আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

অদ্ভুত সামুদ্রিক ১০ প্রাণী

অদ্ভুত সামুদ্রিক ১০ প্রাণী নিয়ে এই অ্যালবাম সাজানো হয়েছে।

  • ইয়েটি ক্র্যাব : এই সমুদ্র কাঁকড়ার নামকরণ ঘটেছে কিংবদন্তির তুষার মানবের অনুষঙ্গে। এরা মূলত সমুদ্রের নীচের হাইপোথার্মাল অঞ্চলে বসবাস করে।

    ইয়েটি ক্র্যাব : এই সমুদ্র কাঁকড়ার নামকরণ ঘটেছে কিংবদন্তির তুষার মানবের অনুষঙ্গে। এরা মূলত সমুদ্রের নীচের হাইপোথার্মাল অঞ্চলে বসবাস করে।

  • উইডি সি ড্রাগন : অস্ট্রেলিয়ায় ভারত মহাসাগরের পূর্বদিকেই মুলত উইডি সি ড্রাগনের বাস। এটি এক প্রকার সামুদ্রিক মাছ। এদের শরীরে অনেক রঙের সমাহার থাকে।

    উইডি সি ড্রাগন : অস্ট্রেলিয়ায় ভারত মহাসাগরের পূর্বদিকেই মুলত উইডি সি ড্রাগনের বাস। এটি এক প্রকার সামুদ্রিক মাছ। এদের শরীরে অনেক রঙের সমাহার থাকে।

  • সি বাটারফ্লাই : গ্যাস্ট্রোপোড প্রজাতির এই প্রাণীটির এক জোড়া পাখনার মতো অঙ্গ থাকে যার জন্য এদেরকে অবিকল প্রজাপতির মতো দেখতে লাগে।

    সি বাটারফ্লাই : গ্যাস্ট্রোপোড প্রজাতির এই প্রাণীটির এক জোড়া পাখনার মতো অঙ্গ থাকে যার জন্য এদেরকে অবিকল প্রজাপতির মতো দেখতে লাগে।

  • নর্দান স্টারগেজার : সমুদ্রের তলার সবচেয়ে অদ্ভুত দেখতে প্রাণী হল নর্দান স্টারগ্যাজার। এই প্রাণীটি সমুদ্রের তলার বালির মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকে।

    নর্দান স্টারগেজার : সমুদ্রের তলার সবচেয়ে অদ্ভুত দেখতে প্রাণী হল নর্দান স্টারগ্যাজার। এই প্রাণীটি সমুদ্রের তলার বালির মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকে।

  • লিফি সি ড্রাগন : মুলত সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় লিফি সি ড্রাগন দেখতে পাওয়া যায়। এর গায়ে এক অদ্ভুত ক্যামোফ্লাজ দেখতে পাওয়া যায় যাকে বলে ‘লিফি’।

    লিফি সি ড্রাগন : মুলত সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় লিফি সি ড্রাগন দেখতে পাওয়া যায়। এর গায়ে এক অদ্ভুত ক্যামোফ্লাজ দেখতে পাওয়া যায় যাকে বলে ‘লিফি’।

  • হার্প স্পঞ্জ : আপাতদৃষ্টিতে সামুদ্রিক উদ্ভিদ বলে মনে হলেও, এটি একটি প্রাণী। সমুদ্রের তলায় একটি নির্দিষ্ট গভীরতায় অবস্থান করে।

    হার্প স্পঞ্জ : আপাতদৃষ্টিতে সামুদ্রিক উদ্ভিদ বলে মনে হলেও, এটি একটি প্রাণী। সমুদ্রের তলায় একটি নির্দিষ্ট গভীরতায় অবস্থান করে।

  • ফ্লাইং গানার্ড : ফ্লাইং গানার্ডের মুল বৈশিষ্ট হল এদের একজোড়া ডানা রয়েছে। তবে এরা উড়তে পারে না।

    ফ্লাইং গানার্ড : ফ্লাইং গানার্ডের মুল বৈশিষ্ট হল এদের একজোড়া ডানা রয়েছে। তবে এরা উড়তে পারে না।

