে।”

ঠিক কীভাবে ভাইরাসটি একটি জন্তুর দেহ থেকে বেরিয়ে অন্য একটি প্রাণীর দেহে এবং তার পর সেখান থেকে মানুষের দেহে ঢুকলো – তা এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে রহস্য হয়েই রয়েছে।

খুব সম্ভবত: হর্সশু প্রজাতির বাদুড় এবং প্যাঙ্গোলিন – দুধরণের প্রাণীই এতে জড়িত কিন্তু এর ঘটনাক্রম এখনো অজানা।

ডা. ল্যাম বলছেন, চোরাই পথে আসা মালয়ান প্যাঙ্গোলিনে এ ভাইরাস পাওয়া যাবার পর এই প্রশ্নটাও উঠছে যে – এই প্যাঙ্গোলিনের দেহেই বা ভাইরাস ঢুকলো কীভাবে? সেটা কি পাচারের সময় আশপাশে থাকা বাদুড় থেকে এসেছিল – নাকি দক্ষিণ পূর্ব-এশিয়ায় তাদের যে প্রাকৃতিক আবাসস্থল সেখানেই ঘটেছিল?

প্রাণী সংরক্ষণবিদরা বলছেন, এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত অবৈধ বন্যপ্রাণী পাচার রোধের জন্য সরকারগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।

চীন অবশ্য কোভিড নাইনটিন সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর বন্যপ্রাণীর মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিয়েছে, এবং ভিয়েতনামেও এমন কিছু পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।

লন্ডনের জুলজিক্যাল সোসাইটির অধ্যাপক এন্ড্রু কানিংহ্যাম বলছেন, এই গবেষণাপত্র থেকে একলাফে কোন সিদ্ধান্তে পৌছে যাওয়া ঠিক হবে না। তার কথায়, কোভিড নাইনটিনের উৎস আসলে এখনো অজানা। হয়তো এটা কোন প্রাকৃতিক প্যাঙ্গোলিন ভাইরাসই ছিল, বা হয়তো প্যাঙ্গোলিন ধরা এবং হত্যা করার সময় অন্য কোন প্রাণী থেকে এসেছিল।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

সাদা রঙের বিরল প্রজাতির এই জিরাফটি পৃথিবীতে এখন একা

সাদা রঙের বিরল প্রজাতির এই জিরাফটি পৃথিবীতে এখন একা
সাদা রঙের বিরল প্রজাতির এই জিরাফটি পৃথিবীতে এখন একা

সাদা রঙের এই বিরল প্রজাতির জিরাফ কয়েকদিন আগেও সংখ্যায় তিনটি ছিল। এদের মধ্যে দুটিকে শিকারিরা মেরে ফেলেছে। মা জিরাফ ও তার শাবককে কেনিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর গারিসায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিরল প্রজাতির এই সাদা জিরাফ শুধু কেনিয়াতেই আছে। এতদিন তারা সংখ্যায় তিনটি ছিল। শিকারিরা তার সঙ্গীকে আর বাচ্চাকে মেরে ফেলায় এখন পৃথিবীতে একা পুরুষ জিরাফটি।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা কেনিয়ার ইশাকবিনি হিরোলা কমিউনিটি কনজারভেন্সি নামের একটি সংগঠন বৃহস্পতিবার জানায়, সশস্ত্র শিকারিদের হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে সাদা প্রজাতির দুটি জিরাফ। জিরাফ দুটির কঙ্কাল পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে সংগঠনটির ম্যানেজার মোহাম্মদ আহমেদনূর বলেছেন, ইজারা (গারিসার একটি অঞ্চল) ও সমগ্র কেনিয়াবাসীর জন্য এটা একটি দুঃখজনক ঘটনা। আমরাই একমাত্র জাতি যারা বিরল প্রজাতির এই জিরাফের দেখভালের দায়িত্বে রয়েছি।

তিনি বলেন, বিরল ও একক প্রজাতির এই জিরাফের হত্যাকাণ্ড প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টার পদক্ষেপের ক্ষেত্রে একটি মারাত্মক আঘাত। একই সঙ্গে, এটি কেনিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের পর্যটন ও গবেষণা শিল্পের জন্য চরম আঘাত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের যেমন শ্বেত রোগের কারণে শরীরের রঙ সাদা হয়ে যায়, এই জিরাফের গায়ের রঙ কিন্তু সেভাবে সাদা হয়নি।

লিউসিজম প্রক্রিয়ায় এই সাদা রঙ পেয়েছে বিরল প্রজাতির এই জিরাফ। লিউসিজম প্রক্রিয়ার কাজ হলো টিস্যুর অভ্যন্তরে উজ্জ্বল রঙ তৈরি করা, যেমন-সাদা, ফ্যাকাশে ইত্যাদি।

বিরল প্রজাতির দুটি জিরাফকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল হিরোলা কমিউনিটি কনজারভেন্সির কর্মীরা। কারণ তারাই দেখভাল করছিলেন জিরাফ তিনটিকে। তারা বলেন, ‘তারা খুবই শান্ত প্রকৃতির ছিল এবং খুব কাছাকাছি গেলেও বিরক্ত হতো না। আমাদের কয়েক গজের মধ্যেই পায়চারী করতে মা জিরাফ আর এ সময় ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে পড়ত জিরাফ শাবক।’

এর আগে ২০১৬ সালে তানজানিয়ার একটি জাতীয় পার্কে সাদা রংয়ের জিরাফের দেখা পাওয়া যায় বলে কথিত রয়েছে। তবে ওই প্রাণীটির ভাগ্যে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