  • ফায়ারলি স্কুইড : অদ্ভুদ এই প্রাণীটি সাধারণ স্কুইডের মতো দেখতে হলেও ফায়ারলি স্কুইড মূলত ৭.৬ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। এদের আয়ু ১ বছর।

    ফায়ারলি স্কুইড : অদ্ভুদ এই প্রাণীটি সাধারণ স্কুইডের মতো দেখতে হলেও ফায়ারলি স্কুইড মূলত ৭.৬ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। এদের আয়ু ১ বছর।

  • বাস্কেট স্টার : বাস্কেট স্টারকে অনেক সময়ে সেটল্যান্ড আর্গুসও বলা হয়ে থাকে। এরা গভীর সমুদ্রে বসবাস করে।

    বাস্কেট স্টার : বাস্কেট স্টারকে অনেক সময়ে সেটল্যান্ড আর্গুসও বলা হয়ে থাকে। এরা গভীর সমুদ্রে বসবাস করে।

  • অ্যাক্সোলোটল মেক্সিক্যান সালাম্যান্ড্যার : অদ্ভুত এই সামুদ্রিক প্রাণীটির নাম ‘অ্যাক্সোলোটল মেক্সিক্যান সালাম্যান্ড্যার’। এটি ‘মেক্সিক্যান ওয়াকিং ফিশ’ নামেও পরিচিত।

    অ্যাক্সোলোটল মেক্সিক্যান সালাম্যান্ড্যার : অদ্ভুত এই সামুদ্রিক প্রাণীটির নাম ‘অ্যাক্সোলোটল মেক্সিক্যান সালাম্যান্ড্যার’। এটি ‘মেক্সিক্যান ওয়াকিং ফিশ’ নামেও পরিচিত।

  • ইয়েটি ক্র্যাব : এই সমুদ্র কাঁকড়ার নামকরণ ঘটেছে কিংবদন্তির তুষার মানবের অনুষঙ্গে। এরা মূলত সমুদ্রের নীচের হাইপোথার্মাল অঞ্চলে বসবাস করে।
  • উইডি সি ড্রাগন : অস্ট্রেলিয়ায় ভারত মহাসাগরের পূর্বদিকেই মুলত উইডি সি ড্রাগনের বাস। এটি এক প্রকার সামুদ্রিক মাছ। এদের শরীরে অনেক রঙের সমাহার থাকে।
  • সি বাটারফ্লাই : গ্যাস্ট্রোপোড প্রজাতির এই প্রাণীটির এক জোড়া পাখনার মতো অঙ্গ থাকে যার জন্য এদেরকে অবিকল প্রজাপতির মতো দেখতে লাগে।
  • নর্দান স্টারগেজার : সমুদ্রের তলার সবচেয়ে অদ্ভুত দেখতে প্রাণী হল নর্দান স্টারগ্যাজার। এই প্রাণীটি সমুদ্রের তলার বালির মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকে।
  • লিফি সি ড্রাগন : মুলত সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় লিফি সি ড্রাগন দেখতে পাওয়া যায়। এর গায়ে এক অদ্ভুত ক্যামোফ্লাজ দেখতে পাওয়া যায় যাকে বলে ‘লিফি’।
  • হার্প স্পঞ্জ : আপাতদৃষ্টিতে সামুদ্রিক উদ্ভিদ বলে মনে হলেও, এটি একটি প্রাণী। সমুদ্রের তলায় একটি নির্দিষ্ট গভীরতায় অবস্থান করে।
  • ফ্লাইং গানার্ড : ফ্লাইং গানার্ডের মুল বৈশিষ্ট হল এদের একজোড়া ডানা রয়েছে। তবে এরা উড়তে পারে না।
  • ফায়ারলি স্কুইড : অদ্ভুদ এই প্রাণীটি সাধারণ স্কুইডের মতো দেখতে হলেও ফায়ারলি স্কুইড মূলত ৭.৬ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। এদের আয়ু ১ বছর।
  • বাস্কেট স্টার : বাস্কেট স্টারকে অনেক সময়ে সেটল্যান্ড আর্গুসও বলা হয়ে থাকে। এরা গভীর সমুদ্রে বসবাস করে।
  • অ্যাক্সোলোটল মেক্সিক্যান সালাম্যান্ড্যার : অদ্ভুত এই সামুদ্রিক প্রাণীটির নাম ‘অ্যাক্সোলোটল মেক্সিক্যান সালাম্যান্ড্যার’। এটি ‘মেক্সিক্যান ওয়াকিং ফিশ’ নামেও পরিচিত।

পরিবেশ

চিকিৎসা অবহেলায় মারা গেল চিত্রা হরিণটি

ফেনীর লোকালয় থেকে উদ্ধারকৃত চিত্রা হরিণটি চিকিৎসা অবহেলায় মারা গেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হরিণটি মারা যায়। বন বিভাগের সোনাগাজী উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন মুন্সী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সোনাগাজীর চরচান্দিয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে হরিণটি উদ্ধার করে এলাকাবাসী।

রেঞ্জ কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন মুন্সী বলেন, আটক করার সময় চিত্রা হরিণটি সামান্য আহত হয়েছিল। হরিণটি চিকিৎসা ও অবমুক্ত করা জন্য বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আমার কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয় । হরিণটি বুঝিয়ে নেয়ার পর দ্রুত জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়। কিন্তু জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসটি বন্ধ পাই। চিকিৎসকের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কোনো চিকিৎসক পাওয়া যায়নি। ফলে আহত হরণটি বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।

বন বিভাগের ফেনী সদর উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাস বলেন, হরিণটা ধরার সময় আহত হয়েছিল। এর পর দীর্ঘ সময় সোনাগাজী মডেল থানায় চিকিৎসাহীন অবস্থায় পড়ে ছিল। বুধবার মৃত হরিণটির ময়নাতদন্ত করা হবে।

সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল পারভেজ বলেন, হরিণটির মৃত্যুর জন্য কারও দায়িত্ব অবহেলা আছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ছুরি নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে কাঁকড়া!

ছুরি নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে কাঁকড়া!

কোন মানুষ ছুরি নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, এমন ঘটনার কথা প্রায়ই শোনা যায়। এটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু ভেবে দেখুন তো এই একই কাণ্ড করছে একটি কাঁকড়া। তাহলে কেমন হবে?

একটি ছুরি নিয়ে তা দিয়ে বার বার মানুষজনকে ভয় দেখাচ্ছে কাঁকড়া। অবাস্তব মনে হলেও বাস্তবে ঠিক এমনটাই ঘটেছে।

ব্রাজিলের একটি রেস্তোরাঁয় এমন ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন সেখানকার লোকজন। কাঁকড়াটি ছুরি নিয়ে দৌড়াচ্ছিল। শুধু দৌড়াচ্ছে তাও না, রীতিমতো ভয়ও দেখাচ্ছিল। এমন অভিনব দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করেন অনেকেই।

সামাজিক মাধ্যমে ওই ভিডিও প্রকাশ হতেই তা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গেছে। তবে কোনও একটা ফিল্মের শুটিংয়ের জন্যই নাকি ব্যবহার করা হয়েছিল বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ওই কাঁকড়াটিকে। আর সেও নিখুঁতভাবে ছুরি নিয়ে সবাইকে ভয় দেখিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

লোকালয় থেকে লজ্জাবতী বানর উদ্ধার

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গিয়াসনগর থেকে বিলুপ্ত প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মৌলভীবাজার মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) অলিউল হাসান জাগো নিউজিকে জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার পরপর গিয়াসনগর ইউনিয়নের গুমরা এলাকায় একটি লজ্জাবতী বানর লোকালয়ে চলে আসে। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি থানায় জানালে আমরা সেখানে গিয়ে বানরটি উদ্ধার করে থানায় আনি। পরে মৌলভীবাজারের বিট অফিসার মো. আনিসুজ্জামানের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি জানিয়েছেন বানরটিকে সংরক্ষিত অঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।

প্রাণিজগতের আলোকচিত্রী ও বণ্যপ্রাণী গবেষক আদনান আজাদ আসিফ জাগো নিউজকে জানান, বন ধ্বংস এবং বনে খাদ্যের অভাবের কারণে বন্যপ্রাণীরা লোকালয়ে চলে আসে।