দ্য জিরাফ কনজারভেশন ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, ১৯৮০ সালের পর থেকে আফ্রিকায় জিরাফের সংখ্যা ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং কিছু কিছু অঞ্চলে ৯৫ শতাংশ কমে গেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ডেঙ্গুর মশা তাড়ানোর ওষুধ বানাবেন যেভাবে

 ডেঙ্গুর মশা তাড়ানোর ওষুধ বানাবেন যেভাবে
ডেঙ্গুর মশা তাড়ানোর ওষুধ বানাবেন যেভাবে

বর্তমানে ডেঙ্গুজ্বর মহামারি আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। হিমশিম খাচ্ছে দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। আতঙ্কে দিন-রাত পার করছে সর্বস্তরের জনগণ। এমন মুহূর্তে ডেঙ্গুজ্বরের ভাইরাস বহনকারী মশা তাড়ানোর ওষুধ বানানোর নিয়ম জানিয়েছেন ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখক ও গবেষক রবিশঙ্কর মৈত্রী।

জেনে নিন ঘরে বসেই কীভাবে বানাবেন মশা তাড়ানোর ওষুধ-

মশা তাড়ানোর ক্রিম: ছোট্ট একটি কৌটা বা কাচের বয়াম নিন। একটি মোমবাতি থেকে দুইশ গ্রাম মোম গুঁড়ো করে নিয়ে কৌটায় বা কাঁচের বোতল বা বয়ামে রাখুন। এবার ৩০ মিলি নিম তেল এবং ৩০ মিলি গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। সঙ্গে ৫০ মিলি পানিও পাত্রে ঢেলে দিন। একটি গামলায় ১ লিটার পানি ১০ মিনিট ধরে গরম করুন। গরম পানিতে নিম তেল, মোম ও পানিভর্তি পাত্রটি বসিয়ে রাখুন। লক্ষ্য করুন, পাত্রের মধ্যে মোম গলছে কি-না। যদি না গলে তাহলে গামলার পানি আরও একবার গরম করুন।

 ডেঙ্গুর মশা তাড়ানোর ওষুধ বানাবেন যেভাবে
ডেঙ্গুর মশা তাড়ানোর ওষুধ বানাবেন যেভাবে

গরম পানির গামলা থেকে সাবধানে নিম, তেল, গ্লিসারিন, মোম আরও পানি মেশানো পাত্রটি তুলে এনে টেবিলে রাখুন। ৫-৭ মিনিট পর পাত্রের মধ্যে লেবুর রস ৫ ফোঁটা এবং যে কোন পারফিউম বা সুগন্ধি ৫ ফোঁটা ঢেলে দিন। এবার ছোট্ট একটি চামচ দিয়ে পাত্রের মিশ্রণটি ৫-৭ মিনিট নাড়তে থাকুন। দেখবেন মশা তাড়ানোর ক্রিম তৈরি হয়ে গেছে। একটু মন্দ গন্ধযুক্ত হলেও সামান্য একটু ক্রিম হাতে পায়ে মেখে নিন। মশা আপনার ধারেকাছেও ভিড়বে না। মশা তাড়ানোর ক্রিম ফ্রিজে অথবা অপেক্ষাকৃত কম তাপমাত্রায় রাখতে হবে। তৈরির দিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত এ ক্রিম ব্যবহার করা যাবে।

নিম সাবান: শুধু এডিস মশা নয়, কোন মশা-মাছিই আপনার শরীরে বসবে না। যদি আপনি নিম পাতার পেস্ট অথবা নিম সাবান গায়ে মাখেন। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার শরীরে নিমের গন্ধ থাকবে ততক্ষণই আপনি মশা-মাছিমুক্ত থাকবেন। এছাড়া ঘরের কোণায় কোণায় নিম পাতা ছড়িয়ে রাখুন। তাহলে মশা-মাছি ঘরে ঢুকবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

জেনে নিন বাঁশের উপকারিতা

জেনে নিন বাঁশের উপকারিতা
জেনে নিন বাঁশের উপকারিতা

চিনা সভ্যতায় বাঁশ শুভশক্তির প্রতীক। বাড়ির আশেপাশে বা ভেতরে বাঁশ রোপণ তাদের ঐতিহ্য। তবে বাঙালি বাঁশ নিয়ে খুব সংবেদনশীল। সহজে বাঁশের ধারেকাছে যান না। আসুন তবে দেখে নেই বাঁশ রোপণের উপকারিতা।

জেনে নিন বাঁশের উপকারিতা
জেনে নিন বাঁশের উপকারিতা

১. বাড়িতে বাঁশ রোপণ করলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হয়।
২. কচি বাঁশের সবুজ রং দৃষ্টিশক্তি সতেজ রাখে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে স্নিগ্ধতা দেয়।
৩. সেরিব্রাল কর্টেক্স ও রেটিনার পক্ষে এ রং অতি উপকারী।
৪. বাঁশও এক ধরনের গাছ। বাঁশও অক্সিজেন ত্যাগ করে বাতাস শুদ্ধ করে।
৫. ভেতরে ফাঁপা ও বাইরে শক্ত এ গাছ নেগেটিভ এনার্জিকে প্রতিহত করে।
৬. ৩৫-১২০ বছরে বাঁশগাছে ফুল আসে। এ ফুল সৌভাগ্যের প্রতীক।
৭. ঋতু অনুযায়ী বাঁশের রং বদল ঘরের একঘেয়েমি দূর করে। মনকে সতেজ রাখে।
৮. বাড়ির ভেতরে বাঁশ রোপণ করলে তা অশুভ শক্তিকে প্রতিহত করে।

জেনে নিন বাঁশের উপকারিতা
জেনে নিন বাঁশের উপকারিতা

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com