তিনি আরো জানান, লজ্জাবতী বানর নিশাচর প্রাণী। বছরে একবার একটি করে বাচ্চা দেয়। ইংরেজি নাম Slow loris এবং বৈজ্ঞানিক নাম Nzcticebus coucang। গহীন সবুজ বনের ভেতরে লম্বা গাছের মগডাল থেকে গাছের কচিপাতা, গাছের আটা, কষ, ছোট ছোট পোকামাকড়, ছোট পাখি ও এবং বিভিন্ন প্রাণীদের ডিম এদের খাদ্যের তালিকায়ে রয়েছে। তবে অন্য বানরের মতো হাত দিয়ে খায় না এরা। পাখির মতো সরাসরি মুখ লাগিয়ে খায়। খুব শান্ত স্বভাবের।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বিড়ালের দরজা খোলার ভিডিও ভাইরাল

কুকুর বুদ্ধিমান প্রাণি। নানা কাজে বুদ্ধি খাটিয়ে মানবজাতিকে প্রায়ই অবাক করে দেয় এই প্রাণিটি। তবে শুধুই কি কুকুর বুদ্ধিমান, আরও কোনো প্রাণি নেই? আরেক পোষা প্রাণি বেড়ালকে সাধারণত আমরা আরামপ্রিয় বলেই জানি। বেচারা দিনে ১৮ ঘণ্টায়ই ঘুমে কাটিয়ে দেয়।

তবে সম্প্রতি অলস এই প্রাণিটির একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ২৬ এপ্রিল শেকিলাহ জোনস নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী শেয়ার করেন দুটি ভিডিও ক্লিপ। ভিডিও দুটিতে দেখা যায়, একটি কালো বেড়াল একটি বাসার দরজার বাইরে একটি স্টিলের পাইপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সিঁড়ির রেলিংয়ে পেছনের দুই পা রেখে সামনের পায়ের ওপর ভর করে দরজার হাতলের ওপর হাত রেখেছে সে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর সবাইকে অবাক করে দিয়ে এক পা বাড়িয়ে দরজার কড়া নাড়তে শুরু করে বেড়ালট।

তবে শেষ পর্যন্ত বেড়ালের ডাকে কেউ সাড়া দিয়ে দরজা খুলেছিলেন কিনা, তা অবশ্য ভিডিওতে দেখা যায়নি।

মুহূর্তের মধ্যে বুদ্ধিমান এই বেড়ালের ভিডিও দুটি ভাইরাল হয়ে যায় অনলাইনে।

শেকিলাহ অবশ্য কখন কোথায় এই ঘটনা ঘটেছে, তা জানাননি। মাত্র তিন দিনে একটি ভিডিও দেখা হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ বার। ৪৬ হাজার শেয়ারের পাশাপাশি পোস্টে মন্তব্য করেছেন ১২ হাজার ব্যক্তি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

মানুষের মতোই ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে এই শিম্পাঞ্জি

আধুনিক জীবনযাত্রায় নিত্যদিনের সঙ্গী স্মার্টফোন। ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা পর্যন্ত চরম ভক্ত এই প্রযুক্তিপণ্যের। তাই বলে কখনো কি শুনেছেন মানুষের মতো পশুও স্মার্টফোন ব্যবহার করে? শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

নিউজে যে শিম্পাঞ্জিটা দেখছেন সে কিন্তু দিব্যি মানুষের মতো স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারে। এখানেই শেষ নয়; মানুষের মতো তার একটা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও রয়েছে।

সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, স্মার্টফোনে নিজের ভিডিওগুলো দেখতে মগ্ন শিম্পাঞ্জি। নিজেই স্ক্রল করে নিচে নামছে। ইচ্ছেমতো ছবি ও ভিডিও দেখছে। কোনো কোনো ছবি স্কিপ করছে।

পশু সংরক্ষণবাদী মাইক হলস্টন নামের এক ব্যক্তি কয়েক দিন আগে ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করেন। ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি এ পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি দেখা হয়েছে। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যম রেডিট ও টুইটারে। এসব মাধ্যমে ভিডিওটি দেখা হয়েছে ৬০ লাখের বেশি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com